ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।

873 views
Skip to first unread message

Post Card

unread,
Jul 10, 2016, 4:50:52 PM7/10/16
to Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, pfc-f...@googlegroups.com, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
"Prothom Alo Owner's Grandson Faraz was buried first before anyone else's and without postmortem.

"Ekattor TV claimed Faraz throat was cut by terrorists, but no photo or video was released about Faraz however all other dead body and video was shown in Ekattor. 

"We demand Faraz dead body must be withdrawn from the grave and do the postmortem and disclose it to public like others.

"Once Korean video released Ekattor TV stopped calling Faraz a hero and as of now Prothom Alo or daily star or Latifur Rahman and not yet has released any statements regarding that Korean video where Faraz was shown as terrorist with Wilson backpack. If it is false or fake or framed or fabricated then why not Mr. Latifur Rahman quiet ? Rather they ask Nisha Deshai to take care the issue and the same way this Nisha Deshai requested our PM to waive Q Molla's death penalty. Moreover Mrs Deshai is coming once Mrs. Shushoma Sharaj and India is very honest and determine to dig down the Gulshan killing.

"Why? We need to know that...!!!

"I request my beloved Netri please do not compromise with this Jongi Prothom Alo group they are the monsters and this civil type reformists and Jamaat they all created 1975 15th August and killed our little Russel. They are the enemy of mankind.

"They must be in Justice.  Or our human civilization will be in challenge.

------------------

ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই আমাদের বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।


 এর আগ পর্যন্ত অভিযানের দিন সকাল বেলা ফারাজের নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও, এবার প্রথম আলোর আরেকজন সহকারী সম্পাদক, প্রাক্তন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, ফারুক ওয়াসিফ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন ফারাজ রাত দু’টোর পুর্বেই জঙ্গীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।

"ক্রমান্বয়ে এই সুরে আরও বক্তব্য আমরা পেতে থাকি। দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার শরিফুল হাসানও দাবী করেন রাত দুটোর আগেই ফারাজ সবান্ধবে নিহত হয়েছিলেন। তিনি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন যেগুলো জঙ্গি ততপরতা পর্যবেক্ষনকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইট সরবরাহ করেছে।ছবিতে নিহত তিনজনকে দেখিয়ে তিনি তাঁদেরকে ফারাজ ও তাঁর দুই বান্ধবী বলে দাবী করেন।
"কিন্তু কোলকাতাভিত্তিক দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা, যা কিনা প্রথম আলোরই পশ্চিম বঙ্গীয় সংস্করণ তারা আমাদেরকে জানায় ভিন্ন ঘটনা। ফারাজের বান্ধবী ভোর ছ’টার সময়ও ফোনে তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলেছিলেন, এমনটাই আনন্দবাজারের ভাষ্য। আমি হুবুহু আনন্দবাজার থেকে কোট করছি-
খুন হওয়ার আগে আরিশি শেষ ফোনটা করেছিলেন বাবাকে। শনিবার ভোর ছ’টার কিছুক্ষণ আগে। শুক্রবার রাত থেকে পণবন্দি হয়ে ছিলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। রাতেই বেশ কয়েক জনকে মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা।

"ফারাজের পরিবারের সদস্য হিশাম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন ফারাজ সকালে নিহত হন, আর্মি অভিযানের সময়। ফারাজের বান্ধবী, যিনি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত, তাঁর বাবাও জানিয়েছেন ভোর ছ’টা নাগাদ অন্তত তাঁর মেয়ে জীবিত ছিল। আশা করি এরপর আর কোন অস্পষ্ট ছবি দেখিয়ে, জুতার মিল দেখিয়ে কিংবা উইলসন ব্যাগ তত্ত্ব হাজির করে ফারাজের রাতেই নিহত হওয়ার খবর বিশ্বাস করতে হবে না।

"ফারাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ফ্যামিলির সন্তান। এদেশের মিডিয়া জগতকে নিয়ন্ত্রন করে ফারাজের পরিবার। এ লেখাগুলো, যুক্তিগুলো, কথাগুলো মূলধারার গণমাধ্যমে না আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও মূলধারার গণমাধ্যমে যা এসেছে তাই থেকে প্রমাণিত হয় ফারাজ সন্ত্রাসীদের সাথেই ছিলেন আর্মি অভিযানের সময়। বাকিটুকু আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে চাইছি না। কারণ আমার সামর্থ্য নাই আমেরিকা বা ইউরোপে পারি দেয়ার, আমাকে এদেশেই বাস করতে হবে, আমারও ধরে একটাই মাত্র মুন্ডু।

"এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্যও কষ্টকর যে ফারাজ জঙ্গী দলের সদস্য। কিন্তু সত্য সবসময় আমাদের মনপসন্দ হয় না, অনেক সময় এমন অনেক কিছুই আমাদের হজম করতে হয় যা আমাদের মোটেই পছন্দ নয়।

"আশা করবো, ফারাজের শোক সন্তপ্ত প্রিয়জনেরা আবেগের উর্ধ্বে যুক্তিকেই স্থান দিবেন এবং সচেতন নাগরিকের ভূমিকা পালন করবেন। স্বজনপ্রীতি যেন আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে না যায় সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। আমার বন্ধুর প্রতি আমার ভালোবাসা অন্য কারও বন্ধুর প্রাণহানীর জন্য দায়ী হলে সেটা হবে মারাত্মক অন্যায়।
উইলসন ব্যাগ, সাদা কেডস,

"অনেকেই আমাকে নির্মম বলবেন, আমি জানি। এটা সঠিক সময় নয়, অনেকেই বলবেন। ফারাজের বাবা-মা ও পরিবারের কথা চিন্তা করতে অনেকেই উপদেশ দিবেন, তাদের মনের অবস্থা বুঝতে বলবেন। কিন্তু সেই সাথে আমাদের ঐ ২০টি পরিবারের কথাও মনে রাখা উচিত যাদের ফারাজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে নিষ্টুরতম উপায়ে হত্যা করেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন নিজেকে ঐ জায়গায়। একজন একজন করে কোরবানির গরুর মত আপনাকে জবাই করা হচ্ছে অথচ আপনি কিছুই করতে পারছেন না। এসি রবিউলের কথা চিন্তা করুন। তাঁর অনাগত সন্তানের কথা চিন্তা করুন, যেকিনা এখনও তার মায়ের গর্ভে। এই শিশুটি কোনদিনও কাউকে বাবা বলে ডাকতে পারবে না। সর্বোপরি ঐ বাবুর্চিটির কথা চিন্তা করুন। ফারাজের প্রক্সি হিসেবে মিডিয়া যাকে আমাদের সামনে জঙ্গী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই বাবুর্চীর স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। তার কথা ভাবুন। তার স্ত্রীর কথা ভাবুন। অনাগত সন্তানটির কথা ভাবুন। এরপর আশা করি আপনি আর ফারাজের জন্য কুম্ভীরাশ্রু বর্ষনের দিকে ধাবিত হবেন না।

-------------------


একসাথে এতজন বিদেশী নাগরিক এই রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ?

তাদেরকে কেউ দাওয়াত দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার জন্য নিয়ে যায় নিতো..?
একসাথে এতজন বিদেশী নাগরিক এই রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ? তাদেরকে কেউ দাওয়াত দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার জন্য নিয়ে যায় নিতো..?
এই জাতির হতভাগা জনগনের কপালে আরো কতযে দূর্দশা আছে তা এক মাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেনা। জাতির ভাগ্য আকাশে শকুনের ছায়া বিস্তার করেছে সঠিক ভাবে মোকাবেলা করতে না পারলে এ জাতি শেষ হয়ে যাবে অনেক গুলো বিষয়ের হিসেব মিলছে না
১) নিহত সাত জাপানির মধ্যে ছয় জনই ছিলো মেট্রোরেল প্রকল্পের সমীক্ষক। এই সমীক্ষকদের রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে ২২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটির ভবিষ্যত। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এক সাথে একই কাজের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ সেখানে গেলো কিভাবে ? তাদের কি কেউ দাওয়াত দিয়ে নিয়েছিলো ? বড় প্রজেক্টের এতগুলো বিদেশী কনসালটেন্স এক সাথে খুন হওয়ার পেছনে আর কি কারণ থাকতে পারে ?
২) নিহত ইতালি নাগরিকদের মধ্যে ৬ জন ছিলো গার্মেন্টস বায়ার। একসাথে এতজন গার্মেন্টস বায়ার ঐ রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ? তাদেরকে কি কেউ দাওয়াত দিয়ে নিয়েছিলো ? একসাথে এতজন গার্মেন্টস বায়ার হত্যার কারণ কি থাকতে পারে ?
৩) হাসনাত করীম কে ? বলা হয়েছে তার মেয়ের জন্মদিন ছিলো। এইজন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি রুমের মধ্যে প্রকাশ্যে খুনিদের পাশে হাটছিলেন কিভাবে ? আর পাহারা ছাড়া নারীদের বের করে আনলেনও বা কিভাবে ?
৪) ডিজিএফআইএ এর এক সদস্যের লিখিত বই ‘বাংলাদেশে র’-তে দেখেছিলাম, বলা হয়েছিলো- বিদেশী রেস্ট্রুরেন্টগুলো সাধারণত বিদেশী গোয়েন্দাদের বেনামে অফিস হয়ে থাকে। কারণ সেখানে খাবার খাওয়ার অজুহাত দিয়ে এসে গোয়েন্দারা মিটিং করতে পারে, কিন্তু কেউ সন্দেহ করতে পারে না, সবাইভাবে খেতে এসেছে।
আর গুলশান ডিপ্লোমেটিক জোনের মত কড়া এলাকায় এ ধরনের একটি বিদেশী রেস্ট্রুরেন্টে-এ বিদেশী গোয়েন্দাদের ঘাটি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। যদি ঐ রেস্ট্রুরেন্টটি সত্যিই বিদেশী গোযেন্দাদের মিলনস্থল হয় সেখানে জাপানি কনসালটেন্ট কিংবা ইতালিয় বায়াররা এমনি এমনি নাও যেতে পারে।
কোন গোয়েন্দা সংস্থার লোক উদ্দেশ্যমূলক টার্গেট করে তাদেরকে ডেকেও নিয়ে আসতে পারে। এমনও হতে পারে রেস্ট্রুরেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকরাই খুনিদের ঢুকিয়েছে, যার কারণে পুরো ঘটনা ঘটে গেছে সহজে।
৫) নিহত বাংলাদেশীদের তালিকায় কিন্তু সাধারণ মানুষ নেই। যেমন প্রথম আলো- ডেইলি স্টারের ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকের নাতি মারা গেছে। অথচ ট্র্যান্সকম গ্রুপের মালিক লতিফুর যে বিদেশী এজেন্ট এটা অনেকেরই জানা।
অন্যদিকে নিহত অবিন্তা কবীর এলিগেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যানের মেয়ে। এছাড়া নিহত ইশরাত আখন্দ ছিলো বিজিএমইয়ের সাবেক মানবসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা। এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ লোক এক সাথে সেখানে কিভাবে গেলো, নাকি তাদের কেউ ডেকে নিযে এসেছিলো বিষয়টি দেখবার বিষয় আছে।
মনে রাখবেন, ‘জঙ্গী’ শব্দটা ব্যবহার হয় উদ্দেশ্য মূলকভা, কোন ঘটনার মূল উদ্দেশ্য আড়াল করার সবচেয়ে সহজ কৌশল জঙ্গী হামলার দাবি করা।
যেমন কিছুদিন আগে মিতু হত্যাকাণ্ড ঘটনায় শুরুতে দাবি করা হয়েছে জঙ্গীরা হত্যা করেছে। কিন্তু এখন ঘটনার টার্ন নিয়েছে অন্যদিকে। এখন জঙ্গী হামলা গেলো কোথায় ?
এটা ঠিক, যারা এধরনের ঘটনাগুলো ঘটায় তাদের একটি মাত্র উদ্দেশ্য থাকে না। তারা একটা ঘটনা ঘটিয়ে অনেকগুলো উদ্দেশ্য হাসিল করে। গুলশান হামলার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু থাকতে পারে।
তবে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলো বিবেচনা করলে ঘটনার অন্যকোন কেন্দ্রবিন্দুও বের হয়ে আসলেও আসতে পারে। এখন আমাদের করনীয় কি তা আমাদেরকেই র্নিনয় করতে হবে।
--------------


জঙ্গিপনা উত্থানের মূল দায়ী এই বাকশালী আওয়ামীলীগ ও ভারত!

" ভোট-হীন আওয়ামী সরকার ও সাম্রাজ্যবাদী ভারত ইসলামী মূল্যবোধের উপর, ইসলামী রাজনীতির উপর, ইসলামী মিডিয়ার উপর, সামাজির সংঘের উপর, দাড়ি-টুপি ও মাদ্রাসার উপর গুম-খুন, অত্যাচার, মামলা হামলা, অপবাদ ও নির্মূল অভিযান করে বাংলাদেশে জঙ্গি হবার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে , জঙ্গিপোনাকে উস্কানি দিয়েছে । নিরাপত্তা বাহিনীকে রাজনীতিকরন & দুর্বৃত্তায়ন করে জঙ্গি মোকাবিলা করতেও সপূর্ণ বের্থ !! কারণ এদের উদ্দেশ্য কোনোদিন জঙ্গি মোকাবিলা ছিল না , বিরোধীদল মোকাবিলা ছিল !!! এর দায় আওয়ামীলীগ ও তার পৃষ্টপোষক ভারতকে অবশ্যই নিতে হবে !!! 
"এতদিন যে দাড়ি-টুপি মানে জঙ্গি , জামাত মানে জঙ্গি, মাদ্রাসা মানে জঙ্গি , বিএনপি মানে জঙ্গি এই বস্তাপচা ফর্মুলা জাতিকে খায়েছে, সেটির রাজনৈতিক প্রতারণা , জাতিগত প্রতারণার দায় আওয়ামী & বামপন্ধি এড়াতে পারে না !!! এই দেশবিরোধী, দেশের স্বার্থ বিরোধী আওয়ামী & বামপন্ধিরা, ইন্ডিয়ার প্রেসকিপশন অনুযায়ী, ধর্মীয়-বিরোধী উস্কানি দিয়ে এসেছে, ধর্মকে কাঠগড়ায় দাড়া করিয়েছে, দাড়ি-টুপি কে টার্গেট করেছে, ধর্ম-দূষণ করেছে, গুম-খুন করছে, ঢালাও ভাবে অত্যাচার, জেল, মিত্থা মামলা হামলা করেছে, অপবাদ দিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ইসলামিক দল, মতবাদ ও মূল্যবোধ নির্মূল করতে, ধর্ম নিরপেক্ষতার নামে, চেতনা বেবসার নামে !! এজন্য এরা আল্লা-রাসূল কে গালাগালিকারী রাজীবকে মুক্তি-যুদ্ধের শহীদ রাষ্টীয় ঘোষণা দিয়েছে !! সত্যিকার জঙ্গি না ধরে, জজ্ঞী ধরার উসিলায় বিরোধী নিধোন করেছে, রাষ্টীয় সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে, পুলিশ, রেব, বিচার বিভাগ কে ক্রিমিনালাইজ করেছে, সম্পূর্ণ রাজনীতিকরণ করেছে!!! সন্ত্রাসীকে, খুনিকে ফাঁসি বা শাস্তি থেকে প্রেসিডেনশিয়াল ক্ষমা করে রাজনীতিকে অপরাধিকরণ করেছে !! আর এসব সম্ভব হয়েছে গণতন্ত্রের অভাবে, সরকারের জবাবদিহিতার সব বেবস্থাকে সমূলে উৎপাটনের ফলে !! 

"এসব করে রাষ্ট্র ও জাতিকে অনিবার্য ধ্বংসের মুখে নিয়ে এসেছে !! জাতি এখন বাকশালের কাছে সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ !!! চাইলেও জনগণ তাদের ইচ্ছার কোনো প্রতিফলন করতে পারছে না , কারণ নির্বাচন বেবস্থাকে পঙ্গু করে ফেলেছ , দখল করে ফেলেছে! সব গণতন্ত্রিক & বৈধ উপায়কে বন্ধ করে ফেলাতে এখন এরা অবৈধ উপায়কে বেছে নিয়েছে !

Dr. Farida Hossain

unread,
Jul 10, 2016, 5:30:40 PM7/10/16
to pfc-f...@googlegroups.com
You were trying to say that no one should be above suspicion. So not even you. Right? But before coming to a conclusion you marked him as terrorist? How could you? He gave his life for friends. Don't you know that? Didnt his Freind told her Dad about how he sacrificed his life for her? After accusing Faraz without any reason you said you don't to say anything? What else you wanted to say against Faraz?  Shame on you. Doing dirty politics or doing it for your benefit? Terrorist killed for grid of money & Faraz had enough money ok? Why he will go? We know Faraz. He was with smart girls never with hijab. Fear God ok? Thanks. 

Sent from my iPhone
--
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "PFC-Friends" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to pfc-friends...@googlegroups.com.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.

Dr. Farida Hossain

unread,
Jul 10, 2016, 5:38:47 PM7/10/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
You are against Larifur Rahman. You are not neutral. You were trying to say that no one should be above suspicion. So not even you. Right? But not even before coming to a conclusion you marked Faraz as terrorist? How could you? He gave his life for friends. Don't you know that? Didnt his Freind told her Dad about how he sacrificed his life for her? After accusing Faraz without any reason you said you don't want to say anything? What else you wanted to say against Faraz?  Shame on you. Doing dirty politics for your benefit? Terrorist killed for grid of money & Faraz had enough money ok? Why he will go? We know Faraz. He was with smart girls never with hijab. Fear God ok? We will go back to him with empty hand & our Karma. Hope God forgives you. Now stop ok? Thanks. 

Sent from my iPhone

On Jul 10, 2016, at 16:50, Post Card <abahar...@gmail.com> wrote:

"Prothom Alo Owner's Grandson Faraz was buried first before anyone else's and without postmortem.

"Ekattor TV claimed Faraz throat was cut by terrorists, but no photo or video was released about Faraz however all other dead body and video was shown in Ekattor. 

"We demand Faraz dead body must be withdrawn from the grave and do the postmortem and disclose it to public like others.

"Once Korean video released Ekattor TV stopped calling Faraz a hero and as of now Prothom Alo or daily star or Latifur Rahman and not yet has released any statements regarding that Korean video where Faraz was shown as terrorist with Wilson backpack. If it is false or fake or framed or fabricated then why not Mr. Latifur Rahman quiet ? Rather they ask Nisha Deshai to take care the issue and the same way this Nisha Deshai requested our PM to waive Q Molla's death penalty. Moreover Mrs Deshai is coming once Mrs. Shushoma Sharaj and India is very honest and determine to dig down the Gulshan killing.

"Why? We need to know that...!!!
"I request my beloved Netri please do not compromise with this Jongi Prothom Alo group they are the monsters and this civil type reformists and Jamaat they all created 1975 15th August and killed our little Russel. They are the enemy of mankind.
"They must be in Justice.  Or our human civilization will be in challenge.
ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই আমাদের বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।

 এর আগ পর্যন্ত অভিযানের দিন সকাল বেলা ফারাজের নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও, এবার প্রথম আলোর আরেকজন সহকারী সম্পাদক, প্রাক্তন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, ফারুক ওয়াসিফ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন ফারাজ রাত দু’টোর পুর্বেই জঙ্গীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।

"ক্রমান্বয়ে এই সুরে আরও বক্তব্য আমরা পেতে থাকি। দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার শরিফুল হাসানও দাবী করেন রাত দুটোর আগেই ফারাজ সবান্ধবে নিহত হয়েছিলেন। তিনি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন যেগুলো জঙ্গি ততপরতা পর্যবেক্ষনকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইট সরবরাহ করেছে।ছবিতে নিহত তিনজনকে দেখিয়ে তিনি তাঁদেরকে ফারাজ ও তাঁর দুই বান্ধবী বলে দাবী করেন।
"কিন্তু কোলকাতাভিত্তিক দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা, যা কিনা প্রথম আলোরই পশ্চিম বঙ্গীয় সংস্করণ তারা আমাদেরকে জানায় ভিন্ন ঘটনা। ফারাজের বান্ধবী ভোর ছ’টার সময়ও ফোনে তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলেছিলেন, এমনটাই আনন্দবাজারের ভাষ্য। আমি হুবুহু আনন্দবাজার থেকে কোট করছি-
খুন হওয়ার আগে আরিশি শেষ ফোনটা করেছিলেন বাবাকে। শনিবার ভোর ছ’টার কিছুক্ষণ আগে। শুক্রবার রাত থেকে পণবন্দি হয়ে ছিলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। রাতেই বেশ কয়েক জনকে মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা।

"ফারাজের পরিবারের সদস্য হিশাম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন ফারাজ সকালে নিহত হন, আর্মি অভিযানের সময়। ফারাজের বান্ধবী, যিনি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত, তাঁর বাবাও জানিয়েছেন ভোর ছ’টা নাগাদ অন্তত তাঁর মেয়ে জীবিত ছিল। আশা করি এরপর আর কোন অস্পষ্ট ছবি দেখিয়ে, জুতার মিল দেখিয়ে কিংবা উইলসন ব্যাগ তত্ত্ব হাজির করে ফারাজের রাতেই নিহত হওয়ার খবর বিশ্বাস করতে হবে না।

"ফারাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ফ্যামিলির সন্তান। এদেশের মিডিয়া জগতকে নিয়ন্ত্রন করে ফারাজের পরিবার। এ লেখাগুলো, যুক্তিগুলো, কথাগুলো মূলধারার গণমাধ্যমে না আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও মূলধারার গণমাধ্যমে যা এসেছে তাই থেকে প্রমাণিত হয় ফারাজ সন্ত্রাসীদের সাথেই ছিলেন আর্মি অভিযানের সময়। বাকিটুকু আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে চাইছি না। কারণ আমার সামর্থ্য নাই আমেরিকা বা ইউরোপে পারি দেয়ার, আমাকে এদেশেই বাস করতে হবে, আমারও ধরে একটাই মাত্র মুন্ডু।

"এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্যও কষ্টকর যে ফারাজ জঙ্গী দলের সদস্য। কিন্তু সত্য সবসময় আমাদের মনপসন্দ হয় না, অনেক সময় এমন অনেক কিছুই আমাদের হজম করতে হয় যা আমাদের মোটেই পছন্দ নয়। 

"আশা করবো, ফারাজের শোক সন্তপ্ত প্রিয়জনেরা আবেগের উর্ধ্বে যুক্তিকেই স্থান দিবেন এবং সচেতন নাগরিকের ভূমিকা পালন করবেন। স্বজনপ্রীতি যেন আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে না যায় সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। আমার বন্ধুর প্রতি আমার ভালোবাসা অন্য কারও বন্ধুর প্রাণহানীর জন্য দায়ী হলে সেটা হবে মারাত্মক অন্যায়।
উইলসন ব্যাগ, সাদা কেডস, 

"অনেকেই আমাকে নির্মম বলবেন, আমি জানি। এটা সঠিক সময় নয়, অনেকেই বলবেন। ফারাজের বাবা-মা ও পরিবারের কথা চিন্তা করতে অনেকেই উপদেশ দিবেন, তাদের মনের অবস্থা বুঝতে বলবেন। কিন্তু সেই সাথে আমাদের ঐ ২০টি পরিবারের কথাও মনে রাখা উচিত যাদের ফারাজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে নিষ্টুরতম উপায়ে হত্যা করেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন নিজেকে ঐ জায়গায়। একজন একজন করে কোরবানির গরুর মত আপনাকে জবাই করা হচ্ছে অথচ আপনি কিছুই করতে পারছেন না। এসি রবিউলের কথা চিন্তা করুন। তাঁর অনাগত সন্তানের কথা চিন্তা করুন, যেকিনা এখনও তার মায়ের গর্ভে। এই শিশুটি কোনদিনও কাউকে বাবা বলে ডাকতে পারবে না। সর্বোপরি ঐ বাবুর্চিটির কথা চিন্তা করুন। ফারাজের প্রক্সি হিসেবে মিডিয়া যাকে আমাদের সামনে জঙ্গী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই বাবুর্চীর স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। তার কথা ভাবুন। তার স্ত্রীর কথা ভাবুন। অনাগত সন্তানটির কথা ভাবুন। এরপর আশা করি আপনি আর ফারাজের জন্য কুম্ভীরাশ্রু বর্ষনের দিকে ধাবিত হবেন না।

-------------------


একসাথে এতজন বিদেশী নাগরিক এই রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ? 

তাদেরকে কেউ দাওয়াত দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার জন্য নিয়ে যায় নিতো..? 
একসাথে এতজন বিদেশী নাগরিক এই রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ? তাদেরকে কেউ দাওয়াত দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার জন্য নিয়ে যায় নিতো..? 
এই জাতির হতভাগা জনগনের কপালে আরো কতযে দূর্দশা আছে তা এক মাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেনা। জাতির ভাগ্য আকাশে শকুনের ছায়া বিস্তার করেছে সঠিক ভাবে মোকাবেলা করতে না পারলে এ জাতি শেষ হয়ে যাবে অনেক গুলো বিষয়ের হিসেব মিলছে না
১) নিহত সাত জাপানির মধ্যে ছয় জনই ছিলো মেট্রোরেল প্রকল্পের সমীক্ষক। এই সমীক্ষকদের রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে ২২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটির ভবিষ্যত। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এক সাথে একই কাজের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ সেখানে গেলো কিভাবে ? তাদের কি কেউ দাওয়াত দিয়ে নিয়েছিলো ? বড় প্রজেক্টের এতগুলো বিদেশী কনসালটেন্স এক সাথে খুন হওয়ার পেছনে আর কি কারণ থাকতে পারে ?
২) নিহত ইতালি নাগরিকদের মধ্যে ৬ জন ছিলো গার্মেন্টস বায়ার। একসাথে এতজন গার্মেন্টস বায়ার ঐ রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ? তাদেরকে কি কেউ দাওয়াত দিয়ে নিয়েছিলো ? একসাথে এতজন গার্মেন্টস বায়ার হত্যার কারণ কি থাকতে পারে ?
৩) হাসনাত করীম কে ? বলা হয়েছে তার মেয়ের জন্মদিন ছিলো। এইজন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি রুমের মধ্যে প্রকাশ্যে খুনিদের পাশে হাটছিলেন কিভাবে ? আর পাহারা ছাড়া নারীদের বের করে আনলেনও বা কিভাবে ?
৪) ডিজিএফআইএ এর এক সদস্যের লিখিত বই ‘বাংলাদেশে র’-তে দেখেছিলাম, বলা হয়েছিলো- বিদেশী রেস্ট্রুরেন্টগুলো সাধারণত বিদেশী গোয়েন্দাদের বেনামে অফিস হয়ে থাকে। কারণ সেখানে খাবার খাওয়ার অজুহাত দিয়ে এসে গোয়েন্দারা মিটিং করতে পারে, কিন্তু কেউ সন্দেহ করতে পারে না, সবাইভাবে খেতে এসেছে। 
আর গুলশান ডিপ্লোমেটিক জোনের মত কড়া এলাকায় এ ধরনের একটি বিদেশী রেস্ট্রুরেন্টে-এ বিদেশী গোয়েন্দাদের ঘাটি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। যদি ঐ রেস্ট্রুরেন্টটি সত্যিই বিদেশী গোযেন্দাদের মিলনস্থল হয় সেখানে জাপানি কনসালটেন্ট কিংবা ইতালিয় বায়াররা এমনি এমনি নাও যেতে পারে। 
কোন গোয়েন্দা সংস্থার লোক উদ্দেশ্যমূলক টার্গেট করে তাদেরকে ডেকেও নিয়ে আসতে পারে। এমনও হতে পারে রেস্ট্রুরেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকরাই খুনিদের ঢুকিয়েছে, যার কারণে পুরো ঘটনা ঘটে গেছে সহজে।
৫) নিহত বাংলাদেশীদের তালিকায় কিন্তু সাধারণ মানুষ নেই। 

Sent from my iPhone

On Jul 10, 2016, at 16:50, Post Card <abahar...@gmail.com> wrote:

--

Post Card

unread,
Jul 11, 2016, 12:51:05 AM7/11/16
to bipul kamal, pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar

2016-07-10 23:32 GMT-04:00 bipul kamal <bipul...@yahoo.com>:

ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই আমাদের বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।


 এর আগ পর্যন্ত অভিযানের দিন সকাল বেলা ফারাজের নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও, এবার প্রথম আলোর আরেকজন সহকারী সম্পাদক, প্রাক্তন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, ফারুক ওয়াসিফ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন ফারাজ রাত দু’টোর পুর্বেই জঙ্গীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।

"ক্রমান্বয়ে এই সুরে আরও বক্তব্য আমরা পেতে থাকি। দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার শরিফুল হাসানও দাবী করেন রাত দুটোর আগেই ফারাজ সবান্ধবে নিহত হয়েছিলেন। তিনি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন যেগুলো জঙ্গি ততপরতা পর্যবেক্ষনকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইট সরবরাহ করেছে।ছবিতে নিহত তিনজনকে দেখিয়ে তিনি তাঁদেরকে ফারাজ ও তাঁর দুই বান্ধবী বলে দাবী করেন।
"কিন্তু কোলকাতাভিত্তিক দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা, যা কিনা প্রথম আলোরই পশ্চিম বঙ্গীয় সংস্করণ তারা আমাদেরকে জানায় ভিন্ন ঘটনা। ফারাজের বান্ধবী ভোর ছ’টার সময়ও ফোনে তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলেছিলেন, এমনটাই আনন্দবাজারের ভাষ্য। আমি হুবুহু আনন্দবাজার থেকে কোট করছি-
খুন হওয়ার আগে আরিশি শেষ ফোনটা করেছিলেন বাবাকে। শনিবার ভোর ছ’টার কিছুক্ষণ আগে। শুক্রবার রাত থেকে পণবন্দি হয়ে ছিলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। রাতেই বেশ কয়েক জনকে মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা।

"ফারাজের পরিবারের সদস্য হিশাম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন ফারাজ সকালে নিহত হন, আর্মি অভিযানের সময়। ফারাজের বান্ধবী, যিনি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত, তাঁর বাবাও জানিয়েছেন ভোর ছ’টা নাগাদ অন্তত তাঁর মেয়ে জীবিত ছিল। আশা করি এরপর আর কোন অস্পষ্ট ছবি দেখিয়ে, জুতার মিল দেখিয়ে কিংবা উইলসন ব্যাগ তত্ত্ব হাজির করে ফারাজের রাতেই নিহত হওয়ার খবর বিশ্বাস করতে হবে না।

"ফারাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ফ্যামিলির সন্তান। এদেশের মিডিয়া জগতকে নিয়ন্ত্রন করে ফারাজের পরিবার। এ লেখাগুলো, যুক্তিগুলো, কথাগুলো মূলধারার গণমাধ্যমে না আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও মূলধারার গণমাধ্যমে যা এসেছে তাই থেকে প্রমাণিত হয় ফারাজ সন্ত্রাসীদের সাথেই ছিলেন আর্মি অভিযানের সময়। বাকিটুকু আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে চাইছি না। কারণ আমার সামর্থ্য নাই আমেরিকা বা ইউরোপে পারি দেয়ার, আমাকে এদেশেই বাস করতে হবে, আমারও ধরে একটাই মাত্র মুন্ডু।

"এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্যও কষ্টকর যে ফারাজ জঙ্গী দলের সদস্য। কিন্তু সত্য সবসময় আমাদের মনপসন্দ হয় না, অনেক সময় এমন অনেক কিছুই আমাদের হজম করতে হয় যা আমাদের মোটেই পছন্দ নয়। 

"আশা করবো, ফারাজের শোক সন্তপ্ত প্রিয়জনেরা আবেগের উর্ধ্বে যুক্তিকেই স্থান দিবেন এবং সচেতন নাগরিকের ভূমিকা পালন করবেন। স্বজনপ্রীতি যেন আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে না যায় সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। আমার বন্ধুর প্রতি আমার ভালোবাসা অন্য কারও বন্ধুর প্রাণহানীর জন্য দায়ী হলে সেটা হবে মারাত্মক অন্যায়।
উইলসন ব্যাগ, সাদা কেডস, 

"অনেকেই আমাকে নির্মম বলবেন, আমি জানি। এটা সঠিক সময় নয়, অনেকেই বলবেন। ফারাজের বাবা-মা ও পরিবারের কথা চিন্তা করতে অনেকেই উপদেশ দিবেন, তাদের মনের অবস্থা বুঝতে বলবেন। কিন্তু সেই সাথে আমাদের ঐ ২০টি পরিবারের কথাও মনে রাখা উচিত যাদের ফারাজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে নিষ্টুরতম উপায়ে হত্যা করেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন নিজেকে ঐ জায়গায়। একজন একজন করে কোরবানির গরুর মত আপনাকে জবাই করা হচ্ছে অথচ আপনি কিছুই করতে পারছেন না। এসি রবিউলের কথা চিন্তা করুন। তাঁর অনাগত সন্তানের কথা চিন্তা করুন, যেকিনা এখনও তার মায়ের গর্ভে। এই শিশুটি কোনদিনও কাউকে বাবা বলে ডাকতে পারবে না। সর্বোপরি ঐ বাবুর্চিটির কথা চিন্তা করুন। ফারাজের প্রক্সি হিসেবে মিডিয়া যাকে আমাদের সামনে জঙ্গী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই বাবুর্চীর স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। তার কথা ভাবুন। তার স্ত্রীর কথা ভাবুন। অনাগত সন্তানটির কথা ভাবুন। এরপর আশা করি আপনি আর ফারাজের জন্য কুম্ভীরাশ্রু বর্ষনের দিকে ধাবিত হবেন না।
Sent from my iPhone

Dr. Farida Hossain

unread,
Jul 11, 2016, 5:23:00 AM7/11/16
to pfc-f...@googlegroups.com, bipul kamal, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
Don't try to attract people. He was U.S. citizen brilliant career bright future & enough money only 20 yrs old a very good boy. Why he will kill people & sacrifice life ? Rubbish 
tel:+966546243281
Sent from my iPhone

RANU CHOWDHURY

unread,
Jul 11, 2016, 8:58:37 AM7/11/16
to Dr. Farida Hossain, pfc-f...@googlegroups.com, bipul kamal, Jalal Khan, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar

It is not to speak for Faraz or against him. But how can one be so sure about his role on that fateful night in Gulshan? Take any of the five or four other alleged terrorists involved in that attack. Each had good background. Did any of them look like that he could end up as he did?


Bin Laden was a great guy before 9/11. Could anyone ever thought that the San Bernardino couple, which had a 6-month old baby, would do what they did? Did anyone suspect Omar Mateen to be a terrorist before the Orlando event?


One the other hand, just because one is a (illegally) sitting PM today, one does not become dhoa tulsi pata after the 173-day loss in men and material in 1995-96, the logi-botha tandob of 2006, the the BDR massacre of 2009, the brutalities of February and May 2013, just to name a few. Let the facts speak for itself.  


From: Dr. Farida Hossain <druhf...@gmail.com>
Sent: Monday, July 11, 2016 9:22 AM
To: pfc-f...@googlegroups.com
Cc: bipul kamal; Jalal Khan; ran...@hotmail.com; Zoglul Husain; bangladesh-...@googlegroups.com; BDP...@yahoogroups.com; LA Discussion; bangladesh...@googlegroups.com; NewEngland Awami League; Rezaul Karim; Hussain Suhrawardy; syeda...@gmail.com; Muazzam Kazi; S Akhter; na...@googlegroups.com; ala...@yahoogroups.com; Alochona Groups; Dr.Gholam Mostofa; Mohammed Hussain; N.E. AWAMI LEAGUE; edi...@prothom-alo.com; letter Daily Star; Khondka...@uml.edu; New England Bnp; Farida Majid; Mina Farah; Mohammad Gani; Javed Helali; Khoniker Othithee; Quazi Nuruzzaman; Mohamed Nazir; quamrul hassan; qamruddin chowdhury; Anwar Kabir Rumi; Sitangshu Guha; Md Uddin; tamanna karim; Tareque Ahmed; Bazlul Wahab; ovimot; notun Bangladesh; Mohammad Aleem; Atiqur Rahman Salu; farhad mazhar
Subject: Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
 

Shah DeEldar

unread,
Jul 11, 2016, 10:16:46 AM7/11/16
to bangladesh-progressives googlegroups, pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
Why would Faraz take his friends to the bakery if his intention was to perpetrate the terror act? Why would he kill his friends unless all three were terrorists too? Faraz did not disappear like other terrorists did before the terror act? Where did Faraz get his gun training? At Emory campus? The story of Faraz being a willing participant does not make sense. If that were the case Tarushi Zain would have disclosed that to her father during her phone call which she did not. 


2016-07-10 23:32 GMT-04:00 'bipul kamal' via Bangladesh Progressives <bangladesh-...@googlegroups.com>:

ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই আমাদের বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।


 এর আগ পর্যন্ত অভিযানের দিন সকাল বেলা ফারাজের নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও, এবার প্রথম আলোর আরেকজন সহকারী সম্পাদক, প্রাক্তন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, ফারুক ওয়াসিফ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন ফারাজ রাত দু’টোর পুর্বেই জঙ্গীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।

"ক্রমান্বয়ে এই সুরে আরও বক্তব্য আমরা পেতে থাকি। দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার শরিফুল হাসানও দাবী করেন রাত দুটোর আগেই ফারাজ সবান্ধবে নিহত হয়েছিলেন। তিনি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন যেগুলো জঙ্গি ততপরতা পর্যবেক্ষনকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইট সরবরাহ করেছে।ছবিতে নিহত তিনজনকে দেখিয়ে তিনি তাঁদেরকে ফারাজ ও তাঁর দুই বান্ধবী বলে দাবী করেন।
"কিন্তু কোলকাতাভিত্তিক দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা, যা কিনা প্রথম আলোরই পশ্চিম বঙ্গীয় সংস্করণ তারা আমাদেরকে জানায় ভিন্ন ঘটনা। ফারাজের বান্ধবী ভোর ছ’টার সময়ও ফোনে তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলেছিলেন, এমনটাই আনন্দবাজারের ভাষ্য। আমি হুবুহু আনন্দবাজার থেকে কোট করছি-
খুন হওয়ার আগে আরিশি শেষ ফোনটা করেছিলেন বাবাকে। শনিবার ভোর ছ’টার কিছুক্ষণ আগে। শুক্রবার রাত থেকে পণবন্দি হয়ে ছিলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। রাতেই বেশ কয়েক জনকে মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা।

"ফারাজের পরিবারের সদস্য হিশাম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন ফারাজ সকালে নিহত হন, আর্মি অভিযানের সময়। ফারাজের বান্ধবী, যিনি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত, তাঁর বাবাও জানিয়েছেন ভোর ছ’টা নাগাদ অন্তত তাঁর মেয়ে জীবিত ছিল। আশা করি এরপর আর কোন অস্পষ্ট ছবি দেখিয়ে, জুতার মিল দেখিয়ে কিংবা উইলসন ব্যাগ তত্ত্ব হাজির করে ফারাজের রাতেই নিহত হওয়ার খবর বিশ্বাস করতে হবে না।

"ফারাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ফ্যামিলির সন্তান। এদেশের মিডিয়া জগতকে নিয়ন্ত্রন করে ফারাজের পরিবার। এ লেখাগুলো, যুক্তিগুলো, কথাগুলো মূলধারার গণমাধ্যমে না আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও মূলধারার গণমাধ্যমে যা এসেছে তাই থেকে প্রমাণিত হয় ফারাজ সন্ত্রাসীদের সাথেই ছিলেন আর্মি অভিযানের সময়। বাকিটুকু আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে চাইছি না। কারণ আমার সামর্থ্য নাই আমেরিকা বা ইউরোপে পারি দেয়ার, আমাকে এদেশেই বাস করতে হবে, আমারও ধরে একটাই মাত্র মুন্ডু।

"এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্যও কষ্টকর যে ফারাজ জঙ্গী দলের সদস্য। কিন্তু সত্য সবসময় আমাদের মনপসন্দ হয় না, অনেক সময় এমন অনেক কিছুই আমাদের হজম করতে হয় যা আমাদের মোটেই পছন্দ নয়। 

"আশা করবো, ফারাজের শোক সন্তপ্ত প্রিয়জনেরা আবেগের উর্ধ্বে যুক্তিকেই স্থান দিবেন এবং সচেতন নাগরিকের ভূমিকা পালন করবেন। স্বজনপ্রীতি যেন আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে না যায় সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। আমার বন্ধুর প্রতি আমার ভালোবাসা অন্য কারও বন্ধুর প্রাণহানীর জন্য দায়ী হলে সেটা হবে মারাত্মক অন্যায়।
উইলসন ব্যাগ, সাদা কেডস, 

"অনেকেই আমাকে নির্মম বলবেন, আমি জানি। এটা সঠিক সময় নয়, অনেকেই বলবেন। ফারাজের বাবা-মা ও পরিবারের কথা চিন্তা করতে অনেকেই উপদেশ দিবেন, তাদের মনের অবস্থা বুঝতে বলবেন। কিন্তু সেই সাথে আমাদের ঐ ২০টি পরিবারের কথাও মনে রাখা উচিত যাদের ফারাজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে নিষ্টুরতম উপায়ে হত্যা করেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন নিজেকে ঐ জায়গায়। একজন একজন করে কোরবানির গরুর মত আপনাকে জবাই করা হচ্ছে অথচ আপনি কিছুই করতে পারছেন না। এসি রবিউলের কথা চিন্তা করুন। তাঁর অনাগত সন্তানের কথা চিন্তা করুন, যেকিনা এখনও তার মায়ের গর্ভে। এই শিশুটি কোনদিনও কাউকে বাবা বলে ডাকতে পারবে না। সর্বোপরি ঐ বাবুর্চিটির কথা চিন্তা করুন। ফারাজের প্রক্সি হিসেবে মিডিয়া যাকে আমাদের সামনে জঙ্গী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই বাবুর্চীর স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। তার কথা ভাবুন। তার স্ত্রীর কথা ভাবুন। অনাগত সন্তানটির কথা ভাবুন। এরপর আশা করি আপনি আর ফারাজের জন্য কুম্ভীরাশ্রু বর্ষনের দিকে ধাবিত হবেন না।
Sent from my iPhone

On Jul 10, 2016, at 2:38 PM, Dr. Farida Hossain <druhf...@gmail.com> wrote:

--
--
Disclaimer: All content provided on this discussion forum is for informational purposes only. The owner of this forum makes no representations as to the accuracy or completeness of any information on this site or found by following any link on this site. The owner will not be liable for any errors or omissions in this information nor for the availability of this information. The owner will not be liable for any losses, injuries, or damages from the display or use of this information.
This policy is subject to change at anytime.

---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "Bangladesh Progressives" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to bangladesh-progre...@googlegroups.com.

Post Card

unread,
Jul 12, 2016, 12:28:21 PM7/12/16
to M. Aleem, Nabdc Group, Mohamed Nazir, Quazi Nuruzzaman, Mohammad Gani, Democrat, Ranu Chowdhury, rashed Anam, Post Card, Isha Khan, Jalal Khan, pfc-f...@googlegroups.com, notun Bangladesh, zainul abedin
                      



 


গুলশানে জঙ্গি হামলায় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়েছে একটি মাইক্রোবাস।হলুদ নম্বর প্লেটযুক্ত মাইক্রোবাসে সন্ত্রাসীরা হোটেলটিতে এসেছিল।তবে গাড়িটি আদৌ বিদেশী কোনো দূতাবাস কিংবা দাতা সংস্থার কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তে সামনে চলে এসেছে এই মাইক্রোবাস এবং ফুটেজে গাড়িটির মুভমেন্ট ধরা পড়েছে।
পুলিশ ধারণা করছে, গাড়িটির সন্ধান পাওয়া গেলে এর পেছনে থাকা অবশিষ্ট ক্রীড়নকদের সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। বিশেষ করে পুলিশি অ্যাকশনের সময় জঙ্গিদের আউটডোরে থাকা ওয়াচ টিমের সদস্যদের চিহ্নিত করা সহজ হবে। ধারণা করা হচ্ছে, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা রেস্টুরেন্টটির পেছন দিকের লেক পার হয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এক্ষেত্রে তাদের নৌকা ব্যবহার করতে হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শুরু করেছে। এছাড়া তদন্তের নতুন ক্লু হিসেবে আক্রান্ত হোটেলটি দু’জন সশস্ত্র নিরাপত্তা কর্মীকেও খোঁজা হচ্ছে। যারা ঘটনার পর থেকে লাপাত্তা রয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সোমবার বলেন, ঘটনাটি যে উগ্রাপন্থা বেছে নেয়া জঙ্গিরা করেছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। কয়েকজন তো স্পটেই মারা গেছে। কিন্তু তারা চাইছেন, এর শেকড় অনুসন্ধান করতে। দেশের মধ্যে কিংবা দেশের বাইরে থেকে কারা এদের মদদসহ বিভিন্ন রসদ জুগিয়েছে।
এদিকে সূত্র জানায়, হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালাতে জঙ্গিরা প্রায় দুই মাস আগে থেকে ছক কষে। এরপর পুরো হামলা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে তারা একাধিবার হোটেলটি রেকি করেছে। ঘটনার একদিন আগেও তাদের দু’একজনকে এখানে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এরা এখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হামলা চালাতে আসলেও তারা চেয়েছিল বিদেশী হত্যার অপারেশন সাকসেসফুল করে ফের সটকে পড়বে।
এজন্য ইফতারির পর নিরিবিলি সময়টাকে বেছে নিয়েছিল। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাইক্রোবাসটি সেখানে দাঁড় করানো ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সবুজ সংকেত পেয়ে এক সময় মাইক্রোবাসটিও স্থান ত্যাগ করে। ঘটনাস্থল গুলশান-২ নম্বর সার্কেলের ৭৯ নম্বর রোডে হলি আর্টিজান বেকারি ছাড়াও আশপাশের আরও ২৮টি সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের পর তা পর্যালোচনা করে এসব বিষয় নিশ্চিত হয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, জঙ্গিরা মাইক্রোবাস থেকে দ্রুত নেমে হলি অর্টিজানে ঢুকে পড়ে। এরপর কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা রেস্টুরেন্টটিতে বেপরোয়া গুলিবর্ষণ শুরু করে। এছাড়া হামলাকারী একাধিক জঙ্গির দুই হাতেই আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। তিন যুবকের এক হাতে পিস্তল জাতীয় ক্ষুদ্রাস্ত্র এবং অপর হাতে তরবারির মতো ধারালো অস্ত্র দেখা গেছে। সন্ত্রাসীদের গুলিতে একে একে হোটেলটিতে অবস্থানরত বিদেশীদের প্রত্যেকে ফ্লোরে লুটিয়ে পড়েন। কেউ কেউ তখনও বেঁচে ছিলেন। কিন্তু নৃশংস জঙ্গিরা তাদের ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং রীতিমতো প্রত্যেককে জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। আকস্মিক এ হামলার ঘটনায় হলি আর্টিজান বেকারির সশস্ত্র দু’জন নিরাপত্তাকর্মী জীবন বাঁচাতে অস্ত্র নিয়েই পালিয়ে যান। এখন পর্যন্ত তাদের কোনো হদিস মেলেনি। পুলিশ তদন্তের স্বার্থে তাদেরকেও খুঁজছে।
তদন্ত সূত্র বলেছে, আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে থেমে থেমে চলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটলেও ভিডিও ফুটেজে রেস্টুরেন্টটির বাইরে ৭ থেকে ৮ যুবককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। পরে পুলিশ এসে হামলাকারীদের প্রতিহত করার জন্য গুলি করা শুরু করলে তারা দ্রুত রেস্টুরেন্টটির পেছন দিকে চলে যায়। এরপর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ওই যুবকদের খোঁজে পুলিশ রেস্টুরেন্টের পেছনে অভিযান চালালেও তাদের আর পাওয়া যায়নি। এ থেকে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, হামলাকারীদের জন্য রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন লেকে আগে থেকে নৌকা অপেক্ষা করছিল। পুলিশি প্রতিরোধ শুরু হওয়ার পরপরই এসব ওয়াচ টিমের জঙ্গি সদস্যরা দ্রুত নৌকায় পার হয়ে কূটনৈতিক জোনের পার্ক রোড এলাকায় চলে যায়।
চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, সিসি টিভির ভিডিও ফুটেজ দেখে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। সন্দেহভাজন এসব জঙ্গি সদস্য যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য দেশের সব ক’টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, স্থল ও নৌপথে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন পুলিশকে এসব সন্দেহভাজনদের নাম-পরিচয়সহ ছবিও সরবরাহ করা হয়েছে।
এছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাসে ন্যক্কারজনক এ হামলার পেছনে মাস্টার মাইন্ড হিসেবে কাজ করেছে এমন সন্দেহভাজন ১০ জঙ্গির ছবিসহ তালিকা ভারতের কাছে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ সরকার। ধারণা করা হচ্ছে, এদের কেউ কেউ ইতিমধ্যে দেশের মধ্যে ঢুকে পড়েছে বা ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছে। তবে যাতে ভারতীয় সীমান্ত ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য তাদের ছবি সংবলিত বায়োডাটা ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এরা হল- ঢাকার মোহাম্মদ বাসারুজ্জামান, যুনায়েদ খান, যুবায়েদুর রহিম, ইব্রাহিম হাসান খান, আশরাফ মাহমুদ ইসলাম, সিলেটের তামিম আহমেদ চৌধুরী, সাইফুল্লা জাকি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাজিবুল্লাহ আনসারী ও লক্ষ্মীপুরের তাজুদ্দিন।
অভিভাবকদের কাছে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে এদের ছবিসহ বিজ্ঞাপন গত কয়েকদিন থেকে গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।তদন্তসংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, গুলশান ও শোলাকিয়ার হামলায় অংশ নেয়া জঙ্গিদের মধ্যে যারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে তাদের অনেকে ভারতে পালিয়ে যেতে পারে। এজন্য বিজিবি ও বিএসএফকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। তবে দেশের মধ্যে অবস্থান করে থাকলে তাদের সহসা ধরা পড়তেই হবে, পুলিশ এমনটিই আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। ওদিকে জঙ্গিদের প্রবেশ ঠেকাতে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর সীমান্ত অঞ্চলে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে বিএসএফ।
ভারতে পাঠানো তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের বেশিরভাগই ছাত্র। ১ থেকে ৩ বছরের বেশি সময় ধরে তারা নিখোঁজ রয়েছেন। এরা প্রত্যেকেই দেশের বাইরে থেকে সমরাস্ত্র পরিচালনাসহ নানা প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীনের (জেএমবি) সঙ্গে তাদের যোগসূত্র রয়েছে বলেও গোয়েন্দারা দাবি করেছেন।
এদিকে হলি আর্টিজান বেকারি থেকে জব্দ করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ৭৪ ধরনের আলামত। আদালতের অনুমতি নিয়ে এসব আলামত শিগগিরই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। বেকারি থেকে বের হওয়ার পর পুলিশের ‘হেফাজতে’ থাকা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসানাত করিমের কাছ থেকেও গোয়েন্দারা গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন। এ ছাড়া বাবুর্চি সাইফুল ইসলামের ব্যাপারেও বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। যিনি পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে মারা গেছেন।
এদিকে জব্দ করা সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে ন্যক্কারজনক ওই হামলার ঘটনা তদন্তে সহায়ক বেশ কিছু তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে কাউন্টার টেরোরিজমের (সিটি) তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসানাত রেজার দেয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, জিম্মি অবস্থায় জঙ্গিরা তার হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিল এবং তাদের নির্দেশ মানতে বাধ্য করেছিল বলে তিনি দাবি করেছেন। এও বলেন, তার সঙ্গে স্ত্রী, ছেলেমেয়ে জিম্মি থাকায় তাদের প্রাণে রক্ষা করতে তিনি জঙ্গিদের নির্দেশ মানতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু হাসানাত করিমের তথ্যে অসংলগ্নতা রয়েছে। তিনি বলেন, আরও যেসব তথ্য পাওয়া গেছে তা তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বলা সমীচীন হবে না। -বিডিমর্নিং

2016-07-12 10:13 GMT-04:00 Post Card <abahar...@gmail.com>:
This is her email. Dr. Farida Hossain <druhf...@gmail.com>. She writes from Pfs friends.
Best
A Bahar 

2016-07-12 9:53 GMT-04:00 M. Aleem <ale...@yahoo.com>:
I had a few questions to Dr. Farida... I did not see her reply... Did I miss any e-mail of her? 


 
 
 


On Tuesday, July 12, 2016 1:16 AM, Post Card <abahar...@gmail.com> wrote:



2016-07-11 21:13 GMT-04:00 RANU CHOWDHURY <ran...@hotmail.com>:
Well said, Ms. Akhter. I agree with you fully.



From: S Akhter <sakht...@gmail.com>
Sent: Monday, July 11, 2016 10:11 PM
To: M. Aleem
Cc: na...@googlegroups.com; Mohamed Nazir; Quazi Nuruzzaman; Mohammad Gani; Democrat; Ranu Chowdhury; rashed Anam; Post Card; bdma...@gmail.com; juk...@gmail.com
Subject: Re: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
 

ফারাজ হিরো না জিরো তা প্রশ্ন সাপেক্ষ । 
আমরা এখন পর্যন্ত জানি না গুলশানের ঘটনা আসলে 
কি হয়ে ছিলো। আওয়ামী সরকার এই ঘটনার ধুম্রজাল 
এখন পরিস্কার করেনি । তাই আসলেই ওই দিন কতজন
সন্ত্রাসী সেখানে ছিলো তা এখন ও পরিস্কার নয় । 

কখন ও বাবুর্চী কে বলা হচ্ছে সন্ত্রাসী আবার কখন ও 
রেস্টুরেন্ট এর কর্মচারী কে সন্ত্রাসী হিসাবে ধরে নিয়ে 
অত্যাচার করে মেরে ফেলা হচ্ছে । তাই আদৌও পরিস্কার 
নয় গুলশান হামলায় কে , কত জন , কি ভাবে এই হামলা
ঘটিয়েছে। 

প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার ফারাজ কে হিরো বানালে
ও তারা কখন ও এই গরীব কর্মচারী শাওন কে নিয়ে 
আবেগ ঘন কোন গল্প তৈরী করেনি । ফারাজ যদি বাংলাদেশ
হতে পারে তবে শাওনের মতো যে সব ছেলেরা আজ পুলিশী
নির্যাতন আর ক্রস ফায়ারের স্বীকার , তারা কি ? 

একজন ফারাজ আজ মারা যাওয়ায় , আবেগ ঘন স্টোরি 
প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার পাতার পর পাতা লিখে 
যেতে পারছে , কিন্ত প্রত্যেক দিন যে সব ছেলেরা ক্রস
ফায়ার বা যাদের লাশ নদী নালা তে ভেসে উঠছে তাদের
জন্য তো এই দুই মিডিয়া তে  কোন স্টোরি দেখা যায় না । 

কেন তারা কি মানুষ না ? 

না কি তারা বিরোধীমতাদর্শ , সেই জন্য এই দুই মিডিয়ার
কোন মমতা নাই । প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার যদি
সব সময় দলীয় দৃষ্টি কোনের উর্ধে উঠে সংবাদ পরিবেশন 
করতো , তবে আজ তাদের কে এই ফারাজ নিয়ে যে সংবাদ
পরিবেশন করা হয়েছে , তা বিতর্কিত হতো না । 




Sent from my iPhone

On Jul 11, 2016, at 10:46 AM, M. Aleem <ale...@yahoo.com> wrote:
ন 
Dr. Farida... the same applies to others... I do not know Faraz or any other of those 5/6... As I see from news papers, all of the killers came from rich families and good educational institutes. All of them had bright future. Faraz's family was the richest and most brilliant as appears to be.

Many questions .... why was the cook marked as one of the killers? why the name and picture of all killers did not publish? Why is there a discrepancy? 

Can you please address these questions? The Govt could not...
 


--
You received this message because you had subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community forum". Any posting to this group is solely the opinion of the author of the messages to na...@googlegroups.com who is responsible for the accuracy of his/her information and the conformance of his/her material with applicable copyright and other laws where applicable. The act of posting to the group indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator(s). To post to this group, send email to na...@googlegroups.com.
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to nabdc+un...@googlegroups.com.
Visit this group at https://groups.google.com/group/nabdc.

Post Card

unread,
Jul 12, 2016, 8:06:23 PM7/12/16
to Mohammad Gani, RANU CHOWDHURY, na...@googlegroups.com, zainul abedin, M. Aleem, S Akhter, Mohamed Nazir, Quazi Nuruzzaman, Democrat, rashed Anam, bdma...@gmail.com, juk...@gmail.com, Zoglul Husain, Shah Deeelder, Abu Obaid Chowdhury, Rakhal Bandho, Golam Akhter, Dr. Jamir Chowdhury, Mina Farah, Bana Mali, Farida Hossain, Farzana Ahmed, Capt Hossain, Munmun Chowdhury, Dr. M. Mohsin Ali, Dr. Em Pannah, Javed Helali, Khondkar Saleque, Dr.Gholam Mostofa, asif nazrul, Nazrul Islam, Khalifa Malik, <noa@agni.com>, GT International, Shafiq Bhuiyan, Nuran Nabi, Atiqur Rahman Salu (, pfc-f...@googlegroups.com, Hussain Suhrawardy, Sameer Syed, ovimot, Rezaul Karim, refo...@yahoogroups.com, la-dis...@googlegroups.com


রাজধানীর গুলশান-২ এর হলি আর্টিজান বেকারি ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নিখোঁজ যে ১০ যুবকের ছবিসহ নাম প্রকাশ করা হয়েছে তাদের একজন জাপান প্রবাসী মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ওজাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামে বাসিন্দা। সে হিন্দ...
http://www.taza-khobor.com/bd/national/67447-2016-07-12-19-26-39?q=12

2016-07-12 19:39 GMT-04:00 Mohammad Gani <mga...@gmail.com>:

Good! 

Now, we can freely and "legitimately" call Bangladesh a "Terrorists growing Farmland" or breeding ground of terrorists and Sk. Hasina has got (acquired) a huge war field to battle against during next 99+ more years.




2016-07-12 16:25 GMT-04:00 RANU CHOWDHURY <ran...@hotmail.com>:

Yes sir, it is mainly the Chanikyas who coerced the Americans in the game, particularly since 1/11. 

True, the buck should end on Hasina's shoulder, provided she has them. We know they are borrowed. From 1975 to '81, the Chanikyas had whale of a time to cleanse, indoctrinate and brainwash her. She just follows the HMV. The final phase is in the doorstep: The marching of Indian troops. 

That Bangladesh is soundly in Indian lap is known to the US, much to its (US) acquiescence . Nisha Desai's whirlpool efforts are perhaps aimed at not to give in totally to India but to ensure a piece of the pie.  


From: Mohammad Gani <mga...@gmail.com>
Sent: Tuesday, July 12, 2016 7:31 PM
To: RANU CHOWDHURY; na...@googlegroups.com
Cc: zainul abedin; Post Card; M. Aleem; S Akhter; Mohamed Nazir; Quazi Nuruzzaman; Democrat; rashed Anam; bdma...@gmail.com; juk...@gmail.com; Zoglul Husain; Shah Deeelder; Abu Obaid Chowdhury; Rakhal Bandho; Golam Akhter; Dr. Jamir Chowdhury; Mina Farah; Bana Mali; Farida Hossain; Farzana Ahmed; Capt Hossain; Munmun Chowdhury; Dr. M. Mohsin Ali; Dr. Em Pannah; Javed Helali; Khondkar Saleque; Dr.Gholam Mostofa; asif nazrul; Nazrul Islam; Khalifa Malik; <n...@agni.com>; GT International; Shafiq Bhuiyan; Nuran Nabi; Atiqur Rahman Salu (

Subject: Re: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
 

OK Mr. Chowdhury, I got it and no surprise!

BUT 'am skeptical about US brain behind!

 

Shouldn't the bugs stop at Hasina's shoulder after all?

Didn't she swallow those "bugs" to stay in power with her volcanic super-patriotism?

 

Who let those "bugs" into Bangladesh?




2016-07-12 14:18 GMT-04:00 RANU CHOWDHURY <ran...@hotmail.com>:

You missed the brain behind it all: India, and to some extent, the US. 




From: Mohammad Gani <mga...@gmail.com>
Sent: Tuesday, July 12, 2016 5:59 PM
To: zainul abedin; na...@googlegroups.com
Cc: Post Card; RANU CHOWDHURY; M. Aleem; S Akhter; Mohamed Nazir; Quazi Nuruzzaman; Democrat; rashed Anam; bdma...@gmail.com; juk...@gmail.com; Zoglul Husain; Shah Deeelder; Abu Obaid Chowdhury; Rakhal Bandho; Golam Akhter; Dr. Jamir Chowdhury; Mina Farah; Bana Mali; Farida Hossain; Farzana Ahmed; Capt Hossain; Munmun Chowdhury; Dr. M. Mohsin Ali; Dr. Em Pannah; Javed Helali; Khondkar Saleque; Dr.Gholam Mostofa; asif nazrul; Nazrul Islam; Khalifa Malik; <n...@agni.com>; GT International; Shafiq Bhuiyan; Nuran Nabi; Atiqur Rahman Salu (

Subject: Re: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
 



Being pre-occupied with something personal in nature, I am not paying much attention to these rancorous and circular arguments on “Hasina & her lieutenants drama circus” at Gulshan; especially with some idiots like Bifool Kamal, Farida Majid......... (not original anymore!) who have been “cutting and pasting” from some coward “Script SUPPLIERS”. These big mouthed, virulent “note Suppliers” love hiding their ugly faces under BORKAs and keep throwing rocks at you from their fox holes.


Now, were Nelson Mandela and Yasir Arafat “Terrorists OR Freedom fighters”?


Many of us must have known/seen how brave Mujib fooled Bangals from 15 March-25 to March 1971, surrendered to Tikka Khan/Niazi, fled to Pakistan leaving 75 million Bangal's fates into limbo. Upon return, Mujib with the "Bamboo brain" transformed Bangladesh into a Black Hole, the “Bottomless Basket” and the “Poorest country” in Universe. Later, 2 notorious, poor orphans and crooks by born (Hasina and Khaleda) effectively made Bangladesh the full-time, tenure “Chairman” of the top 10 the most corrupted countries in the world. And now, scoundrel Hasina broke all those records of the past and transformed Bangladesh into the most dangerous place on earth, a top ranking “Terrorist Nation”.


And that is the actual bottom line, I mean Bangladesh is a “Terrorist Country” which is now officially an ineluctable reality, no matter who are the culprits behind.



                       *****************************************************************************

2016-07-12 12:39 GMT-04:00 zainul abedin <zain...@yahoo.com>:

Salam,

I think we are in a paradox about the Gulshan incident--different scenes, different versions, especially about the role of Faraz. This is a case of terrorism, killing of many innocent people by the terrorists but the question is who have groomed the terrorists (IS itself, RAW in collaboration or without collaboration with Hasina government or agents in the government, Mossad in collaboration with IS or in their name etc.). At least two of the participants in the Gulshan killings at came from the AL families.

The way Prothom Alo came up quickly to make Faraz a hero (without investigation, whereas Faraz maybe an innocent victim!) raised suspicion, and then the a neighbor's video made it more suspicious!

The matter of whole case(s) of "terrorism" worldwide is a part of global game (please see different types of explanations about creation and perpetuation of terrorism as defined by the "creators" themselves, even some postings by some of our blog members) and cannot be taken as a "truth" as told by a particular side/party/power. So, there remains much misunderstandings. Some people some explanations correct, others not.

I do not accept those quickly as told by the powerful side (especially states, because they have all apparatus to define the problems to their advantage. The whole world history is almost like that while recent cases of Vietnam War, Iraq War are the best examples.

At first, I was moved by the case of Faraaz for his sacrifice for his friends! Now, I am shocked at his apparent other role (I do not take anything granted yet). Sister Dr. Farida might have thought the case of Faraaz in her own way in a confusing/conflicting situation!  So, it maybe better to wait and see how the case settles down, though we may not know the whole "truth" since all the powers (Hasina  government to RAW, Mossad, CIA) will make (already making) it up to their advantage.

Zainul Abedin

--------------------------------------------

On Tue, 7/12/16, 'M. Aleem' via North America Bangladeshi Community <na...@googlegroups.com> wrote:

 Subject: Re: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
 To: "Post Card" <abahar...@gmail.com>, "RANU CHOWDHURY" <ran...@hotmail.com>
 Cc: "S Akhter" <sakht...@gmail.com>, "na...@googlegroups.com" <na...@googlegroups.com>, "Mohamed Nazir" <nazi...@gmail.com>, "Quazi Nuruzzaman" <quaz...@yahoo.com>, "Mohammad Gani" <mga...@gmail.com>, "Democrat" <mohammed...@gmail.com>, "rashed Anam" <rasheda...@gmail.com>, "bdma...@gmail.com" <bdma...@gmail.com>, "juk...@gmail.com" <juk...@gmail.com>
 Date: Tuesday, July 12, 2016, 8:53 AM


 I had a
 few questions to Dr. Farida... I did not see her reply...
 Did I miss any e-mail of her? 

   
   


     On Tuesday, July 12,
 2016 1:16 AM, Post Card <abahar...@gmail.com>
 wrote:


  Md
 Ismail3
 hrs ·
 12 Shares2812929

 2016-07-11 21:13 GMT-04:00
 RANU CHOWDHURY <ran...@hotmail.com>:







 Well said, Ms. Akhter. I agree with you fully.






Post Card

unread,
Jul 25, 2016, 1:58:33 PM7/25/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
Shahid Khan 
1 min ·

ভারতীয় "র" এর নির্দেশ মোতাবেক গত ১ জুলাই গুলশান আর্টিজান বেকারীতে কারা খুনখারাবি করেছিল, তা নিয়ে অনেক ধরনের কথা ইতোমধ্যেই মার্কেটে চলে এসেছে। তবে গোয়েন্দা এবং কূটনৈতিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য খবর হচ্ছে, ভারতীয় র-রয়ের পরিকল্পনায় এ হামলাটি চালানো হয়। প্রথমে যে কিলারগ্রুপ ঢোকে, তারা হত্যাকান্ড চালানোর পরে র তাদের চ্যানেলে হত্যাকান্ডের ছবি পাঠিয়ে দেয়ে আমেক সাইটে, যাতে আইএস কান্ড নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ না থাকে। ২০ জন হত্যা করে ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার পরে রাত তিনটার দিকে প্রথম ক...িলার গ্রুপকে বের করে আনা হয়, ভারতীয় এক দূতাবাস কর্মীর বাসায় রাখা হয়। ভোরের আগেই ২য় পর্বে কথিত ৫/৬ জন বাংলাদেশি যুবককে অস্ত্র হাতে ধরিয়ে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে ঢুকায় র‌্যাব/পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসাররা। এই অদলবদল নির্বিঘ্ন করতেই র‌্যাবে ডিজি বেনজির লাইভ টেলিকাস্ট বন্ধ করে দেয়, এবং মিডিয়া সরিয়ে দেয়। বেনজিরের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খেয়াল করুন, সে হেসে হেসে কথা বলছে, ভিতরে যারা আছে তাদের সাথে কথা বলব, কত রিল্যাক্স মডি! ২য় গ্রুপের ছেলেগুলি আগে থেকেই র‌্যাবের হাতে আটক ছিল। তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয় যে, জানে বাঁচিয়ে রাখা হবে না, কোর্টের মাধ্যমে ডিসপোজাল হবে। কিন্তু ভোররাতে প্রধানমন্ত্রী হাসিনার “কোনো আলামত রাখা যাবে না” নির্দেশমত অপারেশন থান্ডারেবোল্টের সময় তাদেরকে পিছমোড়া করে বেধে গ্যারেজে নিয়ে হত্যা করা হয়। গোটা পরিকল্পনাটি সম্পর্কে হাসিনা এবং র‌্যাব ও ডিজিএফআইর অল্প কিছু লোক জানতো। পুলিশ সহ অনেকেই ছিল অন্ধকারে।
যাই হোক, অনেক সত্য মার্কেটে চলে আসায় পাবলিকের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করতেই র‌্যাব নতুন করে সিসিটিভি ফুটেজ বানিয়ে মার্কেটে ছাড়ছে গতকাল। তাতে বলা হচ্ছে, ২ পর্বে ভাগ হয়ে ঢোকে ৫ খুনি। এমনকি একজন নারীর উপস্থিতি দেখানো হয়। এটাই কি হাসিনার বলা চমক? কিন্তু যাদের ফুটেজ দেখানো হচ্ছে, তাদের সঙ্গে লাশের চেহারা বা অবয়বের কোনো মিল নাই। তাছাড়া, একটা মানুষ জবাই করলে যে পরিমান ধস্তাধস্তি ও ফিনকি দিয়ে রক্ত ছোটে, ৫ জন কিলার ২০ জনকে জবাই করলে কাপড় চোপড়ে তার আলামত থাকত। সেটা কি আছে? নাই। তার মানে দাড়ায়, যারা আসলে হত্যাকান্ড চালিয়েছিল, এগুলা তাদের ডেডবডি নয়। এটা ভিন্ন সেট। যে পুলিশ র‌্যাব প্রতিদিন মানুষ হত্যা করে ক্রসফায়ারের হাত বানানো গল্প শোনায় জাতিকে, তাদের জন্য সিসিটিভি ফুজেট বানানো কোনো ব্যাপারই না। আর্টিজান বেকারীর নিজস্ব সিসিটিভি ছিল, রেকর্ডও ছিল; র‌্যাব সব নিয়ে গেছে, অথচ বলছে- সিসিটিভি ছিল, কিন্তু রেকর্ড হতো না, হার্ডডিস্ক নাকি ছিল না!!! এটা কোনো পাগলেও বিশ্বাস করবে? সিসিটিভির কাজ হলো প্রমান রাখা, দরকার হলে পরে যাতে দেখা যায়। এখন র্যািব পুলিশ মিথ্যা বলছে যে- রেকর্ড করা হতো না। যারা ঐ বিল্ডিংয়ে সিসিটিভি লাগিয়েছিল, তাদের জিজ্ঞেস করলেই তো বের হয়ে যায়, সে সত্যি। মোট কথা সব আলামত নষ্ট করছে, রেকর্ড ধংস করার মহান কাজটি করে যাচ্ছে হাসিনার র‌্যাব ও পুলিশ!
তবে, র‌্যাব মুখ ফস্কে বলে দিয়েছে ২টি পর্বে ঢুকেছে খুনিরা। যেভাবেই বলুক

See more
Shahid Khan's photo.

--

Shah DeEldar

unread,
Jul 25, 2016, 2:12:48 PM7/25/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
'Eto kshane' - Arindam kahila bishade-
'Janinu kemane aasi Lakshman pashilo
rakshapure!.................- M. Dutt

Delusion and the delusional minds!

Sitangshu Guha

unread,
Jul 25, 2016, 2:45:51 PM7/25/16
to Post Card, pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
Peace loving Bangladeshi Muslim man beating a Hindu women 

Sent from my iPhone

Ahmed Khan

unread,
Jul 25, 2016, 3:10:42 PM7/25/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Post Card, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
No one support this.

But did you see this (it is only one, there are thousands):

It look like you are changing the topic to hide the original post.

Mr. Post Card, can you please additional info on your original post?



RANU CHOWDHURY

unread,
Jul 25, 2016, 3:27:48 PM7/25/16
to Post Card, pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar


বি ডি আর  হত্যাকাণ্ডের মতোই গুলশানের ঘটনাও  কেবল গুলপাক খাচ্ছে। হত্যাকারীরা দুই গ্রূপে আর্টিসান রেস্টুরেন্ট ঢুকেছে, তার মর্মার্থ বুঝলামনা। ঘটনার প্রায় সাথে সাথেই পুলিশ স্থানে এসে পৌঁছে। তারপর পুলিশ-র্যাব দ্বারা বেষ্টিত ক্যাফেতে দ্বিতীয় বাহিনী ঢুকলো কিভাবে?

ঘটনার পর থেকে আমি দুটি প্রশ্ন করে আসছি। কোথাও জবাব পাচ্ছিনা। যেই সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে অপারেশন থান্ডারবোল্ট হলো, সেই সেনাবাহিনী একেবারে নিশ্চুপ কেন? পরদিন সকালে কয়েক মিনিটের প্রেস রিলিজ, বস্তুত স্টেটমেন্ট রিডিং, মধ্যে আমরা কিছুই বুজতে পারিনি। থান্ডারবোল্ট ভিডিও ফুটেজ আমাদেরকে দেখানো হচ্ছেনা। কেন?

দ্বিতীয়তঃ, ঘটনার রাতে একটা  সাদা এবং একটা কালো লিমুজিন গাড়ি পুলিশ পাহারায় বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। এই বাহনের মিস্ট্রি আমি খুঁজে পাইনি। আর্শ্চায্য, অন্য কোনো বরাতে এই লিমুজিনের কথাও আসছেনা। আমি কি ভুল দেখেছি?  

অন্য একটি ধাঁধাঁর জবাবও খুঁজছি। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী হত্যাকান্ড প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যেই  সাঙ্গ হয়।  তার পরবর্তী দীর্ঘ ১১ ঘন্টা পর্যন্ত সন্ত্রাসীরা ভিতরে বসে বসে কী করছিলো? তাদের কোনো পালাবার প্ল্যান ছিল বলেও মনে হচ্ছে না। 



From: Post Card <abahar...@gmail.com>
Sent: Monday, July 25, 2016 5:58 PM
To: pfc-f...@googlegroups.com; Jalal Khan; ran...@hotmail.com; Zoglul Husain; bangladesh-...@googlegroups.com; BDP...@yahoogroups.com; LA Discussion; bangladesh...@googlegroups.com; NewEngland Awami League; Rezaul Karim; Hussain Suhrawardy; syeda...@gmail.com; Post Card; Muazzam Kazi; S Akhter; na...@googlegroups.com; ala...@yahoogroups.com; Alochona Groups; Farida Hossain; Dr.Gholam Mostofa; Mohammed Hussain; N.E. AWAMI LEAGUE; edi...@prothom-alo.com; letter Daily Star; Khondka...@uml.edu; New England Bnp; Farida Majid; Mina Farah; Mohammad Gani; Javed Helali; Khoniker Othithee; Quazi Nuruzzaman; Mohamed Nazir; quamrul hassan; qamruddin chowdhury; Anwar Kabir Rumi; Sitangshu Guha; Md Uddin; tamanna karim; Tareque Ahmed; Bazlul Wahab; ovimot; notun Bangladesh; Mohammad Aleem; Atiqur Rahman Salu; farhad mazhar
Subject: Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
 

Post Card

unread,
Jul 26, 2016, 6:03:06 PM7/26/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
image1.jpeg
আজকের জঙ্গি নাটকের আরেকটি দুর্বল দিক।  
দেখুন জঙ্গিদের জানালার আসল পর্দাটি ছিলো নীল রঙের। হামলার পর আসল পর্দাটির একপাশ খুলে কালো পতাকাটি লাগানো হয়।  
পুলিশের তাড়াহুয়া ছিলো, তাই নীল রঙের পর্দাটির আরেকপাশে খুলতে ভুলে যায় পুলিশ। আর এটি যদি জঙ্গিদের আস্তানাই হতো, সতর্কতামূলকভাবে কোনো কালেই জঙ্গিরা কালো পর্দাটি জানালায় লাগাতো না। 
আমার মতে, ছেলেগুলোকে আগেই গুম করা হয়েছে। আর কালকে এই বাসাতে নিয়ে আসার সময় কালো কাপড়ের ড্রেস পরিয়ে গনক্রসফায়ার দেওয়া হয়েছে।
Sent from my iPhone
Turn off for: Bengali
তার পর তাদেরকে জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও তান্ডবকারী বলা যাবে না !!  বাকশালী-১ এর সময়  রক্ষীবাহিনী-১কে  মুজিবের   ইনডেমনিটি দিয়ে  সবপ্রকার হত্যা,গুম, লুট কে বিচাররের আওতা বহির্ভুত করা থেকে শুরু হয়েছিল এই জাতীয় অপরাধকে দায়মুক্তি দেওয়ার রাজনৈতিক অপ-সংস্কৃতি !!!  

2016-07-22 9:59 GMT-04:00 S Akhter <sakht...@gmail.com>:


INDIAN SUPER AGENT,JONGI PM  HASINA'S BANGLADESH

image1.jpeg

Sent from my iPhone

On Jul 21, 2016, at 9:47 PM, Isha Khan <bdma...@gmail.com> wrote:

সিলেটে ছাত্রলীগ কারারক্ষী সংঘর্ষ : ফটোসাংবাদিকদের ওপর হামলা

Artile

ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে কারারক্ষীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছিল। এই দৃশ্য ধারণ করছিলেন আলোকচিত্রীরা। কারাগারের ভেতর থেকে কারারক্ষীদের আরেকটি দল হঠাৎ বেরিয়ে এসে সরাসরি আক্রমণ করেন সাংবাদিকদের ওপর। এতে গুরুতর আহত হন চার সাংবাদিক।সিলেট কারাগারের সামনে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের হামলা ঠেকাতে গিয়ে কারারক্ষীরা সাংবাদিকদেরও পেটান।

http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/922030/%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%93%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE


2016-07-18 11:32 GMT+06:00 Isha Khan <bdma...@gmail.com>:
সরকারি গুলো দখলের পর নজর এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি চায় ছাত্রলীগ




বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরব রাজনীতি চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ। রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও মালিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সরকারের এক মতবিনিময় সভায় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন এ দাবি জানান।

সাইফুর রহমান বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিমুক্ত, আসলে কি রাজনীতিমুক্ত? সরব রাজনীতি নেই, সেখানে নীরব রাজনীতি আছে। আর নীরব রাজনীতি মানে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস। উল্লেখ্য, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির সুযোগ নেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা এই মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক, র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক, উপাচার্য ও কয়েকটি ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা বক্তব্য দেন।

http://www.amadershomoy.biz/unicode/2016/07/17/141427.htm#.V4xl7BJGQ1Q


--
You received this message because you had subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community forum". Any posting to this group is solely the opinion of the author of the messages to na...@googlegroups.com who is responsible for the accuracy of his/her information and the conformance of his/her material with applicable copyright and other laws where applicable. The act of posting to the group indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator(s). To post to this group, send email to na...@googlegroups.com.
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to nabdc+un...@googlegroups.com.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.

Reply
Reply to all
Forward

S Akhter

9:35 AM (8 hours ago)
to Quazi, neawamileague, Shahadat, Isha, nabdc, Mohamed, me, Ranu, rashed, Jalal, Khondkar_Karim, Shah, zoglul, Mohammad, mohammedislam1., aleem53
Bengali
English
   
Translate message
Turn off for: Bengali

image1.jpeg
Sent from my iPhone

On Jul 25, 2016, at 10:57 AM, Isha Khan <bdma...@gmail.com> wrote:


2016-07-25 6:42 GMT+06:00 Isha Khan <bdma...@gmail.com>:
কুমিল্লায় কলেজ-ছাত্রীদের ওপর যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলা

কুমিল্লার চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত পুনর্বহালের দাবিতে ছাত্রীদের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ-যুবলীগ। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন ছাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লাঠিয়াল বাহিনী ছাত্রীদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে। এতে অন্তত ২৫ ছাত্রী আহত হন। তাদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৩ ছাত্রীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।





ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলা


http://purboposhchimbd.news/2016/07/24/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9c-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/

http://www.bd-pratidin.com/country-village/2016/07/25/159003

2016-07-10 16:50 GMT-04:00 Post Card <abahar...@gmail.com>:

--

Post Card

unread,
Jul 26, 2016, 6:42:09 PM7/26/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
SHEIKHS ARE MIRJAFFORS:
WHEN THE NOTORIOUS INDIAN AGENT HASINA COULD DESTROY THE COUNTR'YS PATRIOTIC ARMY, SHE COULD DO ANYTHING!!!! 

যৌনকর্মী যখন সন্দেহভাজন জঙ্গি

24 Jul, 2016 
রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রুমা আক্তার একজন পেশাদার যৌনকর্মী। অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত উত্তর গুলশানের কূটনীতিকপাড়া ছিল তার কাজের এলাকা। বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গেই তার সখ্য ছিল বেশি। তিনি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও হিন্দিতে কথা বলতে পারদর্শী। এই নারী হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কে যান। গত তিন-চার মাস ধরেই রাতে তাকে গুলশানের ওই সড়কে দেখা যেত।
রুমা সম্পর্কে আমাদের সময়ের অনুসন্ধানে এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। এদিকে পুলিশ তাকে আটক করেছে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে। অবশ্য গুলশান হামলার তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই নারীর কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি।
হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার দুপুরে এক তরুণীসহ সন্দেহভাজন চার জঙ্গির ভিডিওচিত্র প্রকাশ করে তাদের সন্ধান চায় র‌্যাব। ফেসবুকে র‌্যাবের অফিসিয়াল পেজে সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজটি আপলোড করা হয়। ওই ভিডিওচিত্রের ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘গুলশানের হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন চারজনকে নির্ণয়। তাদের পরিচয় জানা থাকলে দ্রুত র‌্যাবের যে কোনো নিকটস্থ ব্যাটালিয়ন অথবা ক্যাম্পে অবহিত করুন।’ ভিডিওচিত্রে ওই নারীকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়।
র‌্যাবের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসার দুদিন পর গত বৃহস্পতিবার রাতে নরসিংদীর গ্রামের বাড়ি থেকে রুমাকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটি)। পরে তাকে ঢাকায় সিটি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
গতকাল শনিবার গুলশানের ৭৯ নম্বর সড়কের বিভিন্ন দূতাবাস ও বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে রুমা সম্পর্কে কথা হয়। তারা জানান, তিনি তিন-চার মাস ধরেই হলি আর্টিজানসংলগ্ন ওই সড়কে আসতেন। প্রতিদিনই তাকে সেখানে দেখা যেত। তার সঙ্গে থাকতেন নাজমা ওরফে নাজ ও নিপা নামে আরও দুই তরুণী। নিপা ওই সড়কে যাতায়াত করতেন বছর তিনেক ধরে। তারা তিনজনই মূলত বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য অপেক্ষা করতেন। হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও রুমা সেখানে গিয়েছিলেন। ওই ছবিই ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। হামলার পর গ্রামের বাড়িতে চলে যান তিনি। শুধু ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীরাই নন, সেখানে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরাও তাদের চেনেন। মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কথাও হতো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সদস্য আমাদের সময়কে জানান, ওই তিন নারী মূলত বিদেশি নাগরিকদের গাড়িতে উঠে গন্থব্যে যেতেন। গুলশান হামলার আগে ১৫ দিনের মধ্যে রুমার সঙ্গে তার তিনবার দেখা হয়েছে। ওই পুলিশ সদস্য একটি দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত।
৭৯ নম্বর সড়কে রাত জেগে চা বিক্রি করতেন শাহীন নামে এক তরুণ। কোনো কোনো দিন সকালে বাসায় ফিরতেন তিনি। শাহীনের কাছ থেকে নিয়মিত সিগারেট কিনতেন ওই তিন তরুণী। এভাবেই ওই তিনজনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। শাহীন আমাদের সময়কে জানান, গত ২০ জুলাই পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে নিয়েই রুমার গ্রামের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। রুমার বিরুদ্ধে আনা পুলিশের অভিযোগ নিয়ে শাহীনও সন্দিহান।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত রুমার ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন শাহীনসহ ওই এলাকার অনেক নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্য। জানা যায়, মাঝেমধ্যে রুমার কাছ থেকে সিগারেটও চেয়ে খেতেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এমন তথ্য দেন কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী। ওই নারীর আচরণ কেমন ছিল জানতে চাইলে দুই নিরাপত্তাকর্মী বলেন, স্বাভাবিকই তো দেখতাম। এখন পুলিশ তাকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে গেছে। ওই হামলায় সে জড়িত কিনা বুঝতে পারছি না।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্তৃপক্ষ সিটি ইউনিট সূত্র জানায়, রুমার কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য মেলেনি। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে নাকি ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তার যৌনকর্মী পরিচয় সম্পর্কে কথা বলতে রাজি হননি কেউ। রুমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরেই মূলত তাকে আটক করে পুলিশ।
জানা গেছে, তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে রুমা সবার ছোট। তার দুটি বিয়ে হয়। প্রথম স্বামীর সংসারে তার একটি সন্তানও রয়েছে। দ্বিতীয় বিয়েও বিচ্ছেদ ঘটে। ছয় মাস আগে গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে দুবাই পাড়ি জমান তিনি। মাস তিনেক আগে দুবাই থেকে ফিরে ঢাকার ভাটারা থানার কালাচাঁদপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। তার আচরণে কিছু অস্বাভাবিকতা ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
রুমার পরিবারের সদস্যরা জানতেন, ঢাকায় বিভিন্ন বাসবাড়িতে রান্নার কাজ করেন তিনি। মানসিক সমস্যার কারণে এরই মধ্যে তাকে চিকিৎসক দেখানো হয়েছে বলেও জানান তারা।
রুমার বড় বোন আমাদের সময়কে বলেন, ঢাকায় তার কিছু ছেলেবন্ধু ছিল এটা আমরা জানতাম। তবে সে খারাপ কিছু করত তা আমাদের জানা ছিল না।
গত ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা করে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের হামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ২ জুলাই সকালে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ জঙ্গিসহ ছয়জন নিহত এবং ঘটনাস্থল থেকে ৩২ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।
গুলশান হামলা ও তার সম্ভাব্য মোটিভ 
মেজর অব. মো. আখতারুজ্জামান
গড় রেটিং: 4.0/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)
গুলশান হামলা ও তার সম্ভাব্য মোটিভ
গত ১ জুলাই শুক্রবার রাত পৌনে ৯টায় একদল সন্ত্রাসীর ধামাকা আক্রমণে ঢাকার গুলশান লেকপাড়ে অভিজাত হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় ১ জন ভারতীয়, ৩ জন বাংলাদেশি, ৭ জন জাপানি ও ৯ জন ইতালীয়সহ ২০ জন নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়। ১ জন বাংলাদেশি বাদে বাকি ১৯ জনকে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায়।  পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার ২০ মিনিটের মধ্যেই ২০ জনকে হত্যা করে ফেলা হয়। কিন্তু পুলিশের এ ভাষ্য অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না। কারণ প্রথম আলোর ভাষ্যমতে, রাত পৌনে ৯টায় ‘আল্লাহু আকবর’ বলে অস্ত্রধারী সাতজন সন্ত্রাসী রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করে। রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশের একটি দল সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করে, তখন একটি বিস্ফোরণ এবং গোলাগুলি শুরু হয়। তাতে দুজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৪০ জন আহত হয়। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী ২০ মিনিটের মধ্যে ২০ জনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে তথ্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি বলেই সবাই আলোচনা করছে। তবে এটা সত্য যে, রাত ১২টার আগেই প্রায় সবাইকে গলা কেটে হত্যা করেছে।
সবাই বলছে বা আলোচনা করছে এ বর্বর হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল যে ছয়জন বাংলাদেশি তরুণ জঙ্গি তারা বিভিন্ন সময়ে নাকি গুম হয়ে গিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করে জানা যায়নি তারা কবে এবং কোথা থেকে গুম হয়েছিল। প্রায় সবাই বলার চেষ্টা করছে এ ছয়জন যুবক সবাই ইরাকের আইএসআইএসের সদস্য এবং তারাই নাকি ধারালো অস্ত্রে গুলশানে বিদেশিদের গলা কেটে হত্যা করেছে। অপরাধ বিজ্ঞান বলে, সব হত্যার একটি মোটিভ থাকে। তাই অনেকের প্রশ্ন, গুলশান হত্যার পেছনে আইএসআইএসের কী মোটিভ ছিল? আইএসআইএস বাংলাদেশের মাটিতে কেন ইতালি ও জাপানি নাগরিকদের হত্যা করবে? আইএসআইএসের বিরোধ মার্কিন বা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। তারা হত্যা করলে মার্কিন বা ব্রিটিশ নাগরিকদের হত্যা করতে পারে কিন্তু সে হত্যার জন্য বাংলাদেশের মাটি কেন তারা ব্যবহার করবে? যদি বাংলাদেশের মাটিতেই বিদেশিদের হত্যা করে এ দেশে তাদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার প্রয়োজন ছিল তাহলে কাছেই তো আমেরিকান ক্লাব ছিল, সেখানে কেন তারা আক্রমণ করল না, এ প্রশ্নও জেগেছে অনেকের মনে।
আইএসআইএস যুদ্ধ করছে ইরাকে তাদের স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবিতে। মার্কিনিরা ইরাক দখলের পরে যখন ইরাককে দ্বিখণ্ডিত করতে চেয়েছিল তখন ইরাকের সুন্নি মুসলমানরা ইসলামিক স্টেট অব ইরাক ও লেবান্ত বা সিরিয়া নামে একটি আলাদা ভুখণ্ড দাবি করে সশস্ত্র যুদ্ধে নামে। লেবান্ত হলো ইরাক এবং সিরিয়ার মধ্যবর্তী একটি অঞ্চল, যারা বহুকাল ধরে স্বাধিকার দাবি করে আসছে। তারা এতদিন সাদ্দামের বিরুদ্ধে লড়েছিল এবং সিরিয়া তাদের পাশে ছিল। সাদ্দামের পতনের আগে মার্কিনিরা লেবান্ত আন্দোলনকারীদের উৎসাহ জুগিয়ে আসছিল। ১৯৯৯ সালে আইএসআইএস ইরাকের ওয়াহাবি সুন্নিদের নিয়ে গঠন করা হয়। সাইপ্রাস, প্যালেস্টাইন, ইসরায়েল, লেবানন ও সিরিয়াকে বলা হয় লেবান্ত অঞ্চল। ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে সিরিয়ার সঙ্গে লাগানো লেবান্ত নামে ইরাকের একটি প্রদেশ আছে, যে প্রদেশটি বহুদিন ধরে স্বাধীনতার দাবি করে আসছিল। মার্কিনি ও পশ্চিমা দেশগুলো সাদ্দামবিরোধী অবস্থানের কারণে লেবান্তর দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। কিন্তু ৯ এপ্রিল ২০০৩ সালে সাদ্দামের পতনের পর থেকে আমেরিকানরা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে ফেলে। সাদ্দামের পতনের পরে আমেরিকানদের পৃষ্ঠপোষকতায় শিয়ারা সুন্নিদের রাজনীতি থেকে হটিয়ে বাগদাদের ক্ষমতা হস্তগত করে যা সুন্নিরা মেনে নেয়নি। ২০১৪ সাল পর্যন্ত মার্কিন ও শিয়া গোষ্ঠীর কোয়ালিশন সরকার ইরাকের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখে। আইএসআইএস বাগদাদের মার্কিন শিয়া কোয়ালিশন সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে আমেরিকানরা আইএসআইএসের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিপক্ষে অবস্থান নেয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরে শিয়া, সুন্নি এবং অন্যান্য জাতি ও উপজাতিদের নিয়ে সরকার গঠন করা হয় এবং আইএসআইএসের যুদ্ধ বন্ধ করানোর জন্য সবাই এখন চেষ্টা করছে।
আইএসআইএস ইরাকের সুন্নি মুসলমানদের একটি রাজনৈতিক দল, যারা ইরাকে সুন্নিদের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম করছে। তারা কেন এবং কী কারণে ৯০ ভাগ সুন্নি মুসলমানদের বাংলাদেশে বিদেশিদের হত্যা করবে? এটা কি আইএসআইএসের স্বার্থবিরোধী হয়ে যাচ্ছে না? কাজেই অনেকেই বলছে গুলশানের এ নির্মম হত্যার সঙ্গে আইএসআইএসের কোনো স্বার্থ নেই এবং তাদের কোনো মোটিভও নেই। সেই সঙ্গে অনেকে এ কথাও বলছে গুলশান হত্যার পেছনে কোনো রাজনৈতিক মোটিভও কাজ করেনি। কারণ এ নির্মম ঘটনার পরে দেশে বা বিদেশে কেউই সরকারকে বা কোনো রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেনি। তাই অনেকের ধারণা, গুলশান হত্যার মোটিভ খুঁজতে হবে অন্য কোথাও।
গুলশানে সব নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গলা কেটে। অনেকে বলে থাকেন একটি মুরগি জবাই করার পরেও মুরগিটি অনেকক্ষণ শব্দ করে দাপাদাপি করে। অথচ ২০ মিনিটের মধ্যে ১৯ জন মানুষের গলা কেটে ফেলা হলো কেউ চিৎকার-চেঁচামেচি, দাপাদাপি করল না। সবাই নীরবে মরে গেল। ছয়টি অপরিপক্ব যুবকের সামনে নির্বিকার চিত্তে ১৯ জন মানুষ একে একে তাদের গলাটি বাড়িয়ে দিলেন তাদের জবাই করার জন্য! আর আইএসআইএস এ নবিস জঙ্গিরা আপন আনন্দে এ নিরীহ মানুষগুলোর কল্লা কেটে ফেলল! এরকম একটি চিত্র সবাইকে বিশ্বাস করতে বলা হচ্ছে আর সবাই তা বিশ্বাস করে নিল তাইবা ভাবা হচ্ছে কী করে? তাই অনেকে মনে করে গুলশান হত্যার শিকড় অনেক গভীরে। এটি কথিত ছয়টি যুবকের কল্পকথা নয়। নির্দ্বিধায় বলা যায়, এ গলা কাটা হত্যাযজ্ঞটি যারা করেছে তারা কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসী নয়। তারা অবশ্যই পেশাজীবী ভাড়াটিয়া খুনি যাদের এ ধরনের হত্যার অনেক চর্চা এবং অভিজ্ঞতা আছে। যারা নীরবে, নিভৃতে, জনগণের চোখের আড়ালে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের চক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে অতি দক্ষতায় মানুষ হত্যা করতে পারে। মার্শাল আর্ট বলে একটি যুদ্ধবিদ্যা আছে যাকে কুংফু, ক্যারাতে, জুডু ইত্যাদি বলা হয়, যেখানে বিনা অস্ত্রে যে কোনো অস্ত্রধারীর আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা করার কৌশল শিখানো হয়। তেমনি আরেকটি আক্রমণাত্মক মার্শাল আর্ট হলো নিনজা। নিনজা ফাইটাররা গোপনে যুদ্ধ লাইনের পিছনে শত্রু বাহিনীর ছাউনিতে প্রবেশ করে অতি নীরবে যে কোনো মানুষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে চলে আসতে পারে। হত্যার সময় এতটুকু শব্দ হবে না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত নিনজা ফাইটাররা হত্যাকারীকে ছেড়ে না দেবে ততক্ষণ রক্তও বাইরে পড়বে না। পৃথিবীতে এরকম নিনজা প্রশিক্ষণ অনেক সেনাবাহিনীতে দেওয়া হয় এবং অনেক পেশাদার খুনিও নিনজা প্রশিক্ষণে পারদর্শী হয়ে থাকে। বিদগ্ধজনের অনুমান গুলশান হত্যায় উচ্চমানের নিনজা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভাড়াটিয়া খুনিরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে নিরাপদে অতি গোপনীয়তায় সবার চক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে অকুস্থলে সেনাবাহিনী যাওয়ার আগেই সটকে পড়েছে। অনেকের ধারণা কোনো সাধারণ জঙ্গি বা সন্ত্রাসীদের পক্ষে বিশেষ করে এরকম ছয় মাস পলাতক বড় লোকের আদুরে রোমান্টিক কথিত ছয় যুবকের পক্ষে এরকম দক্ষতায় ১৯ জন মানুষকে এত অল্প সময়ে এত সুচারুভাবে গলা কেটে হত্যা করা কখনই সম্ভব হবে না। মূল হত্যাকারীরা অবশ্যই পেশাধারী খুনি ছিল বলে অনেকেই মনে করেন। মূল খুনিরা নিরাপদে পালিয়ে গেছে তা অনেকেই বিশ্বাস করেন।
এখন খুঁজতে হবে গুলশান হত্যার মোটিভ কি এবং মোটিভটি জানা গেলেই খুনিকে বা খুনিদের শনাক্ত করা বা ধরা সহজ হবে বলে অনেকের বিশ্বাস। অনেকেই মনে করেন গুলশান হত্যার পেছনে কোনো রাজনৈতিক মোটিভ ছিল না। অনেকের ধারণা, এটি মূলত ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আর্থিক স্বার্থের সংঘাত। ঘটনার দুই দিন আগে সরকার জাপানের জাইকার সঙ্গে ১৫ হাজার কোটি টাকা করে ৪৫ হাজার কোটি টাকার তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এ চুক্তিগুলো আরও আগেই স্বাক্ষর করার কথা ছিল কিন্তু বিভিন্ন প্রতিযোগী কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের আপত্তির কারণে চুক্তিগুলোর স্বাক্ষর করা দেরি হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল। বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দুটি বড় দেশের বিভিন্ন কোম্পানি নাকি এ কাজগুলোর জন্য বিভিন্ন মহলে দেনদরবার করে আসতেছিল বলে জনশ্রুতি আছে। এ বিষয়গুলো আমলে নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে আরও অনুসন্ধিত্সু দৃষ্টি দেওয়া সমীচীন বলে অনেকের ধারণা। এ বিষয়টি পরিষ্কার হলে জাপানিদের হত্যার একটি মোটিভ বেরিয়ে আসতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।
Inline image

ইতালীয়দের কেন হত্যা করা হলো তার মোটিভটি বের করাও জরুরি। সম্প্রতি বাংলাদেশ ভ্যালু এডেড গার্মেন্টে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ইতালিয়ান সুট ও ট্রাউজারের কদর এবং মূল্য সবচেয়ে বেশি। ইদানীং অনেক ইতালিয়ান বাংলাদেশে এসে সুট ও ট্রাউজার তৈরি করিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। এ কাজটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য নয় কিন্তু বেআইনিও নয়। তাছাড়া এতে বাংলাদেশের আর্থিক লাভবানের সুযোগও বেশি, তাই স্থানীয়ভাবে কোনো বাধাও দেওয়া হচ্ছিল না। কিন্তু এতে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক গোষ্ঠী সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। গুলশানে ইতালিয়ানদের হত্যার পেছনে এ ধরনের ব্যবসায়িক বা আর্থিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সংঘাত কাজ করেছে কিনা সেটিও সরকারের বিবেচনায় নেওয়া উচিত বলে অনেকে মনে করেন।
সম্পদ এবং সংঘাত চিরন্তন সহাবস্থান। বাংলাদেশ এখন মেগা প্রকল্পের যুগে প্রবেশ করছে। সরকার যদি সাবধান না হয়, নিজে যদি সম্পদ আহরণের অনৈতিক কার্যক্রমে নিরপেক্ষ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে মোকাবিলা করতে না পারে তাহলে আরও বড় সংঘাত দেখা দিতে পারে যখন সরকার নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন। যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দেবেন আবার তাদের কাছ থেকে ত্রাণ নেবেন এ দ্বিমুখী আচরণের ফলাফল একদিন ভালো না-ও হতে পারে বলে অনেকে সাবধান বাণী শোনাচ্ছেন। হয়তো এ মুহূর্তে খারাপ লাগবে কিন্তু সময় বড় নির্মম, সে কাউকে ক্ষমা করে না। অপরাধী অপরাধীই। অপরাধীর পক্ষ নেওয়া কখনই সঠিক রাজনীতি হতে পারে না। হালুয়া রুটি দিয়ে ভুখা-নাঙ্গা কাপুরুষ দুর্নীতিবাজদের কেনা যায় কিন্তু জনগণের হৃদয়ে স্থান পাওয়া যায় না।
আমরা কেউ অমরত্ব নিয়ে এ পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিনি কিন্তু আমাদের মৃত্যু অপঘাতে হোক, অসন্মানজনক হোক তা চরম শত্রুর জন্যও কোনো বিবেকবান মানুষ কামনা করে না। যে মৃত্যুকে ভয় পায় সে কাপুরুষ আবার যে মৃত্যুকে তোয়াক্কা করে না সে কপট ধুরন্ধর যা কোনো চরিত্রবান মানুষের পরিচয় হতে পারে না। আমাদের ভুলে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না যে আমরা আমৃত্যু কেউ দায়িত্ব নেইনি।  আমাদের সব দায়িত্বকাল নির্দিষ্ট সময় দ্বারা আবদ্ধ।
     লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য।
 
 
image
 
 
 
 
 
গুলশান হামলা ও তার সম্ভাব্য মোটিভ
গত ১ জুলাই শুক্রবার রাত পৌনে ৯টায় একদল সন্ত্রাসীর ধামাকা আক্রমণে ঢাকার গুলশান লেকপাড়ে অভিজাত হলি আর্টিজান বেকারি
উৎসঃ   আমাদের সময়

 
Reply
Reply to all
Forward

S Akhter

3:09 PM (3 hours ago)
to nabdc, Quazi, Isha, Shah, Jalal, Mohamed, Mohammad, mohammedislam1., aleem53, me, Khondkar_Karim, zoglul, Ranu, rashed
Bengali
English
   
Translate message
Turn off for: Bengali

জঙ্গিরা সবজি কাটার ছুরি দিয়ে হামলা চালায়, ২৪ ঘন্টা কালো পাঞ্জাবি পরে থাকে!

 


ঢাকার কল্যাণপুরে কথিত জঙ্গি আস্তায় আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে ৯জন ‘জঙ্গি’ নিহত নিহত হয়েছে। রাতের অন্ধকারে ঘটা ঘটনার কিছু ছবি রিলিজ করেছে আইন শৃংখলা বাহিনী।

কিন্তু ওইসব ছবি দেখে এবং পুলিশের দেয়া আগের তথ্য মিলিয়ে দেখতে গিয়ে বড় ধরনের সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে ১৩টি স্থানীয়ভাবে তৈরি গ্রেনেড জব্দ করা হয়। আরও জব্দ করা হয় ১৯টি ডেটোনেটর, ৭.৬২ বোর রাইফেল, কিছু ম্যাগজিন, তলোয়ার, ছুরি, হাতুড়ি, চাপাতি, আল্লাহু আকবর লেখা দু’টি কালো পতাকা, গুলি ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। (সূত্র: বাংলানিউজ)

অর্থাৎ, জঙ্গিদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র ছিল এবং সেগুলো তারা ব্যবহারও করেছিল বলে পুলিশের দাবি।

কিন্তু প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। পাঞ্জাবি পরাবস্থায় নিহত একজনের ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার হাতে সাধারণ সবজি কাটার জন্য ব্যবহৃত একটি ছুরি ধরা রয়েছে।

প্রশ্ন হচ্ছে, যাদের কাছে গ্রেনেড, রাইফেল, তলোয়ারের মতো বড় অস্ত্র রয়েছে তারা আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত পুলিশ-র‌্যাব-সোয়াতের গুলির মুখে জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে ওইসব অস্ত্র ব্যবহার না করে কেন সবজি কাটার ছোট্ট ছুরি ব্যবহার করলো?! ‘প্রশিক্ষিত’ এসব জঙ্গিরা এত শিশুসুলভ হয় কী করে!

দ্বিতীয় আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়, পুলিশ বলছে ভোর রাতে জঙ্গিদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জঙ্গিদের ট্রেডমার্ক পোশাক হচ্ছে কালো পাঞ্জাবি। কল্যাণপুরে নিহত সবার গায়ে কালো পাঞ্জাবি দেখা যাচ্ছে। নিজেদের বাসায় অবস্থান করার সময় ভোর রাতে (ঘুমে থাকার সময়) জঙ্গিরা পাঞ্জাবি পরাবস্থায় ছিল! রাত-দিন ২৪ ঘন্টাই কি তাহলে তারা তাদের ‘জঙ্গিবাদী’ ইউনিফর্ম পরে থাকে?!

http://www.desh-bd.net/newsdetail/detail/200/230507

Sent from my iPhone

On Jul 25, 2016, at 1:13 PM, Jalal Uddin Khan <juk...@gmail.com> wrote:

যৌনকর্মী যখন সন্দেহভাজন জঙ্গি

24 Jul, 2016 
রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রুমা আক্তার একজন পেশাদার যৌনকর্মী। অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত উত্তর গুলশানের কূটনীতিকপাড়া ছিল তার কাজের এলাকা। বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গেই তার সখ্য ছিল বেশি। তিনি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও হিন্দিতে কথা বলতে পারদর্শী। এই নারী হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কে যান। গত তিন-চার মাস ধরেই রাতে তাকে গুলশানের ওই সড়কে দেখা যেত।
রুমা সম্পর্কে আমাদের সময়ের অনুসন্ধানে এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। এদিকে পুলিশ তাকে আটক করেছে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে। অবশ্য গুলশান হামলার তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই নারীর কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি।
হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার দুপুরে এক তরুণীসহ সন্দেহভাজন চার জঙ্গির ভিডিওচিত্র প্রকাশ করে তাদের সন্ধান চায় র‌্যাব। ফেসবুকে র‌্যাবের অফিসিয়াল পেজে সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজটি আপলোড করা হয়। ওই ভিডিওচিত্রের ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘গুলশানের হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন চারজনকে নির্ণয়। তাদের পরিচয় জানা থাকলে দ্রুত র‌্যাবের যে কোনো নিকটস্থ ব্যাটালিয়ন অথবা ক্যাম্পে অবহিত করুন।’ ভিডিওচিত্রে ওই নারীকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়।
র‌্যাবের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসার দুদিন পর গত বৃহস্পতিবার রাতে নরসিংদীর গ্রামের বাড়ি থেকে রুমাকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটি)। পরে তাকে ঢাকায় সিটি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
গতকাল শনিবার গুলশানের ৭৯ নম্বর সড়কের বিভিন্ন দূতাবাস ও বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে রুমা সম্পর্কে কথা হয়। তারা জানান, তিনি তিন-চার মাস ধরেই হলি আর্টিজানসংলগ্ন ওই সড়কে আসতেন। প্রতিদিনই তাকে সেখানে দেখা যেত। তার সঙ্গে থাকতেন নাজমা ওরফে নাজ ও নিপা নামে আরও দুই তরুণী। নিপা ওই সড়কে যাতায়াত করতেন বছর তিনেক ধরে। তারা তিনজনই মূলত বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য অপেক্ষা করতেন। হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও রুমা সেখানে গিয়েছিলেন। ওই ছবিই ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। হামলার পর গ্রামের বাড়িতে চলে যান তিনি। শুধু ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীরাই নন, সেখানে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরাও তাদের চেনেন। মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কথাও হতো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সদস্য আমাদের সময়কে জানান, ওই তিন নারী মূলত বিদেশি নাগরিকদের গাড়িতে উঠে গন্থব্যে যেতেন। গুলশান হামলার আগে ১৫ দিনের মধ্যে রুমার সঙ্গে তার তিনবার দেখা হয়েছে। ওই পুলিশ সদস্য একটি দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত।
৭৯ নম্বর সড়কে রাত জেগে চা বিক্রি করতেন শাহীন নামে এক তরুণ। কোনো কোনো দিন সকালে বাসায় ফিরতেন তিনি। শাহীনের কাছ থেকে নিয়মিত সিগারেট কিনতেন ওই তিন তরুণী। এভাবেই ওই তিনজনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। শাহীন আমাদের সময়কে জানান, গত ২০ জুলাই পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে নিয়েই রুমার গ্রামের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। রুমার বিরুদ্ধে আনা পুলিশের অভিযোগ নিয়ে শাহীনও সন্দিহান।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত রুমার ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন শাহীনসহ ওই এলাকার অনেক নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্য। জানা যায়, মাঝেমধ্যে রুমার কাছ থেকে সিগারেটও চেয়ে খেতেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এমন তথ্য দেন কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী। ওই নারীর আচরণ কেমন ছিল জানতে চাইলে দুই নিরাপত্তাকর্মী বলেন, স্বাভাবিকই তো দেখতাম। এখন পুলিশ তাকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে গেছে। ওই হামলায় সে জড়িত কিনা বুঝতে পারছি না।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্তৃপক্ষ সিটি ইউনিট সূত্র জানায়, রুমার কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য মেলেনি। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে নাকি ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তার যৌনকর্মী পরিচয় সম্পর্কে কথা বলতে রাজি হননি কেউ। রুমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরেই মূলত তাকে আটক করে পুলিশ।
জানা গেছে, তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে রুমা সবার ছোট। তার দুটি বিয়ে হয়। প্রথম স্বামীর সংসারে তার একটি সন্তানও রয়েছে। দ্বিতীয় বিয়েও বিচ্ছেদ ঘটে। ছয় মাস আগে গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে দুবাই পাড়ি জমান তিনি। মাস তিনেক আগে দুবাই থেকে ফিরে ঢাকার ভাটারা থানার কালাচাঁদপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। তার আচরণে কিছু অস্বাভাবিকতা ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
রুমার পরিবারের সদস্যরা জানতেন, ঢাকায় বিভিন্ন বাসবাড়িতে রান্নার কাজ করেন তিনি। মানসিক সমস্যার কারণে এরই মধ্যে তাকে চিকিৎসক দেখানো হয়েছে বলেও জানান তারা।
রুমার বড় বোন আমাদের সময়কে বলেন, ঢাকায় তার কিছু ছেলেবন্ধু ছিল এটা আমরা জানতাম। তবে সে খারাপ কিছু করত তা আমাদের জানা ছিল না।
গত ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা করে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের হামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ২ জুলাই সকালে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ জঙ্গিসহ ছয়জন নিহত এবং ঘটনাস্থল থেকে ৩২ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।
গুলশান হামলা ও তার সম্ভাব্য মোটিভ 
মেজর অব. মো. আখতারুজ্জামান
গড় রেটিং: 4.0/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)
গুলশান হামলা ও তার সম্ভাব্য মোটিভ
গত ১ জুলাই শুক্রবার রাত পৌনে ৯টায় একদল সন্ত্রাসীর ধামাকা আক্রমণে ঢাকার গুলশান লেকপাড়ে অভিজাত হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় ১ জন ভারতীয়, ৩ জন বাংলাদেশি, ৭ জন জাপানি ও ৯ জন ইতালীয়সহ ২০ জন নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়। ১ জন বাংলাদেশি বাদে বাকি ১৯ জনকে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায়।  পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার ২০ মিনিটের মধ্যেই ২০ জনকে হত্যা করে ফেলা হয়। কিন্তু পুলিশের এ ভাষ্য অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না। কারণ প্রথম আলোর ভাষ্যমতে, রাত পৌনে ৯টায় ‘আল্লাহু আকবর’ বলে অস্ত্রধারী সাতজন সন্ত্রাসী রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করে। রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশের একটি দল সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করে, তখন একটি বিস্ফোরণ এবং গোলাগুলি শুরু হয়। তাতে দুজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৪০ জন আহত হয়। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী ২০ মিনিটের মধ্যে ২০ জনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে তথ্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি বলেই সবাই আলোচনা করছে। তবে এটা সত্য যে, রাত ১২টার আগেই প্রায় সবাইকে গলা কেটে হত্যা করেছে।
সবাই বলছে বা আলোচনা করছে এ বর্বর হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল যে ছয়জন বাংলাদেশি তরুণ জঙ্গি তারা বিভিন্ন সময়ে নাকি গুম হয়ে গিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করে জানা যায়নি তারা কবে এবং কোথা থেকে গুম হয়েছিল। প্রায় সবাই বলার চেষ্টা করছে এ ছয়জন যুবক সবাই ইরাকের আইএসআইএসের সদস্য এবং তারাই নাকি ধারালো অস্ত্রে গুলশানে বিদেশিদের গলা কেটে হত্যা করেছে। অপরাধ বিজ্ঞান বলে, সব হত্যার একটি মোটিভ থাকে। তাই অনেকের প্রশ্ন, গুলশান হত্যার পেছনে আইএসআইএসের কী মোটিভ ছিল? আইএসআইএস বাংলাদেশের মাটিতে কেন ইতালি ও জাপানি নাগরিকদের হত্যা করবে? আইএসআইএসের বিরোধ মার্কিন বা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। তারা হত্যা করলে মার্কিন বা ব্রিটিশ নাগরিকদের হত্যা করতে পারে কিন্তু সে হত্যার জন্য বাংলাদেশের মাটি কেন তারা ব্যবহার করবে? যদি বাংলাদেশের মাটিতেই বিদেশিদের হত্যা করে এ দেশে তাদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার প্রয়োজন ছিল তাহলে কাছেই তো আমেরিকান ক্লাব ছিল, সেখানে কেন তারা আক্রমণ করল না, এ প্রশ্নও জেগেছে অনেকের মনে।
আইএসআইএস যুদ্ধ করছে ইরাকে তাদের স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবিতে। মার্কিনিরা ইরাক দখলের পরে যখন ইরাককে দ্বিখণ্ডিত করতে চেয়েছিল তখন ইরাকের সুন্নি মুসলমানরা ইসলামিক স্টেট অব ইরাক ও লেবান্ত বা সিরিয়া নামে একটি আলাদা ভুখণ্ড দাবি করে সশস্ত্র যুদ্ধে নামে। লেবান্ত হলো ইরাক এবং সিরিয়ার মধ্যবর্তী একটি অঞ্চল, যারা বহুকাল ধরে স্বাধিকার দাবি করে আসছে। তারা এতদিন সাদ্দামের বিরুদ্ধে লড়েছিল এবং সিরিয়া তাদের পাশে ছিল। সাদ্দামের পতনের আগে মার্কিনিরা লেবান্ত আন্দোলনকারীদের উৎসাহ জুগিয়ে আসছিল। ১৯৯৯ সালে আইএসআইএস ইরাকের ওয়াহাবি সুন্নিদের নিয়ে গঠন করা হয়। সাইপ্রাস, প্যালেস্টাইন, ইসরায়েল, লেবানন ও সিরিয়াকে বলা হয় লেবান্ত অঞ্চল। ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে সিরিয়ার সঙ্গে লাগানো লেবান্ত নামে ইরাকের একটি প্রদেশ আছে, যে প্রদেশটি বহুদিন ধরে স্বাধীনতার দাবি করে আসছিল। মার্কিনি ও পশ্চিমা দেশগুলো সাদ্দামবিরোধী অবস্থানের কারণে লেবান্তর দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। কিন্তু ৯ এপ্রিল ২০০৩ সালে সাদ্দামের পতনের পর থেকে আমেরিকানরা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে ফেলে। সাদ্দামের পতনের পরে আমেরিকানদের পৃষ্ঠপোষকতায় শিয়ারা সুন্নিদের রাজনীতি থেকে হটিয়ে বাগদাদের ক্ষমতা হস্তগত করে যা সুন্নিরা মেনে নেয়নি। ২০১৪ সাল পর্যন্ত মার্কিন ও শিয়া গোষ্ঠীর কোয়ালিশন সরকার ইরাকের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখে। আইএসআইএস বাগদাদের মার্কিন শিয়া কোয়ালিশন সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে আমেরিকানরা আইএসআইএসের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিপক্ষে অবস্থান নেয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরে শিয়া, সুন্নি এবং অন্যান্য জাতি ও উপজাতিদের নিয়ে সরকার গঠন করা হয় এবং আইএসআইএসের যুদ্ধ বন্ধ করানোর জন্য সবাই এখন চেষ্টা করছে।
আইএসআইএস ইরাকের সুন্নি মুসলমানদের একটি রাজনৈতিক দল, যারা ইরাকে সুন্নিদের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম করছে। তারা কেন এবং কী কারণে ৯০ ভাগ সুন্নি মুসলমানদের বাংলাদেশে বিদেশিদের হত্যা করবে? এটা কি আইএসআইএসের স্বার্থবিরোধী হয়ে যাচ্ছে না? কাজেই অনেকেই বলছে গুলশানের এ নির্মম হত্যার সঙ্গে আইএসআইএসের কোনো স্বার্থ নেই এবং তাদের কোনো মোটিভও নেই। সেই সঙ্গে অনেকে এ কথাও বলছে গুলশান হত্যার পেছনে কোনো রাজনৈতিক মোটিভও কাজ করেনি। কারণ এ নির্মম ঘটনার পরে দেশে বা বিদেশে কেউই সরকারকে বা কোনো রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেনি। তাই অনেকের ধারণা, গুলশান হত্যার মোটিভ খুঁজতে হবে অন্য কোথাও।
গুলশানে সব নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গলা কেটে। অনেকে বলে থাকেন একটি মুরগি জবাই করার পরেও মুরগিটি অনেকক্ষণ শব্দ করে দাপাদাপি করে। অথচ ২০ মিনিটের মধ্যে ১৯ জন মানুষের গলা কেটে ফেলা হলো কেউ চিৎকার-চেঁচামেচি, দাপাদাপি করল না। সবাই নীরবে মরে গেল। ছয়টি অপরিপক্ব যুবকের সামনে নির্বিকার চিত্তে ১৯ জন মানুষ একে একে তাদের গলাটি বাড়িয়ে দিলেন তাদের জবাই করার জন্য! আর আইএসআইএস এ নবিস জঙ্গিরা আপন আনন্দে এ নিরীহ মানুষগুলোর কল্লা কেটে ফেলল! এরকম একটি চিত্র সবাইকে বিশ্বাস করতে বলা হচ্ছে আর সবাই তা বিশ্বাস করে নিল তাইবা ভাবা হচ্ছে কী করে? তাই অনেকে মনে করে গুলশান হত্যার শিকড় অনেক গভীরে। এটি কথিত ছয়টি যুবকের কল্পকথা নয়। নির্দ্বিধায় বলা যায়, এ গলা কাটা হত্যাযজ্ঞটি যারা করেছে তারা কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসী নয়। তারা অবশ্যই পেশাজীবী ভাড়াটিয়া খুনি যাদের এ ধরনের হত্যার অনেক চর্চা এবং অভিজ্ঞতা আছে। যারা নীরবে, নিভৃতে, জনগণের চোখের আড়ালে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের চক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে অতি দক্ষতায় মানুষ হত্যা করতে পারে। মার্শাল আর্ট বলে একটি যুদ্ধবিদ্যা আছে যাকে কুংফু, ক্যারাতে, জুডু ইত্যাদি বলা হয়, যেখানে বিনা অস্ত্রে যে কোনো অস্ত্রধারীর আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা করার কৌশল শিখানো হয়। তেমনি আরেকটি আক্রমণাত্মক মার্শাল আর্ট হলো নিনজা। নিনজা ফাইটাররা গোপনে যুদ্ধ লাইনের পিছনে শত্রু বাহিনীর ছাউনিতে প্রবেশ করে অতি নীরবে যে কোনো মানুষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে চলে আসতে পারে। হত্যার সময় এতটুকু শব্দ হবে না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত নিনজা ফাইটাররা হত্যাকারীকে ছেড়ে না দেবে ততক্ষণ রক্তও বাইরে পড়বে না। পৃথিবীতে এরকম নিনজা প্রশিক্ষণ অনেক সেনাবাহিনীতে দেওয়া হয় এবং অনেক পেশাদার খুনিও নিনজা প্রশিক্ষণে পারদর্শী হয়ে থাকে। বিদগ্ধজনের অনুমান গুলশান হত্যায় উচ্চমানের নিনজা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভাড়াটিয়া খুনিরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে নিরাপদে অতি গোপনীয়তায় সবার চক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে অকুস্থলে সেনাবাহিনী যাওয়ার আগেই সটকে পড়েছে। অনেকের ধারণা কোনো সাধারণ জঙ্গি বা সন্ত্রাসীদের পক্ষে বিশেষ করে এরকম ছয় মাস পলাতক বড় লোকের আদুরে রোমান্টিক কথিত ছয় যুবকের পক্ষে এরকম দক্ষতায় ১৯ জন মানুষকে এত অল্প সময়ে এত সুচারুভাবে গলা কেটে হত্যা করা কখনই সম্ভব হবে না। মূল হত্যাকারীরা অবশ্যই পেশাধারী খুনি ছিল বলে অনেকেই মনে করেন। মূল খুনিরা নিরাপদে পালিয়ে গেছে তা অনেকেই বিশ্বাস করেন।
এখন খুঁজতে হবে গুলশান হত্যার মোটিভ কি এবং মোটিভটি জানা গেলেই খুনিকে বা খুনিদের শনাক্ত করা বা ধরা সহজ হবে বলে অনেকের বিশ্বাস। অনেকেই মনে করেন গুলশান হত্যার পেছনে কোনো রাজনৈতিক মোটিভ ছিল না। অনেকের ধারণা, এটি মূলত ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আর্থিক স্বার্থের সংঘাত। ঘটনার দুই দিন আগে সরকার জাপানের জাইকার সঙ্গে ১৫ হাজার কোটি টাকা করে ৪৫ হাজার কোটি টাকার তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এ চুক্তিগুলো আরও আগেই স্বাক্ষর করার কথা ছিল কিন্তু বিভিন্ন প্রতিযোগী কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের আপত্তির কারণে চুক্তিগুলোর স্বাক্ষর করা দেরি হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল। বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দুটি বড় দেশের বিভিন্ন কোম্পানি নাকি এ কাজগুলোর জন্য বিভিন্ন মহলে দেনদরবার করে আসতেছিল বলে জনশ্রুতি আছে। এ বিষয়গুলো আমলে নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে আরও অনুসন্ধিত্সু দৃষ্টি দেওয়া সমীচীন বলে অনেকের ধারণা। এ বিষয়টি পরিষ্কার হলে জাপানিদের হত্যার একটি মোটিভ বেরিয়ে আসতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।
<datauri-file.jpeg>




image1.jpeg

আমরা ও আজ এই দখলদার দের খপ্পরে । 

এরা কাশ্মীরের স্বাধীনতা প্রেমী দের সাথে 
যে ব্যবহার করছে আমাদের গোপালী পুলিশ ও 
আমাদের দেশের জনগন আর বিরোধী দলের নেতা
কর্মী দের সাথে এই ব্যবহারই করছে । 

2016-07-10 16:50 GMT-04:00 Post Card <abahar...@gmail.com>:

--

Post Card

unread,
Jul 26, 2016, 6:52:58 PM7/26/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar

AGAIN PROTHOM ALO'S GRANDSON'S WILSON BEG
AT THE KOYLLAN PUR OPERATION: WHAT IS GOING ON? 



সোয়াত, পুলিশ, র‌্যাব ও ডিবি যৌথভাবে অভিযানে প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ পাল্টা জবাবে ৪টি পিস্তল
নিহত ‘জঙ্গি’ ও গুলশানে হামলাকারীরা একই গ্রুপের: ডিএমপি কমিশনার: http://www.amardeshonline.com/pages/details/2016/07/27/345972#.V5ennOV5c4I

পুলিশি বক্তব্য -


কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহতদের পোশাক, কথার ধরন, ব্যবহার্য জিনিসপত্র সবকিছু দেখে মনে হয়েছে তারা সবাই উচ্চশিক্ষিত ও এলিট শ্রেণির।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফ করার সময় ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এ কথা বলেন।

তিনি জানান, নিহতদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তবে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার দেয়া তথ্য যাচাই করে যথাসময়ে নাম পরিচয় জানানো হবে।

সোয়াট টিমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে সহায়তা করেছে থানা পুলিশসহ ডিএমপির অন্য সদস্যরা।

অভিযানে একজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অভিযান শতভাগ সফল হয়েছে।’

ব্রিফিংয়ের কিছুক্ষণ আগেই কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম জানান, কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালানোর সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে মোট ১১টি গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। এরমধ্যে একটি গ্রেনেড অবিস্ফোরিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।



তিনি আরো জানান, আস্তানা থেকে ৪ থেকে ৫ কেজি বিস্ফোরক, ৪টি পিস্তল, ২১ রাউন্ড গুলি, ১টি তলোয়ার, ৩টি অটোমেটিক ছুরি, ৭টি ছোট ছুুুরি এবং বেশ কিছু আইএস লেখা কালো পতাকা পাওয়া গেছে।

এর আগে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কল্যাণপুরের ৫ নম্বর রোডের জাহাজ বিল্ডিং নামের ৫ তলা বাড়িটিতে অভিযান শুরু করে পুলিশ।

সে সময় বাড়ির তিনতলা পর্যন্ত ওঠার পর পাঁচতলা থেকে দুই যুবক নেমে এসে গুলি চালালে এক পুলিশ কর্মকর্তা হাতে গুলিবিদ্ধ হন। একই সঙ্গে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেলও নিক্ষেপ করে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে হাসান নামে এক জঙ্গি আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। রাত প্রায় সাড়ে ৩টা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলি বিনিময় চলে। পরে পুরো এলাকাটি ঘিরে রেখে ভোরে সোয়াত, পুলিশ, র‌্যাব ও ডিবি যৌথভাবে অভিযান চালায়।



রাজধানীর কল্যাণপুরে কথিত 'জঙ্গী আস্তানায়' পুলিশের অভিযানে কয়েকজন নিহতের ছবিসহ বেশ কিছু ছবি পাওয়া গেছে। কিন্তু এতো দেরি কেন ? সবার ছবি দিতে কেন এতো দেরি ?





ডিএমপি কমিশনার জানান, ভোর ৫টা ৫১ মিনিটে সোয়াত টিমের নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। এ সময় জঙ্গিদের সাথে প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ হয়।

ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ পাল্টা জবাবে ৪টি পিস্তল ?



জনগণের প্রশ্ন - প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ মাত্র ৯ জনের সাথে ?

মাত্র ৪ পিস্তল দিয়ে এক হাজারের সাথে কয়েক ঘন্টা বন্দুক যুদ্ধ। তাজ্জব হবেন না ?



প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ করতে কত গুলো গুলি খরচ ?

প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ করতে একজন পুলিশ ও মারা গেলো না ?

পুলিশ জনগণকে আতংকিত করতে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এখন বলছে ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ ?

যদি কালো পাঞ্জাবি জঙ্গি লেবাস হয় , তাহলে র্যাবের পোশাক জঙ্গিদের নয়কি ?

পুলিশের প্রকাশিত ছবিতে দেখলাম - কিছু গুলির ছবি।

কিন্তু স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে গুলো গুলো কেউ রেখে ছবি তুলেছে।

পুলিশের প্রকাশিত ছবিতে দেখলাম - কালো পাঞ্জাবি বোরো করে দেখানোর ইঙ্গিত। কিন্তু পাশে সেনাবাহিনীর পোশাকের রঙে তৈরী ট্রাভেল ব্যাগ দেখা গেলো। তাহলে যদি কি সেনাবাহিনীর পোশাক ও আগামীতে জঙ্গি নাটকে যোগ করা হবে ?

রাজধানীর কল্যাণপুরে কথিত 'জঙ্গী আস্তানায়' পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ভাঙ্গা লেপটপ এবং ব্যাগ গুলো কি প্রমান করে ?



রাজধানীর কল্যাণপুরে কথিত 'জঙ্গী আস্তানায়' পুলিশের অভিযানে উদ্ধার

পতাকার ছবি কি বলে ? ঝক ঝোকে নতুন এবং যেভাবে লাগানো হয়েছে ?

উল্লেখ্য প্রতিটি কথার সাথে পুলিশের বক্তব্যের লিংক দেয়া হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত কোন ছবি ব্যবহার হয়নি।



http://www.thedailystar.net/frontpage/similar-gulshans-1260061

যদিও বাংলাদেশের পাহাড়ি জঙ্গি গুষ্ঠি বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর পোশাকের রঙের পোশাক পরে। ভারতের প্রায় ৪৫ থেকে ৬২ টি জঙ্গি সংগঠন ভারতের সেনা বাহিনীর পোশাকের রঙের পোশাক ব্যবহার করে। ভারতের জঙ্গি গুলো প্রায় প্রতিমাসে সেনাবাহিনীকে হত্যা করে , থানায় হামলা করে। পুলিশ হত্যা করে। সেই কাহিনী কি তাহলে আমদানি হচ্ছে ?

যাদের হত্যা করা হয়েছে , তাদেরকে পুলিশ আগে থেকেই কাপড় পরিয়ে রেখেছিলো ?

করলো গোলাগুলি, ছুড়লো গ্রেনেড, কিন্তু মরার পরে হাতে সবজি কাটার চুরি ?

চারটি পিস্তল দিয়ে রাতভর মুহুর্মুহু গুলি ছোড়া কিভাবে সম্ভব?

এই চার পিস্তল দিয়ে হাজার খানেক পুলিশের সঙ্গে কতক্ষণ লড়াই সম্ভব?

এর পর পুলিশ বন্দুক লাশের কাছে রেখে ছবি প্রকাশ করবে।

শুধু কথিত আল্লাহু আকবার স্লোগান নাটকের শেষ কোথায় ?

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফ করার সময় ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানান, আস্তানা থেকে ৪ থেকে ৫ কেজি বিস্ফোরক, ৪টি পিস্তল, ২১ রাউন্ড গুলি, ১টি তলোয়ার, ৩টি অটোমেটিক ছুরি, ৭টি ছোট ছুুুরি এবং বেশ কিছু আইএস লেখা কালো পতাকা পাওয়া গেছে।

প্রিয় পাঠক আপনারাই বলুন - মাত্র ৪টি পিস্তল দিয়ে প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ করা কতটা হাস্যকর।

তার সাথে দেখুন আরো আছে ১টি তলোয়ার, ৩টি অটোমেটিক ছুরি, ৭টি ছোট ছুুুরি।

জাতিকে আর কত জঙ্গি জুজুর ভয় দেখিয়ে ক্ষমতা লোভীদের তামাশা ?

আরো আছে এই মুহূর্তে আর বেশি বলছি না। অপেক্ষায় আছি তারা কি বলে ?

কল্যাণপুরে নিহতরা আসলে কারা?

পুলিশের তরফ থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিহতরা সবাই ‘জঙ্গি' ছিল, যাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে এবং যাদের অধিকাংশই ছিল উচ্চশিক্ষিত৷ এমনকি গুলশান হামলায় অংশ নেয়ারাও এই একই গ্রুপের সদস্য৷ ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ সব তথ্য জানানোর পাশাপাশি এটাও জানিয়েছেন, নিহতদের নাম, ঠিকানা, পরিচয় এখনো জানা যায়নি৷ প্রশ্ন হচ্ছে, যাদের নাম, ঠিকানা, পরিচয় এখনো পুলিশ জানে না, তাদের জঙ্গি পরিচয়, শিক্ষাগত যোগ্যতা, গুলশান হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে কীভাবে নিশ্চিত হলো পুলিশ? নিহতরা আসলে কারা?

যখন নিহতদের নাম প্রকাশ হবে তখন দেখা যাবে তারা আগে থেকেই পুলিশ হেফাজতে ছিল।                                                        

সোয়াট, পুলিশ, র‌্যাব ও ডিবি যৌথভাবে অভিযানে প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ পাল্টা জবাবে ৪টি পিস্তল ? ......তাজ্জব হন নাই ?     

 
সোয়াট, পুলিশ, র‌্যাব ও ডিবি যৌথভাবে অভিযানে প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ পাল্টা জবাবে ৪টি পিস্তল
নিহত ‘জঙ্গি’ ও গুলশানে হামলাকারীরা একই গ্রুপের: ডিএমপি কমিশনার
: http://www.amardeshonline.com/pages/details/2016/07/27/345972#.V5ennOV5c4I
পুলিশি বক্তব্য -কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহতদের পোশাক, কথার ধরন, ব্যবহার্য জিনিসপত্র সবকিছু দেখে মনে হয়েছে তারা সবাই উচ্চশিক্ষিত ও এলিট শ্রেণির।
মঙ্গলবার...

জঙ্গী এবং সোয়াট টীম কেউ কারো চেয়ে কম নয়! 

 সোয়াট টিম সাত তলায় উঠছে এমন সময় সাত তলার সিঁড়ি থেকে.....

 টা ..টা... টা ....মেশিন গানের গুলি এবং দ্রিম! দ্রিম!! দ্রিম!!! গ্রেণেড চার্জ হতে থাকে।

 কিন্তু আমাদের সোয়াট টিমের কারো একটা কেশ ও ছিঁড়তে পারেনি ঐ জঙ্গীরা!

রজণি কান্তের ক্যারিয়ের জন্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে গেল কিন্তু!

ওদিকে জঙ্গীরা ও কম যায়না! গুলিতে মাথার ঘিলু বের হয়ে হলেও সব্জি কাটার চাকুটা

হাত থেকে পড়ে যায়নি। ....ফটোসেশনের জন্য...   

Post Card

unread,
Jul 26, 2016, 10:08:28 PM7/26/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar

2016-07-10 16:50 GMT-04:00 Post Card <abahar...@gmail.com>:

--

Dr. Farida Hossain

unread,
Jul 27, 2016, 9:42:10 AM7/27/16
to Dr. Mostofa, Shah DeEldar, <pfc-friends@googlegroups.com>, Jalal Khan, <ranu51@hotmail.com>, Zoglul Husain, <bangladesh-progressives@googlegroups.com>, <BDPANA@yahoogroups.com>, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, <syedaslam3@gmail.com>, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, <nabdc@googlegroups.com>, <alapon@yahoogroups.com>, Alochona Groups, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, <editor@prothom-alo.com>, letter Daily Star, <Khondkar_Karim@uml.edu>, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar

How many times you keep on saying sane thing again again & again? What's your interest? Enough. Stop! Will you? 
Sent from my iPhone

On Jul 27, 2016, at 08:16, Dr. Mostofa <mostofa...@gmail.com> wrote:

এই রাজাকারের বাচ্চা আবিদ বাহাররা এভাবেই গাঁজাখুরি গল্প ফেন্দে বেহেস্তের টিকিট বাগিয়ে নেবে।

Ahmed Khan

unread,
Jul 27, 2016, 11:27:27 AM7/27/16
to pfc-f...@googlegroups.com, Post Card, Jalal Khan, ran...@hotmail.com, Zoglul Husain, bangladesh-...@googlegroups.com, BDP...@yahoogroups.com, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, na...@googlegroups.com, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Dr.Gholam Mostofa, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar

2016-07-25 11:45 GMT-07:00 Sitangshu Guha <guh...@gmail.com>:

Farida Hossain

unread,
Jul 27, 2016, 12:30:55 PM7/27/16
to Dr. Mostofa, Shah DeEldar, <pfc-friends@googlegroups.com>, Jalal Khan, <ranu51@hotmail.com>, Zoglul Husain, <bangladesh-progressives@googlegroups.com>, <BDPANA@yahoogroups.com>, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, <syedaslam3@gmail.com>, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, <nabdc@googlegroups.com>, <alapon@yahoogroups.com>, Alochona Groups, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, <editor@prothom-alo.com>, letter Daily Star, <Khondkar_Karim@uml.edu>, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
hm

Farida Hossain

unread,
Jul 27, 2016, 12:33:53 PM7/27/16
to Dr. Mostofa, Shah DeEldar, <pfc-friends@googlegroups.com>, Jalal Khan, <ranu51@hotmail.com>, Zoglul Husain, <bangladesh-progressives@googlegroups.com>, <BDPANA@yahoogroups.com>, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, <syedaslam3@gmail.com>, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, <nabdc@googlegroups.com>, <alapon@yahoogroups.com>, Alochona Groups, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, <editor@prothom-alo.com>, letter Daily Star, <Khondkar_Karim@uml.edu>, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
can we write these in English please.Thanks

2016-07-27 9:41 GMT-04:00 Dr. Farida Hossain <druhf...@gmail.com>:

Post Card

unread,
Jul 27, 2016, 3:25:23 PM7/27/16
to Jalal Khan, Shah DeEldar, pfc-f...@googlegroups.com, RANU CHOWDHURY, Zoglul Husain, Bangladesh-progressives Googlegroups, BDPANA, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, Nabdc Group, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar, Ahmed Khan
RAW-trained  100 Crusaders in action in Bangladesh

| by Jessica Fox

Strictly scrutinized 100 armed cadres of the ruling Awami League in Bangladesh, who received 6-month long extensive commando training at Dehradun in India under the direct supervision of Indian espionage agency the Research and Analysis Wing are continuing various types of activities, including secret killing, abduction etcetera since June of 2010 with the mission of “clearing” a large number of politicians, media personnel and members of the civil society in Bangladesh. The team codenamed “Crusader-100” went to India during end September 2009 and stayed there till mid June 2010, where brilliant commando trainers of Indian Army gave extensive training to these people under the disguise of “training few young commandos of Bangladesh Army”. The entire project of “Crusader-100” was originally conceived by Indian Research and Analysis Wing (RAW) and the project was coordinated directly by the Bangladeshi Prime Minister and her defense advisor Maj. Gen. (Rtd) Tarique Ahmed Siddiqui.

Maj. Gen. (Rtd) Tarique Ahmed Siddiqui maintains special connection with Indian RAW and British MI6 for decades, since he was in army service. Such relations of RAW and MI6 with him was because of his family relations with Sheikh Hasina. When Bangladesh Awami League formed government in January 2009, Maj. Gen. (Rtd) Tarique Ahmed Siddiqui became extremely important in the government due to his official position as the defense advisor to the Bangladeshi Prime Minister as well as his personal identity of being the brother-in-law of Prime Minister’s younger sister Sheikh Rehana. The selection of the entire batch of ruling party cadres, who were sent to India for commando training were directly done by Maj. Gen. (Rtd) Tarique Ahmed Siddiqui and a few of his loyal colleagues and retired army officers, while on return of the members of the “Crusader-100” team from India, they were provided a hit list comprising names of opposition politicians, members of Bangladeshi media and some members of the civil society. 

According to information, the list contains names of more than 83 people, who are planned to be “cleared” by the members of the “Crusader-100” gang. The members of these specially trained hitters are housed inside several buildings at Dhaka’s Gulshan and Baridhara areas. The Baridhara “bases” of the hitters is maintained directly by Maj. Gen. (Rtd) Tarique Ahmed Siddiqui and each of such places are equipped with sophisticated surveillance equipments as well as entry of civilians are restricted within these premises. Leader of Bangladesh Nationalist Party, M Ilias Ali, who became victim of enforced disappearance recently, was also named in the list of Crusader-100 force. My New Delhi contacts disclosed few of the names of the hit list, which include, political leaders Amanullah Aman, Mirza Abbas, Sadeque Hossain Khoka, Goyeshwar Chandra Roy, M Ilias Ali, Habibun Nabi Sohel, Abdullah Al Noman, Barrister Abdur Razzaque, Shafiul Alam Pradhan, ASM Abdur Rob, Mufti Fazlul Haque Amini and Moulana Fazlul Karim. Awami League and RAW have decided “clearing” the listed names latest by December 2013, which they consider to be “vital” for the ruling party in Bangladesh in returning into power.

The gang of Crusader-100 is equipped with sophisticated small and medium range weapons, mostly with silencers as well as bullet-proof jackets, gas bombs and vehicles for their operations. Some of the members of this gang use satellite phones to skip interception of any of the Bangladeshi intelligence agencies. Each of the members of this gang received healthy financial package alongside various types of extra benefits, including apartments in Dhaka city for the members of their families and small businesses. They are not allowed to show faces during the day-time and mostly required to stay inside their bases in Dhaka city. In case of emergency, when the members of the team are required to go on street during the day time, they are compulsorily required to wear black-tinted helmets, to hide their faces from the public. By rotation, members of the team are secretly taken to India for a break of 7-10 days for “amusement” purposes. In such cases, they are allowed to cross Bangladesh-India borders without any travel documents.


2016-07-27 8:16 GMT-04:00 Dr. Mostofa <mostofa...@gmail.com>:

এই রাজাকারের বাচ্চা আবিদ বাহাররা এভাবেই গাঁজাখুরি গল্প ফেন্দে বেহেস্তের টিকিট বাগিয়ে নেবে।

 

From: Shah DeEldar [mailto:shahd...@gmail.com]

Sent: Tuesday, July 26, 2016 12:13 AM
To: pfc-f...@googlegroups.com
Cc: Jalal Khan; ran...@hotmail.com; Zoglul Husain; bangladesh-...@googlegroups.com; BDP...@yahoogroups.com; LA Discussion; bangladesh...@googlegroups.com; NewEngland Awami League; Rezaul Karim; Hussain Suhrawardy; syeda...@gmail.com; Post Card; Muazzam Kazi; S Akhter; na...@googlegroups.com; ala...@yahoogroups.com; Alochona Groups; Farida Hossain; Dr.Gholam Mostofa; Mohammed Hussain; N.E. AWAMI LEAGUE; edi...@prothom-alo.com; letter Daily Star; Khondka...@uml.edu; New England Bnp; Farida Majid; Mina Farah; Mohammad Gani; Javed Helali; Khoniker Othithee; Quazi Nuruzzaman; Mohamed Nazir; quamrul hassan; qamruddin chowdhury; Anwar Kabir Rumi; Sitangshu Guha; Md Uddin; tamanna karim; Tareque Ahmed; Bazlul Wahab; ovimot; notun Bangladesh; Mohammad Aleem; Atiqur Rahman Salu; farhad mazhar

Subject: Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।

RANU CHOWDHURY

unread,
Jul 28, 2016, 3:08:41 PM7/28/16
to Post Card, Jalal Khan, Shah DeEldar, pfc-f...@googlegroups.com, Zoglul Husain, Bangladesh-progressives Googlegroups, BDPANA, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, syeda...@gmail.com, Muazzam Kazi, S Akhter, Nabdc Group, ala...@yahoogroups.com, Alochona Groups, Farida Hossain, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, edi...@prothom-alo.com, letter Daily Star, Khondka...@uml.edu, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar, Ahmed Khan

গুলশানের হোলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার মাস্টার মাইন্ড হিসাবে ফাসানো হচ্ছে ব্যারিস্টার রাজ্জাক, মীর কাসেম আলীর ছোট ভাই, আর জনাব নিজামীর আমেরিকা প্রবাসী ছেলেকে। এই ফাসানোর অপেক্ষাতেই ছিলাম। বড় কাউকে না ফাসিয়ে তারা এত বড় কাহিনির দ্যা এন্ড করবে বিশ্বাস করি নাই। আর এত বড় সুজোগ হাত ছাড়া করবে, তা হতেই পারে না। এটাই জনাবা হাসিনার দ্যা ফেমাস‪#‎তাজ্জব‬ কাহিনী পার্ট ১।

বলতে পারেন সরকার বললেই আমরা বিশ্বাস করব কেন? তার ক্রেডিবিলিটি মানুষের কাছে জিরো।

হ্যালো, জেগে উঠুন। আপনি কি মনে করলেন, কি বিশ্বাস করলেন, তাতে আওয়ামী সরকারের কিছুই আসে যায় না। তারা নিজ ঘরের সন্তান মেরে আপনাকে জঙ্গি প্রমান করে। বুঝতে কি পারছেন তাদের গেইম প্ল্যান?

তারা বিএনপি এবং জামাত উভয়কে একেবারে ধংস না করা পর্যন্ত থামবে না। আপনারা যতই ঐক্য ঐক্য আর ভারত- আমেরিকা করুন না কেন, যতদিন ঘুরে শক্ত হয়ে না দাড়াচ্ছেন ততদিন আপনাদের কেউ বাচাতে পারবে না।

মায়াই লাগছে আপনাদের জন্য। ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর আপনাদের জন্য কবর রচিত হচ্ছে। দেখতে কি পান?




From: Post Card <abahar...@gmail.com>
Sent: Wednesday, July 27, 2016 7:25 PM
To: Jalal Khan
Cc: Shah DeEldar; pfc-f...@googlegroups.com; RANU CHOWDHURY; Zoglul Husain; Bangladesh-progressives Googlegroups; BDPANA; LA Discussion; bangladesh...@googlegroups.com; NewEngland Awami League; Rezaul Karim; Hussain Suhrawardy; syeda...@gmail.com; Muazzam Kazi; S Akhter; Nabdc Group; ala...@yahoogroups.com; Alochona Groups; Farida Hossain; Mohammed Hussain; N.E. AWAMI LEAGUE; edi...@prothom-alo.com; letter Daily Star; Khondka...@uml.edu; New England Bnp; Farida Majid; Mina Farah; Mohammad Gani; Javed Helali; Khoniker Othithee; Quazi Nuruzzaman; Mohamed Nazir; quamrul hassan; qamruddin chowdhury; Anwar Kabir Rumi; Sitangshu Guha; Md Uddin; tamanna karim; Tareque Ahmed; Bazlul Wahab; ovimot; notun Bangladesh; Mohammad Aleem; Atiqur Rahman Salu; farhad mazhar; Ahmed Khan

Shah DeEldar

unread,
Jul 28, 2016, 6:12:41 PM7/28/16
to adewan, Farida Hossain, Dr. Mostofa, <pfc-friends@googlegroups.com>, Jalal Khan, <ranu51@hotmail.com>, Zoglul Husain, <bangladesh-progressives@googlegroups.com>, <BDPANA@yahoogroups.com>, LA Discussion, bangladesh...@googlegroups.com, NewEngland Awami League, Rezaul Karim, Hussain Suhrawardy, <syedaslam3@gmail.com>, Post Card, Muazzam Kazi, S Akhter, <nabdc@googlegroups.com>, <alapon@yahoogroups.com>, Alochona Groups, Mohammed Hussain, N.E. AWAMI LEAGUE, <editor@prothom-alo.com>, letter Daily Star, <Khondkar_Karim@uml.edu>, New England Bnp, Farida Majid, Mina Farah, Mohammad Gani, Javed Helali, Khoniker Othithee, Quazi Nuruzzaman, Mohamed Nazir, quamrul hassan, qamruddin chowdhury, Anwar Kabir Rumi, Sitangshu Guha, Md Uddin, tamanna karim, Tareque Ahmed, Bazlul Wahab, ovimot, notun Bangladesh, Mohammad Aleem, Atiqur Rahman Salu, farhad mazhar
"Make the lie big, make it simple, keep saying it, and eventually they will believe it." -Führer

Obviously, Herr Führer was wrong about his own advice and had to take his own life.

2016-07-28 14:36 GMT-04:00 adewan <ade...@emich.edu>:
When you have nothing else  to do and no influence on people and issues you keep annoying others to flatter yourself as if you are doing a public service for a cause.
Dewan


Sent from my Sprint Samsung Galaxy S® 6.

-------- Original message --------
From: "Dr. Farida Hossain" <druhf...@gmail.com>
Date: 7/27/16 9:41 AM (GMT-05:00)
To: "Dr. Mostofa" <mostofa...@gmail.com>
Cc: Shah DeEldar <shahd...@gmail.com>, "<pfc-f...@googlegroups.com>" <pfc-f...@googlegroups.com>, Jalal Khan <juk...@gmail.com>, "<ran...@hotmail.com>" <ran...@hotmail.com>, Zoglul Husain <zog...@hotmail.co.uk>, "<bangladesh-...@googlegroups.com>" <bangladesh-...@googlegroups.com>, "<BDP...@yahoogroups.com>" <BDP...@yahoogroups.com>, LA Discussion <la-dis...@googlegroups.com>, "bangladesh...@googlegroups.com" <bangladesh...@googlegroups.com>, NewEngland Awami League <neawam...@gmail.com>, Rezaul Karim <rezaulk...@gmail.com>, Hussain Suhrawardy <shahadat...@hotmail.com>, "<syeda...@gmail.com>" <syeda...@gmail.com>, Post Card <abahar...@gmail.com>, Muazzam Kazi <kazi...@yahoo.com>, S Akhter <sakht...@gmail.com>, "<na...@googlegroups.com>" <na...@googlegroups.com>, "<ala...@yahoogroups.com>" <ala...@yahoogroups.com>, Alochona Groups <aloc...@yahoogroups.com>, Mohammed Hussain <delw...@hotmail.com>, "N.E. AWAMI LEAGUE" <ne_awam...@yahoo.com>, "<edi...@prothom-alo.com>" <edi...@prothom-alo.com>, letter Daily Star <edi...@thedailystar.net>, "<Khondka...@uml.edu>" <Khondka...@uml.edu>, New England Bnp <bnp.new...@yahoo.com>, Farida Majid <farida...@hotmail.com>, Mina Farah <fara...@gmail.com>, Mohammad Gani <mga...@gmail.com>, Javed Helali <jhela...@yahoo.com>, Khoniker Othithee <khoniker...@yahoo.com>, Quazi Nuruzzaman <quaz...@yahoo.com>, Mohamed Nazir <nazi...@gmail.com>, quamrul hassan <quamrul....@gmail.com>, qamruddin chowdhury <qamru...@yahoo.com>, Anwar Kabir Rumi <akab...@yahoo.com>, Sitangshu Guha <guh...@gmail.com>, Md Uddin <md.u...@comcast.net>, tamanna karim <tamann...@gmail.com>, Tareque Ahmed <tare...@gmail.com>, Bazlul Wahab <baz...@yahoo.com>, ovimot <ovi...@yahoogroups.com>, notun Bangladesh <notun_ba...@yahoogroups.com>, Mohammad Aleem <ale...@yahoo.com>, Atiqur Rahman Salu <mfari...@aol.com>, farhad mazhar <farhad...@hotmail.com>
Subject: STOP! Enough. Will you?


How many times you keep on saying sane thing again again & again? What's your interest? Enough. Stop! Will you?
Sent from my iPhone

> On Jul 27, 2016, at 08:16, Dr. Mostofa <mostofa...@gmail.com> wrote:
>
> এই রাজাকারের বাচ্চা আবিদ বাহাররা এভাবেই গাঁজাখুরি গল্প ফেন্দে বেহেস্তের টিকিট বাগিয়ে নেবে।

> From: Shah DeEldar [mailto:shahd...@gmail.com]
> Sent: Tuesday, July 26, 2016 12:13 AM
> To: pfc-f...@googlegroups.com
> Cc: Jalal Khan; ran...@hotmail.com; Zoglul Husain; bangladesh-...@googlegroups.com; BDP...@yahoogroups.com; LA Discussion; bangladesh...@googlegroups.com; NewEngland Awami League; Rezaul Karim; Hussain Suhrawardy; syeda...@gmail.com; Post Card; Muazzam Kazi; S Akhter; na...@googlegroups.com; ala...@yahoogroups.com; Alochona Groups; Farida Hossain; Dr.Gholam Mostofa; Mohammed Hussain; N.E. AWAMI LEAGUE; edi...@prothom-alo.com; letter Daily Star; Khondka...@uml.edu; New England Bnp; Farida Majid; Mina Farah; Mohammad Gani; Javed Helali; Khoniker Othithee; Quazi Nuruzzaman; Mohamed Nazir; quamrul hassan; qamruddin chowdhury; Anwar Kabir Rumi; Sitangshu Guha; Md Uddin; tamanna karim; Tareque Ahmed; Bazlul Wahab; ovimot; notun Bangladesh; Mohammad Aleem; Atiqur Rahman Salu; farhad mazhar
> Subject: Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।

> 'Eto kshane' - Arindam kahila bishade-
> 'Janinu kemane aasi Lakshman pashilo
> rakshapure!.................- M. Dutt
>
> Delusion and the delusional minds!

>

> 2016-07-25 13:58 GMT-04:00 Post Card <abahar...@gmail.com>:
> ‎Shahid Khan‎
>
> 1 min ·
> ভারতীয় "র" এর নির্দেশ মোতাবেক গত ১ জুলাই গুলশান আর্টিজান বেকারীতে কারা খুনখারাবি করেছিল, তা নিয়ে অনেক ধরনের কথা ইতোমধ্যেই মার্কেটে চলে এসেছে। তবে গোয়েন্দা এবং কূটনৈতিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য খবর হচ্ছে, ভারতীয় র-রয়ের পরিকল্পনায় এ হামলাটি চালানো হয়। প্রথমে যে কিলারগ্রুপ ঢোকে, তারা হত্যাকান্ড চালানোর পরে র তাদের চ্যানেলে হত্যাকান্ডের ছবি পাঠিয়ে দেয়ে আমেক সাইটে, যাতে আইএস কান্ড নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ না থাকে। ২০ জন হত্যা করে ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার পরে রাত তিনটার দিকে প্রথম ক...িলার গ্রুপকে বের করে আনা হয়, ভারতীয় এক দূতাবাস কর্মীর বাসায় রাখা হয়। ভোরের আগেই ২য় পর্বে কথিত ৫/৬ জন বাংলাদেশি যুবককে অস্ত্র হাতে ধরিয়ে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে ঢুকায় র‌্যাব/পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসাররা। এই অদলবদল নির্বিঘ্ন করতেই র‌্যাবে ডিজি বেনজির লাইভ টেলিকাস্ট বন্ধ করে দেয়, এবং মিডিয়া সরিয়ে দেয়। বেনজিরের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খেয়াল করুন, সে হেসে হেসে কথা বলছে, ভিতরে যারা আছে তাদের সাথে কথা বলব, কত রিল্যাক্স মডি! ২য় গ্রুপের ছেলেগুলি আগে থেকেই র‌্যাবের হাতে আটক ছিল। তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয় যে, জানে বাঁচিয়ে রাখা হবে না, কোর্টের মাধ্যমে ডিসপোজাল হবে। কিন্তু ভোররাতে প্রধানমন্ত্রী হাসিনার “কোনো আলামত রাখা যাবে না” নির্দেশমত অপারেশন থান্ডারেবোল্টের সময় তাদেরকে পিছমোড়া করে বেধে গ্যারেজে নিয়ে হত্যা করা হয়। গোটা পরিকল্পনাটি সম্পর্কে হাসিনা এবং র‌্যাব ও ডিজিএফআইর অল্প কিছু লোক জানতো। পুলিশ সহ অনেকেই ছিল অন্ধকারে।
> যাই হোক, অনেক সত্য মার্কেটে চলে আসায় পাবলিকের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করতেই র‌্যাব নতুন করে সিসিটিভি ফুটেজ বানিয়ে মার্কেটে ছাড়ছে গতকাল। তাতে বলা হচ্ছে, ২ পর্বে ভাগ হয়ে ঢোকে ৫ খুনি। এমনকি একজন নারীর উপস্থিতি দেখানো হয়। এটাই কি হাসিনার বলা চমক? কিন্তু যাদের ফুটেজ দেখানো হচ্ছে, তাদের সঙ্গে লাশের চেহারা বা অবয়বের কোনো মিল নাই। তাছাড়া, একটা মানুষ জবাই করলে যে পরিমান ধস্তাধস্তি ও ফিনকি দিয়ে রক্ত ছোটে, ৫ জন কিলার ২০ জনকে জবাই করলে কাপড় চোপড়ে তার আলামত থাকত। সেটা কি আছে? নাই। তার মানে দাড়ায়, যারা আসলে হত্যাকান্ড চালিয়েছিল, এগুলা তাদের ডেডবডি নয়। এটা ভিন্ন সেট। যে পুলিশ র‌্যাব প্রতিদিন মানুষ হত্যা করে ক্রসফায়ারের হাত বানানো গল্প শোনায় জাতিকে, তাদের জন্য সিসিটিভি ফুজেট বানানো কোনো ব্যাপারই না। আর্টিজান বেকারীর নিজস্ব সিসিটিভি ছিল, রেকর্ডও ছিল; র‌্যাব সব নিয়ে গেছে, অথচ বলছে- সিসিটিভি ছিল, কিন্তু রেকর্ড হতো না, হার্ডডিস্ক নাকি ছিল না!!! এটা কোনো পাগলেও বিশ্বাস করবে? সিসিটিভির কাজ হলো প্রমান রাখা, দরকার হলে পরে যাতে দেখা যায়। এখন র্যািব পুলিশ মিথ্যা বলছে যে- রেকর্ড করা হতো না। যারা ঐ বিল্ডিংয়ে সিসিটিভি লাগিয়েছিল, তাদের জিজ্ঞেস করলেই তো বের হয়ে যায়, সে সত্যি। মোট কথা সব আলামত নষ্ট করছে, রেকর্ড ধংস করার মহান কাজটি করে যাচ্ছে হাসিনার র‌্যাব ও পুলিশ!
> তবে, র‌্যাব মুখ ফস্কে বলে দিয়েছে ২টি পর্বে ঢুকেছে খুনিরা। যেভাবেই বলুক
>
> See more
>


Reply all
Reply to author
Forward
0 new messages