Groups
Groups

Fw: পথ নির্দেশনা আসে শুধুমাত্র আল্লাহর নিকট থেকে!

2 views
Skip to first unread message

dmkama...@gmail.com

unread,
Mar 7, 2017, 2:47:38 AM3/7/17
to ssmc-10, abdul alim khan, (via Twitter)


Sent from my Huawei Mobile


-------- Original Message --------
Subject: পথ নির্দেশনা আসে শুধুমাত্র আল্লাহর নিকট থেকে!
From: 'Abdus salam arif' via icdbd
To: Icdbd
CC:


37তম পর্ব – 25/2/২০১৭  
পথ নির্দেশনা আসে শুধুমাত্র আল্লাহর নিকট থেকে!
আজকাল ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আমাদের অনেক মুসলিমদের মনেই একটা প্রশ্ন উঁকি দেয়। ইসলামে আল্লাহ যদি এক হয়, কুরআন যদি এক হয়, নবী যদি এক হয়, তবে আজ পৃথিবীতে মুসলিমদের মধ্যে এত বিভক্তি কেন? আর ঐ ইসলামেই বা কেন এত মত পার্থক্য? কত ধরনের যে ফিরকা। কেউ বিশ্বাস করে এটা, তো কেউ বিশ্বাস করে ওটা, আজ এই আলেম বলে এটা, তো ঐ আলেম বলে ওটা। একই বিষয়ে কেউ যদি দেয় এই ফাত্ওয়া, তো আরেকজন দেয় অন্য ফাত্ওয়া। সুতরাং আমি কি এটা অনুসরণ করবো না ওটা অনুসরণ করবো? কেউ বলে এটা হারাম, তো কেউ বলে ওটা হালাল। সব কিছুই কেমন সন্দেহমূলক এবং গোলমেলে। ফলে একই ইসলামের অনুসারী হয়েও একেকদল একেকভাবে তা অনুসরণ করার প্রয়াসে লিপ্ত। তাই অনেকেই ইসলাম ধর্মের অনুসারী হয়েও এ বিষয়ে এক রকম নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ে বা অন্তরে ভীতি এবং সন্দেহ নিয়ে অন্ধের মত ধর্ম মেনে চলে বা একেবারেই ধর্মের পথে পা বাড়ায় না। অথবা চিন্তা করে এত গোলমেলে পরিবেশে আমি কীভাবে সঠিক ইসলামের পথের দিশা বা হদিস পাব? কীভাবে আমি বুঝবো আমি কি সঠিক জিনিস অনুসরণ করছি বা ঠিক পথে আছি, না ভুল পথে আছি? প্রকৃতপক্ষে আমি কি জানবো বা আমার কী জানা উচিত। চারিদিকে এত বেশী ইসলামিক ধর্মীয় তত্ত্ব, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইসলামের শত্রুদের ইসলামের নামে ভুল তত্ত্ব প্রচার এবং এর ছড়াছড়ি, তাই কোনটা রেখে কোনটা ধরি? কীভাবে নির্বাচন করবো প্রকৃত সত্য ইসলাম কোনটা?
এটা সত্য কথা আমরা আজ বিশ্বে এমন এক সময়ে বাস করছি যাকে ইনফরমেশন টেকনোলজির যুগ বলা হয়। প্রতি মুহূর্তে যেখানে তথ্য দিয়ে সারা বিশ্বকে বিশেষ করে ইসলাম ধর্মকে লক্ষ্যবস্তু করে সাংঘাতিকভাবে বোমাবাজি, দেশদখল, ভূসম্পত্তি তছরূপ, প্রতারণা, অপপ্রচার চালিয়ে, ব্যক্তিগত, দলীয় এবং পার্থিব সুবিধা অর্জন করার সর্ব পর্যায়ে ব্যাপক চেষ্টা চলছে। বিশ্বের অন্য দেশের কথা না হয় বাদই দিলাম। শুধু আমাদের বাংলাদেশী  মুসলিমদের মধ্যেই ইসলাম শিক্ষার বিষয়ে কত পার্থক্য। আমরা যে ধর্ম শিখছি শিক্ষা কেন্দ্রে বা মসজিদের ইমামের কাছে বা বাসায় তার মধ্যেই কত মত পার্থক্য। স্কুলে একরকম তো মাদ্রাসায় আর একরকম। আবার বাড়ির ইমামের কাছে আরেক রকম তো পিতা-মাতার কাছে আরেকরকম। কেমন করে আমি বুঝবো যে আমি সঠিক ইসলাম অনুসরণ করছি কি না? সুতরাং ইন্টারনেটের ইউটিউব, গুগল অথবা স্কুল, মাদ্রাসা, ইমাম ইত্যাদি আমাকে আপনাকে সঠিক পথ দেখাতে পারে না। কারণ ইসলামের পথে মানুষের পথ নির্দেশনা অন্য কোন জায়গা থেকে আসে না, আসে শুধুমাত্র আল্লাহর তরফ থেকে। সেক্ষেত্রে আপনি যেখানেই যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন আপনি সঠিক ইসলামের পথের দিশা পাবেনই। যদি আমি আপনি ইসলামের সঠিক পথের দিশা পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে আন্তরিক হই এবং আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি ইসলামের সঠিক পথের দিশার জন্য। আর যখন আমি আপনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর কাছে সঠিক পথের দিশা চাচ্ছি, তখন কিন্তু আপনাকে আমাকে আর সন্দেহ বা বিচলিত হতে হবে না। কারণ আপনি আমি নিশ্চিত বিশ্বাসে নিশ্চিত থাকতে পারি যে আল্লাহ সঠিক পথের দিশা দিবেনই দিবেন।
আল্লাহ মানুষের জন্য তাঁর পথ নির্দেশনার দরজার ব্যাপ্তি অনেক বড় করে রেখেছেন। আমাদেরকে শুধু আন্তরিকভাবে চাইতে হবে। এটাই যথেষ্ট, অন্য কিছু নয়। এ প্রসঙ্গে আমরা পবিত্র কুরআনে সূরা-কাহফে দেখতে পাই আসহাবুল কাহফের যুবক যাদের পাশে ছিল না কোন ঐশী গ্রন্থ, কোন নবী, সাহাবী, আলেম বা ধর্মীয় শেইখ বা ইসলাম সম্পর্কে কোন তথ্য বা উপাত্ত। বরং তাঁদের চারিপাশের সমাজের মানুষেরা মূর্তি পূজায় বুঁদ হয়েছিল। জড়িয়ে পড়েছিল সাংঘাতিকভাবে শিরক সম্পর্কীয় কাজে কর্মে। কিন্তু এতকিছুর পরেও সেই সমাজে বসবাস করেও এই যুবকদের অন্তরে শুধু এটুকু বিশ্বাস দৃঢ় ছিল যে আল্লাহ ব্যতীত আর কোন উপাস্য থাকতে পারে না বা হতে পারে না। এমনকি তাঁরা জানতো না পর্যন্ত যে তাঁদের মনের এই আন্তরিক কথাটি কীভাবে বলতে হবে বা কীভাবে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে হবে। যে কথাটি পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে এভাবে, ‘আমাদের রব আসমান ও জমিনের রব আমরা কখনও তাঁকে ছেড়ে অন্য কোন উপাস্যের ইবাদত করবো না, যদি করে বসি, তবে তা হবে অত্যন্ত গর্হিত কাজ।’ সূরা-কাহফ, আয়াত-২৪। আর তাঁদের সঠিক পথ নির্দেশনা প্রাপ্তির জন্য আল্লাহর কাছে তাঁদের শুধুমাত্র একথাটাই যথেষ্ট ছিল। এই জন্য আল্লাহকে তাঁদের কাছে কোন ঐশী জ্ঞান বা কোন অহি পাঠাতে হয় নাই বা তা পাঠানোর প্রয়োজনও পড়ে নাই।  সবকিছু তত্ব বা তথ্য বা অন্য কোন তথ্য প্রযুক্তির যোগাযোগ ছাড়া আল্লাহ তাঁদেরকে এমনভাবে সঠিক পথের সন্ধান দিলেন যে, আজকের যুগে যারা ধর্ম নিয়ে বছরের পর বছর ব্যাপক গবেষণা করছেন, লেখাপড়া করছেন, তাঁরা পর্যন্ত এই যুবকদের জীবন কাহিনী নিয়ে তফসির পড়ছেন সঠিক পথের দিশা পাওয়ার জন্য, অথচ এ সমস্ত ধর্মীয় গবেষকদের তুলনায় আসহাবে কাহাফের ঐ যুবকদের সত্য পথের কোন জ্ঞানই ছিল না। এর কারণ কী? তাঁর উত্তরে বলতে হয় তাঁরা সঠিক পথের দিশা পেয়েছিল স্বয়ং আল্লাহর নিকট থেকে, শুধুমাত্র তাঁদের আন্তরিক ইচ্ছার জন্য। সুতরাং এখান থেকে প্রমাণিত হচ্ছে আমরা যে অবস্থাতেই থাকি না কেন বা যত খারাপ বা হতাশা ব্যাঞ্জক পরিস্থিতির মধ্যেই থাকি না কেন সঠিক পথের জন্য আমাদের আন্তরিক ইচ্ছা থাকলেই আল্লাহর কাছে তা যথেষ্ট সঠিক পথের সন্ধান দেওয়ার জন্য। আর অন্য কিছুর প্রয়োজন নাই। কারণ আমরা দেখতে পাই সঠিক পথের দিশা পাওয়ার জন্য আসহাবে কাহফের যুবকরা শুধু আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে বলেছিল বা দোয়া করেছিল, ‘আশা করি আমার রব আমাকে এর চেয়ে সত্যের নিকটতর পথ নির্দেশ করবেন।’ সূরা-কাহফ, আয়াত-২৪।
আমরা মুসলিমরা যেখানেই অবস্থান করি না কেন আমরা কিছুটা হলেও জন্মগতভাবে আল্লাহর নিকট থেকে পথ নির্দেশনা প্রাপ্ত হয়েছি। যদিও আমরা তা অনুধাবন করি বা না করি। কিন্তু তা সত্য। এই পথ নির্দেশনা প্রাপ্তির জন্য আমাদের কেউ সত্যের বেশি কাছে, আবার কেউ সত্যের কম কাছে। তাই কারো ইসলাম সম্পর্কে বেশী জ্ঞান আবার কারো কম জ্ঞান, কেউ নামাযে বেশী  আন্তরিক আবার কেউ কম আন্তরিক। অর্থাৎ আমরা সকলে এক পর্যায়ের নয়। এটাই সত্য কথা এবং বাস্তবতা। উপরের ‘আশা করি আমার রব আমাকে এর চেয়ে সত্যের নিকটতর পথ নির্দেশ করবেন।’ এই আয়াতে প্রকৃতপক্ষে কী বলা হচ্ছে, জানেন? এ আয়াতের মাধ্যমে বলা হচ্ছে আমাদের মুসলিমদের  ঐকান্তিক লক্ষ্য হওয়া উচিত আজ এ মুহূর্তে আমি যে জায়গায় আছি তাঁর থেকে আরও বেশী আল্লাহর নিকটতম অবস্থায় পৌঁছানোর জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাওয়া। এ বিষয়ে আমাদের অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করা উচিত না বা চিন্তা করা উচিত না। যে অমুকে ভাল আরবি পড়তে পারে আমি পারি না, বা অমুকে অনেক ধর্মীয় জ্ঞান রাখে আমি পারি না ইত্যাদি। বরং আমাদের তুলনা করা উচিত যে, আজ এই মুহূর্তে আমি আল্লাহর কাছে যেখানে আছি তার থেকে আরও নিকটবর্তী হওয়ার জন্য আমি কি কোন আন্তরিক পদক্ষেপ নিয়েছি বা নিতে পেরেছি? আর এটা করতে পারলেই আল্লাহর কাছে তা ইনশাল্লাহ সফলতা হিসেবে গ্রহণীয়। এর জন্য পৃথিবীতে কোন চূড়ান্ত সফলতা নেই। মানুষের পক্ষে আল্লাহর চাহিদা অনুযায়ী সঠিক ইবাদত পুঙ্থানুপুঙ্থরূপে আদায় করা একেবারেই অসম্ভব। তাই আমরা যা করতে পারি তা হচ্ছে ইবাদতের ক্ষেত্রে আমরা আজকে যে অবস্থানে আছি তার চেয়ে আল্লাহর পথে আগামীকাল আরও কিছুটা বেশী ভাল অর্জন করার জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করব, তাঁর পরেরদিন আরও একটু ভাল। এভাবে যত দিন জীবন আছে আল্লাহর পথে ইবাদতে প্রতিদিনই কিছু না কিছু করে এগিয়ে যাওয়া। তাঁর নৈকট্য লাভ করা এবং তাঁর কাছে পৌঁছার সর্বাত্মক চেষ্টা করা। এভাবে এ কাজ করতে করতে যদি আমাদের মৃত্যুও হয় তবে আমরা ইনশাল্লাহ সফলতা প্রাপ্ত হব। 
অথচ আমরা তা না করে অন্যের সঙ্গে শুধু তুলনা করে চলি। যা আল্লাহ মোটেও পছন্দ করেন না বা আমাদের কাছ থেকে এ ধরনের কাজ দেখতে চান না। আল্লাহ কিন্তু আমাদের কাউকেও আর একজনের পাশে রেখে আখেরাতে এভাবে তুলনা করতে যাচ্ছেন না। এমনকি দুনিয়াতেও কোন বিষয়ে একে অপরের তুলনা করতে নিষেধ করেছেন। আর তাই আল্লাহ কুরআনে বলচ্ছেন, ‘আর তোমরা আকাঙ্ক্ষা করো না এমন কিছুর যাতে আল্লাহ শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন তোমাদের কাউকে কারো উপর।’ সূরা-নিসা, আয়াত-৩২। সুতরাং এখান থেকে আমরা কি শিক্ষা পাচ্ছি? আমরা শিক্ষা পাচ্ছি আমরা যতটুকুই আমাদের ধর্ম সম্পকে জানি বা মানি, সেখান থেকেই আমরা যেন শুরু করি। হতে পারে আমার বয়স ৫০ বা ততোধিক কিন্তু আমি হয়তো এ পর্যন্ত কখনও কুরআন পড়া শিখি নাই বা নামাজটা বা অজুটা পর্যন্ত রাসূল (সাঃ) এর দেখিয়ে যাওয়া পদ্ধতি অনুযায়ী করতে পারি না। আমি যখন সবেমাত্র ‘আলিফ’ বা ‘তা’ শুরু করেছি বা রাসূল (সাঃ) এর দেখিয়ে যাওয়া পদ্ধতি অনুযায়ী নামাজ, রোজা, অজু করা শিখছি, তখন আমার আশেপাশে যারা এমনকি শিশু তারা আমার থেকে বেশী ভাল কুরআন পড়তে পারে, বুঝে এবং রাসূল (সাঃ) এর দেখিয়ে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী নামাজ, রোজা করতে পারে। আবার যারা আমার বয়সী তাঁরা হয়তো আমার থেকে অনেক বেশী এ পথে এগিয়ে গেছে। এ দেখে আমাদের লজ্জা, হীনমন্যতা বা আক্ষেপ করার কিছু নেই বা উচিত না। বরং এটাই যথেষ্ট যে আমি আপনি আন্তরিক ইচ্ছার সঙ্গে সবেমাত্র ‘আলিফ’, ‘বা’ দিয়ে শুরু করেছি এবং আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা করছি আগের থেকে আল্লাহর আরও নিকটবর্তী হতে। এ অবস্থায় হয়তো আমার/আপনার মৃত্যু হলে আমি/আপনি হয়তো হতে পারি/পারেন বেশী সফলতা প্রাপ্ত একজন ঐ ধরণের আলেম বা হাফেজের থেকে যে সমস্ত কুরআন মুখস্ত করেছেন বা কুরআনের বিস্তর জ্ঞান আছে কিন্তু ব্যক্তি জীবনে তার কোন প্রতিফলন নেই। কে প্রকৃতপক্ষে ভাল হতে চায় এবং আল্লাহর নৈকট্য পেতে চায়, তা কিন্তু আল্লাহ ভাল জানেন। এ জন্য আল্লাহ বলছেন,‘তোমাদের মনে যা আছে তা তোমরা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ আল্লাহ তোমাদের কাছ থেকে তার হিসাব রাখেন।’ সূরা-বাকারা, আয়াত-২৮৪। সুতরাং কোন অবস্থাতেই আমাদের হীনমন্যতায় ভোগা উচিত নয়। মানুষ আমাকে আপনাকে হয়তো তুচ্ছ জ্ঞান করে বা একেবারেই মূল্যায়ন করে না। কিন্তু আর কেউ করুক বা না করুক নিশ্চিত বিশ্বাসে জানবেন আল্লাহ কিন্তু কোন বান্দার অণুপরিমান কোন আন্তরিক প্রচেষ্টাকে অবমূল্যায়ন করবেন না। পবিত্র কুরআনে তাই আল্লাহ বলছেন, ‘অতএব কেউ অণুপরিমান ভাল কাজ করে থাকলে, সে তা দেখতে পাবে।’ সূরা-যিলযাল, আয়াত-৭। 
মানুষ হয়তো বলে বা বলবে, সঠিক পথের সন্ধান পাওয়া বড় কঠিন বা কষ্টের এবং ব্যয় বহুল। বিশেষ করে বর্তমান এই অশান্ত বিশ্ব প্রেক্ষাপটে যখন মিথ্যাচার ও প্রতারণাই হচ্ছে নিত্যদিনের নিত্য সঙ্গী। অথচ আল্লাহর পথ অতি সহজ এবং সেই পথের দরজা অনেক বড় বা ব্যাপক। আল্লাহ শুধু বলেন তুমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস কর আর শুধু আমার কাছে আন্তরিকভাবে সাহায্য চাও আর বল,‘আশা করি আমার রব আমাকে এর চেয়ে সত্যের নিকটতর পথ নির্দেশ করবেন।’ সূরা-কাহফ, আয়াত-২৪। এ কাজেই আমাদের প্রথমত প্রত্যেক মুসলিমের আন্তরিক প্রচেষ্টা হওয়ার কথা। কারণ মানুষ যখন আল্লাহর সঠিক পথের দিশা পায় তখন তাঁর হৃদয় মন, মানসিকতা প্রশান্ত হয়। আল্লাহ বলছেন,  ‘জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর শুধুমাত্র  প্রশান্তি লাভ করে।’ সূরা-রাদ, আয়াত-২৮। সুতরাং যখন একজন ব্যক্তির অন্তর প্রশান্ত হয় বা শান্তি পায় তখন তাঁর পাশের মানুষগুলো এ প্রশান্তি দ্বারা আবেশিত হয়। ফলে পরিবারে শান্তি নেমে আসে, শান্তি নেমে আসে তাঁর বন্ধুদের মাঝে, সমাজে এমন কি সমস্ত দেশে। সুতরাং কোন এলাকা, সমাজ বা দেশের যদি সমস্যা হয়ে থাকে যুদ্ধ, মারামারি, মত পার্থক্য , দন্দ্ধ ও সংঘাত। তবে তার জন্য আরও নিত্য নতুন অস্ত্র, নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী বা কোন ধরনের চাপিয়ে দেওয়া সীমাবদ্ধতা কিন্তু প্রতিষেধক নয়। বরং উপযুক্ত প্রতিষেধক হচ্ছে সঠিক পথের সন্ধান লাভ করা বা করিয়ে দেওয়া। কারণ আল্লাহ বলছেন,‘অতএব এ দু’দলের মধ্যে নিরাপত্তা লাভের অধিক হকদার কোন দল, যদি তোমরা জানতে?’ যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে শিরকের সাথে মিশ্রিত করেনি, তাদেরই জন্য রয়েছে নিরাপত্তা এবং তারাই সৎপথ প্রাপ্ত।’ সূরা-আন’আম, আয়াত-৮১, ৮২। কারণ একমাত্র ইসলামই হচ্ছে শান্তির ধর্ম। এভাবে আমি আপনি নিজে যদি সঠিক পথ পাই তবে আমাদের পরিবারকে পারবো সঠিক পথের সন্ধান দিতে। এভাবে আমাদের এলাকার মানুষগুলো, সমাজ, দেশ এমনকি সকল দেশের মানুষ সঠিক পথ পাবে। কেননা আল্লাহর কথা স্মরণেই শুধুমাত্র মানুষের হৃদয় প্রশান্ত হয় এবং নিরাপত্তা লাভ করে। এ প্রসঙ্গে  রাসূল (সাঃ) এর একটা সহিহ হাদিস  রেখা চিত্র সহ তুলে ধরা হল পাঠকের হৃদয়ঙ্গম করার জন্যঃ

Inline image 1

জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাঃথেকে বর্ণিত তিনি বলেনআমরা রাসূল (সাঃএর কাছে উপস্থিত ছিলাম তিনি প্রথমে একটিসোজা রেখা টানলেন এবং তার ডান দিকে দুটো রেখা টানলেন এবং বামদিকেও দুটো রেখা টানলেন এরপর তিনি মাঝখানে সোজারেখার উপর হাত রেখে বললেনএটাই আল্লাহর পথ অন্য বর্ণনায়-আল্লাহর রাসূল (সাঃএকদিন একটি সোজা রেখা টানলেন এবংবললেনএটা হলো আল্লাহর সরল পথ এর ডানে  বামে আরো কিছু রেখা টানলেন এবং বললেনএগুলো ভিন্ন পথযার উপরশাইত্বান বসে আছে এবং সে মানুষদেরকে এই পথগুলোর দিকে আহবান করছে অত:পর তিনি…….  আয়াত তিলাওয়াতকরলেনঃ নিশ্চয়ই এটি আমার সরল পথ সুতরাং এরই অনুসরণ কর এবং ভিন্ন পথ অনুসরণ করো নাকরলে তা তোমাদেরকেআল্লাহর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তোমরা সাবধান হও সূরা-আনআম,আয়াত-153। এটাই আমাদের মুসলিমদের সর্বোচ্চ সফলতা, আমাদের সম্মান এবং আমাদের গর্ব, ইসলাম।

Allah knows the best
আল্লাহ আমাদের বোঝার তাওফিক দিন।
অমা তাউফিক ইল্লাবিল্লা।

--
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "icdbd" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to icdbd+un...@googlegroups.com.
To post to this group, send email to ic...@googlegroups.com.
Visit this group at https://groups.google.com/group/icdbd.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.
Dunia To Jannat.jpg
Reply all
Reply to author
Forward
0 new messages
Search
Clear search
Close search
Google apps
Main menu