Mohamed Nazir
unread,Apr 22, 2021, 1:17:59 PM4/22/21Sign in to reply to author
Sign in to forward
You do not have permission to delete messages in this group
Either email addresses are anonymous for this group or you need the view member email addresses permission to view the original message
to Md. Abedin, Mustafa Nasir Hassan, Mohammad Gani, Nabdc Group, pfc, azam...@yahoo.com, shamsul wares, Outlook Team, Capt Hossain, RANU CHOWDHURY, osman...@yahoo.com, qamruddin chowdhury, Aftab Sheikh, A.N.M.Ehsanul Hoque Milan, Millennium Travels, Post Card, pakmail798, consu...@yahoo.com, Tutul, kmama...@gmail.com, ar...@microtipsusa.com, ajal...@yahoo.com, akis...@hotmail.com, Mohammed Shoaib, sai...@yahoo.com, shadz...@aol.com, Nazma Mustafa, Muazzam Kazi, Pfc-f...@googlegroups.com, Bangladesh Nationalist Party, Dewan Sharif Alam, K.A.M.Azizul Huq, Ataur Rahman, Dr Tuhin Malik, Farzana Ahmed, israt...@gmail.com, PROFESS...@yahoo.com, firoz...@gmail.com, Adnan Haque, Adnan Haque, Abdur Syed, Mina Farah, Akram Bhuiya, Ahrar Ahmad, Shaon, Nargis Nasrin, bdrea...@yahoo.com, neba...@gmail.com, fatima ashrafi, Sabria Chowdhury Balland, drfaz...@yahoo.com, Wahed Hossaini, RiponSarwar, Abid Bahar, Oli Ahmad, Syed Muhammad Ibrahim, peopl...@gmail.com, Zainul Abedin, Farida Hossain, Sabria Chowdhury Balland, Rezaul Karim, Rieta Rahman, Serajul Islam, sseraji99, Taj Hashmi, Mahmudur Rahman, Zillur R. Khan, alema karim, asif nazrul, mina farahh, jamilcho...@yahoo.co.uk, Javed Helali, Zahirul Bhuiyan, Milli
বাংলাদেশকে হিন্দু রাষ্ট্র করতে না পেরে অবশেষে দু’টুকরো করে হিন্দুদের জন্য আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জন্য জোর তৎপরতা চালিয়েছে। বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ ২০,০০০ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে স্বাধীন বঙ্গভূমি গঠনের উদ্যোগ আয়োজন চলছে অনেকদিন ইতিমধ্যেই ঘোষিত হয়েছে স্বাধীন বঙ্গভূমি সরকার।
বঙ্গভূমি আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সংগঠক নিখিল বঙ্গ নাগরিক সংঘ। ১৯৭৭ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় এই সংগঠনকির জন্ম হয়। উপস্থিত ছিলেন ডা. কালিদাস বৈদ্য, সুব্রত চট্টোপাধ্যয় (বিলাত ফেরত ইঞ্জিনিয়ার), নীহারেন্দ্র দত্ত মজুমদার (পশ্চিম বাংলার প্রাক্তন আইনমন্ত্রী) এবং শরৎ চন্দ্র মজুমদার (বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী)। অন্য সূত্রের খবর চিত্তরঞ্জন সূতারও ঐ সভায় হাজির ছিলেন। ১৭ সেপ্টেম্বর সংস্থা গোলপার্কে সভা করে প্রথম প্রকাশ্যে হোমল্যাণ্ড দাবী করে। এরপর মাঝে মধ্যে সভা-সমাবেশ হত।
১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাদের সাহস বেড়ে যায়। তারা বাংলাদেশ ভাঙার জোর প্রস্তুতি নিতে থাকে। সালে বঙ্গভূমি আন্দোলন একটা গুরুত্বপূর্ণ মোড় নেয়। ঐ বছরের ২৫শে মার্চ ঘোষিত হয় স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্র। তৈরী হয় সৈন্য বাহিনী “বঙ্গসেনা”। সৈনাধ্যক্ষ ডা. কালিদাস বৈদ্য। পরে বঙ্গদেশ মুক্তি পরিষদ তৈরী করে সৈন্যবাহিনী লিবারেশন টাইগার্স অব বেঙ্গল (বিএলটি)। এই সংগঠন মাঝে মাঝেই বঙ্গভূমি দখলের ডাক দেয়। সীমান্ত অভিযান করে। কিন্তু কখনই ব্যাপারটা এদেশের মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পায়নি।
বঙ্গভূমির প্রস্তাবিত ঘোষণায় যা ছিল,
রাষ্ট্রপতি : পার্থ সামন্ত (চিত্তরঞ্জন সূতার)।
রাজধানী : সামন্তনগর, (মুক্তিভবন)।
পতাকা : সবুজ ও গৈরিক রঙের মাঝে সূর্যের ছবি।
জাতীয় সঙ্গীতঃ ধনধান্যে পুষ্পে ধরা, আমাদের এই বসুন্ধরা।
সীমানা : উত্তরে পদ্মা, পূর্বে মেঘনা, পশ্চিমে ভারত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। প্রস্তাবিত সীমানার মধ্যে পড়েছে বাংলাদেশের দুইটি বিভাগ অর্থাৎ খুলনা ও বরিশাল বিভাগ পড়েছে।
এই অঞ্চল নিয়ে ২৫ মার্চ ১৯৮২ ঘোষিত হয়েছে তথাকথিত স্বাধীন বঙ্গভূমি রাষ্ট্র। স্বাধীন বঙ্গভূমিকে বাস্তব রূপ দেওয়ার সমস্ত উদ্যোগই চলছে কিন্তু পশ্চিম বঙ্গ থেকে। নেপথ্য নায়করা সবাই জানেন এই রাজ্যেই বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর বিভিন্ন জেলা - ২৪ পরগনা, নদীয়া এবং উত্তর বাংলায় চলছে ব্যাপক তৎপরতা। সেসময় ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা কাদের সিদ্দিকী এবং চিত্তরঞ্জন সূতার মদদ দিচ্ছেন হিন্দু রাষ্ট্রের পক্ষে। প্রবক্তাদের যুক্তি বাংলাদেশে মুসলমানদের শাসন চলছে। হিন্দুদের জীবন ও সম্পত্তি তাদের হাতে নিরাপদ নয়। বিশেষত বাংলাদেশকে মুসলিম রাষ্ট্র ঘোষনার পর ঐ দেশের হিন্দুরা পরাধীন জীবন যাপন করছে। তাই প্রয়োজন হিন্দুদের জন্য স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র-বঙ্গভূমি।
৮৮ এর জুলাই থেকে অবস্থাটা ধীরে ধীরে পাল্টাতে শুরু করে। ঐ বছর ২২ জুলাই বঙ্গসেনা একটি সম্মেলন করে। এরপরই শুরু হয় একের পর এক কর্মসূচী। সীমান্ত জেলাগুলোতে চলতে থাকে একের পর এক সমাবেশ মিছিল মিটিং। ২৩ নভেম্বর বঙ্গভূমি দখলের জন্য বনগাঁ সীমান্ত অভিযানে ৮/১০ হাজার লোক হয়। ২২-২৩ জানুয়ারী বনগাঁ থেকে বঙ্গসেনার মহড়া হয়। ২৪ মার্চ ও ২৫ মার্চ হয় আবার বঙ্গভূমি অভিযান। ৭ এপ্রিল রাজীব গান্ধীর কলকাতা আগমন উপলক্ষে সিধু কান ডহরে বিএলও এক জমায়েতের ডাক দেয়। প্রত্যেকটা কর্মসূচীতে ভালো লোক জড়ো হয়। বাংলাদেশে গেল গেল রব উঠে। ঢাকার সংবাদ মাধ্যমগুলো এই প্রথম গুরুত্ব সহকারে মনোনিবেশ করে খবর প্রচার করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মতো অভিযান চালায়। কোনো যুদ্ধ ছাড়াই জঙ্গীরা ভারতে পালিয়ে যায়।
Monika Rahman