সোনালী দল, কৃষি অনুষদ'এর কমিটি গঠন সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রতিউত্তর - ২য় ও শেষ অংশ

8 views
Skip to first unread message

Dr. Farukh

unread,
Aug 9, 2020, 2:17:01 AM8/9/20
to haq...@bau.edu.bd, ghken...@yahoo.com, azad_anim...@bau.edu.bd, mmh...@gmail.com, sago...@gmail.com, ulla...@gmail.com, alihoss...@gmail.com, minaram...@yahoo.com, azkh...@yahoo.com, rafiqu...@yahoo.com, hamm...@yahoo.com, mmubh...@gmail.com, jas...@bau.edu.bd, aziz...@bau.edu.bd, masa...@bau.edu.bd, deeni...@gmail.com, mmh...@bau.edu.bd, mbk...@bau.edu.bd, aqdd...@gmail.com, abdul...@bau.edu.bd, drmgr...@yahoo.com, awa...@bau.edu.bd, zahi...@bau.edu.bd, baha...@bau.edu.bd, asamah...@yahoo.com, mmhos...@yahoo.com.au, mpsid...@bau.edu.bd, m_jahi...@yahoo.com, mahas...@yahoo.com, kshar...@yahoo.com, masum_...@yahoo.com, mjaha...@yahoo.com, habi...@yahoo.com, m...@bau.edu.bd, gmor...@bau.edu.bd, baten...@yahoo.com, farukh...@bau.edu.bd, bhuiy...@gmail.com, faruque...@yahoo.com, ruhulami...@gmail.com, bhui...@yahoo.com, hash...@bau.edu.bd, mnis...@yahoo.com, msrsi...@bau.edu.bd, mdshaw...@hotmail.com, drakteruz...@yahoo.com, mhar...@yahoo.com, romiz...@yahoo.com, kmrahm...@yahoo.com, waki...@yahoo.com, nurulh...@yahoo.com, murshed...@gmail.com, mami...@yahoo.com, samsu...@bau.edu.bd, gia...@gmail.com, pdrid...@gmail.com, zoard...@yahoo.com, ihoss...@bau.edu.bd, sm1...@yahoo.co.uk, kanizf...@bau.edu.bd, gmm...@yahoo.com, amin...@bau.edu.bd, ami...@gmail.com, Mymensingh SONALI DAL Bangladesh Agricultural University, Dr. Md. Shahidul Haque, abdul alim, gmortuza BAU, Dr. M. A. Farukh, Samsul Alam, bhui...@yahoo.com
(আগের ইমেইলের চলমান অংশ)

প্রসঙ্গ প্রফেসর রসিদুল ইসলাম

বিগত ৩টি সোনালী দলের কমিটির কার্যকালে (২০১৭-১৮ হতে ২০১৯-২০) এই ব্যক্তিটিকে আমরা একটি দিনের জন্যও কোন প্রকার সভা-সমাবেশ বা দলীয় কার্যক্রমে পাইনি। বারংবার ডাকা সত্ত্বেও নানা অজুহাতে দলের যে কোনো কর্মকাণ্ড এড়িয়ে গেছেন। তৎকালীন ২০১৭-১৮ সালের কৃষি অনুষদীয় সাধারণ সম্পাদক তার কাছে দলের বাৎসরিক চাঁদা চাইতে গেলে তিনি তাকে ফিরিয়ে দেন এবং সোনালী দলের কর্মকাণ্ড ও দলের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। প্রশ্ন থেকে যায় দীর্ঘ তিন বছর দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন থেকে এবং চাঁদা না দিয়েও একজন ব্যক্তির দলীয় সদস্যপদ থাকাটা কতটুকু বৈধ! আসবো তার ইমেইল প্রসঙ্গে - বিগত ২৩ জুলাই তাঁর প্রথম ইমেইলে প্রথম লাইনেই ফ্যাকাল্টি কমিটিকে অভিনন্দন এবং মিটিংয়ে উপস্থিত না থাকতে পেরে “ভেরি সরি” প্রকাশ করেন। তার মূল বক্তব্য ছিল, সিনিয়রিটি মেইন্টেইন করে অনুষদীয় কমিটিতে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচন করা। এরপর ২৬ জুলাই (১১:৩০মি) সেই একই গ্রূপ মেইল ব্যবহার করে তিনি ক্লেইম করেন যে, তিনি কমিটি গঠন সংক্রান্ত ইমেইলটি পাননি। এতে ডেমোক্রেসি এবং ট্রান্সপারেন্সি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সকল সোনালী সদস্যবৃন্দকে প্রশ্ন রাখতে চাই, কমিটি গঠনে প্রেরিত ইমেইল এড্রেস এবং আগেরগুলোর এড্রেস মিলিয়ে দেখুনতো কোথাও সামান্য হেরফের আছে কিনা?

যাহোক, সবচেয়ে উপভোগ্য নাটকটি মঞ্চায়নের জন্য তাকে সাধুবাদ দেয়া যায়! এরই অংশ হিসেবে গত ২৭ জুলাই (১১:৫৩মি) ওপেনলি গ্রূপ ইমেইলের মাধ্যমে উনি পদত্যাগপত্র দেন; পদত্যাগপত্র বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় দলীয় কনস্টিটিউশন নিয়ে, নবগঠিত কমিটিগুলোর ভ্যালিডিটি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং এখানে আরো একটি মিথ্যা তথ্য সংযোজন করেন যে, গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম জুম মিটিং সংক্রান্ত সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে তাদের নতুন কমিটি করেনি (খোঁজ নিয়ে দেখুন ফোরামের কমিটি হয়নি অন্য কিছু কারণে যা কখনোই জুমের ভ্যালিডিটি কেন্দ্রিক নয়)। আরো উল্লেখ্য যে, ফোরামের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের নিমিত্তে বিষয়বস্তু কমিটির অনুমোদন সহ অন্যান্য এজেন্ডা জুমের মাধ্যমেই অনুষ্ঠিত হয় (এটাচমেন্ট - ৭) এবং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মহোদয় বিগত ৩০ জুন (৬:১৯মি) সোনালী দলের এই নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে অভিনন্দন বার্তা পাঠান। আরো একটি কথা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলতে ও বিশ্বাস করতে চাই যে, সোনালী দল তার নিজস্ব আদর্শ, ধ্যান-ধারণা নিয়ে চলে, অন্যদলের ধার করা গঠনতন্ত্র নিয়ে নয়। বড়-বড় বুলি আওড়িয়ে ও পদের লোভে আক্রোশের বশবর্তী হয়ে দলে অস্থিরতা ও ভাঙ্গনের সূত্রপাত করা ফোরামের কোন এজেন্টের এজেন্ডা কিনা সে প্রশ্ন রইল আপনাদের কাছে।  

উনি আবার ৩১ জুলাই (৯:৪০মি) ইমেইল দেন এবং শর্ত সাপেক্ষে তার পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করেন!! তার দেয়া ২য় শর্তের তথ্যটি সর্বৈব মিথ্যা (আমি এই গ্রূপের এডমিন-মডারেটর-ম্যানেজার কিছুই নই); ১ম শর্তটি অত্যন্ত গর্হিত, অসম্মানজনক এহেন ত্যাগী (!!!) নেতার কাছ থেকে একেবারেই কাম্য নয়। শৃঙ্খলা রক্ষার্থে দলের সিনিয়র শিক্ষক নেতৃবৃন্দের কথায় শ্রদ্ধা রেখে বিতর্ক সৃষ্টিকারি কোন ব্যক্তির ইমেইলের কোন রিপ্লাই না করে কৃষি অনুষদীয় কমিটি (২০১৯-২০) উল্লেখ করে আমরা একটি বিবৃতি দিয়েছিলাম (বলাবাহুল্য আমরা এখনো পর্যন্ত দায়িত্বভার হস্তান্তর করিনি)। প্রঃ রসিদুল ইসলাম এই বিবৃতিকে অবৈধ বলে আখ্যা দিয়েছেন! যে ব্যক্তির নিজের সদস্য পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে সেখানে একটি মনোনীত ফ্যাকাল্টি কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি, দলের কনস্টিটিউশন এবং সেইসাথে কমিটির বিবৃতি নিয়ে উনি প্রশ্ন তুলেছেন ও অবৈধ বলেছেন। তার ঘৃষ্টতার মাত্রা এবং সোনালী দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের এইবিষয়ে বাক্রুদ্ধতা দেখে সত্যিই অতিমাত্রায় বিস্মিত হয়েছি। এই বিবৃতি অবৈধ এটি প্রমাণ করতে না পারলে এই ব্যক্তিকে দল থেকে বহিষ্কারের জোরালো দাবি জানাচ্ছি। সেই একই গ্রূপ মেইল ব্যবহার করে তিন বছরের নিষ্ক্রিয় এই নেতার হঠাৎ সুপার একটিভ সক্রিয়তার আক্রমণ থেকে আমি ব্যক্তিগতভাবে পবিত্র ঈদুল হাজার দিনটিতেও রেহাই পায়নি। মেইল ম্যানিপুলেশন চর্চায় হঠাৎ সিদ্ধহস্ত হয়ে ওঠা এই ব্যক্তি গুগল গ্রূপ ফর্মেশনের কয়েকটি সস্তা স্ন্যাপসট পাঠান ১ আগস্ট (৬:৫৭মি)। এতে উনি কি প্রমান করতে চান জানি না তবে এই সোনালী গ্রূপ মেইলের ম্যানিপুলেশন সংক্রান্ত আপনার সকল মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের সুস্পষ্ট বিরোধিতা করে আপনাকে সামনা-সামনি ফেইচ ও চেইজ করার সদিচ্ছা পোষণ করছি।

প্রফেসর আব্দুল আওয়াল স্যার প্রসঙ্গ

আওয়াল স্যার ২৩ জুলাই (১১:১৭মি) সোনালী দলের গ্রূপ মেইল ব্যবহার করে প্রঃ রসিদুল ইসলামের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। কিন্তু মাত্র একমাস আগেই কৃষি অনুষদের সাবজেক্ট ম্যাটার কমিটিতে উপস্থিত সকলের সিনিয়র শিক্ষক প্রঃ খন্দকার শরীফুল ইসলাম স্যারের নাম আসলেও তা আপ্রোভাল পায়নি এবং তখন দলের সলিডারিটি বা ডেমোক্রেসির চর্চাও হয়নি, যদিও জনমত ছিল প্রেসিডেন্ট এবং সেক্রেটারি পক্ষে। উনি আবার দলীয় ইউনিটি, সলিডারিটি এবং কর্ডিয়াল রিলেশনশিপ এর মত কিছু চমকপ্রদ শব্দ ব্যবহার করে নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানানজুলাই ২৭ তারিখে (১২:২২মি) নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কমন এবং ওপেন প্লাটফর্মে ইমেইল দেয়া বন্ধের আহ্বানের পরেও প্রঃ আউয়াল স্যার দুপুর ২:৩৭মিনিটে তাঁর জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেষণধর্মী ইমেইল দেন যার বেশির ভাগই তথ্যই অতিসম্প্রতি কারোর কাছ থেকে পেয়েছেন বলে বোধগম্য হয়। প্রঃ রসিদুল ইসলাম মেইল পাননি বলে উনি অনেকটা ওরিড কিন্তু গত ৩ বছরে একটিও দলীয় কার্যক্রম অ্যাটেন্ড করেননি এটা নিয়ে আওয়াল স্যার কে বিন্দুমাত্র বিচলিত হতে দেখেনি কখনো। উনি বলেছেন সোনালী দলের গ্রূপ মেইলটি একটি অল্টারনেটিভ ইমেইল যা তাঁর কিছু ব্যাসিক ভুলের মধ্যে একটি। এখনকার সময়ে সোনালী দলের যোগাযোগের প্রধানতম মাধ্যম এই গ্রূপ মেইল। মেইল পাননি বলে যে দুজন ব্যক্তির নাম উনি সুনির্দিষ্টভাবে মেনশন করেছেন আমার দৃষ্টিতে তারা কেউই সোনালী দল কৃষি অনুষদে এমন কোন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি নয় যাদেরকে আড়াল করে দলের ভেতরে আরেকটি গোষ্ঠী বিশেষ কোনো ফায়দা নিতে যাবে অন্ততঃ দলের এই দুঃসময়ে, বরং এটি নিয়ে চক্রান্ত করা এবং অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি করাই নিচু মনের পরিচায়ক। ফান্ডামেন্টাল কোশ্চেন নামে যে বিষয়টি উনি উত্থাপন করেছেন তাতে তাদের নামও আসা উচিত ছিল যাদের ফিল্টারিং এবং ফাইন টিউনিং করে বাদ দেয়া হয়েছে। আমি ধরে নিচ্ছি এরা গুটিকয়েক তাঁর সমর্থকবৃন্দ। কিন্তু মিটিংয়ে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে সেই মুখগুলোই দেখেছি যারা দলের যেকোনো সময়ে ছিল-আছে-থাকবে (২১ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন যা গত ২বছরে সর্বোচ্চ)। স্পেকুলেশন যতক্ষণ প্রমাণ না হয় ততক্ষণ তো জনসমক্ষে আনা উচিত নয় এইটুকু শিষ্টাচার আমরা সবাই জানি বোধকরি। কিন্তু ফিল্টারিং এবং টিউনিং করা নিয়ে আপনার স্পেকুলেশন একেবারেই অবান্তর, মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আপনি কোন আক্রোশ থেকে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন তার সেদিনের মিটিংয়ে উপস্থিত সকলেরই জানা।

প্রসঙ্গ প্রফেসর খায়রুল হাসান ভূঞা

২৬ জুলাই (১২:১৭মি) ইনি তাঁর প্রথম ইমেইলে নবগঠিত কমিটিকে স্যালুট এবং অভিনন্দন জানান। ২৭ জুলাই (১০:২৭মি) উনি একই গ্রূপ মেইল ব্যবহার করে জানান যে, উনি সকল ইমেইল পান শুধু কমিটি ফর্মেশন এর আগের ইমেইলটি পাননি। উনার ইমেইল ম্যানিপুলেট করা হয়েছে এবং সেজন্যই নাকি ১৯ জুলাই জুম মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন না, থাকলে উনার ওপিনিয়ন দিয়ে ইম্পর্টেন্ট কন্ট্রিবিউট করতে পারতেন!!! আমার ধারণা ষড়যন্ত্রে শামিল হতে উনার ইমেইলটি ডিলিট করে দিয়ে থাকতে পারেন। তা না হলে কমিটি গঠনের ৯ দিন পর তার মনে হলো যে উনি মেইল পাননি! এই জাতীয়তাবাদের ধ্বজাধারী বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদকে দেখে মনে প্রশ্ন জাগে এই আওয়ামী সময়েও কেন তাকে অনেক কমিটি, উপ-কমিটিতে দেখা যায়?

 

পরিশেষে আমার কিছু সুস্পষ্ট পর্যবেক্ষণ এরুপ যে - প্রঃ খায়রুল, প্রঃ আওয়াল স্যার এবং প্রঃ রসিদুল ইসলামের ইমেইল্গুলো একই সূত্রে গাঁথা যার মূল লক্ষ্য পদপ্রাপ্তি। অতিসম্প্রতি প্রঃ রসিদুল ইসলাম তাঁর এক কথায় বলেছেন, তারা এবং প্রঃ আওয়াল সবচেয়ে বেশি দুঃখ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ না পাওয়ায় এবং তৎপরবর্তিতে অনুষদীয় কমিটিতে পদ না পাওয়াতে তিনি আরো ক্ষিপ্ত হন (প্রঃ রসিদুলের ভয়েস রেকর্ড একজন সহকর্মীর কাছে সংরক্ষিত আছে, প্রয়োজনে সকলের সামনে উপস্থাপন করা হবে); এবং এই দুটি কমিটিতেই তার জুনিয়রদের স্থান পাওয়াটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির মুখ্য জ্বালানি। আমার আক্ষেপ ও প্রশ্ন - দলীয় সমর্থন বা গ্রহণযোগ্যতা, দলকে সময় দেবার সামর্থ্য, দল পরিচালনার দক্ষতা বা অন্যান্য বিষয়াবলী বাদ দিয়ে এবং সাবজেক্ট ম্যাটার কমিটি বা সাধারণ সভা বাদ দিয়ে শুধুমাত্র গ্রেডেশন লিস্ট নিয়ে বসে দলের নেতা নির্বাচন করা উচিত, তাহলে হয়তো  আমার মত কেউ কেউ দলের সলিডারিটি বা ইউনিটি বা ডেমোক্রেসি নামের সুন্দর শব্দচয়নের আড়ালে নোংরা-ঘৃন্য ষড়যন্ত্রের হাত থেকে মুক্ত থাকবে।

নিঃসার্থ সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায়

এটাচমেন্ট - ৬.jpg
এটাচমেন্ট - ৭.JPG
Reply all
Reply to author
Forward
0 new messages