মুশফিক স্যার আর ওয়াসিফ ভাই কে খোলা চিঠি

237 views
Skip to first unread message

Muhammad Imtiaz Hossain

unread,
Feb 4, 2015, 12:21:03 PM2/4/15
to save-k...@googlegroups.com
মুশফিক স্যার এবং ওয়াসিফ ভাই

আসসালামু আলাইকুম।

আমি শুরুতেই ক্ষমা চাই আমার এই লেখার জন্য যদি তা আপনাদের মনকস্টের কারন হয়ে থাকে।

আমি খুবই সাধারন গুনাহগার মুসলমান বান্দা। তাবলিগে সময় খুব কম লাগাতে পারি কিন্তু দাওয়াতের এই কাজ কে পছন্দ করি। প্রথম যখন জামাতে যাই তখন যে ব্যপারটা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছিল তা হল সাথিদের মাঝে মিল মোহাব্বত। আর পরবর্তিতে যখন মেহনতের মাধ্যমে ঈমানের স্বাদ পেতে শুরু করলাম তখন থেকে মাঝে মাঝে সময় দেই বা কাজের সাথে মোহাব্বত রাখি।

আপনাদের মাঝে যে বিরোধ তা দাওয়াতে তাবলিগ এর মেহনতের উসুলগত কোন বিরোধ নয়। মোয়ামেলাত অশুদ্ধ আর শুদ্ধ দাবির পক্ষে আর বিপক্ষে মত জোরদার করতে দাওয়াতে তাবলিগ এর মেহনতের সকল নিরপরাধ আম সাথি আজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছ, মেহনত থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মিল মোহাব্বত নাই + হাসাদ, বদগুমানি, হিংসা,......... ঈমানের সেই স্বাদ কি মিলেব!!!!


কিছু প্রশ্ন তুলে ধরতে চাইঃ

বাংলাদেশের কত % লোক মুসলমান?
বাংলাদেশের কত % লোক দাওয়াতে তাবলিগ এই মেহনত করেন?
বাংলাদেশের কত % লোক দাওয়াতে তাবলিগ এই মেহনত কে সাপোর্ট করেন?
বাংলাদেশের কত % লোক দাওয়াতে তাবলিগ এই মেহনত এর বিরোধিতা করেন?
বাংলাদেশের কত % লোক দাওয়াতে তাবলিগ এই মেহনত সম্পর্কে বখবর?

পৃথিবীতে কত % লোক মুসলমান?
পৃথিবীতে কত % লোক দাওয়াতে তাবলিগ এই মেহনত করেন?
পৃথিবীতে কত % লোক দাওয়াতে তাবলিগ এই মেহনত কে সাপোর্ট করেন?
পৃথিবীতে  কত % লোক দাওয়াতে তাবলিগ এই মেহনত এর বিরোধিতা করেন?
পৃথিবীতে  কত % লোক দাওয়াতে তাবলিগ এই মেহনত সম্পর্কে বখবর?

আমাদের দায়িত্ব কি শেষ? নিজে ঈমানওয়ালা, আমলওয়ালা, মুখলেসিন দায়ি বনে গেছি? ছয় সিফাত আমার মধ্যে পুরা পুরা এসে গেছে? ঘর ঘর মেহনত করে আমার মহল্লার কত % লোক (এই মেহনত করেন এই মেহনত কে সাপোর্ট করেন / এই মেহনত এর বিরোধিতা করেন / এই মেহনত সম্পর্কে বেখবর)? 

আপনাদের দায়িত্ব হয়ত শেষ? কিন্ত আমি আমভাবে সবার কথা বলছি। সবার কথা ভেবে বিশেষ করে যেসব মানুষ কলেমা ছাড়া দুনিয়া ছেড়ে চলে যাচ্ছে তাদের কথা মনে করে আপনারা দয়া করে ইস্তফা দেন। বিশেষ করে আম সাথিদের মাঝে মারামারি বাধিয়ে আপনারা যে সমাধান চাইছেন তা কতটুকু সম্ভব!!! আর এই মারামারি দ্বারা কে ফায়দাবান হচ্ছে? শাইতনের কোন নেক সুরতের ধোকায় এই মেহনত ধংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নাত!!!

সকল সাহাবির মর্যাদা এক ছিল না। বর্তমান সকল তাবলিগ মুরুব্বির মাকামও আল্লাহ এর কাছে এক হবে না। সকল মুরুব্বি জান্নাতি এরকম ভেবে নেওয়াটাও যুক্তিসঙ্গত নয়। কে গ্রহনযোগ্য তা কেয়ামতের ময়দানেই প্রকাশ পাবে। আল্লাহ এর রাসুল (সাঃ) তো মুনাফিক কে কে, তা জানতেন। তবুও কেন হট্টগোল না করে চুপচুপি কোন এক সাহাবি (রাঃ) কে জানিয়ে গেলেন!!!!!  আমি এর দারা কাওকে মুনাফিক বলছিনা। বলছি যেন আপনারা এই কথা ভেবে হলেও একটু সহনশীল হতে পারেন, হিকমাহ অবলম্বন করেন।

আর দাওয়াতের এই মেহনত এমনিতেই সালাফি, আহলে হাদিস, বেরলভি, শিয়া, ভন্ড সুফি, কাদিয়ানি, ইয়াহুদি, নাসারা, ইত্যাদি বহু রকম মেহেনত দারা সমুহ বাধার সম্মুখিন। বেশি তাবলিগ সাথি চারপাশে থাকলে অনেক সময় এই বাস্তব সত্যটা অনুভূত হয় না। দয়া করে এটা অনুধাবন করুন।  

সেজন্য আমার আনুরোধ, আপনারা বাংলাদেশের ৮,১০ বা ২০ জন মুরুব্বি নেযামুদ্দিনের মাওলানা সা'দ, মাওলানা আহমেদ লাট ও অন্যান্য এবং দাওয়াতের মেহনত কে মোহাব্বতকারি নিরপেক্ষ এক বা দুই জন ( যেমনঃ মুফতি আব্দূল মালেক, মারকাজ-উদ-দাওয়া, ঢাকা ও মুফতি তকি ঊসমানি, পাকিস্তান) মুরুব্বিদের কে আহলে হক্ক ফায়সাল মেনে উনাদের উপস্তিতিতে উনারা যে রায় দেন তা মেনে নিন যদিও ফায়সাল এর রায় আপনাদের নাফস বা আপনাদের আকলে বেহক্ক মনে হয়। 

অনুগ্রহ করে আমাদের আওয়ামদের মুক্তি দিন। দাওয়াতের মেহনত কে শাইতনের নেক সুরতে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না আল্লাহ এর ওয়াস্তে।

--

Regards,
Muhammad Imtiaz, KSA.

Fazal Ahmad

unread,
Feb 5, 2015, 10:25:06 AM2/5/15
to save-k...@googlegroups.com
১৯/০৫/২০১৪ ইং সোমবার, মোযাকারা
“আল্লাহ্র রহমত দিয়ে যাকে চান তাকে নির্বাচন করেন,” (৩-৭৪)
“যাকে চান তাকে নিজের জন্যে নির্বাচন করে নেন, আর যে প্রত্যাবর্তন করে তাকে পথ দেখান।” (৪২-১৩)
প্রথমত ঈমান পাওয়াই একটা নির্বাচন, নামাজ রোযা করতে পারা এগুলো নির্বাচন। দাওয়াত এর কাজে শরীক হতে পারা একটা নির্বাচন, এগুলো আল্লাহ্ তায়ালার এহসান। এই সব কিছুর পরে যে কোন জমানায় দ্বীনের কাজের হেফাজতের জন্যে কাউকে নেওয়া, এটা আল্লাহ্ তায়ালার তরফ থেকে একটা বহুত বড়, খুবই বিশিষ্ট ধরনের নির্বাচন। আল্লাহ্ তায়ালা বিভিন্ন জমানায় বড় সংকটের সময় তাঁর খাস বান্দাদেরকে দ্বীনের হেফাজতের জন্যে নির্বাচন করেছেন।
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাতের পর পর গোটা উম্মত যখন বিভ্রান্ত, তখন আবু বকর সিদ্দীক রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু এসে সবাইকে শান্ত করেছেন। আল্লাহ্ তায়ালা তাঁকেই ব্যবহার করেছেন এই বিভ্রান্তির সময় উম্মতকে শুদ্ধ পথ দেখাবার জন্য। এর পর পরই হলো ইরতেদাত যাকাত নিয়ে; যে আমরা যাকাত দিব না। এটা একটা হুকুমের অস্বীকার ছিল, একটা হুকুম পালনে অপারগতা নয়। যাকাত যদি কেউ না দেয় (এ যমানায় বহুত মুসলমান যাকাত দেয় না), কোন মুফতি তার উপর মুরতাদের ফতওয়া দেবে না। ওখানেও আবার আল্লাহ্ তায়ালা আবু বকর সিদ্দীক রাযিআল্লাহু তাআলা আনহু কে ব্যবহার করেছেন, দ্বীনের হেফাজতের জন্য। আর তখন এই আবু বকর সিদ্দীক রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহুর বহুত মশহুর কথা ছিল,
“আ ইয়ানকুসুদ্দীন ওয়াআনা হাই”
“দ্বীনের ক্ষতি হবে, আর আমি জীবিত ?”
নিজের জীবন দিয়েছেন দ্বীন রক্ষা করার জন্য। সংকটের সময় আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর বান্দাদেরকে ব্যবহার করেছেন; এক এক সময় এক এক জনকে। কা’দিসিয়ার যুদ্ধের সময়ে মুসলমানদের পরাজয়ের অবস্থাকে বিজয়ে পরিবর্তিত করার জন্য ব্যবহার করলেন আবু মাহ্জান সাকাফী রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু কে। উনি মদ পান করতেন আর জিহাদের ময়দানে ছিলেনও না। কিন্তু আল্লাহ্ তায়ালা তাঁকেই বেছে নিলেন। উনি গিয়ে ময়দানের মধ্যে ঢুকে এমন হিম্মত দিলেন যে, গোটা ময়দানের অবস্থার পরিবর্তন হয়ে গেল। এটা আল্লাহ্র তরফ থেকে একটা নির্বাচন। বিভিন্ন যমানায় আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর প্রিয় বান্দাদেরকে দ্বীনের হেফাজতের জন্য নির্বাচন করেছেন। কোরআন শরীফ সংকলনের জন্য ওমর রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু কে আল্লাহ্ তায়ালা নির্বাচন করলেন, উনি প্রস্তাব দিলেন কোরআন শরীফ সংকলন করা হোক। এর পরবর্তী কালে দ্বীনের ময়দানে বহুত বড় অবদান মাওলানা ইলিয়াস রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর, এটাও দ্বীনের হেফাজতের জন্যই আল্লাহ্র পক্ষ থেকে নির্বাচন। সমসাময়িক আল্লাহ্ ওয়ালাদের মধ্য থেকে আল্লাহ্ তাআ’লা এই বিশেষ মর্যাদার জন্য হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহমাতল্লাহি আলাইহি কেই নির্বাচন করেছেন।
এই বহুত বড় মেহনত বিরাট সংকটের মধ্যে পড়ে গেছে, যে সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সবাই এখানে একত্রিত। এটা শুধু একজন মানুষের কিছু অপকর্ম নয়, সম্পূর্ণ কাজ ধ্বংসের পথে। একজন মানুষের অপকর্ম যদি হতো, তা আমাদের অত মাথা ঘামানোর ব্যপার ছিল না; কিন্তু সম্পূর্ণ কাজ নষ্ট হওয়ার পথে। আর বাংলাদেশের কাজ নষ্ট হয়ে গেলে, বাকি তবলীগও দুনিয়াতে টিকে থাকা মুশকিল হবে। কারণ দ্বীন একটা জীবন্ত জিনিষ, আর জীবন্ত জিনিষের বড় অংশ না থাকলে বাকী অংশ টিকে না। বাংলাদেশের তবলীগ বলা যেতে পারে যে, সম্পূর্ণ আলমী তবলীগের এক তৃতীয়াংশ, সংখ্যা ইত্যাদির দিক থেকে। আর কোন কোন দিক থেকে আরও বড়। টঙ্গি ইজতেমার সময় পুরা দুনিয়ার মাশওয়ারা এখানেই হয়। আল্লাহ্ তায়ালা এমন কিছু অবস্থা সৃষ্টি করেছেন যে, অন্য কোন দেশে দুনিয়ার সবার আসা মুশকিল; একত্রিত হতে পারে না। বাংলাদেশে প্রায় সব থেকে আসতে পারে। এই সুবিধা থাকার কারণে প্রধান আলমী মাশওয়ারা গুলো বাংলাদেশেই হয়। তাই বাংলাদেশের তবলীগের সংরক্ষন বা হেফাজত আসলে আলমী তবলীগের হেফাজত। এতবড় কাজ আর আল্লাহ্ তায়ালা নির্বাচন করেছেন আমাদের মত নগন্য মানুষকে। সমস্যাতো অনেক দিনের; কিন্তু সমাধানের জন্য কেউ এগিয়ে আসেননি। আমাদের এগিয়ে আসা, আল্লাহ্র পক্ষ থেকে আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ।
আবু মাহ্জান সাকাফী রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু; এত জন বড় বড় সাহাবী থাকতে আল্লাহ্ তায়ালা নির্বাচন করলেন তাঁকেই, যিনি মদ পান করতেন। আর তাঁকে দিয়েই আল্লাহ্ তায়ালা এতবড় কাজ করালেন। আর এই কাজের উসিলায় আল্লাহ্ তাঁকে এ খারাপ অভ্যাস থেকে তওবাও নসীব করলেন।
আল্লাহ্র কাছে শুকর আদায় করা যে, আল্লাহ্ তায়ালা মেহেরবাণী করে আমাকে এই বড় কাজের জন্য পছন্দ করেছেন; আর যখন করেছেন, পুরা গুরুত্ব ও আদবের সাথে তার হক্ক আদায় করার চেষ্টা করা উচিত। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দেহ মোবারককে যখন কিছু খ্রীষ্টানরা নিয়ে যেতে চাইল, তখন আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর হেফাজতের জন্য ব্যবহার করলেন নূরউদ্দীন জঙ্গী রহমাতুল্লাহি আলাইহি কে, অথচ উনি মদিনায় ছিলেনও না, মদিনায় আরও অনেক আল্লাহ্ ওয়ালারা ছিলেন, কিন্তু আল্লাহ্ তায়ালা মিশর থেকে উনাকে আনিয়ে হেফাজত করালেন। যখন করালেন উনি তার খুব কদর করলেন, খুব যতেœর সাথে করলেন, যারা এ অপকর্ম করতে চাচ্ছিলো, তাদের কতল অন্য কাউকে দিয়ে না করিয়ে নিজ হাতে করলেন। আদবের দাবী এটাই। খিদমত যেন নিজ হাতেই করে।
আল্লাহ্ তায়ালা মেহেরবানী করে আমাদেরকে এত বড় কাজের জন্যে নির্বাচন করেছেন। এর পুরা হক আদায় করবার চেষ্টা করা। দিল থেকে আল্লাহ্র কাছে শুকুর আদায় করা ও কদর করতে পারার তৌফিক চাওয়া ও কবুলিয়াতের জন্যে দোয়া করা। যদি এ দায়িত্বকে ঠিকমত আদবের সাথে আদায় করতে পারি, হয়তঃ এটাই আমার নাযাতের উসিলা হবে। হয়ত এ দায়িত্ব পালনই তরক্কীর উসিলা হবে। যেরকম মানুষ যিকির করে তরক্কী করে, গাশত্ করে তরক্কী করে, তালীমের মাধ্যমে তরক্কী করে বিভিন্ন ভাবে তার রুহানী তরক্কী হয়।
সাহাবাদের তা’লিম, তরবিয়ত ও তরক্কীর বড় অংশই হয়েছে সংকটের মোকাবেলার মাধ্যমে। গাল শোনা, মার খাওয়া সহ্য করার মাধ্যমে। আমাদের এই যমানায় মানুষ দ্বীনের মেহনত করবে, আর এ জন্য তাকে একটা চড় খেতে হবে বা গাল শুনতে হবে, এটা কোন ধারনার মধ্যেই ছিল না, কোন সুযোগই নাই। আল্লাহ্্ তায়ালা সে সুযোগও করে দিয়েছেন। দ্বীনের মেহনতের মধ্যে মোকাবেলার সম্মুখীন হওয়া, এটাকে কদর করা, আর কদর আগ্রহের সাথে করা। কবি লবীদের কবিতার বিরুদ্ধে বলার কারণে উসমান ইবনে মাদঊন রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু কে উবাই বিন খল্ফ ঘুষি মারল। ঘুষি খেয়ে রক্ত জমে চোখ নীল হয়ে গেল। তাঁর চাচা বললেন যে “আমার আশ্রয়ে থাকলে তোমার এই অবস্থা হত না”। উনি বললেন, “আমার অপর চোখও এটারই আগ্রহী।” ইচ্ছা করে ঐ আশ্রয়কে বাদ দিয়েছেন যাতে মার খান। কারণ আশ্রয়ে থাকার কারণে উনি নিরাপদ, আর বাকি সবাই মার খাচ্ছেন। এই নিরাপদ থাকাই তাঁর কাছে ভাল লাগে নি। ঐ আশ্রয় প্রত্যাখ্যান করলেন মার খাওয়ার জন্যে। আমি বঞ্চিত থাকব কেন? দুনিয়ার মানুষ যেরকম মনে করে, আমার ভাগ পাব না কেন? সবাইকে দিচ্ছে, আমাকে দেবে না কেন? উনি ওরকমই ভাবলেন, সবাই মার খাচ্ছে, আমি খাব না কেন? আমারও হক আছে। নিজ হক নেওয়ার জন্য চাচার আশ্রয়কে উনি পরিত্যাগ করলেন। প্রথমে একাকি, তারপর বাজারে গিয়ে প্রকাশ্যে, যেন সবাই জানে যে আমি এখন উন্মুক্ত, আমি এখন মার খেতে পারি। যে কেউ যেন আমার উপর হাত তুলতে সাহস পায়। ঠিকই মার খেলেন, আর উনি তার কদর করলেন।
আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের কে দ্বীনের কদর করার তৌফিক নসীব করুক। আমীন.

From: Muhammad Imtiaz Hossain
Sent: ‎04/‎02/‎2015 23:21
To: save-k...@googlegroups.com
Subject: [save-kakrail] মুশফিক স্যার আর ওয়াসিফ ভাই কে খোলা চিঠি

--
Crimes of Wasif - The Godfather of Kakrail
 
কাকরাইলের বিস্তারিত হালত জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:
 
https://drive.google.com/folderview?id=0Byqm0YeZb8EMRXJPOXpsdnZMaWM&usp=gmail
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "Save Kakrail" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to save-kakrail...@googlegroups.com.
Visit this group at http://groups.google.com/group/save-kakrail.
To view this discussion on the web visit https://groups.google.com/d/msgid/save-kakrail/CAFw_D0O3ZEE6HQkU8ebqrGvmt4LzqHgn%3DDQUTTACZc%3DuOsLZMw%40mail.gmail.com.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.

Anisur Rahman

unread,
Feb 5, 2015, 10:25:41 AM2/5/15
to save-k...@googlegroups.com
জী এটা হতে পারে,কিন্তু কাকরাইলে পেশ করবে কে?

--
Crimes of Wasif - The Godfather of Kakrail
 
কাকরাইলের বিস্তারিত হালত জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:
 
https://drive.google.com/folderview?id=0Byqm0YeZb8EMRXJPOXpsdnZMaWM&usp=gmail
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "Save Kakrail" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to save-kakrail...@googlegroups.com.
Visit this group at http://groups.google.com/group/save-kakrail.
To view this discussion on the web visit https://groups.google.com/d/msgid/save-kakrail/CAFw_D0O3ZEE6HQkU8ebqrGvmt4LzqHgn%3DDQUTTACZc%3DuOsLZMw%40mail.gmail.com.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.



--
Md. Anisur Rahman

Muhammad Imtiaz Hossain

unread,
Feb 5, 2015, 1:25:21 PM2/5/15
to save-k...@googlegroups.com
ভাই ফজল,

আপনাদের লেখা তো অনেক পড়ি, আরও পড়ব ইনশাআল্লাহ।

দয়া করে আমার চিঠি স্যার কে পৌছে দিন। স্যারের যদি কোনো জবাব দেন তা হুবহু লিখে দিলে save-kakrail এর সকলে উপকৃত হবে ইনশাআল্লাহ।

আর ওয়াসিফ ভাই এর কাছ থেকেও উত্তর আশা করছি ইনশাআল্লাহ।



For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.



--

Regards,
Muhammad Imtiaz Hossain
Web Programmer & IR Officer
Office of International Cooperation (OIC)
King Fahd University of Petroleum & Minerals
P.O. Box 1086, Dhahran 31261, KSA

TEL:  Work:   +966-13-860-8067

          Mobile: +966-531828624

URL:  www.kfupm.edu.sa/oic

Alamgir Hossain

unread,
Feb 9, 2015, 10:30:11 PM2/9/15
to save-k...@googlegroups.com

ভাই ইমতিয়াজ, তাবলীগের মুরব্বিদের মাকাম নিয়ে আমাদের এখতেলাফ নয়। কারোর মাকাম বেশি হবে করোর কম হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এমন কিছু মুরব্বিদের নিয়ে যাদের দ্বারা তাবলীগের মেহেনত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ধরুন আপনার কথা মত যদি আমরা থেমে যাই তখন আমাদের মুরুব্বিরা বিনা বাধায় তাদের অপকর্ম গুলা করে যাবে, কেননা তখন আর বাধা দেবার কেউ থাকল না। আর বাধা যারা দিবে তাদেরকে এখনকার মত কাকরাইল থেকে বের করে দেয়া হবে। তখন কাকরাইলে কারা থাকবে চিন্তা করেছেন? হয় দুর্নীতিকারী অথবা সাহায্যকারী অথবা সমর্থনকারী। এই ধরনের মুরুব্বিরা যদি কাকরাইলে থাকে তাহলে তাদের দ্বারা দ্বীনের কি উপকার হতে পারে একটু চিন্তা করে দেখেন।

 

আপনি অনুরোধ করেছেন কিছু নিরপেক্ষ মুরুব্বিদের ফায়সালা মেনে নিতে যদিও উহা আমাদের নাফস বা  আকলে বেহক্ক মনে হয়।  ফায়সালা যদি শরিয়ত অনুযায়ী হয় তাহলে নফসের চাওয়া বা না চাওয়া অপ্রাসঙ্গিক, সেটায় মানতে হবে।

তারপরেও আপনার এই প্রস্তাবের জন্য ধন্যবাদ। আপনি যদি ওয়াসিফ ভায়ের দায়িত্ব নেন আমরা মুশফিক স্যারের সাথে কথা বলব ইনশাআল্লাহ। 


Muhammad Imtiaz Hossain

unread,
Feb 10, 2015, 11:45:37 AM2/10/15
to save-k...@googlegroups.com
আসসালামু আলাইকুম

আপনার উত্তর এর জন্য জাযাকাল্লাহু খাইরান।

আমি দুজন কেই চিঠি দিয়েছি। যাতে করে দুজনেই ফায়সালা করে নেন। নিজেরা ফায়সালা না করতে পারলে "নিরপেক্ষ নির্ভরযোগ্য ফায়সাল" আগে খুজে বের করার দায়িত্ত তাদেরই দিলাম। যাদের নাম বলেছি তারা শরিয়ত বিরোধি ফায়সালা দতে পারেন এই কু ধারনা আমার মনে আসে নাই কিন্তু আপনার/আপনাদের মনে এসেছে। কেন জানেন!!!! এরকম মনে করার মানেই হচ্ছে যে "আমি/আমরা দুনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে শরিয়ত মাননে ওয়ালা" - এই ধারনা থেকে বের হয়ে আসেন।

তাদের দুজন কে অনুরোধ করেন "নিরপেক্ষ নির্ভরযোগ্য ফায়সাল" এর লিস্ট দিতে যাদেরকে তারা মানবেন। তাদের সামনে তারা দুজনে একত্রিত হবেন। দরকারে তিন দিন তিন বার বসবেন (এক বসাতে হবে না, I guess), এবং ফায়সালা মেনে নিবেন

আচ্ছা ওয়াসিফ সাহেব তো নিযামুদ্দিন এর নির্বাচিত শুরা। তো নিযামুদ্দিন কি শরিয়ত সম্মত ফায়সালা দিয়েছেন ওয়াসিফ সাহেব কে শুরা বানিয়ে!!!

মানে আমি/আমারা সাধারন তাবলিগ ওয়ালারা জানতে চাই যে আপনারা আসলে কাকে মানেন??? কাওকে কি আপনারা মানেন নাকি নাফস যা ঠিক বালে রায় দেয়  শুধু সেটাই মানেন?

নিযামুদ্দিন যদি শরিয়ত অসম্মত ফায়সালা দিয়ে থাকেন তাহলে "বিড়াল" নিশ্চই নিযামুদ্দিনেও আছে। কাকরাইলের "থলের বিড়াল" বের করছেন। যদি জেনে থাকেন তবে আপনাদের ঈমানি দায়িত্ত হল নিযামুদ্দিনের "থলের বিড়াল" এর খোজ সাধারন উম্মত কে দেয়া (যদি থাকে বা যদি আপনারা জেনে থাকেন) যারা ওয়াসিফ সাহেবের মত লোক কে কাকরাইলে শুরা বানায়। 

আমার সাথে ওয়াসিফ সাহেবের কোন যোগাযোগ নাই। আমি উনার দায়িত্ত নিতে পারব না। আমার সাথে স্যার এর ও কোনো যোগাযোগ নাই। আমি খুব সাধারন তাবলিগ সাথি যে বিশ্বাস করে ওয়াসিফ সাহেব, কাকরাইল, নিযামুদ্দিন সকল ক্ষমতার মালিক নয়, সকল ক্ষমতার মালিক হলেন আল্লাহ তা'লা এবং আল্লাহ ই তার দ্বীন এর মেহনত কে রক্ষা করবেন।



For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.
Reply all
Reply to author
Forward
0 new messages