আসসালামু আলাইকুম।
*সৎকর্ম অব্যাহত রাখার গুরুত্ব*
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوۡمٍ حَتَّىٰ يُغَيِّرُواْ مَا بِأَنفُسِهِمۡۗ ﴾ [الرعد: ١١]
অর্থাৎ “নিশ্চয় আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তন করেন না; যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা নিজেরা পরিবর্তন করে।” (সূরা রা’দ ১১ আয়াত)
তিনি আরো বলেন,
﴿ وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّتِي نَقَضَتۡ غَزۡلَهَا مِنۢ بَعۡدِ قُوَّةٍ أَنكَٰثٗا﴾ [النحل: ٩٢]
অর্থাৎ “তোমরা সে নারীর মত হয়ো না, যে তার সুতা মজবুত করে পাকাবার পর ওর পাক খুলে নষ্ট করে দেয়।” (সূরা নাহ্ল ৯২ আয়াত)
তিনি আরো বলেন,
﴿ وَلَا يَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ مِن قَبۡلُ فَطَالَ عَلَيۡهِمُ ٱلۡأَمَدُ فَقَسَتۡ قُلُوبُهُمۡۖ ﴾ [الحديد: ١٦]
অর্থাৎ “পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল তাদের মত তারা হবে না বহুকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেলে যাদের অন্তর কঠিন হয়ে পড়েছিল।” (সূরা হাদীদ ১৬ আয়াত)
তিনি আরো বলেন,
﴿فَمَا رَعَوۡهَا حَقَّ رِعَايَتِهَاۖ ﴾ [الحديد: ٢٧]
অর্থাৎ “এটাও তারা যথাযথভাবে পালন করেনি।” (সূরা হাদীদ ২৭ আয়াত)
১/৬৯৭। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা আমাকে বললেন, ‘‘হে আব্দুল্লাহ! তুমি অমুকের মত হয়ো না, যে রাত্রে উঠে ইবাদত করত, অতঃপর সে রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায ছেড়ে দিয়েছে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]
[1] সহীহুল বুখারী ১১৩১, ১১৫২, ১১৫৩, ১৯৭৪, ১৯৭৫, ১৯৭৬, ১৯৭৭, ১৯৭৮, ১৯৭৯, ১৯৮০, ৩৪১৮, ৩৪১৯, ৩৪২০, ৫০৫২, ৫০৫৩, ৫০৫৪, ৫১৯৯, ৬১৩৪, ২৩৯৬, ২৩৯৭, ২৩৯৯, ২৪০০-২৪০৩, আবূ দাউদ ১৩৮৮-১৩৯১, ২৪২৭, ২৪৪৮, ইবনু মাজাহ ১৩৪৬, ১৭১২, আহমাদ ৬৪৪১, ৬৪৫৫, ৬৪৫৫, ৬৪৮০, ৬৪৯১, ৬৭৯১, ৬৮৮২, ৬৯৮৪, ৭০৫৮, দারেমী ১৭৫২, ৩৪৮৬ হাদিসের মানঃ সহিহ
----------------
পূর্বের হাদীসগুলো পড়তে হলে :
http://groups.google.com/group/al-hadith_bangla
-----------------
ফেইসবুকে প্রতিদিন বাংলায় কূর'আন ও হাদীসের বাণী পেতেঃ
facebook.com/Daily.Al.Quran
facebook.com/Daily.Al.Hadith