ওয়াসিফুল ইসলামের
অবৈধ উপার্জন, সন্ত্রাস ও রাজনীতির ডায়েরী
১। ২০০২: ওয়াসিফুল ইসলাম এর বারডেমে যোগদানের এক বছরের মাথায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ; বাধ্যতামূলক পদত্যাগ।
২। ২০১০: ফেইসবুকে উগ্র ও অশালীন ভাষায় সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নানা প্রকার কটূক্তি।
৩। ২০১০: টুইটারে নিজেকে একজন মানবতাবাদী (Love and respect for humanity) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা।
৪। জানুয়ারি ২০১২: ওয়াসিফের দুর্নীতির তথ্য ফাঁস করে দেওয়ায় পুরান ঢাকার সাথী হারুন সাহেবকে জঙ্গী অপবাদে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া। লালবাগের শতাধিক সাথী লাঠি-সোটা নিয়ে কাকরাইলের মুরুব্বীদের উপর চড়াও হয়ে তাকে মুক্ত করে আনেন। পরবর্তীতে শুরাদের মাশওয়ারায় ফয়সালা হয় যে হারুন তাবলীগ কর্মী; জঙ্গিবাদের সাথে জড়িত নন।
৫। ২০ মার্চ ২০১২: ধানমণ্ডিতে হাজী সিরাজ সাহেবের বাসায় মাস্তুরাত জামাতকে তালেবান অপবাদে হয়রানী।
৬। ২০১৩: ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টারে ‘ইসলামিক স্কলার’ পরিচয়ে রাজনীতি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রবন্ধ লিখন এবং নিজেকে একজন আলিম ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা।
৭। ৬ই জানুয়ারি ২০১৩: হারুন সাহেবের ১২ বছর বয়সী ছেলেকে অপহরণ ও হত্যার হুমকী।
৮। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩: ওয়াসিফের দুর্নীতির বিবরন সম্বলিত লিফলেট বিলির সময় টঙ্গী ময়দান থেকে কয়েকজন তাবলীগ কর্মীকে ধরে টর্চার সেলে নিয়ে আটক ও নির্যাতন।
৯। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩: পাঁচ দিনের জোড়ে শরীক হওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ জামাতের সামানাপত্র আটক, সাথীদের মূল্যবান জিনিসপত্র লুট।
১০। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩: টঙ্গী ময়দানে বয়ানের মঞ্চ থেকে নামিয়ে উসামা-হানজালা ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক মাওলানা আশরাফ আলী সাহেবকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।
১১। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩: তাবলীগ কর্মী মেহেদী হাসানকে কাকরাইল মসজিদের টর্চার সেলে আটকে রেখে নির্যাতন; নেপথ্যে ওয়াসিফ-উসামা বাহিনী। খবর পেয়ে পুলিশের অভিযান, রাত দেড়’টায় উদ্ধার।
১২। ১৫ ই জানুয়ারি ২০১৪: ওয়াসিফুল ইসলামের দুর্নীতি সম্বলিত লিফলেট বিলির অপরাধে কয়েকজন তাবলীগ কর্মীকে ধরে নিয়ে কাকরাইলের টর্চার সেলে ক্যাডার বাহিনী দ্বারা নির্যাতন, এবং জঙ্গী অপবাদ দিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর।
১৩। ১৯ জানুয়ারি ২০১৪: তাবলীগকে জড়িয়ে ওয়াসিফের দুর্নীতি, রাজনীতি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের প্রতিবাদে নির্যাতিত তাবলীগ কর্মীদের সংবাদ সম্মেলন।
১৪। মার্চ ২০১৪: ওয়াসিফুল ইসলাম এবং কাকরাইলের কয়েকজন মুরুব্বীর দুর্নীতি এবং অপকর্মের বিবরন সম্বলিত বই ‘মুরুব্বীদের জীবন থেকে’ প্রকাশ।
১৫। ১১ এপ্রিল ২০১৪: ওয়াসিফের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী ও ডেপুটি স্পিকারের নিকট উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের পক্ষ থেকে চিঠি প্রেরণ। সংসদীয় কমিটিতে ওয়াসিফ ও মাওলানা জুবায়েরকে তলব; হাজির না হয়ে গোপনে আমেরিকা গমন।
১৬। মে ২০১৪: দুর্নীতি এবং অপকর্ম প্রকাশ পেয়ে যাওয়ায় সারা দেশের মারকাজগুলোতে ওয়াসিফের রেড এ্যালার্ট। প্রতিবাদকারীদের নানাভাবে হয়রানী, মারকাজে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি এবং তাবলীগ বিরোধী হিসেবে প্রমাণ করার অপচেষ্টা।
১৭। ১৫ ই মে ২০১৪: রাজশাহী মারকাজে শবগুজারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন শিক্ষক ও কয়েকজন ছাত্রকে ক্যাডার বাহিনী দ্বারা নির্যাতন, গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার, হাসপাতালে ভর্তি। প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন ও র্যালি। মারকাজের জিম্মাদারদের বিরুদ্ধে নির্যাতিতদের মামলা দায়ের।
১৮। ২০ ই মে ২০১৪: কাকরাইলে মঙ্গলবারের মাশওয়ারায় মুরুব্বীদের দুর্নীতি ও অনিয়ম সম্বন্ধে প্রশ্ন উত্থাপন। মাশওয়ারায় হট্টগোল, ধাক্কাধাক্কি। পরিণতিতে মঙ্গলবারের মাশওয়ারার বিলুপ্তি এবং রুদ্ধদ্বার রুপ লাভ।
১৯। ১৯ জুন ২০১৪: রংপুর শহরে ওয়াসিফের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী তাবলীগ কর্মীদের মারকাজে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি। সবগুজারির বয়ান থেকে ১৫/২০ জন তাবলীগ কর্মীকে মুরুব্বীদের নির্দেশে ধরে নিয়ে ক্যাডার বাহিনী দ্বারা নির্যাতন। প্রতিবাদকারীদের সাথে সুসম্পর্ক থাকার কারনে মারকাজের খতীব মুফতি ঈসা সাহেবকে বহিষ্কার।
২০। আগস্ট ২০১৪: কাকরাইলের মুরুব্বী মাওলানা মাহবুব সাহেবকে মৌলভীবাজার জেলায় চিল্লারত অবস্থায় ওয়াসিফের নির্দেশে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানী। পরবর্তীতে কোন অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মুক্তি লাভ।
২১। মাওলানা মাহবুব সাহেবকে কাকরাইল থেকে বহিষ্কার।
২২। ৩০ শে আগস্ট ২০১৪: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন দিনের জামাতকে মারকাজের জিম্মাদারদের নির্দেশে ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক পিটিয়ে রক্তাক্ত করে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া। জামাতের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করায় লাঞ্ছিত হন মসজিদের ইমাম সাহেব ও স্থানীয় তাবলীগ কর্মীরা। পুলিশি সহায়তায় জামাত মসজিদে পুনর্বহাল।
২৩। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪: টঙ্গী ময়দানে ত্রৈমাসিক মাশওয়ারা চলাকালে মাওলানা সা’দ সাহেবের মোযাকারা সংবলিত বই বিলি করায় দুইজন তাবলীগ কর্মীকে আটক করে ইমাম সাহেবের কক্ষে নিয়ে মারধর। নির্যাতিতরা থানায় গেলে মামলা কিংবা জিডি গ্রহণে পুলিশের অস্বীকৃতি।
২৪। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪: রংপুরে তিন দিনের জামাতকে মসজিদ থেকে বের করে দিতে ট্রাক ভর্তি ক্যাডার সহ ফিল্মি স্টাইলে মারকাজের মুরুব্বীদের আগমন। মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় তাবলীগ কর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহার ও ভয় প্রদর্শন।
২৫। ১৭ নভেম্বর ২০১৪: (মদীনায় মাওলানা সা’দ সাহেব (দা.বা.) এর কাছে ওয়াসিফুল ইসলামের মাওলানা মাহবুব সাহেবকে কাকরাইলে পুনর্বহালের ওয়াদা)। কাকরাইলে মাওলানা আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে ওয়াসিফের ক্যাডার বাহিনী কর্তৃক মাওলানা মাহবুবকে মারধর ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার।