খুন হওয়ার আগে আরিশি শেষ ফোনটা করেছিলেন বাবাকে। শনিবার ভোর ছ’টার কিছুক্ষণ আগে। শুক্রবার রাত থেকে পণবন্দি হয়ে ছিলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। রাতেই বেশ কয়েক জনকে মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা।
--
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "PFC-Friends" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to pfc-friends...@googlegroups.com.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.
On Jul 10, 2016, at 16:50, Post Card <abahar...@gmail.com> wrote:
"Prothom Alo Owner's Grandson Faraz was buried first before anyone else's and without postmortem."Ekattor TV claimed Faraz throat was cut by terrorists, but no photo or video was released about Faraz however all other dead body and video was shown in Ekattor."We demand Faraz dead body must be withdrawn from the grave and do the postmortem and disclose it to public like others."Once Korean video released Ekattor TV stopped calling Faraz a hero and as of now Prothom Alo or daily star or Latifur Rahman and not yet has released any statements regarding that Korean video where Faraz was shown as terrorist with Wilson backpack. If it is false or fake or framed or fabricated then why not Mr. Latifur Rahman quiet ? Rather they ask Nisha Deshai to take care the issue and the same way this Nisha Deshai requested our PM to waive Q Molla's death penalty. Moreover Mrs Deshai is coming once Mrs. Shushoma Sharaj and India is very honest and determine to dig down the Gulshan killing."Why? We need to know that...!!!"I request my beloved Netri please do not compromise with this Jongi Prothom Alo group they are the monsters and this civil type reformists and Jamaat they all created 1975 15th August and killed our little Russel. They are the enemy of mankind."They must be in Justice. Or our human civilization will be in challenge.
ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই আমাদের বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।এর আগ পর্যন্ত অভিযানের দিন সকাল বেলা ফারাজের নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও, এবার প্রথম আলোর আরেকজন সহকারী সম্পাদক, প্রাক্তন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, ফারুক ওয়াসিফ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন ফারাজ রাত দু’টোর পুর্বেই জঙ্গীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।"ক্রমান্বয়ে এই সুরে আরও বক্তব্য আমরা পেতে থাকি। দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার শরিফুল হাসানও দাবী করেন রাত দুটোর আগেই ফারাজ সবান্ধবে নিহত হয়েছিলেন। তিনি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন যেগুলো জঙ্গি ততপরতা পর্যবেক্ষনকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইট সরবরাহ করেছে।ছবিতে নিহত তিনজনকে দেখিয়ে তিনি তাঁদেরকে ফারাজ ও তাঁর দুই বান্ধবী বলে দাবী করেন।"কিন্তু কোলকাতাভিত্তিক দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা, যা কিনা প্রথম আলোরই পশ্চিম বঙ্গীয় সংস্করণ তারা আমাদেরকে জানায় ভিন্ন ঘটনা। ফারাজের বান্ধবী ভোর ছ’টার সময়ও ফোনে তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলেছিলেন, এমনটাই আনন্দবাজারের ভাষ্য। আমি হুবুহু আনন্দবাজার থেকে কোট করছি-খুন হওয়ার আগে আরিশি শেষ ফোনটা করেছিলেন বাবাকে। শনিবার ভোর ছ’টার কিছুক্ষণ আগে। শুক্রবার রাত থেকে পণবন্দি হয়ে ছিলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। রাতেই বেশ কয়েক জনকে মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা।"ফারাজের পরিবারের সদস্য হিশাম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন ফারাজ সকালে নিহত হন, আর্মি অভিযানের সময়। ফারাজের বান্ধবী, যিনি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত, তাঁর বাবাও জানিয়েছেন ভোর ছ’টা নাগাদ অন্তত তাঁর মেয়ে জীবিত ছিল। আশা করি এরপর আর কোন অস্পষ্ট ছবি দেখিয়ে, জুতার মিল দেখিয়ে কিংবা উইলসন ব্যাগ তত্ত্ব হাজির করে ফারাজের রাতেই নিহত হওয়ার খবর বিশ্বাস করতে হবে না।"ফারাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ফ্যামিলির সন্তান। এদেশের মিডিয়া জগতকে নিয়ন্ত্রন করে ফারাজের পরিবার। এ লেখাগুলো, যুক্তিগুলো, কথাগুলো মূলধারার গণমাধ্যমে না আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও মূলধারার গণমাধ্যমে যা এসেছে তাই থেকে প্রমাণিত হয় ফারাজ সন্ত্রাসীদের সাথেই ছিলেন আর্মি অভিযানের সময়। বাকিটুকু আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে চাইছি না। কারণ আমার সামর্থ্য নাই আমেরিকা বা ইউরোপে পারি দেয়ার, আমাকে এদেশেই বাস করতে হবে, আমারও ধরে একটাই মাত্র মুন্ডু।"এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্যও কষ্টকর যে ফারাজ জঙ্গী দলের সদস্য। কিন্তু সত্য সবসময় আমাদের মনপসন্দ হয় না, অনেক সময় এমন অনেক কিছুই আমাদের হজম করতে হয় যা আমাদের মোটেই পছন্দ নয়।"আশা করবো, ফারাজের শোক সন্তপ্ত প্রিয়জনেরা আবেগের উর্ধ্বে যুক্তিকেই স্থান দিবেন এবং সচেতন নাগরিকের ভূমিকা পালন করবেন। স্বজনপ্রীতি যেন আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে না যায় সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। আমার বন্ধুর প্রতি আমার ভালোবাসা অন্য কারও বন্ধুর প্রাণহানীর জন্য দায়ী হলে সেটা হবে মারাত্মক অন্যায়।উইলসন ব্যাগ, সাদা কেডস,"অনেকেই আমাকে নির্মম বলবেন, আমি জানি। এটা সঠিক সময় নয়, অনেকেই বলবেন। ফারাজের বাবা-মা ও পরিবারের কথা চিন্তা করতে অনেকেই উপদেশ দিবেন, তাদের মনের অবস্থা বুঝতে বলবেন। কিন্তু সেই সাথে আমাদের ঐ ২০টি পরিবারের কথাও মনে রাখা উচিত যাদের ফারাজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে নিষ্টুরতম উপায়ে হত্যা করেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন নিজেকে ঐ জায়গায়। একজন একজন করে কোরবানির গরুর মত আপনাকে জবাই করা হচ্ছে অথচ আপনি কিছুই করতে পারছেন না। এসি রবিউলের কথা চিন্তা করুন। তাঁর অনাগত সন্তানের কথা চিন্তা করুন, যেকিনা এখনও তার মায়ের গর্ভে। এই শিশুটি কোনদিনও কাউকে বাবা বলে ডাকতে পারবে না। সর্বোপরি ঐ বাবুর্চিটির কথা চিন্তা করুন। ফারাজের প্রক্সি হিসেবে মিডিয়া যাকে আমাদের সামনে জঙ্গী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই বাবুর্চীর স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। তার কথা ভাবুন। তার স্ত্রীর কথা ভাবুন। অনাগত সন্তানটির কথা ভাবুন। এরপর আশা করি আপনি আর ফারাজের জন্য কুম্ভীরাশ্রু বর্ষনের দিকে ধাবিত হবেন না।-------------------একসাথে এতজন বিদেশী নাগরিক এই রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ?তাদেরকে কেউ দাওয়াত দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার জন্য নিয়ে যায় নিতো..?একসাথে এতজন বিদেশী নাগরিক এই রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ? তাদেরকে কেউ দাওয়াত দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করার জন্য নিয়ে যায় নিতো..?এই জাতির হতভাগা জনগনের কপালে আরো কতযে দূর্দশা আছে তা এক মাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেনা। জাতির ভাগ্য আকাশে শকুনের ছায়া বিস্তার করেছে সঠিক ভাবে মোকাবেলা করতে না পারলে এ জাতি শেষ হয়ে যাবে অনেক গুলো বিষয়ের হিসেব মিলছে না১) নিহত সাত জাপানির মধ্যে ছয় জনই ছিলো মেট্রোরেল প্রকল্পের সমীক্ষক। এই সমীক্ষকদের রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে ২২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটির ভবিষ্যত। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এক সাথে একই কাজের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ সেখানে গেলো কিভাবে ? তাদের কি কেউ দাওয়াত দিয়ে নিয়েছিলো ? বড় প্রজেক্টের এতগুলো বিদেশী কনসালটেন্স এক সাথে খুন হওয়ার পেছনে আর কি কারণ থাকতে পারে ?২) নিহত ইতালি নাগরিকদের মধ্যে ৬ জন ছিলো গার্মেন্টস বায়ার। একসাথে এতজন গার্মেন্টস বায়ার ঐ রেস্ট্রুরেন্টে গেলো কিভাবে ? তাদেরকে কি কেউ দাওয়াত দিয়ে নিয়েছিলো ? একসাথে এতজন গার্মেন্টস বায়ার হত্যার কারণ কি থাকতে পারে ?৩) হাসনাত করীম কে ? বলা হয়েছে তার মেয়ের জন্মদিন ছিলো। এইজন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি রুমের মধ্যে প্রকাশ্যে খুনিদের পাশে হাটছিলেন কিভাবে ? আর পাহারা ছাড়া নারীদের বের করে আনলেনও বা কিভাবে ?৪) ডিজিএফআইএ এর এক সদস্যের লিখিত বই ‘বাংলাদেশে র’-তে দেখেছিলাম, বলা হয়েছিলো- বিদেশী রেস্ট্রুরেন্টগুলো সাধারণত বিদেশী গোয়েন্দাদের বেনামে অফিস হয়ে থাকে। কারণ সেখানে খাবার খাওয়ার অজুহাত দিয়ে এসে গোয়েন্দারা মিটিং করতে পারে, কিন্তু কেউ সন্দেহ করতে পারে না, সবাইভাবে খেতে এসেছে।আর গুলশান ডিপ্লোমেটিক জোনের মত কড়া এলাকায় এ ধরনের একটি বিদেশী রেস্ট্রুরেন্টে-এ বিদেশী গোয়েন্দাদের ঘাটি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। যদি ঐ রেস্ট্রুরেন্টটি সত্যিই বিদেশী গোযেন্দাদের মিলনস্থল হয় সেখানে জাপানি কনসালটেন্ট কিংবা ইতালিয় বায়াররা এমনি এমনি নাও যেতে পারে।কোন গোয়েন্দা সংস্থার লোক উদ্দেশ্যমূলক টার্গেট করে তাদেরকে ডেকেও নিয়ে আসতে পারে। এমনও হতে পারে রেস্ট্রুরেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট লোকরাই খুনিদের ঢুকিয়েছে, যার কারণে পুরো ঘটনা ঘটে গেছে সহজে।৫) নিহত বাংলাদেশীদের তালিকায় কিন্তু সাধারণ মানুষ নেই।
--
ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই আমাদের বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।এর আগ পর্যন্ত অভিযানের দিন সকাল বেলা ফারাজের নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও, এবার প্রথম আলোর আরেকজন সহকারী সম্পাদক, প্রাক্তন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, ফারুক ওয়াসিফ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন ফারাজ রাত দু’টোর পুর্বেই জঙ্গীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।"ক্রমান্বয়ে এই সুরে আরও বক্তব্য আমরা পেতে থাকি। দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার শরিফুল হাসানও দাবী করেন রাত দুটোর আগেই ফারাজ সবান্ধবে নিহত হয়েছিলেন। তিনি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন যেগুলো জঙ্গি ততপরতা পর্যবেক্ষনকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইট সরবরাহ করেছে।ছবিতে নিহত তিনজনকে দেখিয়ে তিনি তাঁদেরকে ফারাজ ও তাঁর দুই বান্ধবী বলে দাবী করেন।"কিন্তু কোলকাতাভিত্তিক দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা, যা কিনা প্রথম আলোরই পশ্চিম বঙ্গীয় সংস্করণ তারা আমাদেরকে জানায় ভিন্ন ঘটনা। ফারাজের বান্ধবী ভোর ছ’টার সময়ও ফোনে তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলেছিলেন, এমনটাই আনন্দবাজারের ভাষ্য। আমি হুবুহু আনন্দবাজার থেকে কোট করছি-খুন হওয়ার আগে আরিশি শেষ ফোনটা করেছিলেন বাবাকে। শনিবার ভোর ছ’টার কিছুক্ষণ আগে। শুক্রবার রাত থেকে পণবন্দি হয়ে ছিলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। রাতেই বেশ কয়েক জনকে মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা।"ফারাজের পরিবারের সদস্য হিশাম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন ফারাজ সকালে নিহত হন, আর্মি অভিযানের সময়। ফারাজের বান্ধবী, যিনি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত, তাঁর বাবাও জানিয়েছেন ভোর ছ’টা নাগাদ অন্তত তাঁর মেয়ে জীবিত ছিল। আশা করি এরপর আর কোন অস্পষ্ট ছবি দেখিয়ে, জুতার মিল দেখিয়ে কিংবা উইলসন ব্যাগ তত্ত্ব হাজির করে ফারাজের রাতেই নিহত হওয়ার খবর বিশ্বাস করতে হবে না।"ফারাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ফ্যামিলির সন্তান। এদেশের মিডিয়া জগতকে নিয়ন্ত্রন করে ফারাজের পরিবার। এ লেখাগুলো, যুক্তিগুলো, কথাগুলো মূলধারার গণমাধ্যমে না আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও মূলধারার গণমাধ্যমে যা এসেছে তাই থেকে প্রমাণিত হয় ফারাজ সন্ত্রাসীদের সাথেই ছিলেন আর্মি অভিযানের সময়। বাকিটুকু আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে চাইছি না। কারণ আমার সামর্থ্য নাই আমেরিকা বা ইউরোপে পারি দেয়ার, আমাকে এদেশেই বাস করতে হবে, আমারও ধরে একটাই মাত্র মুন্ডু।"এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্যও কষ্টকর যে ফারাজ জঙ্গী দলের সদস্য। কিন্তু সত্য সবসময় আমাদের মনপসন্দ হয় না, অনেক সময় এমন অনেক কিছুই আমাদের হজম করতে হয় যা আমাদের মোটেই পছন্দ নয়।"আশা করবো, ফারাজের শোক সন্তপ্ত প্রিয়জনেরা আবেগের উর্ধ্বে যুক্তিকেই স্থান দিবেন এবং সচেতন নাগরিকের ভূমিকা পালন করবেন। স্বজনপ্রীতি যেন আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে না যায় সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। আমার বন্ধুর প্রতি আমার ভালোবাসা অন্য কারও বন্ধুর প্রাণহানীর জন্য দায়ী হলে সেটা হবে মারাত্মক অন্যায়।উইলসন ব্যাগ, সাদা কেডস,"অনেকেই আমাকে নির্মম বলবেন, আমি জানি। এটা সঠিক সময় নয়, অনেকেই বলবেন। ফারাজের বাবা-মা ও পরিবারের কথা চিন্তা করতে অনেকেই উপদেশ দিবেন, তাদের মনের অবস্থা বুঝতে বলবেন। কিন্তু সেই সাথে আমাদের ঐ ২০টি পরিবারের কথাও মনে রাখা উচিত যাদের ফারাজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে নিষ্টুরতম উপায়ে হত্যা করেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন নিজেকে ঐ জায়গায়। একজন একজন করে কোরবানির গরুর মত আপনাকে জবাই করা হচ্ছে অথচ আপনি কিছুই করতে পারছেন না। এসি রবিউলের কথা চিন্তা করুন। তাঁর অনাগত সন্তানের কথা চিন্তা করুন, যেকিনা এখনও তার মায়ের গর্ভে। এই শিশুটি কোনদিনও কাউকে বাবা বলে ডাকতে পারবে না। সর্বোপরি ঐ বাবুর্চিটির কথা চিন্তা করুন। ফারাজের প্রক্সি হিসেবে মিডিয়া যাকে আমাদের সামনে জঙ্গী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই বাবুর্চীর স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। তার কথা ভাবুন। তার স্ত্রীর কথা ভাবুন। অনাগত সন্তানটির কথা ভাবুন। এরপর আশা করি আপনি আর ফারাজের জন্য কুম্ভীরাশ্রু বর্ষনের দিকে ধাবিত হবেন না।
Sent from my iPhone
It is not to speak for Faraz or against him. But how can one be so sure about his role on that fateful night in Gulshan? Take any of the five or four other alleged terrorists involved in that attack. Each had good background. Did any of them look like that he could end up as he did?
Bin Laden was a great guy before 9/11. Could anyone ever thought that the San Bernardino couple, which had a 6-month old baby, would do what they did? Did anyone suspect Omar Mateen to be a terrorist before the Orlando event?
One the other hand, just because one is a (illegally) sitting PM today, one does not become dhoa tulsi pata after the 173-day loss in men and material in 1995-96, the logi-botha tandob of 2006, the the BDR massacre of 2009, the brutalities of February and
May 2013, just to name a few. Let the facts speak for itself.
ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই আমাদের বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।এর আগ পর্যন্ত অভিযানের দিন সকাল বেলা ফারাজের নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও, এবার প্রথম আলোর আরেকজন সহকারী সম্পাদক, প্রাক্তন ছাত্র ইউনিয়ন নেতা, ফারুক ওয়াসিফ তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবী করেন ফারাজ রাত দু’টোর পুর্বেই জঙ্গীদের হাতে নিহত হয়েছিলেন।"ক্রমান্বয়ে এই সুরে আরও বক্তব্য আমরা পেতে থাকি। দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার শরিফুল হাসানও দাবী করেন রাত দুটোর আগেই ফারাজ সবান্ধবে নিহত হয়েছিলেন। তিনি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন যেগুলো জঙ্গি ততপরতা পর্যবেক্ষনকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইট সরবরাহ করেছে।ছবিতে নিহত তিনজনকে দেখিয়ে তিনি তাঁদেরকে ফারাজ ও তাঁর দুই বান্ধবী বলে দাবী করেন।"কিন্তু কোলকাতাভিত্তিক দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা, যা কিনা প্রথম আলোরই পশ্চিম বঙ্গীয় সংস্করণ তারা আমাদেরকে জানায় ভিন্ন ঘটনা। ফারাজের বান্ধবী ভোর ছ’টার সময়ও ফোনে তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলেছিলেন, এমনটাই আনন্দবাজারের ভাষ্য। আমি হুবুহু আনন্দবাজার থেকে কোট করছি-খুন হওয়ার আগে আরিশি শেষ ফোনটা করেছিলেন বাবাকে। শনিবার ভোর ছ’টার কিছুক্ষণ আগে। শুক্রবার রাত থেকে পণবন্দি হয়ে ছিলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গেছে। রাতেই বেশ কয়েক জনকে মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা।"ফারাজের পরিবারের সদস্য হিশাম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন ফারাজ সকালে নিহত হন, আর্মি অভিযানের সময়। ফারাজের বান্ধবী, যিনি সন্ত্রাসী হামলায় নিহত, তাঁর বাবাও জানিয়েছেন ভোর ছ’টা নাগাদ অন্তত তাঁর মেয়ে জীবিত ছিল। আশা করি এরপর আর কোন অস্পষ্ট ছবি দেখিয়ে, জুতার মিল দেখিয়ে কিংবা উইলসন ব্যাগ তত্ত্ব হাজির করে ফারাজের রাতেই নিহত হওয়ার খবর বিশ্বাস করতে হবে না।"ফারাজ বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ফ্যামিলির সন্তান। এদেশের মিডিয়া জগতকে নিয়ন্ত্রন করে ফারাজের পরিবার। এ লেখাগুলো, যুক্তিগুলো, কথাগুলো মূলধারার গণমাধ্যমে না আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও মূলধারার গণমাধ্যমে যা এসেছে তাই থেকে প্রমাণিত হয় ফারাজ সন্ত্রাসীদের সাথেই ছিলেন আর্মি অভিযানের সময়। বাকিটুকু আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে চাইছি না। কারণ আমার সামর্থ্য নাই আমেরিকা বা ইউরোপে পারি দেয়ার, আমাকে এদেশেই বাস করতে হবে, আমারও ধরে একটাই মাত্র মুন্ডু।"এটা বিশ্বাস করা আমাদের জন্যও কষ্টকর যে ফারাজ জঙ্গী দলের সদস্য। কিন্তু সত্য সবসময় আমাদের মনপসন্দ হয় না, অনেক সময় এমন অনেক কিছুই আমাদের হজম করতে হয় যা আমাদের মোটেই পছন্দ নয়।"আশা করবো, ফারাজের শোক সন্তপ্ত প্রিয়জনেরা আবেগের উর্ধ্বে যুক্তিকেই স্থান দিবেন এবং সচেতন নাগরিকের ভূমিকা পালন করবেন। স্বজনপ্রীতি যেন আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে না যায় সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। আমার বন্ধুর প্রতি আমার ভালোবাসা অন্য কারও বন্ধুর প্রাণহানীর জন্য দায়ী হলে সেটা হবে মারাত্মক অন্যায়।উইলসন ব্যাগ, সাদা কেডস,"অনেকেই আমাকে নির্মম বলবেন, আমি জানি। এটা সঠিক সময় নয়, অনেকেই বলবেন। ফারাজের বাবা-মা ও পরিবারের কথা চিন্তা করতে অনেকেই উপদেশ দিবেন, তাদের মনের অবস্থা বুঝতে বলবেন। কিন্তু সেই সাথে আমাদের ঐ ২০টি পরিবারের কথাও মনে রাখা উচিত যাদের ফারাজ ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মিলে নিষ্টুরতম উপায়ে হত্যা করেছে। একবার চিন্তা করে দেখুন নিজেকে ঐ জায়গায়। একজন একজন করে কোরবানির গরুর মত আপনাকে জবাই করা হচ্ছে অথচ আপনি কিছুই করতে পারছেন না। এসি রবিউলের কথা চিন্তা করুন। তাঁর অনাগত সন্তানের কথা চিন্তা করুন, যেকিনা এখনও তার মায়ের গর্ভে। এই শিশুটি কোনদিনও কাউকে বাবা বলে ডাকতে পারবে না। সর্বোপরি ঐ বাবুর্চিটির কথা চিন্তা করুন। ফারাজের প্রক্সি হিসেবে মিডিয়া যাকে আমাদের সামনে জঙ্গী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই বাবুর্চীর স্ত্রীও সন্তানসম্ভবা। তার কথা ভাবুন। তার স্ত্রীর কথা ভাবুন। অনাগত সন্তানটির কথা ভাবুন। এরপর আশা করি আপনি আর ফারাজের জন্য কুম্ভীরাশ্রু বর্ষনের দিকে ধাবিত হবেন না।
Sent from my iPhone
--
--
Disclaimer: All content provided on this discussion forum is for informational purposes only. The owner of this forum makes no representations as to the accuracy or completeness of any information on this site or found by following any link on this site. The owner will not be liable for any errors or omissions in this information nor for the availability of this information. The owner will not be liable for any losses, injuries, or damages from the display or use of this information.
This policy is subject to change at anytime.
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "Bangladesh Progressives" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to bangladesh-progre...@googlegroups.com.
2016-07-12 9:53 GMT-04:00 M. Aleem <ale...@yahoo.com>:I had a few questions to Dr. Farida... I did not see her reply... Did I miss any e-mail of her?On Tuesday, July 12, 2016 1:16 AM, Post Card <abahar...@gmail.com> wrote:
2016-07-11 21:13 GMT-04:00 RANU CHOWDHURY <ran...@hotmail.com>:Well said, Ms. Akhter. I agree with you fully.
From: S Akhter <sakht...@gmail.com>
Sent: Monday, July 11, 2016 10:11 PM
To: M. Aleem
Cc: na...@googlegroups.com; Mohamed Nazir; Quazi Nuruzzaman; Mohammad Gani; Democrat; Ranu Chowdhury; rashed Anam; Post Card; bdma...@gmail.com; juk...@gmail.com
Subject: Re: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
ফারাজ হিরো না জিরো তা প্রশ্ন সাপেক্ষ ।আমরা এখন পর্যন্ত জানি না গুলশানের ঘটনা আসলেকি হয়ে ছিলো। আওয়ামী সরকার এই ঘটনার ধুম্রজালএখন পরিস্কার করেনি । তাই আসলেই ওই দিন কতজনসন্ত্রাসী সেখানে ছিলো তা এখন ও পরিস্কার নয় ।
কখন ও বাবুর্চী কে বলা হচ্ছে সন্ত্রাসী আবার কখন ওরেস্টুরেন্ট এর কর্মচারী কে সন্ত্রাসী হিসাবে ধরে নিয়েঅত্যাচার করে মেরে ফেলা হচ্ছে । তাই আদৌও পরিস্কারনয় গুলশান হামলায় কে , কত জন , কি ভাবে এই হামলাঘটিয়েছে।
প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার ফারাজ কে হিরো বানালেও তারা কখন ও এই গরীব কর্মচারী শাওন কে নিয়েআবেগ ঘন কোন গল্প তৈরী করেনি । ফারাজ যদি বাংলাদেশহতে পারে তবে শাওনের মতো যে সব ছেলেরা আজ পুলিশীনির্যাতন আর ক্রস ফায়ারের স্বীকার , তারা কি ?
একজন ফারাজ আজ মারা যাওয়ায় , আবেগ ঘন স্টোরিপ্রথম আলো আর ডেইলি স্টার পাতার পর পাতা লিখেযেতে পারছে , কিন্ত প্রত্যেক দিন যে সব ছেলেরা ক্রসফায়ার বা যাদের লাশ নদী নালা তে ভেসে উঠছে তাদেরজন্য তো এই দুই মিডিয়া তে কোন স্টোরি দেখা যায় না ।
কেন তারা কি মানুষ না ?
না কি তারা বিরোধীমতাদর্শ , সেই জন্য এই দুই মিডিয়ারকোন মমতা নাই । প্রথম আলো আর ডেইলি স্টার যদিসব সময় দলীয় দৃষ্টি কোনের উর্ধে উঠে সংবাদ পরিবেশনকরতো , তবে আজ তাদের কে এই ফারাজ নিয়ে যে সংবাদপরিবেশন করা হয়েছে , তা বিতর্কিত হতো না ।
Sent from my iPhoneDr. Farida... the same applies to others... I do not know Faraz or any other of those 5/6... As I see from news papers, all of the killers came from rich families and good educational institutes. All of them had bright future. Faraz's family was the richest and most brilliant as appears to be.
Many questions .... why was the cook marked as one of the killers? why the name and picture of all killers did not publish? Why is there a discrepancy?
Can you please address these questions? The Govt could not...
--
You received this message because you had subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community forum". Any posting to this group is solely the opinion of the author of the messages to na...@googlegroups.com who is responsible for the accuracy of his/her information and the conformance of his/her material with applicable copyright and other laws where applicable. The act of posting to the group indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator(s). To post to this group, send email to na...@googlegroups.com.
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to nabdc+un...@googlegroups.com.
Visit this group at https://groups.google.com/group/nabdc.
Good!Now, we can freely and "legitimately" call Bangladesh a "Terrorists growing Farmland" or breeding ground of terrorists and Sk. Hasina has got (acquired) a huge war field to battle against during next 99+ more years.2016-07-12 16:25 GMT-04:00 RANU CHOWDHURY <ran...@hotmail.com>:Yes sir, it is mainly the Chanikyas who coerced the Americans in the game, particularly since 1/11.
True, the buck should end on Hasina's shoulder, provided she has them. We know they are borrowed. From 1975 to '81, the Chanikyas had whale of a time to cleanse, indoctrinate and brainwash her. She just follows the HMV. The final phase is in the doorstep: The marching of Indian troops.
That Bangladesh is soundly in Indian lap is known to the US, much to its (US) acquiescence . Nisha Desai's whirlpool efforts are perhaps aimed at not to give in totally to India but to ensure a piece of the pie.
From: Mohammad Gani <mga...@gmail.com>
Sent: Tuesday, July 12, 2016 7:31 PM
To: RANU CHOWDHURY; na...@googlegroups.com
Cc: zainul abedin; Post Card; M. Aleem; S Akhter; Mohamed Nazir; Quazi Nuruzzaman; Democrat; rashed Anam; bdma...@gmail.com; juk...@gmail.com; Zoglul Husain; Shah Deeelder; Abu Obaid Chowdhury; Rakhal Bandho; Golam Akhter; Dr. Jamir Chowdhury; Mina Farah; Bana Mali; Farida Hossain; Farzana Ahmed; Capt Hossain; Munmun Chowdhury; Dr. M. Mohsin Ali; Dr. Em Pannah; Javed Helali; Khondkar Saleque; Dr.Gholam Mostofa; asif nazrul; Nazrul Islam; Khalifa Malik; <n...@agni.com>; GT International; Shafiq Bhuiyan; Nuran Nabi; Atiqur Rahman Salu (
Subject: Re: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
OK Mr. Chowdhury, I got it and no surprise!
BUT 'am skeptical about US brain behind!
Shouldn't the bugs stop at Hasina's shoulder after all?
Didn't she swallow those "bugs" to stay in power with her volcanic super-patriotism?
Who let those "bugs" into Bangladesh?
2016-07-12 14:18 GMT-04:00 RANU CHOWDHURY <ran...@hotmail.com>:
You missed the brain behind it all: India, and to some extent, the US.
From: Mohammad Gani <mga...@gmail.com>
Sent: Tuesday, July 12, 2016 5:59 PM
To: zainul abedin; na...@googlegroups.com
Cc: Post Card; RANU CHOWDHURY; M. Aleem; S Akhter; Mohamed Nazir; Quazi Nuruzzaman; Democrat; rashed Anam; bdma...@gmail.com; juk...@gmail.com; Zoglul Husain; Shah Deeelder; Abu Obaid Chowdhury; Rakhal Bandho; Golam Akhter; Dr. Jamir Chowdhury; Mina Farah; Bana Mali; Farida Hossain; Farzana Ahmed; Capt Hossain; Munmun Chowdhury; Dr. M. Mohsin Ali; Dr. Em Pannah; Javed Helali; Khondkar Saleque; Dr.Gholam Mostofa; asif nazrul; Nazrul Islam; Khalifa Malik; <n...@agni.com>; GT International; Shafiq Bhuiyan; Nuran Nabi; Atiqur Rahman Salu (
Subject: Re: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
Being pre-occupied with something personal in nature, I am not paying much attention to these rancorous and circular arguments on “Hasina & her lieutenants drama circus” at Gulshan; especially with some idiots like Bifool Kamal, Farida Majid......... (not original anymore!) who have been “cutting and pasting” from some coward “Script SUPPLIERS”. These big mouthed, virulent “note Suppliers” love hiding their ugly faces under BORKAs and keep throwing rocks at you from their fox holes.
Now, were Nelson Mandela and Yasir Arafat “Terrorists OR Freedom fighters”?
Many of us must have known/seen how brave Mujib fooled Bangals from 15 March-25 to March 1971, surrendered to Tikka Khan/Niazi, fled to Pakistan leaving 75 million Bangal's fates into limbo. Upon return, Mujib with the "Bamboo brain" transformed Bangladesh into a Black Hole, the “Bottomless Basket” and the “Poorest country” in Universe. Later, 2 notorious, poor orphans and crooks by born (Hasina and Khaleda) effectively made Bangladesh the full-time, tenure “Chairman” of the top 10 the most corrupted countries in the world. And now, scoundrel Hasina broke all those records of the past and transformed Bangladesh into the most dangerous place on earth, a top ranking “Terrorist Nation”.
And that is the actual bottom line, I mean Bangladesh is a “Terrorist Country” which is now officially an ineluctable reality, no matter who are the culprits behind.
*****************************************************************************
2016-07-12 12:39 GMT-04:00 zainul abedin <zain...@yahoo.com>:
Salam,
I think we are in a paradox about the Gulshan incident--different scenes, different versions, especially about the role of Faraz. This is a case of terrorism, killing of many innocent people by the terrorists but the question is who have groomed the terrorists (IS itself, RAW in collaboration or without collaboration with Hasina government or agents in the government, Mossad in collaboration with IS or in their name etc.). At least two of the participants in the Gulshan killings at came from the AL families.
The way Prothom Alo came up quickly to make Faraz a hero (without investigation, whereas Faraz maybe an innocent victim!) raised suspicion, and then the a neighbor's video made it more suspicious!
The matter of whole case(s) of "terrorism" worldwide is a part of global game (please see different types of explanations about creation and perpetuation of terrorism as defined by the "creators" themselves, even some postings by some of our blog members) and cannot be taken as a "truth" as told by a particular side/party/power. So, there remains much misunderstandings. Some people some explanations correct, others not.
I do not accept those quickly as told by the powerful side (especially states, because they have all apparatus to define the problems to their advantage. The whole world history is almost like that while recent cases of Vietnam War, Iraq War are the best examples.
At first, I was moved by the case of Faraaz for his sacrifice for his friends! Now, I am shocked at his apparent other role (I do not take anything granted yet). Sister Dr. Farida might have thought the case of Faraaz in her own way in a confusing/conflicting situation! So, it maybe better to wait and see how the case settles down, though we may not know the whole "truth" since all the powers (Hasina government to RAW, Mossad, CIA) will make (already making) it up to their advantage.
Zainul Abedin
--------------------------------------------
On Tue, 7/12/16, 'M. Aleem' via North America Bangladeshi Community <na...@googlegroups.com> wrote:
Subject: Re: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
To: "Post Card" <abahar...@gmail.com>, "RANU CHOWDHURY" <ran...@hotmail.com>
Cc: "S Akhter" <sakht...@gmail.com>, "na...@googlegroups.com" <na...@googlegroups.com>, "Mohamed Nazir" <nazi...@gmail.com>, "Quazi Nuruzzaman" <quaz...@yahoo.com>, "Mohammad Gani" <mga...@gmail.com>, "Democrat" <mohammed...@gmail.com>, "rashed Anam" <rasheda...@gmail.com>, "bdma...@gmail.com" <bdma...@gmail.com>, "juk...@gmail.com" <juk...@gmail.com>
Date: Tuesday, July 12, 2016, 8:53 AM
I had a
few questions to Dr. Farida... I did not see her reply...
Did I miss any e-mail of her?
On Tuesday, July 12,
2016 1:16 AM, Post Card <abahar...@gmail.com>
wrote:
Md
Ismail3
hrs ·
12 Shares2812929
2016-07-11 21:13 GMT-04:00
RANU CHOWDHURY <ran...@hotmail.com>:
Well said, Ms. Akhter. I agree with you fully.
ভারতীয় "র" এর নির্দেশ মোতাবেক গত ১ জুলাই গুলশান আর্টিজান বেকারীতে কারা খুনখারাবি করেছিল, তা নিয়ে অনেক ধরনের কথা ইতোমধ্যেই মার্কেটে চলে এসেছে। তবে গোয়েন্দা এবং কূটনৈতিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য খবর হচ্ছে, ভারতীয় র-রয়ের পরিকল্পনায় এ হামলাটি চালানো হয়। প্রথমে যে কিলারগ্রুপ ঢোকে, তারা হত্যাকান্ড চালানোর পরে র তাদের চ্যানেলে হত্যাকান্ডের ছবি পাঠিয়ে দেয়ে আমেক সাইটে, যাতে আইএস কান্ড নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ না থাকে। ২০ জন হত্যা করে ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার পরে রাত তিনটার দিকে প্রথম ক...িলার গ্রুপকে বের করে আনা হয়, ভারতীয় এক দূতাবাস কর্মীর বাসায় রাখা হয়। ভোরের আগেই ২য় পর্বে কথিত ৫/৬ জন বাংলাদেশি যুবককে অস্ত্র হাতে ধরিয়ে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে ঢুকায় র্যাব/পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসাররা। এই অদলবদল নির্বিঘ্ন করতেই র্যাবে ডিজি বেনজির লাইভ টেলিকাস্ট বন্ধ করে দেয়, এবং মিডিয়া সরিয়ে দেয়। বেনজিরের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খেয়াল করুন, সে হেসে হেসে কথা বলছে, ভিতরে যারা আছে তাদের সাথে কথা বলব, কত রিল্যাক্স মডি! ২য় গ্রুপের ছেলেগুলি আগে থেকেই র্যাবের হাতে আটক ছিল। তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয় যে, জানে বাঁচিয়ে রাখা হবে না, কোর্টের মাধ্যমে ডিসপোজাল হবে। কিন্তু ভোররাতে প্রধানমন্ত্রী হাসিনার “কোনো আলামত রাখা যাবে না” নির্দেশমত অপারেশন থান্ডারেবোল্টের সময় তাদেরকে পিছমোড়া করে বেধে গ্যারেজে নিয়ে হত্যা করা হয়। গোটা পরিকল্পনাটি সম্পর্কে হাসিনা এবং র্যাব ও ডিজিএফআইর অল্প কিছু লোক জানতো। পুলিশ সহ অনেকেই ছিল অন্ধকারে।
যাই হোক, অনেক সত্য মার্কেটে চলে আসায় পাবলিকের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করতেই র্যাব নতুন করে সিসিটিভি ফুটেজ বানিয়ে মার্কেটে ছাড়ছে গতকাল। তাতে বলা হচ্ছে, ২ পর্বে ভাগ হয়ে ঢোকে ৫ খুনি। এমনকি একজন নারীর উপস্থিতি দেখানো হয়। এটাই কি হাসিনার বলা চমক? কিন্তু যাদের ফুটেজ দেখানো হচ্ছে, তাদের সঙ্গে লাশের চেহারা বা অবয়বের কোনো মিল নাই। তাছাড়া, একটা মানুষ জবাই করলে যে পরিমান ধস্তাধস্তি ও ফিনকি দিয়ে রক্ত ছোটে, ৫ জন কিলার ২০ জনকে জবাই করলে কাপড় চোপড়ে তার আলামত থাকত। সেটা কি আছে? নাই। তার মানে দাড়ায়, যারা আসলে হত্যাকান্ড চালিয়েছিল, এগুলা তাদের ডেডবডি নয়। এটা ভিন্ন সেট। যে পুলিশ র্যাব প্রতিদিন মানুষ হত্যা করে ক্রসফায়ারের হাত বানানো গল্প শোনায় জাতিকে, তাদের জন্য সিসিটিভি ফুজেট বানানো কোনো ব্যাপারই না। আর্টিজান বেকারীর নিজস্ব সিসিটিভি ছিল, রেকর্ডও ছিল; র্যাব সব নিয়ে গেছে, অথচ বলছে- সিসিটিভি ছিল, কিন্তু রেকর্ড হতো না, হার্ডডিস্ক নাকি ছিল না!!! এটা কোনো পাগলেও বিশ্বাস করবে? সিসিটিভির কাজ হলো প্রমান রাখা, দরকার হলে পরে যাতে দেখা যায়। এখন র্যািব পুলিশ মিথ্যা বলছে যে- রেকর্ড করা হতো না। যারা ঐ বিল্ডিংয়ে সিসিটিভি লাগিয়েছিল, তাদের জিজ্ঞেস করলেই তো বের হয়ে যায়, সে সত্যি। মোট কথা সব আলামত নষ্ট করছে, রেকর্ড ধংস করার মহান কাজটি করে যাচ্ছে হাসিনার র্যাব ও পুলিশ!
তবে, র্যাব মুখ ফস্কে বলে দিয়েছে ২টি পর্বে ঢুকেছে খুনিরা। যেভাবেই বলুক
--

Sent from my iPhoneসিলেটে ছাত্রলীগ কারারক্ষী সংঘর্ষ : ফটোসাংবাদিকদের ওপর হামলা
ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে কারারক্ষীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছিল। এই দৃশ্য ধারণ করছিলেন আলোকচিত্রীরা। কারাগারের ভেতর থেকে কারারক্ষীদের আরেকটি দল হঠাৎ বেরিয়ে এসে সরাসরি আক্রমণ করেন সাংবাদিকদের ওপর। এতে গুরুতর আহত হন চার সাংবাদিক।সিলেট কারাগারের সামনে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের হামলা ঠেকাতে গিয়ে কারারক্ষীরা সাংবাদিকদেরও পেটান।
--2016-07-18 11:32 GMT+06:00 Isha Khan <bdma...@gmail.com>:সরকারি গুলো দখলের পর নজর এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপরবেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি চায় ছাত্রলীগ
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরব রাজনীতি চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ। রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও মালিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সরকারের এক মতবিনিময় সভায় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন এ দাবি জানান।
সাইফুর রহমান বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিমুক্ত, আসলে কি রাজনীতিমুক্ত? সরব রাজনীতি নেই, সেখানে নীরব রাজনীতি আছে। আর নীরব রাজনীতি মানে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস। উল্লেখ্য, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির সুযোগ নেই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা এই মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক, উপাচার্য ও কয়েকটি ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা বক্তব্য দেন।
http://www.amadershomoy.biz/unicode/2016/07/17/141427.htm#.V4xl7BJGQ1Q
You received this message because you had subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community forum". Any posting to this group is solely the opinion of the author of the messages to na...@googlegroups.com who is responsible for the accuracy of his/her information and the conformance of his/her material with applicable copyright and other laws where applicable. The act of posting to the group indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator(s). To post to this group, send email to na...@googlegroups.com.
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to nabdc+un...@googlegroups.com.
Visit this group at https://groups.google.com/group/nabdc.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.
Reply | Reply to all | Forward |
| 9:35 AM (8 hours ago) ![]() | ![]() ![]() | ||
| ||||

ছাত্রলীগ নেতার গায়ে রাস্তার পানি পড়ায় বাসস্ট্যান্ডে হামলা করে ১১ বাস ভাংচুর
http://www.sheershanewsbd.com/2016/07/25/136153
http://www.jugantor.com/online/country-news/2016/07/25/20154/%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A7%A7%E0%A7%A7-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B02016-07-25 6:42 GMT+06:00 Isha Khan <bdma...@gmail.com>:কুমিল্লায় কলেজ-ছাত্রীদের ওপর যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলাকুমিল্লার চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত পুনর্বহালের দাবিতে ছাত্রীদের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ-যুবলীগ। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন ছাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের লাঠিয়াল বাহিনী ছাত্রীদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে। এতে অন্তত ২৫ ছাত্রী আহত হন। তাদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত ৩ ছাত্রীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
http://purboposhchimbd.news/2016/07/24/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9c-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0/
http://www.bd-pratidin.com/country-village/2016/07/25/159003
--


Reply | Reply to all | Forward |
| 3:09 PM (3 hours ago) ![]() | ![]() ![]() | ||
| ||||

ঢাকার কল্যাণপুরে কথিত জঙ্গি আস্তায় আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে ৯জন ‘জঙ্গি’ নিহত নিহত হয়েছে। রাতের অন্ধকারে ঘটা ঘটনার কিছু ছবি রিলিজ করেছে আইন শৃংখলা বাহিনী।
কিন্তু ওইসব ছবি দেখে এবং পুলিশের দেয়া আগের তথ্য মিলিয়ে দেখতে গিয়ে বড় ধরনের সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে ১৩টি স্থানীয়ভাবে তৈরি গ্রেনেড জব্দ করা হয়। আরও জব্দ করা হয় ১৯টি ডেটোনেটর, ৭.৬২ বোর রাইফেল, কিছু ম্যাগজিন, তলোয়ার, ছুরি, হাতুড়ি, চাপাতি, আল্লাহু আকবর লেখা দু’টি কালো পতাকা, গুলি ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক। (সূত্র: বাংলানিউজ)
অর্থাৎ, জঙ্গিদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র ছিল এবং সেগুলো তারা ব্যবহারও করেছিল বলে পুলিশের দাবি।
কিন্তু প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। পাঞ্জাবি পরাবস্থায় নিহত একজনের ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার হাতে সাধারণ সবজি কাটার জন্য ব্যবহৃত একটি ছুরি ধরা রয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, যাদের কাছে গ্রেনেড, রাইফেল, তলোয়ারের মতো বড় অস্ত্র রয়েছে তারা আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত পুলিশ-র্যাব-সোয়াতের গুলির মুখে জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে ওইসব অস্ত্র ব্যবহার না করে কেন সবজি কাটার ছোট্ট ছুরি ব্যবহার করলো?! ‘প্রশিক্ষিত’ এসব জঙ্গিরা এত শিশুসুলভ হয় কী করে!
দ্বিতীয় আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়, পুলিশ বলছে ভোর রাতে জঙ্গিদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জঙ্গিদের ট্রেডমার্ক পোশাক হচ্ছে কালো পাঞ্জাবি। কল্যাণপুরে নিহত সবার গায়ে কালো পাঞ্জাবি দেখা যাচ্ছে। নিজেদের বাসায় অবস্থান করার সময় ভোর রাতে (ঘুমে থাকার সময়) জঙ্গিরা পাঞ্জাবি পরাবস্থায় ছিল! রাত-দিন ২৪ ঘন্টাই কি তাহলে তারা তাদের ‘জঙ্গিবাদী’ ইউনিফর্ম পরে থাকে?!
যৌনকর্মী যখন সন্দেহভাজন জঙ্গি
24 Jul, 2016রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রুমা আক্তার একজন পেশাদার যৌনকর্মী। অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত উত্তর গুলশানের কূটনীতিকপাড়া ছিল তার কাজের এলাকা। বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গেই তার সখ্য ছিল বেশি। তিনি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও হিন্দিতে কথা বলতে পারদর্শী। এই নারী হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কে যান। গত তিন-চার মাস ধরেই রাতে তাকে গুলশানের ওই সড়কে দেখা যেত।রুমা সম্পর্কে আমাদের সময়ের অনুসন্ধানে এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। এদিকে পুলিশ তাকে আটক করেছে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে। অবশ্য গুলশান হামলার তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই নারীর কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি।হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার দুপুরে এক তরুণীসহ সন্দেহভাজন চার জঙ্গির ভিডিওচিত্র প্রকাশ করে তাদের সন্ধান চায় র্যাব। ফেসবুকে র্যাবের অফিসিয়াল পেজে সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজটি আপলোড করা হয়। ওই ভিডিওচিত্রের ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘গুলশানের হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন চারজনকে নির্ণয়। তাদের পরিচয় জানা থাকলে দ্রুত র্যাবের যে কোনো নিকটস্থ ব্যাটালিয়ন অথবা ক্যাম্পে অবহিত করুন।’ ভিডিওচিত্রে ওই নারীকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়।র্যাবের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসার দুদিন পর গত বৃহস্পতিবার রাতে নরসিংদীর গ্রামের বাড়ি থেকে রুমাকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটি)। পরে তাকে ঢাকায় সিটি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।গতকাল শনিবার গুলশানের ৭৯ নম্বর সড়কের বিভিন্ন দূতাবাস ও বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে রুমা সম্পর্কে কথা হয়। তারা জানান, তিনি তিন-চার মাস ধরেই হলি আর্টিজানসংলগ্ন ওই সড়কে আসতেন। প্রতিদিনই তাকে সেখানে দেখা যেত। তার সঙ্গে থাকতেন নাজমা ওরফে নাজ ও নিপা নামে আরও দুই তরুণী। নিপা ওই সড়কে যাতায়াত করতেন বছর তিনেক ধরে। তারা তিনজনই মূলত বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য অপেক্ষা করতেন। হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও রুমা সেখানে গিয়েছিলেন। ওই ছবিই ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। হামলার পর গ্রামের বাড়িতে চলে যান তিনি। শুধু ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীরাই নন, সেখানে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরাও তাদের চেনেন। মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কথাও হতো।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সদস্য আমাদের সময়কে জানান, ওই তিন নারী মূলত বিদেশি নাগরিকদের গাড়িতে উঠে গন্থব্যে যেতেন। গুলশান হামলার আগে ১৫ দিনের মধ্যে রুমার সঙ্গে তার তিনবার দেখা হয়েছে। ওই পুলিশ সদস্য একটি দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত।৭৯ নম্বর সড়কে রাত জেগে চা বিক্রি করতেন শাহীন নামে এক তরুণ। কোনো কোনো দিন সকালে বাসায় ফিরতেন তিনি। শাহীনের কাছ থেকে নিয়মিত সিগারেট কিনতেন ওই তিন তরুণী। এভাবেই ওই তিনজনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। শাহীন আমাদের সময়কে জানান, গত ২০ জুলাই পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে নিয়েই রুমার গ্রামের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। রুমার বিরুদ্ধে আনা পুলিশের অভিযোগ নিয়ে শাহীনও সন্দিহান।গণমাধ্যমে প্রকাশিত রুমার ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন শাহীনসহ ওই এলাকার অনেক নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্য। জানা যায়, মাঝেমধ্যে রুমার কাছ থেকে সিগারেটও চেয়ে খেতেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এমন তথ্য দেন কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী। ওই নারীর আচরণ কেমন ছিল জানতে চাইলে দুই নিরাপত্তাকর্মী বলেন, স্বাভাবিকই তো দেখতাম। এখন পুলিশ তাকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে গেছে। ওই হামলায় সে জড়িত কিনা বুঝতে পারছি না।এদিকে মামলার তদন্ত কর্তৃপক্ষ সিটি ইউনিট সূত্র জানায়, রুমার কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য মেলেনি। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে নাকি ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তার যৌনকর্মী পরিচয় সম্পর্কে কথা বলতে রাজি হননি কেউ। রুমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরেই মূলত তাকে আটক করে পুলিশ।জানা গেছে, তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে রুমা সবার ছোট। তার দুটি বিয়ে হয়। প্রথম স্বামীর সংসারে তার একটি সন্তানও রয়েছে। দ্বিতীয় বিয়েও বিচ্ছেদ ঘটে। ছয় মাস আগে গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে দুবাই পাড়ি জমান তিনি। মাস তিনেক আগে দুবাই থেকে ফিরে ঢাকার ভাটারা থানার কালাচাঁদপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। তার আচরণে কিছু অস্বাভাবিকতা ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।রুমার পরিবারের সদস্যরা জানতেন, ঢাকায় বিভিন্ন বাসবাড়িতে রান্নার কাজ করেন তিনি। মানসিক সমস্যার কারণে এরই মধ্যে তাকে চিকিৎসক দেখানো হয়েছে বলেও জানান তারা।রুমার বড় বোন আমাদের সময়কে বলেন, ঢাকায় তার কিছু ছেলেবন্ধু ছিল এটা আমরা জানতাম। তবে সে খারাপ কিছু করত তা আমাদের জানা ছিল না।গত ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা করে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের হামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ২ জুলাই সকালে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ জঙ্গিসহ ছয়জন নিহত এবং ঘটনাস্থল থেকে ৩২ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।গত ১ জুলাই শুক্রবার রাত পৌনে ৯টায় একদল সন্ত্রাসীর ধামাকা আক্রমণে ঢাকার গুলশান লেকপাড়ে অভিজাত হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় ১ জন ভারতীয়, ৩ জন বাংলাদেশি, ৭ জন জাপানি ও ৯ জন ইতালীয়সহ ২০ জন নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়। ১ জন বাংলাদেশি বাদে বাকি ১৯ জনকে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায়। পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার ২০ মিনিটের মধ্যেই ২০ জনকে হত্যা করে ফেলা হয়। কিন্তু পুলিশের এ ভাষ্য অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না। কারণ প্রথম আলোর ভাষ্যমতে, রাত পৌনে ৯টায় ‘আল্লাহু আকবর’ বলে অস্ত্রধারী সাতজন সন্ত্রাসী রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করে। রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশের একটি দল সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করে, তখন একটি বিস্ফোরণ এবং গোলাগুলি শুরু হয়। তাতে দুজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৪০ জন আহত হয়। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী ২০ মিনিটের মধ্যে ২০ জনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে তথ্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি বলেই সবাই আলোচনা করছে। তবে এটা সত্য যে, রাত ১২টার আগেই প্রায় সবাইকে গলা কেটে হত্যা করেছে।সবাই বলছে বা আলোচনা করছে এ বর্বর হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল যে ছয়জন বাংলাদেশি তরুণ জঙ্গি তারা বিভিন্ন সময়ে নাকি গুম হয়ে গিয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করে জানা যায়নি তারা কবে এবং কোথা থেকে গুম হয়েছিল। প্রায় সবাই বলার চেষ্টা করছে এ ছয়জন যুবক সবাই ইরাকের আইএসআইএসের সদস্য এবং তারাই নাকি ধারালো অস্ত্রে গুলশানে বিদেশিদের গলা কেটে হত্যা করেছে। অপরাধ বিজ্ঞান বলে, সব হত্যার একটি মোটিভ থাকে। তাই অনেকের প্রশ্ন, গুলশান হত্যার পেছনে আইএসআইএসের কী মোটিভ ছিল? আইএসআইএস বাংলাদেশের মাটিতে কেন ইতালি ও জাপানি নাগরিকদের হত্যা করবে? আইএসআইএসের বিরোধ মার্কিন বা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। তারা হত্যা করলে মার্কিন বা ব্রিটিশ নাগরিকদের হত্যা করতে পারে কিন্তু সে হত্যার জন্য বাংলাদেশের মাটি কেন তারা ব্যবহার করবে? যদি বাংলাদেশের মাটিতেই বিদেশিদের হত্যা করে এ দেশে তাদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার প্রয়োজন ছিল তাহলে কাছেই তো আমেরিকান ক্লাব ছিল, সেখানে কেন তারা আক্রমণ করল না, এ প্রশ্নও জেগেছে অনেকের মনে।আইএসআইএস যুদ্ধ করছে ইরাকে তাদের স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবিতে। মার্কিনিরা ইরাক দখলের পরে যখন ইরাককে দ্বিখণ্ডিত করতে চেয়েছিল তখন ইরাকের সুন্নি মুসলমানরা ইসলামিক স্টেট অব ইরাক ও লেবান্ত বা সিরিয়া নামে একটি আলাদা ভুখণ্ড দাবি করে সশস্ত্র যুদ্ধে নামে। লেবান্ত হলো ইরাক এবং সিরিয়ার মধ্যবর্তী একটি অঞ্চল, যারা বহুকাল ধরে স্বাধিকার দাবি করে আসছে। তারা এতদিন সাদ্দামের বিরুদ্ধে লড়েছিল এবং সিরিয়া তাদের পাশে ছিল। সাদ্দামের পতনের আগে মার্কিনিরা লেবান্ত আন্দোলনকারীদের উৎসাহ জুগিয়ে আসছিল। ১৯৯৯ সালে আইএসআইএস ইরাকের ওয়াহাবি সুন্নিদের নিয়ে গঠন করা হয়। সাইপ্রাস, প্যালেস্টাইন, ইসরায়েল, লেবানন ও সিরিয়াকে বলা হয় লেবান্ত অঞ্চল। ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে সিরিয়ার সঙ্গে লাগানো লেবান্ত নামে ইরাকের একটি প্রদেশ আছে, যে প্রদেশটি বহুদিন ধরে স্বাধীনতার দাবি করে আসছিল। মার্কিনি ও পশ্চিমা দেশগুলো সাদ্দামবিরোধী অবস্থানের কারণে লেবান্তর দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। কিন্তু ৯ এপ্রিল ২০০৩ সালে সাদ্দামের পতনের পর থেকে আমেরিকানরা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে ফেলে। সাদ্দামের পতনের পরে আমেরিকানদের পৃষ্ঠপোষকতায় শিয়ারা সুন্নিদের রাজনীতি থেকে হটিয়ে বাগদাদের ক্ষমতা হস্তগত করে যা সুন্নিরা মেনে নেয়নি। ২০১৪ সাল পর্যন্ত মার্কিন ও শিয়া গোষ্ঠীর কোয়ালিশন সরকার ইরাকের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখে। আইএসআইএস বাগদাদের মার্কিন শিয়া কোয়ালিশন সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে আমেরিকানরা আইএসআইএসের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিপক্ষে অবস্থান নেয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পরে শিয়া, সুন্নি এবং অন্যান্য জাতি ও উপজাতিদের নিয়ে সরকার গঠন করা হয় এবং আইএসআইএসের যুদ্ধ বন্ধ করানোর জন্য সবাই এখন চেষ্টা করছে।আইএসআইএস ইরাকের সুন্নি মুসলমানদের একটি রাজনৈতিক দল, যারা ইরাকে সুন্নিদের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম করছে। তারা কেন এবং কী কারণে ৯০ ভাগ সুন্নি মুসলমানদের বাংলাদেশে বিদেশিদের হত্যা করবে? এটা কি আইএসআইএসের স্বার্থবিরোধী হয়ে যাচ্ছে না? কাজেই অনেকেই বলছে গুলশানের এ নির্মম হত্যার সঙ্গে আইএসআইএসের কোনো স্বার্থ নেই এবং তাদের কোনো মোটিভও নেই। সেই সঙ্গে অনেকে এ কথাও বলছে গুলশান হত্যার পেছনে কোনো রাজনৈতিক মোটিভও কাজ করেনি। কারণ এ নির্মম ঘটনার পরে দেশে বা বিদেশে কেউই সরকারকে বা কোনো রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেনি। তাই অনেকের ধারণা, গুলশান হত্যার মোটিভ খুঁজতে হবে অন্য কোথাও।গুলশানে সব নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গলা কেটে। অনেকে বলে থাকেন একটি মুরগি জবাই করার পরেও মুরগিটি অনেকক্ষণ শব্দ করে দাপাদাপি করে। অথচ ২০ মিনিটের মধ্যে ১৯ জন মানুষের গলা কেটে ফেলা হলো কেউ চিৎকার-চেঁচামেচি, দাপাদাপি করল না। সবাই নীরবে মরে গেল। ছয়টি অপরিপক্ব যুবকের সামনে নির্বিকার চিত্তে ১৯ জন মানুষ একে একে তাদের গলাটি বাড়িয়ে দিলেন তাদের জবাই করার জন্য! আর আইএসআইএস এ নবিস জঙ্গিরা আপন আনন্দে এ নিরীহ মানুষগুলোর কল্লা কেটে ফেলল! এরকম একটি চিত্র সবাইকে বিশ্বাস করতে বলা হচ্ছে আর সবাই তা বিশ্বাস করে নিল তাইবা ভাবা হচ্ছে কী করে? তাই অনেকে মনে করে গুলশান হত্যার শিকড় অনেক গভীরে। এটি কথিত ছয়টি যুবকের কল্পকথা নয়। নির্দ্বিধায় বলা যায়, এ গলা কাটা হত্যাযজ্ঞটি যারা করেছে তারা কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসী নয়। তারা অবশ্যই পেশাজীবী ভাড়াটিয়া খুনি যাদের এ ধরনের হত্যার অনেক চর্চা এবং অভিজ্ঞতা আছে। যারা নীরবে, নিভৃতে, জনগণের চোখের আড়ালে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের চক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে অতি দক্ষতায় মানুষ হত্যা করতে পারে। মার্শাল আর্ট বলে একটি যুদ্ধবিদ্যা আছে যাকে কুংফু, ক্যারাতে, জুডু ইত্যাদি বলা হয়, যেখানে বিনা অস্ত্রে যে কোনো অস্ত্রধারীর আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা করার কৌশল শিখানো হয়। তেমনি আরেকটি আক্রমণাত্মক মার্শাল আর্ট হলো নিনজা। নিনজা ফাইটাররা গোপনে যুদ্ধ লাইনের পিছনে শত্রু বাহিনীর ছাউনিতে প্রবেশ করে অতি নীরবে যে কোনো মানুষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে চলে আসতে পারে। হত্যার সময় এতটুকু শব্দ হবে না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত নিনজা ফাইটাররা হত্যাকারীকে ছেড়ে না দেবে ততক্ষণ রক্তও বাইরে পড়বে না। পৃথিবীতে এরকম নিনজা প্রশিক্ষণ অনেক সেনাবাহিনীতে দেওয়া হয় এবং অনেক পেশাদার খুনিও নিনজা প্রশিক্ষণে পারদর্শী হয়ে থাকে। বিদগ্ধজনের অনুমান গুলশান হত্যায় উচ্চমানের নিনজা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভাড়াটিয়া খুনিরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে নিরাপদে অতি গোপনীয়তায় সবার চক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে অকুস্থলে সেনাবাহিনী যাওয়ার আগেই সটকে পড়েছে। অনেকের ধারণা কোনো সাধারণ জঙ্গি বা সন্ত্রাসীদের পক্ষে বিশেষ করে এরকম ছয় মাস পলাতক বড় লোকের আদুরে রোমান্টিক কথিত ছয় যুবকের পক্ষে এরকম দক্ষতায় ১৯ জন মানুষকে এত অল্প সময়ে এত সুচারুভাবে গলা কেটে হত্যা করা কখনই সম্ভব হবে না। মূল হত্যাকারীরা অবশ্যই পেশাধারী খুনি ছিল বলে অনেকেই মনে করেন। মূল খুনিরা নিরাপদে পালিয়ে গেছে তা অনেকেই বিশ্বাস করেন।এখন খুঁজতে হবে গুলশান হত্যার মোটিভ কি এবং মোটিভটি জানা গেলেই খুনিকে বা খুনিদের শনাক্ত করা বা ধরা সহজ হবে বলে অনেকের বিশ্বাস। অনেকেই মনে করেন গুলশান হত্যার পেছনে কোনো রাজনৈতিক মোটিভ ছিল না। অনেকের ধারণা, এটি মূলত ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আর্থিক স্বার্থের সংঘাত। ঘটনার দুই দিন আগে সরকার জাপানের জাইকার সঙ্গে ১৫ হাজার কোটি টাকা করে ৪৫ হাজার কোটি টাকার তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। এ চুক্তিগুলো আরও আগেই স্বাক্ষর করার কথা ছিল কিন্তু বিভিন্ন প্রতিযোগী কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের আপত্তির কারণে চুক্তিগুলোর স্বাক্ষর করা দেরি হচ্ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল। বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দুটি বড় দেশের বিভিন্ন কোম্পানি নাকি এ কাজগুলোর জন্য বিভিন্ন মহলে দেনদরবার করে আসতেছিল বলে জনশ্রুতি আছে। এ বিষয়গুলো আমলে নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে আরও অনুসন্ধিত্সু দৃষ্টি দেওয়া সমীচীন বলে অনেকের ধারণা। এ বিষয়টি পরিষ্কার হলে জাপানিদের হত্যার একটি মোটিভ বেরিয়ে আসতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।<datauri-file.jpeg>

--








সোয়াট, পুলিশ, র্যাব ও ডিবি যৌথভাবে অভিযানে প্রায় ঘন্টাকালব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ পাল্টা জবাবে ৪টি পিস্তল ? ......তাজ্জব হন নাই ?


এই রাজাকারের বাচ্চা আবিদ বাহাররা এভাবেই গাঁজাখুরি গল্প ফেন্দে বেহেস্তের টিকিট বাগিয়ে নেবে।
From: Shah DeEldar [mailto:shahd...@gmail.com]
Sent: Tuesday, July 26, 2016 12:13 AM
To: pfc-f...@googlegroups.com
Cc: Jalal Khan; ran...@hotmail.com; Zoglul Husain; bangladesh-...@googlegroups.com; BDP...@yahoogroups.com; LA Discussion; bangladesh...@googlegroups.com; NewEngland Awami League; Rezaul Karim; Hussain Suhrawardy; syeda...@gmail.com; Post Card; Muazzam Kazi; S Akhter; na...@googlegroups.com; ala...@yahoogroups.com; Alochona Groups; Farida Hossain; Dr.Gholam Mostofa; Mohammed Hussain; N.E. AWAMI LEAGUE; edi...@prothom-alo.com; letter Daily Star; Khondka...@uml.edu; New England Bnp; Farida Majid; Mina Farah; Mohammad Gani; Javed Helali; Khoniker Othithee; Quazi Nuruzzaman; Mohamed Nazir; quamrul hassan; qamruddin chowdhury; Anwar Kabir Rumi; Sitangshu Guha; Md Uddin; tamanna karim; Tareque Ahmed; Bazlul Wahab; ovimot; notun Bangladesh; Mohammad Aleem; Atiqur Rahman Salu; farhad mazhar
Subject: Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
When you have nothing else to do and no influence on people and issues you keep annoying others to flatter yourself as if you are doing a public service for a cause.DewanSent from my Sprint Samsung Galaxy S® 6.
-------- Original message --------From: "Dr. Farida Hossain" <druhf...@gmail.com>
Date: 7/27/16 9:41 AM (GMT-05:00)To: "Dr. Mostofa" <mostofa...@gmail.com>Cc: Shah DeEldar <shahd...@gmail.com>, "<pfc-f...@googlegroups.com>" <pfc-f...@googlegroups.com>, Jalal Khan <juk...@gmail.com>, "<ran...@hotmail.com>" <ran...@hotmail.com>, Zoglul Husain <zog...@hotmail.co.uk>, "<bangladesh-...@googlegroups.com>" <bangladesh-...@googlegroups.com>, "<BDP...@yahoogroups.com>" <BDP...@yahoogroups.com>, LA Discussion <la-dis...@googlegroups.com>, "bangladesh...@googlegroups.com" <bangladesh...@googlegroups.com>, NewEngland Awami League <neawam...@gmail.com>, Rezaul Karim <rezaulk...@gmail.com>, Hussain Suhrawardy <shahadat...@hotmail.com>, "<syeda...@gmail.com>" <syeda...@gmail.com>, Post Card <abahar...@gmail.com>, Muazzam Kazi <kazi...@yahoo.com>, S Akhter <sakht...@gmail.com>, "<na...@googlegroups.com>" <na...@googlegroups.com>, "<ala...@yahoogroups.com>" <ala...@yahoogroups.com>, Alochona Groups <aloc...@yahoogroups.com>, Mohammed Hussain <delw...@hotmail.com>, "N.E. AWAMI LEAGUE" <ne_awam...@yahoo.com>, "<edi...@prothom-alo.com>" <edi...@prothom-alo.com>, letter Daily Star <edi...@thedailystar.net>, "<Khondka...@uml.edu>" <Khondka...@uml.edu>, New England Bnp <bnp.new...@yahoo.com>, Farida Majid <farida...@hotmail.com>, Mina Farah <fara...@gmail.com>, Mohammad Gani <mga...@gmail.com>, Javed Helali <jhela...@yahoo.com>, Khoniker Othithee <khoniker...@yahoo.com>, Quazi Nuruzzaman <quaz...@yahoo.com>, Mohamed Nazir <nazi...@gmail.com>, quamrul hassan <quamrul....@gmail.com>, qamruddin chowdhury <qamru...@yahoo.com>, Anwar Kabir Rumi <akab...@yahoo.com>, Sitangshu Guha <guh...@gmail.com>, Md Uddin <md.u...@comcast.net>, tamanna karim <tamann...@gmail.com>, Tareque Ahmed <tare...@gmail.com>, Bazlul Wahab <baz...@yahoo.com>, ovimot <ovi...@yahoogroups.com>, notun Bangladesh <notun_ba...@yahoogroups.com>, Mohammad Aleem <ale...@yahoo.com>, Atiqur Rahman Salu <mfari...@aol.com>, farhad mazhar <farhad...@hotmail.com>Subject: STOP! Enough. Will you?
How many times you keep on saying sane thing again again & again? What's your interest? Enough. Stop! Will you?
Sent from my iPhone
> On Jul 27, 2016, at 08:16, Dr. Mostofa <mostofa...@gmail.com> wrote:
>
> এই রাজাকারের বাচ্চা আবিদ বাহাররা এভাবেই গাঁজাখুরি গল্প ফেন্দে বেহেস্তের টিকিট বাগিয়ে নেবে।
>
> From: Shah DeEldar [mailto:shahd...@gmail.com]
> Sent: Tuesday, July 26, 2016 12:13 AM
> To: pfc-f...@googlegroups.com
> Cc: Jalal Khan; ran...@hotmail.com; Zoglul Husain; bangladesh-...@googlegroups.com; BDP...@yahoogroups.com; LA Discussion; bangladesh...@googlegroups.com; NewEngland Awami League; Rezaul Karim; Hussain Suhrawardy; syeda...@gmail.com; Post Card; Muazzam Kazi; S Akhter; na...@googlegroups.com; ala...@yahoogroups.com; Alochona Groups; Farida Hossain; Dr.Gholam Mostofa; Mohammed Hussain; N.E. AWAMI LEAGUE; edi...@prothom-alo.com; letter Daily Star; Khondka...@uml.edu; New England Bnp; Farida Majid; Mina Farah; Mohammad Gani; Javed Helali; Khoniker Othithee; Quazi Nuruzzaman; Mohamed Nazir; quamrul hassan; qamruddin chowdhury; Anwar Kabir Rumi; Sitangshu Guha; Md Uddin; tamanna karim; Tareque Ahmed; Bazlul Wahab; ovimot; notun Bangladesh; Mohammad Aleem; Atiqur Rahman Salu; farhad mazhar
> Subject: Re: {PFC-Friends} ফারাজের নিহত হওয়ার সময়ই বলে দেবে তিনি জঙ্গী ছিলেন নাকি ভিক্টিম।
>
> 'Eto kshane' - Arindam kahila bishade-
> 'Janinu kemane aasi Lakshman pashilo
> rakshapure!.................- M. Dutt
>
> Delusion and the delusional minds!
>
>
>
> 2016-07-25 13:58 GMT-04:00 Post Card <abahar...@gmail.com>:
> Shahid Khan
>
> 1 min ·
> ভারতীয় "র" এর নির্দেশ মোতাবেক গত ১ জুলাই গুলশান আর্টিজান বেকারীতে কারা খুনখারাবি করেছিল, তা নিয়ে অনেক ধরনের কথা ইতোমধ্যেই মার্কেটে চলে এসেছে। তবে গোয়েন্দা এবং কূটনৈতিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য খবর হচ্ছে, ভারতীয় র-রয়ের পরিকল্পনায় এ হামলাটি চালানো হয়। প্রথমে যে কিলারগ্রুপ ঢোকে, তারা হত্যাকান্ড চালানোর পরে র তাদের চ্যানেলে হত্যাকান্ডের ছবি পাঠিয়ে দেয়ে আমেক সাইটে, যাতে আইএস কান্ড নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ না থাকে। ২০ জন হত্যা করে ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার পরে রাত তিনটার দিকে প্রথম ক...িলার গ্রুপকে বের করে আনা হয়, ভারতীয় এক দূতাবাস কর্মীর বাসায় রাখা হয়। ভোরের আগেই ২য় পর্বে কথিত ৫/৬ জন বাংলাদেশি যুবককে অস্ত্র হাতে ধরিয়ে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে ঢুকায় র্যাব/পুলিশের উচ্চপদস্থ অফিসাররা। এই অদলবদল নির্বিঘ্ন করতেই র্যাবে ডিজি বেনজির লাইভ টেলিকাস্ট বন্ধ করে দেয়, এবং মিডিয়া সরিয়ে দেয়। বেনজিরের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খেয়াল করুন, সে হেসে হেসে কথা বলছে, ভিতরে যারা আছে তাদের সাথে কথা বলব, কত রিল্যাক্স মডি! ২য় গ্রুপের ছেলেগুলি আগে থেকেই র্যাবের হাতে আটক ছিল। তাদেরকে আশ্বস্ত করা হয় যে, জানে বাঁচিয়ে রাখা হবে না, কোর্টের মাধ্যমে ডিসপোজাল হবে। কিন্তু ভোররাতে প্রধানমন্ত্রী হাসিনার “কোনো আলামত রাখা যাবে না” নির্দেশমত অপারেশন থান্ডারেবোল্টের সময় তাদেরকে পিছমোড়া করে বেধে গ্যারেজে নিয়ে হত্যা করা হয়। গোটা পরিকল্পনাটি সম্পর্কে হাসিনা এবং র্যাব ও ডিজিএফআইর অল্প কিছু লোক জানতো। পুলিশ সহ অনেকেই ছিল অন্ধকারে।
> যাই হোক, অনেক সত্য মার্কেটে চলে আসায় পাবলিকের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করতেই র্যাব নতুন করে সিসিটিভি ফুটেজ বানিয়ে মার্কেটে ছাড়ছে গতকাল। তাতে বলা হচ্ছে, ২ পর্বে ভাগ হয়ে ঢোকে ৫ খুনি। এমনকি একজন নারীর উপস্থিতি দেখানো হয়। এটাই কি হাসিনার বলা চমক? কিন্তু যাদের ফুটেজ দেখানো হচ্ছে, তাদের সঙ্গে লাশের চেহারা বা অবয়বের কোনো মিল নাই। তাছাড়া, একটা মানুষ জবাই করলে যে পরিমান ধস্তাধস্তি ও ফিনকি দিয়ে রক্ত ছোটে, ৫ জন কিলার ২০ জনকে জবাই করলে কাপড় চোপড়ে তার আলামত থাকত। সেটা কি আছে? নাই। তার মানে দাড়ায়, যারা আসলে হত্যাকান্ড চালিয়েছিল, এগুলা তাদের ডেডবডি নয়। এটা ভিন্ন সেট। যে পুলিশ র্যাব প্রতিদিন মানুষ হত্যা করে ক্রসফায়ারের হাত বানানো গল্প শোনায় জাতিকে, তাদের জন্য সিসিটিভি ফুজেট বানানো কোনো ব্যাপারই না। আর্টিজান বেকারীর নিজস্ব সিসিটিভি ছিল, রেকর্ডও ছিল; র্যাব সব নিয়ে গেছে, অথচ বলছে- সিসিটিভি ছিল, কিন্তু রেকর্ড হতো না, হার্ডডিস্ক নাকি ছিল না!!! এটা কোনো পাগলেও বিশ্বাস করবে? সিসিটিভির কাজ হলো প্রমান রাখা, দরকার হলে পরে যাতে দেখা যায়। এখন র্যািব পুলিশ মিথ্যা বলছে যে- রেকর্ড করা হতো না। যারা ঐ বিল্ডিংয়ে সিসিটিভি লাগিয়েছিল, তাদের জিজ্ঞেস করলেই তো বের হয়ে যায়, সে সত্যি। মোট কথা সব আলামত নষ্ট করছে, রেকর্ড ধংস করার মহান কাজটি করে যাচ্ছে হাসিনার র্যাব ও পুলিশ!
> তবে, র্যাব মুখ ফস্কে বলে দিয়েছে ২টি পর্বে ঢুকেছে খুনিরা। যেভাবেই বলুক
>
> See more
>
>
>