ছাত্রলীগের হাতে ঢাবি উপাচার্য লাঞ্ছিত, গাড়ি ভাঙচুর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের গাড়ি ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এ সময় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্য বাসভবনের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মরণিকায় জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসাবে উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন ছাপা হওয়ার পর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা শুক্রবার দুপুরে ভিসির বাসভবনের সামনে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করছিল।
http://www.amadershomoy.biz/unicode/2016/07/01/135091.htm#.V3ZYWBJc0mc--2016-06-30 21:58 GMT+06:00 Isha Khan <bdma...@gmail.com>:ভর্তিবাণিজ্যের টাকার ভাগ না দেয়ায় কর্মীদের রোষে ছাত্রলীগ নেত্রী [ভিডিও]
http://www.banglamail24.com/index.php/news/159859
https://youtu.be/HKwgl591dGc2016-06-22 8:20 GMT+06:00 Isha Khan <bdma...@gmail.com>:ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ দাশ ও তার ক্যাডার বাহিনীর হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রশাসন। তার বাহিনীর হুমকি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে অনেক শিক্ষার্থী এখন ক্যাম্পাসে যান না। ফলে তাদের লেখাপড়া বন্ধ।দেবাশীষ বাহিনীর হাতে জিম্মি শেকৃবি :ছাত্রলীগ নেত্রীকেও যৌন হয়রানিক্যাম্পাস ছাড়া ছাত্রলীগ নেত্রীও * অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ * ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি
দুর্ধর্ষ এ দেবাশীষ অনার্সে একবার ফেল করার মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে জড়ান। মাস্টার্স পাস করেছেন এক বছর আগে। এখন বলছেন তিনি থিসিস জমা দিয়েছেন। নিয়মানুযায়ী মাস্টার্স পাস করার পর কোনো ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকতে পারেন না। কিন্তু তিনি হলে আছেন। খোদ ভিসিও তার ভয়ে তটস্থ। ভিসি চলেন দেবাশীষ বাহিনীর কথামতো। দেবাশীষ বাহিনীর ছত্রছায়ায় ক্যাম্পাসে চলে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা। নানা উপায়ে হলের ক্যান্টিন থেকে দেবাশীষ বাহিনীর আয় মাসে লাখ টাকা।
রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ছাত্র হল ও দুটি ছাত্রী হল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছায়া ঘেরা বিভিন্ন প্রান্তে দিন- দুপুরেই বসে গাঁজার আসর। প্রতি রাতে নজরুল হলের ছাদ ও খামার বিভাগের পাশে বসে ইয়াবা সেবনের আসর। ক্যাম্পাসে অবাধে বিক্রি হয় ফেনসিডিল। আর এসব মাদক ব্যবসার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাশ ও তার বাহিনী। এছাড়া হলগুলোও ইয়াবা, ফেনসিডিল বাণিজ্যের নিরাপদ কেন্দ্র।
জানা যায়, ছাত্রলীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় গাবতলী আমিনবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ফেনসিডিল, ইয়াবা ঢুকে শেকৃবিতে। সেখান থেকে মাদকদ্রব্য চলে যায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, বিলাসবহুল গাড়ি প্রতিনিয়ত প্রবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সেখান থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ে ওইসব গাড়ি চলে যায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায়।
দেবাশীষের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বাণিজ্যের অভিযোগ করেন সাধারণ ছাত্ররা। কিছুদিন আগে সে প্রকাশ্যে দিবালোকে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে ক্যাম্পাসে আতংক সৃষ্টি করে। তার ক্যাডারদের কাছে রয়েছে বিদেশী অত্যাধুনিক অস্ত্র। এছাড়া আছে হকিস্টিক, রামদা, লোহার রডসহ বিভিন্ন দেশী অস্ত্র। দু-এক দিন পরই ক্যাম্পাসে দেবাশীষ বাহিনীর ক্যাডাররা অস্ত্র হাতে মহড়া দেয়।
এসব অস্ত্র নিয়ে প্রতি রাতেই শেরেবাংলা নগর, পঙ্গু হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট, চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাইয়ে নামে দেবাশীষ ও তার বাহিনী।
শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করে। কিছু ক্ষেত্রে ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার অর্থ পুলিশও পায় বলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ। জানা যায়, দেবাশীষের নেতৃত্বে বখে যাওয়া ছাত্রদের একটি গ্রুপ ইভটিজিংয়ে জড়িত।
সম্প্রতি ইভটিজিংয়ের অভিযোগে জুয়েল নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীসহ দু’জনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের কয়েকজন ছাত্রী যুগান্তরকে বলেন, ওই হলের এক ছাত্রলীগ নেত্রীকে যৌন নিপীড়নসহ নানাভাবে হয়রানি করে দেবাশীষ বাহিনী।দেবাশীষের হাতে জিম্মি ছাত্রলীগ নেত্রীরাও ফারজানা জেরিন অনন্ত নামের এক ছাত্রলীগ নেত্রী নির্যাতিত ওই ছাত্রীর পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে (জেরিন) নানা ধরনের অপবাদ দিয়ে এবং শৃংখলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। দেবাশীষ বাহিনীর ভয়ে জেরিন এখন ক্যাম্পাস ছাড়া। তার লেখাপড়াও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দেবাশীষ বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি জেরিন।
ভুক্তভোগী ছাত্রী যুগান্তরকে বলেন, ঘটনাটি এপ্রিলের। ছাত্রলীগ নেতাদের আচরণে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কারও কথা বলার সাহস ছিল না। আমি এর প্রতিবাদ করায় আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন আমি ক্যাম্পাসে যাই না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্ররা অভিযোগ করেন, দেবাশীষ প্রায়শই হলে মেয়ে নিয়ে আসেন। যখন যে রুমে ইচ্ছে সে রুমে গিয়ে ছাত্রদের বরে করে দিয়ে ফুর্তি করেন। বিষয়টি নিয়ে কোনো সাধারণ ছাত্র মুখ খোলার সাহস পান না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, এসব অপকর্ম ওপেন সিক্রেট। কেউ ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন না।
জানা যায়, প্রতিবছর বাণিজ্য মেলার মৌসুমে শেকৃবির ছাত্রলীগ নেতারা আয় করেন মোটা অংকের টাকা। মৌসুমটি তাদের কাছে পৌষ মাস। তিনটি ছাত্র হলে খাবার রান্না করে সরবরাহ করা হয় বাণিজ্য মেলার স্টলে। শেরেবাংলা হলের ক্যান্টিনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী যুগান্তরকে জানান, সরকারি গ্যাস ও পানি ব্যবহার করে বাণিজ্য মেলার পুরো মাস খাবার সরবরাহ করেন দেবাশীষ। এতে তার দুই লাখ টাকা বাণিজ্য হয়। একই ভাবে অন্য হলগুলো থেকেও মেলায় খাবার সরবরাহ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
বিজয় সরণি মাঠ, চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রর আশপাশের এলাকা, পঙ্গু হাপাতাল ও হৃদরোগ ইন্সটিটিউট এলাকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি করে দেবাশীষ ও তার ক্যাডার বাহিনী। বিজয় সরণি মাঠে বাণিজ্য মেলা চলাকালে ইজারাদারের কাছে মোটা অংকের অর্থ দাবি করেন দেবাশীষ। চাহিদামতো চাঁদা না দেয়ায় মেলার গেটে হামলা করে দেবাশীষ বাহিনী।
শেকৃবির নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্য চলে দেবাশীষের নিয়ন্ত্রণে। বিশ্ববিদ্যলয়ের বিভিন্ন পদে অর্ধশত ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতাদের হুমকির মুখে তাদের পছন্দমতো কিছু নিয়োগ দিতে বাধ্য হন কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যদিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন দেবাশীষ ও তার সহযোগীরা।
জানা গেছে, কোনোরকম যোগ্যতা না থাকার পরও প্রভাব খাটিয়ে তনুশ্রী মণ্ডল নামে নিজের গার্লফ্রেন্ডকে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন দেবাশীষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক এ বিষয়ে আপত্তি তোলার পরও কাজ হয়নি।
এছাড়াও দেবাশীষের বিরুদ্ধে প্রত্যেক হলে সিট বাণিজ্য, ক্যাম্পাসের আশপাশে ফুটপাথে চাঁদাবাজি ও সাধারণ ছাত্রদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। ক্যাম্পাসে চার লাখ টাকা দামের মোটরসাইকেল নিয়ে চলাফেরা করেন দেবাশীষ। তার নামে শ্যামলী ও আগারগাঁও এলাকায় কয়েকটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়া রয়েছে।
নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার বড়দিয়া চোরখালী গ্রামের বাসিন্দা এ দেবাশীষ। বাবা একটি সংস্থায় ছোট চাকরি করেন। মা খুকুমণি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। দুই ভাই, এক বোন তাদের। দেবাশীষ ছাত্রলীগ নেতা হওয়ার পর পরিবারটি বেশ ফুলেফেঁপে উঠেছে। বেশ কিছু ধানিজমি ক্রয় করেছেন দেবাশীষ। কিনেছেন দোকানও।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শেকৃবির সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ বলেন, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ মিথ্যা। ফারজানা জেরিন অনন্ত নামের ছাত্রলীগের যে নেত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পরামর্শে বহিষ্কার করা হয়েছে। সে কেন ক্যাম্পাসে আসে না বিষয়টি তার জানা নেই।
গার্লফ্রেন্ড তনুশ্রীকে চাকরি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে দেবাশীষ বলেন, তনুশ্রী নামে কাউকে আমি চিনি না। তাকে চাকরিও দেইনি।
ছাত্রলীগ নেতাদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সাদাত উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, ক্যাম্পাসে ছাত্রদের মধ্যে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। আমি ছাত্রদের ডেকে এনে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে দিয়েছি। এরপর আর এ নিয়ে কোনো কথা উঠার কথা নয়।
http://www.jugantor.com/online/campus/2016/06/22/17010/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B7-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%AC%E0%A6%BF
You received this message because you had subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community forum". Any posting to this group is solely the opinion of the author of the messages to na...@googlegroups.com who is responsible for the accuracy of his/her information and the conformance of his/her material with applicable copyright and other laws where applicable. The act of posting to the group indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator(s). To post to this group, send email to na...@googlegroups.com.
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to nabdc+un...@googlegroups.com.
Visit this group at https://groups.google.com/group/nabdc.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.
Reply | Reply to all | Forward |
| 10:19 AM (3 hours ago) ![]() | ![]() ![]() | ||
| ||||
Ziaur Rahman was indeed the first president of Bangladesh. He took the risk of his life to declare the independence of Bangladesh when he was forced to include the name of Sheikh mujib in the historic game changer declaration without which the story would have ended right there or would have lingered for 90 years maybe, not just 9 months. Anything under coercion cannot be considered valid. On a related note,
I take the opportunity to remind ourselves of Golam Mowla Roni's post forwarded to us by S Akhter yesterday in which he said hasina would have to be born again to learn the modesty, manners, courtesy and popularity of Khaleda. Anyway, DU VC should resign in protest of the insult he suffered today at the hands of the Awami chatro leak.
কানে ধরা পার্টি রা এখন কই ?উপাচার্যের জন্য কান ধরবেন না ? ভক্ত বাবুর জন্যধরবেন আবার অন্য কেউ লাঞ্চিত হলে তার জন্যকানে ধরে দাঁড়াবেন না , এরকম বৈশম্য তো হতে পারেনা ।আর আসল কথা হলো , সত্য কোন দিন চাপা থাকেনা ।একদিন না একদিন তা প্রকাশ পাবেই ।জিয়াউর রহমানই যে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতিতা বাকশালীরা যত ভাবেই অস্বীকার করার চেষ্টাকরে না কেন , তাতে কোন লাভ হবে না । মানুষইতিহাস জানে । জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষনাই যেমুক্তি যুদ্ধের দিক নির্দেশনা ছিল এবং তার এই ঘোষনারপরই দেশের মানুষ মুক্তি সংগ্রামে ঝাপিয়ে পরে ছিলতা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না ।আওয়ামী বাকশালী অপশক্তি শত চেষ্টা করেও জিয়াকে বাংলার মানুষের মন থেকে মূছে ফেলতে পারবে না ।বাকশালী অপশক্তি এক জন , দুজনের মুখ হয় তোবন্দুকের জোড়ে , গায়ের জোড়ে বন্ধ করতে পারে কিন্তলক্ষ কোটি মানুষের মুখ বন্ধ করতে পারবে না । সত্যএকদিন বের হয়ে আসবেই ।Sent from my iPhoneছাত্রলীগের হাতে ঢাবি উপাচার্য লাঞ্ছিত, গাড়ি ভাঙচুর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের গাড়ি ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এ সময় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্য বাসভবনের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মরণিকায় জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসাবে উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন ছাপা হওয়ার পর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা শুক্রবার দুপুরে ভিসির বাসভবনের সামনে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করছিল।
http://www.amadershomoy.biz/unicode/2016/07/01/135091.htm#.V3ZYWBJc0mc--2016-06-30 21:58 GMT+06:00 Isha Khan <bdma...@gmail.com>:ভর্তিবাণিজ্যের টাকার ভাগ না দেয়ায় কর্মীদের রোষে ছাত্রলীগ নেত্রী [ভিডিও]
http://www.banglamail24.com/index.php/news/159859
https://youtu.be/HKwgl591dGc2016-06-22 8:20 GMT+06:00 Isha Khan <bdma...@gmail.com>:ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ দাশ ও তার ক্যাডার বাহিনীর হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও প্রশাসন। তার বাহিনীর হুমকি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে অনেক শিক্ষার্থী এখন ক্যাম্পাসে যান না। ফলে তাদের লেখাপড়া বন্ধ।দেবাশীষ বাহিনীর হাতে জিম্মি শেকৃবি :ছাত্রলীগ নেত্রীকেও যৌন হয়রানিক্যাম্পাস ছাড়া ছাত্রলীগ নেত্রীও * অবৈধ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ * ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি
দুর্ধর্ষ এ দেবাশীষ অনার্সে একবার ফেল করার মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে জড়ান। মাস্টার্স পাস করেছেন এক বছর আগে। এখন বলছেন তিনি থিসিস জমা দিয়েছেন। নিয়মানুযায়ী মাস্টার্স পাস করার পর কোনো ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে থাকতে পারেন না। কিন্তু তিনি হলে আছেন। খোদ ভিসিও তার ভয়ে তটস্থ। ভিসি চলেন দেবাশীষ বাহিনীর কথামতো। দেবাশীষ বাহিনীর ছত্রছায়ায় ক্যাম্পাসে চলে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা। নানা উপায়ে হলের ক্যান্টিন থেকে দেবাশীষ বাহিনীর আয় মাসে লাখ টাকা।
রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ছাত্র হল ও দুটি ছাত্রী হল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছায়া ঘেরা বিভিন্ন প্রান্তে দিন- দুপুরেই বসে গাঁজার আসর। প্রতি রাতে নজরুল হলের ছাদ ও খামার বিভাগের পাশে বসে ইয়াবা সেবনের আসর। ক্যাম্পাসে অবাধে বিক্রি হয় ফেনসিডিল। আর এসব মাদক ব্যবসার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দাশ ও তার বাহিনী। এছাড়া হলগুলোও ইয়াবা, ফেনসিডিল বাণিজ্যের নিরাপদ কেন্দ্র।
জানা যায়, ছাত্রলীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় গাবতলী আমিনবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ফেনসিডিল, ইয়াবা ঢুকে শেকৃবিতে। সেখান থেকে মাদকদ্রব্য চলে যায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, বিলাসবহুল গাড়ি প্রতিনিয়ত প্রবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সেখান থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ে ওইসব গাড়ি চলে যায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায়।
দেবাশীষের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বাণিজ্যের অভিযোগ করেন সাধারণ ছাত্ররা। কিছুদিন আগে সে প্রকাশ্যে দিবালোকে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে ক্যাম্পাসে আতংক সৃষ্টি করে। তার ক্যাডারদের কাছে রয়েছে বিদেশী অত্যাধুনিক অস্ত্র। এছাড়া আছে হকিস্টিক, রামদা, লোহার রডসহ বিভিন্ন দেশী অস্ত্র। দু-এক দিন পরই ক্যাম্পাসে দেবাশীষ বাহিনীর ক্যাডাররা অস্ত্র হাতে মহড়া দেয়।
এসব অস্ত্র নিয়ে প্রতি রাতেই শেরেবাংলা নগর, পঙ্গু হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট, চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাইয়ে নামে দেবাশীষ ও তার বাহিনী।
শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করে। কিছু ক্ষেত্রে ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার অর্থ পুলিশও পায় বলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ। জানা যায়, দেবাশীষের নেতৃত্বে বখে যাওয়া ছাত্রদের একটি গ্রুপ ইভটিজিংয়ে জড়িত।
সম্প্রতি ইভটিজিংয়ের অভিযোগে জুয়েল নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীসহ দু’জনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের কয়েকজন ছাত্রী যুগান্তরকে বলেন, ওই হলের এক ছাত্রলীগ নেত্রীকে যৌন নিপীড়নসহ নানাভাবে হয়রানি করে দেবাশীষ বাহিনী।দেবাশীষের হাতে জিম্মি ছাত্রলীগ নেত্রীরাও ফারজানা জেরিন অনন্ত নামের এক ছাত্রলীগ নেত্রী নির্যাতিত ওই ছাত্রীর পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে (জেরিন) নানা ধরনের অপবাদ দিয়ে এবং শৃংখলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। দেবাশীষ বাহিনীর ভয়ে জেরিন এখন ক্যাম্পাস ছাড়া। তার লেখাপড়াও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দেবাশীষ বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি জেরিন।
ভুক্তভোগী ছাত্রী যুগান্তরকে বলেন, ঘটনাটি এপ্রিলের। ছাত্রলীগ নেতাদের আচরণে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কারও কথা বলার সাহস ছিল না। আমি এর প্রতিবাদ করায় আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন আমি ক্যাম্পাসে যাই না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্ররা অভিযোগ করেন, দেবাশীষ প্রায়শই হলে মেয়ে নিয়ে আসেন। যখন যে রুমে ইচ্ছে সে রুমে গিয়ে ছাত্রদের বরে করে দিয়ে ফুর্তি করেন। বিষয়টি নিয়ে কোনো সাধারণ ছাত্র মুখ খোলার সাহস পান না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, এসব অপকর্ম ওপেন সিক্রেট। কেউ ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন না।
জানা যায়, প্রতিবছর বাণিজ্য মেলার মৌসুমে শেকৃবির ছাত্রলীগ নেতারা আয় করেন মোটা অংকের টাকা। মৌসুমটি তাদের কাছে পৌষ মাস। তিনটি ছাত্র হলে খাবার রান্না করে সরবরাহ করা হয় বাণিজ্য মেলার স্টলে। শেরেবাংলা হলের ক্যান্টিনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী যুগান্তরকে জানান, সরকারি গ্যাস ও পানি ব্যবহার করে বাণিজ্য মেলার পুরো মাস খাবার সরবরাহ করেন দেবাশীষ। এতে তার দুই লাখ টাকা বাণিজ্য হয়। একই ভাবে অন্য হলগুলো থেকেও মেলায় খাবার সরবরাহ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
বিজয় সরণি মাঠ, চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রর আশপাশের এলাকা, পঙ্গু হাপাতাল ও হৃদরোগ ইন্সটিটিউট এলাকায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি করে দেবাশীষ ও তার ক্যাডার বাহিনী। বিজয় সরণি মাঠে বাণিজ্য মেলা চলাকালে ইজারাদারের কাছে মোটা অংকের অর্থ দাবি করেন দেবাশীষ। চাহিদামতো চাঁদা না দেয়ায় মেলার গেটে হামলা করে দেবাশীষ বাহিনী।
শেকৃবির নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্য চলে দেবাশীষের নিয়ন্ত্রণে। বিশ্ববিদ্যলয়ের বিভিন্ন পদে অর্ধশত ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতাদের হুমকির মুখে তাদের পছন্দমতো কিছু নিয়োগ দিতে বাধ্য হন কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যদিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন দেবাশীষ ও তার সহযোগীরা।
জানা গেছে, কোনোরকম যোগ্যতা না থাকার পরও প্রভাব খাটিয়ে তনুশ্রী মণ্ডল নামে নিজের গার্লফ্রেন্ডকে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন দেবাশীষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক এ বিষয়ে আপত্তি তোলার পরও কাজ হয়নি।
এছাড়াও দেবাশীষের বিরুদ্ধে প্রত্যেক হলে সিট বাণিজ্য, ক্যাম্পাসের আশপাশে ফুটপাথে চাঁদাবাজি ও সাধারণ ছাত্রদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। ক্যাম্পাসে চার লাখ টাকা দামের মোটরসাইকেল নিয়ে চলাফেরা করেন দেবাশীষ। তার নামে শ্যামলী ও আগারগাঁও এলাকায় কয়েকটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়া রয়েছে।
নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার বড়দিয়া চোরখালী গ্রামের বাসিন্দা এ দেবাশীষ। বাবা একটি সংস্থায় ছোট চাকরি করেন। মা খুকুমণি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। দুই ভাই, এক বোন তাদের। দেবাশীষ ছাত্রলীগ নেতা হওয়ার পর পরিবারটি বেশ ফুলেফেঁপে উঠেছে। বেশ কিছু ধানিজমি ক্রয় করেছেন দেবাশীষ। কিনেছেন দোকানও।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শেকৃবির সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ বলেন, তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ মিথ্যা। ফারজানা জেরিন অনন্ত নামের ছাত্রলীগের যে নেত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পরামর্শে বহিষ্কার করা হয়েছে। সে কেন ক্যাম্পাসে আসে না বিষয়টি তার জানা নেই।
গার্লফ্রেন্ড তনুশ্রীকে চাকরি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে দেবাশীষ বলেন, তনুশ্রী নামে কাউকে আমি চিনি না। তাকে চাকরিও দেইনি।
ছাত্রলীগ নেতাদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সাদাত উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, ক্যাম্পাসে ছাত্রদের মধ্যে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। আমি ছাত্রদের ডেকে এনে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে দিয়েছি। এরপর আর এ নিয়ে কোনো কথা উঠার কথা নয়।
http://www.jugantor.com/online/campus/2016/06/22/17010/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B7-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%AC%E0%A6%BF
You received this message because you had subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community forum". Any posting to this group is solely the opinion of the author of the messages to na...@googlegroups.com who is responsible for the accuracy of his/her information and the conformance of his/her material with applicable copyright and other laws where applicable. The act of posting to the group indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator(s). To post to this group, send email to na...@googlegroups.com.
---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "North America Bangladeshi Community" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to nabdc+un...@googlegroups.com.
Visit this group at https://groups.google.com/group/nabdc.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.
Reply | Reply to all | Forward |
| 12:07 PM (1 hour ago) ![]() | ![]() ![]() | ||
| ||||
[I am reminded of the PATRIOTIC জোশওয়ালা Zindabadi দেশনিন্দুক খ্যাঁকশেয়াল howling incessantly on the internet e-mail listserve]
দুঃখিত,
‘আরেফিন তুই রাজাকার, এই মুহূর্তে গদি ছাড়’
‘এক দফা এক দাবি, আরেফিন তুই কবে যাবি’
--ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের বাসভবনের গেটে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে বাইরে থেকে এই স্লোগান দিচ্ছে ছাত্রলীগ।
এর আগে উপাচার্যকে ধাওয়া দিয়ে তার গাড়ি ভাঙচুরও করেছে তারা। হামলার সময় ভিসিকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে ৫ সাংবাদিক আহত হয়।
Anu writes:
I do not support these destructive activities of BCL leaders and workers! .
Mind it, excess of anything is bad!
এরা হটাৎ করে “বেশী” এবং “অতিমাত্রায়” ছাত্রলীগার হয়ে যাচ্ছে কেন???
এই সমস্থ “অতি বিপ্লবী”দের “অতি বিপ্লবী কাজ কর্ম” দেখে –
আমাদের মনে সন্দেহ হচ্ছে –
যখন জামাত-বিএনপি দেশের সর্ব ক্ষেত্রে “অস্থিতিশীল পরিস্থিতি” সৃষ্টির চেষ্টা করছে –
সেখানে—
এই সমস্থ “অতি বিপ্লবী কাজ কর্ম” কি “আগুনে পেট্রোল ঢালা” নয় কি??
তাই সাধু সাবধান!
[I am reminded of the PATRIOTIC জোশওয়ালা Zindabadi দেশনিন্দুক খ্যাঁকশেয়াল on the internet e-mail listserve]
http://www.amadershomoy.biz/unicode/2016/07/01/135154.htm…
...2016-06-29 23:27 GMT-04:00 Post Card <abahar...@gmail.com>:INDIA'S EXPANDING HINDU FUNDAMENTALIST TERROR IN BANGLADESHAbid Baharhttp://www.asianews.it/news-en/India,-Babri-Masjid-demolition-planned-by-Hindu-party-30757.htmlhttp://www.asianews.it/news-en/India,-Babri-Masjid-demolition-planned-by-Hindu-party-30757.html
কা’রা বাংলাদেশের হিন্দুদের দুশমন ?***** এ আই শামস০১ . পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৪৭ সনে , এবং তার আন্তর্জাতিক সীমা রেখা নির্ধারণ হয়েছিল র্যাডক্লিফ রোয়েদাদ এর মাধ্যমে । ১৯৪৬ সনে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান আন্দোলনের গণ ভোটে পূর্ব বঙ্গের ফরিদপুর জেলার তফসিলি সম্প্রদায় ভুক্ত ( বর্ণ হিন্দুদের ভাষায় নিচু জাতের ) হিন্দুরা পাকিস্তানের পক্ষে মুসলিম লীগ কে ভোট দেয়। কারন তারা বর্ণ হিন্দুদের দ্বারা অখণ্ড ভারতে আর নির্যাতিত হতে চায় নি। ১৯৪৬ এর ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রী সভায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগের তরফ থেকে যে পাঁচ জন মন্ত্রী সভায় যোগ দেন , তাদের একজন ছিলেন ফরিদপুর জেলার তফসিলি সম্প্রদায় ভুক্ত শ্রী যোগেন্দ্র নাথ মণ্ডল । জেনারেল জিয়ার মন্ত্রী পরিষদে যে শ্রী রস রাজ মণ্ডল যোগ দিয়েছিলেন তিনি শ্রী যোগেন্দ্র নাথ মণ্ডল এর সন্তান । পাকিস্তান সৃষ্টির পর পরই অবস্থাপন্ন বর্ণ হিন্দুরা হিন্দুস্তানের উদ্যেশে দেশ ত্যাগ করলেন । খুব অল্প সংখক নিচু বর্ণের হিন্দু দেশ ত্যাগ করলেন । হিন্দুস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানে দলে দলে আসলো মুসলিম মোহাজেররা ।লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী যে বঙ্গাসাম রাষ্ট্রের এর প্রস্তাব করা হয়েছিল , তা’ নেহেরউ এবং পটেল এর কূট নীতির কারনে মাউন্ট ব্যাটন আর দিলেন না।০২ . শুরু হ’ল ১৯৪৮ থেকে নেহেরউ এর দূরদর্শী রাজনৈতিক দাবা খেলার চাল। নেহেরউ এর অখণ্ড ভারত পুনরুদ্ধারের চাল । তার চোখে ভেসে উঠল পূর্ব পাকিস্তানের কিছু টগ বগে তরুণ , যাদের চোখে শুধু ক্ষমতার আকাঙ্খা । তরুণদের ক্ষমতার আকাঙ্খা পূঁজি করে হিন্দুস্তান তাদেরকে পাকিস্তান বিদ্বেষী এবং হিন্দুস্তান বান্ধব হিসাবে গড়ে তুলল ।০৩ . ঢাকার রোজ গার্ডেনে ১৯৪৮ সনে সৃষ্টি হল পাকিস্তান বিদ্বেষী আওয়ামি মুসলিম লীগ ( পরবর্তীতে যা হিন্দুস্তান বান্ধব আওয়ামি লীগ ) সেই সাথে এ দেশের হিন্দু জনগোষ্ঠীকে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতির দাবা খেলার রাজনৈতিক গুটি হিসাবে বেছে নেয়া হ’ল । কে বা কোন দল তাদেরকে রাজনৈতিক গুটি হিসাবে বেছে নিল ? অবশ্যই সম্মুখে এবং সর্বসমক্ষে আওয়ামি লীগ । এবং পশ্চাতে গ্রিন রুমে হিন্দুস্তান ।০৪ . সেই ১৯৪৮ সন থেকে শুরু হ’ল পূর্ব পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হিন্দুস্তান কংগ্রেস এর পদ চারণা । আওয়ামি লীগ এর নৌকায় যাত্রী হয়ে সওয়ার হ’ল এ দেশের কংগ্রেস সমর্থক , বামপন্থী , আর হিন্দু জনগোষ্ঠী ।এই তিন গোষ্ঠী কোন দিনই পাকিস্তানের সৃষ্টি বা ৪৭ উত্তর পাকিস্তান মেনে নেয়নি । এমন যে তফসিলি সম্প্রদায় ভুক্ত হিন্দু , তারাও ১৯৬০ এর দশকের শুরু থেকেই হিন্দুস্তানি অর্থ , প্রচারণা আর আওয়ামি নষ্ট – ভ্রষ্ট রাজনীতির জোয়ারে ভেসে গেল ।০৫ . এ কথা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে পূর্ব পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে পণ্ডিত , প্রাজ্ঞ , এবং ধূর্ত নেহেরউ তথা হিন্দুস্তান কংগ্রেস তথা হিন্দুস্তান যতটা সফল হয়েছে ; ঠিক সেই পরিমাপে ব্যর্থ হয়েছে মুসলিম লীগ তথা পাকিস্তান । ধারনা করা যায় , এই ধূর্ত রাজনীতির অনেক রসদের যোগান হিন্দুস্তান পেয়েছে ইসরায়েল এবং যুক্ত রাষ্ট্রের নিকট থেকে । ( এ সংক্রান্ত অনেক রেফারেন্স রয়েছে)।০৬ . হিন্দুস্তান এবং আওয়ামি লীগ এই মাটির হিন্দু দেরকে নিয়ে ১৯৪৮ সন থেকে যে চরম মরণ খেলা খেলছে , সেই খেলার শতকরা শত ভাগ নয় , শতকরা হাজার ভাগ মুনাফা উঠিয়ে নিয়েছে হিন্দুস্তান ’৭১ থেকে আজ পর্যন্ত এবং ভবিষ্যতে আরও মুনাফা ওঠাবে । আর আওয়ামি লীগ কি পেল ? হয়তোবা আরও ১০ বা ১৫ বছরের জন্য রাষ্ট্র ক্ষমতা। আর এ দেশের হিন্দুরা কি পেল ? হাল জামানার বাংলাদেশে তারা এখন ডি ফ্যাক্টো সংখ্যা গুরু সম্প্রদায় এর বৈশিস্ট্য নিয়ে দাপটের সাথে নিজেদের শক্তি জাহির করছে । এ দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মাথার উপর ছড়ি ঘুরাচ্ছে । কারন হিন্দুদের শক্তি আওয়ামি লীগ , আর আওয়ামি লীগ এর শক্তি হিন্দুস্তান ।হিন্দুস্তান এবং আওয়ামি লীগ এর এই কূট ও নষ্ট – ভ্রষ্ট সাম্প্রদায়িক খেলায় আওয়ামি লীগ এবং দেশের হিন্দু ভাই – বোনেরা বাংলাদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে পাবে দীর্ঘ মেয়াদী ঘৃণা , তীব্র ঘৃণা ।০৭ . বাংলাদেশের হিন্দু সমাজের উপর বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর এই দীর্ঘ মেয়াদী তীব্র ঘৃণার জন্য কে দায়ী , কারা দায়ী ? অবশ্যই মুসলিম লীগ বা জামায়াতে ইসলাম নয় । এর জন্য দায়ী হিন্দুস্তান এবং আওয়ামি লীগ ।নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের হিন্দু সমাজের দুশমন হিন্দুস্তান এবং আওয়ামি লীগ ।( বক্তব্য টি যুক্তি যুক্ত মনে হলে আপনার পরিচিত জন দেরকে মেহেরবানী করে পোস্ট / মেইল করুন । আমীন )পূর্ব পাকিস্তানকে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হিন্দুস্তান প্রথম "কার্যকরী" পদক্ষেপ গ্রহণ করে ১৯৬৩ সনে । ঐ বছর প্রথম হিন্দুস্তানি IB কর্ম কর্তাদের , তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ক্ষমতা লিপ্সু হিন্দুস্তান বান্ধব আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে । ১৯৬৫ সনে এবার সেখ মুজিব আগরতলা যান । ১৯৭০ সনে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের জগ্ননাথ হলে ( পাঠক , খেয়াল করুন – জগন্নাথ হলে ) স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ডিজাইন করা হয় । বি এস এফ প্রধান অগ্নি উপাসক রূস্তমজির পছন্দে সম্ভবত , ১৯৭০ সনে RAW এর সদর দফতরে "" আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ......" গান টিকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে নির্বাচিত করে রাখা হয় ।এ দেশের হাতে গোনা দু একজন হিন্দু ব্যতিত কোন হিন্দুই পাকিস্তান আমলে নিজেদেরকে পাকিস্তানী হিসাবে মেনে নিতে পারে নি ; আর বাংলাদেশকে হিন্দুরা হিন্দুস্তানের একটি আশ্রিত প্রদেশ হিসাবেই মনে করে ।mÄxe †PŠayix AviI D‡jøL K‡i‡Qb, ÔG K_v ejvi A‡c¶v iv‡L bv †h, wn›`y‡`i wKQy&Uv ¶wZMÖ¯— K‡i IB ¶wZi `vq weGbwc I Rvgvqv‡Zi Ici Pvcv‡Z cvi‡j gnv‡RvU miKvi Nvg w`‡q R¡i Qvovi g‡Zv bvbvgyLx †iv‡Mi AvµgY †_‡K †invB cv‡e| evsjv‡`‡k Bmjvwg Rw½cbvi DÌvc‡bi Avkv¼v i‡q‡Q Ges G Avk¼v †_‡K gyw³i GKgvÎ Dcvq AvIqvgx cZvKvZ‡j mg‡eZ nIqv-GUvB n‡”Q †`k-we‡`‡k AvIqvgx ivRbxwZi c‡¶ mg_©b msnZ Kivi me‡P‡q hyrmB †i‡UvwiK| wn›`yi gw›`‡i Av¸‡bi wkLv jKjwK‡q DV‡j Ô‡`k-we‡`‡k gymjgvb Rw½iv †a‡q Avm‡QÕ e‡j cÖPvi Pvjv‡bvi my‡hvM †Rviv‡jv nq| G my‡hvM m…wói Rb¨ miKvi Z_v AvIqvgx jxM wn›`y‡`i evwoN‡i Av¸b jvMv‡bv Ges fvsPy‡ii g‡Zv AcKg© Ki‡Z cv‡i e‡j cÖwZc¶ ivR‰bwZK `j¸‡jvi Awf‡hvM miKvi †Rviv‡jvfv‡e LÊb Ki‡Z cv‡iwb A_ev LÊb Kivi cÖ‡qvRb †eva K‡iwনAvgvi wek¦vm, Avm‡j GUvB ev¯—eZv Ges GUvB mZ¨| Avgv‡`i Rvbvg‡Z Rvgvqv‡Z Bmjvgxi `xN© 70 eQ‡ii ivR‰bwZK BwZnv‡m †Kv‡bv Agymwj‡gi Nievwo †cvov‡bv wKsev gw›`‡i Av¸b jvMv‡bvi bwRi †bB| ( * mÄxe †PŠayix 7/3/ 13 ˆ`wbK Avgvi †`k * )আমাদ্রের বিগত ৬৮ বছরের নষ্ট - ভ্রষ্ট রাজনীতির কারনেই পীযুষ – রানা –নিম চন্দ্র – দত্ত বাবুরা বাংলাদেশকে হিন্দুস্তানের একটি আশ্রিত প্রদেশ বানাতে চায় । আর এটিই “নেহেরউ ডকট্রিন” এর তত্ত্ব কথা ।( আমার বক্তব্য টি যুক্তি যুক্ত মনে হলে , আপনার পরিচিতজন দের কাছে মেহেরবানী করে পোষ্ট / মেইল করুন । ধন্যবাদ । )******* অধ্যাপক এ আই শামসhttps://www.facebook.com/photo.php?fbid=10208455432415829&set=gm.1049017371835679&type=3&theaterhttps://www.facebook.com/photo.php?fbid=10208455432415829&set=gm.1049017371835679&type=3&theater
https://www.facebook.com/photo.php?fbid=641335972695398&set=gm.1856396841256281&type=3&theater
SHEIKHA: THE NOTORIOUS ENEMY WITHINক্ষমতা ধরে রাখতে ভারতকে হাসিনার দেশবিক্রির অফার, ফাঁস করলো বেজিপি
জানুয়ারি ২০, ২০১৫
![]()
ক্ষমতায় টিকে থাকার শেষ চেষ্টা হিসেবে ভারতের কাছে ১০ টি দেশবিরোধী অফার দিয়েছে হাসিনা সরকার। আর অফার নিয়ে পাঠানো হয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকে।বিজেপি সেই অফার ফাঁস করে দিলো কয়েকটি মিডিয়ার কাছে।
সম্প্রতি তোফায়েল আহমেদের মাধ্যমে ভারতের প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জীর মধ্যস্থতায় বিজেপিকে সে ১০ টি অফার দেয় শেখ হাসিনা।
১০ টি অফারের মধ্যে রয়েছে বিনাশুল্কে ট্রানজিট দেয়া, বিজিবিকে সীমান্তে নিস্ক্রিয় রাখা, বঙ্গোপসাগরের ব্লক ও সুন্দরবনে রামপাল বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপন করতে দেয়া, কংগ্রেসের চেয়েও বেশি সুযোগ সুবিধা বিজেপিকে দেয়া, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ কে সেনাবাহিনীসহ সবজায়গায় ইচ্ছেমতো প্রবেশ ও হস্তক্ষেপের সুযোগ দেয়া, বিজেপির প্রেসক্রিপশনে দেশপরিচালনায় প্রতিশ্রুতিসহ সংখ্যালঘুদের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা প্রদান করা এবং ভারতবিরোধী কোন সন্ত্রাসী সংগঠনকে জিরো টলারেন্স দেখানো। তার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে এইবার প্রথম বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে একজন হিন্দু এসকে সিনহাকে নিয়োগ, সংসদে হিন্দুদের পূজার আয়োজন করা ও বিজয়ের মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতীয় পতাকার রঙের শাড়ি পরিধান করা এবং তোফায়েল আহমেদের মাধ্যমে সুন্দরবনে তেলের ট্যাঙ্কার ডোবায় সরকার।
সম্প্রতি বিরোধীজোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিজেপির প্রেসিডেন্ট ফোন করে তার অবরুদ্ধ অবস্থার স্বাস্থের খবর নিয়েছিলেন। সে খবরে আওয়ামীলীগ সরকারের কলিজার পানি শুকিয়ে যায়। ভারতের কংগ্রেসের একমাত্র সমর্থনে জোর করে ক্ষমতায় থাকা হাসিনা সরকার বিজেপি ক্ষমতায় এলে অস্তিত্বের সঙ্কটে পরে। কংগ্রেসের মতো বিজেপি হাসিনার সরকারকে সমর্থন না দিলেও দলটি ভেবেছিল অন্তত বিএনপিকে সমর্থন দিবে না। কিন্তু বিজেপির প্রেসিডেন্ট যখন অবরুদ্ধ খালেদা জিয়ার সাথে কথা বলেছেন তখন আওয়ামীলীগের শেষ ভরসার কফিনে পেরেক গাঁথে। হাসিনার নির্দেশে আওয়ামীলীগের দলীয় গণমাধ্যম ৭১ ও টুয়েন্টিফোর অমিত শাহ যে খালেদা জিয়াকে ফোন করেনি সেরকম সংবাদের এ্যাসাইন্টমেন্ট দেয়। যে কারণে কতিপয় গণমাধ্যম ফেইক অমিত সাজিয়ে একটি ফোনালাপ প্রকাশ করে প্রমাণের চেষ্টা করে যে অমিত শাহ খালেদা জিয়াকে ফোন করেনি।
এ বিষয়ে ভারতের এক বিখ্যাত সাংবাদিক লন্ডন অফিসকে জানান, অমিত শাহ খালেদা জিয়াকে ফোন করেছেন সত্য। তবে তিনি চেয়েছেন বিষয়টা সিক্রেট থাকুক। যে কারণে ফোনালাপের বিষয়টি সিক্রেটই রাখতে চেয়েছেন। আর এ কারণেই অমিত শাহ ফোনালাপের বিষয় নিয়ে কোন বিবৃতি দেননি। যদি অমিত শাহ ফোন না করতেন তাহলে তিনি নিশ্চয়ই একটি বিবৃতি দিতেন। আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশ সরকার সে চেষ্টা করেছে। তবে তাতে কোন কাজ হয়নি।
তিনি আরও জানান, ভারতের বিজেপির উর্ধ্বতন নেতৃত্বের সাথে লন্ডনে অবস্থিত তারেক রহমানের একাধিক উপদেষ্টার ইতিবাচক ও মধুর সম্পর্ক রয়েছে। আর তাদের প্রচেষ্টাতেই বিএনপির আন্দোলনের প্রতি বিজেপির সমর্থন আদায়ে কাজ চলছে। আর এ কারণেই বাংলাদেশ সরকার তারেক রহমানের উপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হয়ে আছেন। তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।
বিজেপির সাথে ঘনিষ্ঠ তারেক রহমানের একজন উপদেষ্টা জানান, অমিত শাহ ফোন করেছেন সেটা সরকার নিশ্চিতভাবে জানেন। আর সে কারণেই তাদের এতো গা জ্বালা। তাদের শেষ তরীটিও ডুবে যাওয়ায় পাগল হয়ে গেছে দলটি। যে কারণে ভারতের লবি ম্যান্টেন করা তোফায়েল আহমেদকে ভারতে পাঠায় শেখ হাসিনা।
তবে বিজেপির একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনার ম্যাসেঞ্জার তোফায়েলের সাথে দেখা করেনি বিজেপির কেউই। অমিত শাহের ফোনের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের মিথ্যাচারে ভারতের ক্ষমতাসীন দলটি ক্ষিপ্ত হয়ে আছেন। অমিত শাহ ও খালেদা জিয়ার ফোনালাপ নিয়ে সরকারের বাড়াবাড়িতে বিব্রত বিজেপি। আর যে কারণে তোফায়েল শেষ পর্যন্ত ভারতের প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের প্রণব মুখার্জির সাথে সাক্ষাত করে বিজেপির কাছে ১০ টি অফার করেন। যদিও ফিতা কাটার মতো কিছু আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া প্রণবের তেমন কোন ক্ষমতা নেই তবুও শেষ ভরসা হিসেবে তাকে দিয়ে বিজেপিকে পক্ষে রাখতে চায় হাসিনার সরকার। আর যে কারণে ১০ টি গোপন অফার দিয়েছে তারা।
যে অফারগুলোর সবগুলোই ভারতের পক্ষে এবং বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর বলে জানা গেছে। তোফায়েল আহমেদ রবিবার ভারত থেকে দেশে ফিরে ভোলার প্রশাসনকে বিএনপির আন্দোলনমুখী নেতাকর্মীদের যেকোনমূল্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়। সারাদেশেই একই নির্দেশ দেয় সরকার।
কারণ হিসেবে আওয়ামীলীগ সূত্রে জানা গেছে, সরকার বিজেপিকে ম্যাসেজ দিতে চায় যে বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখনও তাদের নিয়ন্ত্রণে। আর যে কারণে আওয়ামীলীগের ১০ টি অফার মেনে যেন তাদের পক্ষে সমর্থন দেয় বিজেপি। এর আগে বিজেপির সাথে দেখা করতে ভারতে যায় আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ। এছাড়াও, বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত পঙ্কজ শরণের সাথে দেখা করে বিজেপির পূর্ণাঙ্গ প্রভূত্ব মানার বিষয়ে দাসখত দিয়ে আসে হাসানুল হক ইনু গংরা। বিজেপির অব্যাহত সমর্থনের জন্য দেশবিরোধী ও কাগজে কলমে না হলেও কার্যত দেশবিক্রির পথে আগাচ্ছে শেখ হাসিনা।
তবে কি বিজেপি জনগণের ম্যান্ডেটহীন কোন সরকারকে সমর্থন দিবে নাকি জনগণের দাবিতে সমর্থন দিয়ে আন্দোলনের পক্ষে থাকবে সেটা সময় বলে দিবে।
সুত্র-নিউজবিডিসেভেন
- See more at:
http://probasnews24.com/2015/01/20/2292/#sthash.G5nPMBEe.dpuf
1/11 AND HASINA'S INDIAN TAKE OVER
AL drops stalwarts from exec body
July 31, 2009
The ruling Awami League have dropped heavyweights dominating the party for decades from the central executive committee presumably for their controversial role during the early 2007 political changeover as it announced the key committee positions on Thursday, five days after its triennial council session.
A number of young politicians have been named to top party ranks in consultation with the party’s grassroots leadership.
Syed Ashraful Islam, who was elected the party’s general secretary at the Awami League council session on July 24, announced the new presidium, secretaries and the advisory council at a briefing at Jamuna, the official residence of the prime minister, Sheikh Hasina.
Senior leaders Amir Hossain Amu, Abdur Razzak, Tofail Ahmed and Suranjit Sengupta, who were not given any portfolio in the AL cabinet formed on January 6, have been named on the 20-member advisory council. They were all presidium members.
The immediate-past general secretary Abdul Jalil, who stepped down from the position on July 21, has also been made an advisory council member.
The Awami League at the briefing distributed the list of new party executives, signed by Sheikh Hasina who was elected the party president for the sixth term during the council session.
The councillors invested Hasina with the power to fill in 45 party posts of the 73-member executive committee for the next three years in the party’s council session when the president and the general secretary were elected.
Two of the 45 positions, including a joint general secretary and the information and research secretary, will be announced soon, said Ashraful, also a key minister in Hasina’s cabinet.
The 26 executive members were not named on Thursday. The party president will select the members in consultation with the presidium and the names will be announced soon, Ashraful said.
Yusuf Hossain Humayun, Rajiuddin Ahmed Raju, Abdul Latif Siddiqui, Satish Chandra Roy, Sahara Khatun and Obaidul Kader have been included in the presidium, the party’s highest policy-making body.
The party leaders who came to be known as reformists during the two-year military-controlled interim regime, which had apparently pursed political reforms and a ‘minus two formula,’ were dropped from key positions.
Joint general secretary Mukul Bose, organising secretaries Saber Hossain Chowdhury, Abdul Mannan, Aktaruzzaman, Mahmudur Rahman Manna and Sultan Mohammad Monsur Ahmed, health secretary Mostafa Jalal Mohiuddin and relief and social welfare secretary Nazma Rahman were dropped.
Organising secretaries Abdur Rahman and Bir Bahadur were also dropped from the committee.
The new advisory council is now composed of Dr SA Malek, Abul Maal Abdul Muhith, HT Imam, Amir Hossain Amu, Abdur Razzak, Tofail Ahmed, Suranjit Sengupta, Abdul Jalil, retired major general KM Shafiullah, Dewan Farid Gazi, Rahmat Ali, Abdul Khaleque, AK Azad Chowdhury, MA Mannan, Professor Abdul Mannan, Kazi Akram Uddin, SM Nurunnabi, Syed Rezaur Rahman, Alauddin Ahmed and Mashiur Rahman.
The presidium members are Sayeda Johra Tajuddin, Syeda Sajeda Chowdhury, Ataur Rahman Khan Kaiser, Yusuf Hossain Humayun, Begum Matia Chowdhury, Sheikh Fazlul Karim Selim, Dr Mohiuddin Khan Alamgir, Kazi Zafarullah, Rajiuddin Ahmed Raju, Abdul Latif Siddiqui, Satish Chandra Roy, Sahara Khatun and Obaidul Kader.
Mahabub-ul-Alam Hanif and Dr Dipu Moni have been made joint general secretaries while Jahangir Kabir Nanak, Ahmed Hossain, Mesbah Uddin Seraj, BM Mojammel Huq, AFM Bahauddin Nasim, Abu Sayeed Swapan and Khalid Mahamud Chowdhury have been made organising secretaries.
AFM Mostofa Kamal (Lotus) has been made finance and planning secretary, Syed Abul Hossen international affairs secretary, Abdul Matin Khasru law secretary, Abdur Razzak agriculture secretary, Faridunnahar Laily relief and social welfare secretary, Advocate Abdul Mannan Khan office secretary, Sheikh Mohammad Abdullah religious affairs secretary, Nuh-ul-Alam Lenin publicity secretary, Dr Hasan Mahmud environment affairs secretary, Yafes Osman science and technology secretary, Fazilatunessa Indra women affairs secretary, Tajul Islam liberation war affair secretary, Dewan Shafiul Arefin Tutul youth and sports secretary, Nurul Islam Nahid education secretary, Faruk Khan commerce and industries secretary, Habibur Rahman Siraj labour and manpower secretary, Asaduzzaman Noor cultural affairs secretary, Badiuzzaman Bhuiyan health and population secretary, HN Ashiqur Rahman treasurer, Mrinal Kanti Das deputy office secretary and Asim Kumar Ukil deputy publicity secretary.
Ashraful at the briefing said he along with the party president had worked out the committee as the party councillor invested the party president with the responsibility in this regard.
He said the party president had considered the opinions of the grassroots leaders who had visited the party president for five days in connection with the formation of the committee.
In reply to a question, Ashraful said evaluation of the recommendations of grassroots leaders was also a democratic process. ‘The democracy that the media and civil society actors project is not the real democracy,’ he said. ‘I had worked for the Labour Party in the United Kingdom for long and I know how their leaders are elected.’Courtesy of NewAgebdIsha Khan <bdma...@gmail.com> wrote:
HASINA'S HINDU EDUCATION CURRICULUMশিক্ষানীতি ?
২০১০ শিক্ষানীতির কারনে সিলেবাস থেকে যে সকল পাঠ্য বাদ দেওয়া হয়েছে :১)) ক্লাস-২: ‘সবাই মিলে করি কাজ’ - শিরোনামে মুসলমানদের শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
২) ক্লাস-৩: ‘খলিফা হযরত আবু বকর’ শিরোনামে একটি সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
৩) ক্লাস-৪: খলিফা হযরত ওমর এর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
৪) ক্লাস-৫ : ‘বিদায় হজ্জ’ নামক শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
৫) ক্লাস-৫: বাদ দেওয়া হয়েছে কাজী কাদের নেওয়াজের লিখিত ‘শিক্ষা গুরুর মর্যাদা’ নামক একটি কবিতা। যা বাদশাহ আলমগীর মহত্ব বর্ণনা উঠে এসেছে। এবং শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে আদব কেমন হওয়া উচিত তা বর্ণনা করা হয়েছিলো।
৬) ক্লাস-৫ : শহীদ তিতুমীর নামক একটি জীবন চরিত। এ প্রবন্ধটিতে শহীদ তিতুমীরের ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘটনা উল্লেখ ছিলো।
৭) ক্লাস-৬ : ড. মুহম্মদ শহীদু্ল্লাহ লিখিত ‘সততার পুরুষ্কার’ নামক একটি ধর্মীয় শিক্ষনীয় ঘটনা।
৮) ক্লাস-৬ : মুসলিম দেশ ভ্রমণ কাহিনী- ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’।
৯) ক্লাস-৬ : মুসলিম সাহিত্যিক কায়কোবাদের লেখা ‘প্রার্থনা’ নামক কবিতাটি।
১০) ক্লাস-৭: বাদ দেয়া হয়েছে মরু ভাষ্কর নামক শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
১১) ক্লাস-৮: বাদ দেওয়া হয়েছে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ নামক কবিতাটি।
১২) ক্লাস ৯-১০: সর্ব প্রথম বাদ দেওয়া হয়েছে মধ্যযুগের বাংলা কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের লেখা ‘বন্দনা’ নামক ধর্মভিত্তিক কবিতাটি।
১৩) ক্লাস ৯-১০: এরপর বাদ দেওয়া হয়েছে মধ্যযুগের মুসলিম কবি ‘আলাওল’ এর ধর্মভিত্তিক ‘হামদ’ নামক কবিতাটি।
১৪) ক্লাস ৯-১০: বাদ দেওয়া হয়েছে মধ্যযুগের মুসলিম কবি আব্দুল হাকিমের লেখা বঙ্গবানী কবিতাটি।
১৫) ক্লাস ৯-১০: গোলাম মোস্তাফার লেখা জীবন বিনিময় কবিতাটি। কবিতাটিতে মোঘল বাদশাহ বাবর ও তারপুত্র হুমায়ুনকে নিয়ে লেখা।
১৬) ক্লাস ৯-১০: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা বিখ্যাত ‘উমর ফারুক’ কবিতা।এর বদলে বাংলা বইয়ে প্রবেশ করেছে-
১) ক্লাস-৫ : স্বঘোষিত নাস্তিক হুমায়ুন আজাদ লিখিত ‘বই’ নামক একটি কবিতা, যা মূলত মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন বিরোধী কবিতা।
২) ক্লাস-৬: প্রবেশ করানো হয়েছে ‘বাংলাদেশের হৃদয়’ নামক একটি কবিতা। যেখানে রয়েছে হিন্দুদের দেবী দূর্গার প্রশংসা।
৩) ক্লাস-৬: সংযুক্ত হয়েছে ‘লাল গরুটা’ নামক একটি ছোটগল্প। যা দিয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে গরু হচ্ছে মায়ের মত, অর্থাৎ হিন্দুত্ববাদ।
৪) ক্লাস-৬: অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে ভারতের হিন্দুদের তীর্থস্থান রাচি’র ভ্রমণ কাহিনী।
৫) ক্লাস-৭: `লালু’ নামক গল্পে বাচ্চাদের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে হিন্দুদের পাঠাবলীর নিয়ম কানুন।
৬) ক্লাস-৮: পড়ানো হচ্ছে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ ‘রামায়ন’ এর সংক্ষিপ্তরূপ।
৭) ক্লাস ৯-১০: প্রবেশে করেছে ‘আমার সন্তান’ নামক একটি কবিতা। কবিতাটি হিন্দুদের ধর্মসম্পর্কিত ‘মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভূক্ত, যা দেবী অন্নপূর্ণার প্রশংসা ও তার কাছে প্রার্থনাসূচক কবিতা।
৮) ক্লাস ৯-১০: অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে ভারতের পর্যটন স্পট ‘পালমৌ’ এর ভ্রমণ কাহিনী।
৯) ক্লাস ৯-১০: পড়ানো হচ্ছে ‘সময় গেলে সাধন হবে না’ শিরোনামে বাউলদের বিকৃত যৌনাচার।
১০) ক্লাস ৯-১০: ‘সাকোটা দুলছে’ শিরোনামের কবিতা দিয়ে ৪৭ এর দেশভাগকে হেয় করা হচ্ছে, যা দিয়ে কৌশলে ‘দুই বাংলা এক করে দেওয়া’ অর্থাৎ বাংলাদেশকে ভারতের অন্তর্ভূক্ত হতে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
১১) ক্লাস-৯-১০: প্রবেশ করেছে ‘সুখের লাগিয়া’ নামক একটি কবিতা, যা হিন্দুদের রাধা-কৃষ্ণের লীলাকৃর্তণ।★ বাংলাদেশের হিন্দুরা কি চায়??
******************************
★ এরা ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে
ফেসবুকে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দিচ্ছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিন্দু শিক্ষকরা ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে কটুক্তি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। কুরবানি নিষিদ্ধ করার...
দাবি করছে। নিজেদের মন্দির নিজেরা
ভেঙ্গে মুসলমানদের উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে। বিভিন্নভাবে কুটকৌশলে মুসলিমদের হয়রানি করাচ্ছে।
সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি দিচ্ছে।See moreএরাই বাংলাদেশে গুম- খুন করে নিরীহ মুসলিমদের ফাঁসানো হচ্ছে
আর ভারতও জংগি রাষ্ট্র হিসেবে
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ভাবে
উপস্থাপন করতে মরিয়া যাতে মুসলিম নিধন চালাতে পারে ঢালাও ভাবে ইসরাইলের মত।
কিছুদিন পুর্বে মোসাদের সাথে
হিন্দু নেতারাও ভারতেই সভা
করেছিল।
নীচের ছবি দেখুনঃভারত ও উগ্র হিন্দুবাদীদের নিয়ে মুনতাসির মামুনের( isa Khan’s Post )
মুনতাসির মামুন কখনই আমার বা আমার মত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদীদের আদর্শ হতে পারে না।আধ্যাপক রেহমান সোবহান ও ইদানীং আওয়ামি দের বিরুদ্ধে কথা বলে। কি চমৎকার !!সারাটা জীবন এই লোক গুলি আওয়ামি লীগের মেন্টর হিসাবে সেবা দিয়ে গেছেন । জীবনের এতটা দিন এই লোক গুলি হিন্দুস্তান বান্ধব ধর্ম নিরপেক্ষ আওয়ামি লীগের ফে. ফি. গা. ( friend , philosopher & guide ) হিসাবে সেবা দিলেন ।জীবনের এই প্রান্তে এসে হিন্দুদের সম্পর্কে মুনতাসির মামুনের বোধোদয় হয়েছে হিন্দু জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি বুঝতে পারছেন -- “আমরা কে হিন্দু বা মুসলমান ধর্মাবলম্বী সেটি কখনও মনে করিনি, অন্তত আমার মনে কখনও আসেনি। আজ জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে দেখছি, এখন আমরা প্রত্যেকে একে অপরকে চিহ্নিত করছি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে। বাঙালী পরিচয়টি এখন গৌণ। আমার মনে হয়েছে, আমাদের অধিকাংশ একটি পর্যায় পর্যন্ত অসাম্প্রদায়িক। একটা পর্যায়ের পর ধর্ম বিষয়টি চলেই আসে। এটি অস্বীকার করতে পারেন গায়ের জোরে, কিন্তু এটিই বাস্তব।”এত দিন পর রেহমান সোবহান চিনতে পারছেন আওয়ামি দের অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট চেহারা ।দুঃখের বিষয় , তাদের এত দিনের সেবার ফলশ্রুতিতে দেশ আজ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে ।কিন্তু আজও তারা আলোর সন্ধান পান নি ; আর পাবেন বলেও বিশ্বাস করি না ।এরা রানা দাশ – পীযূষ দের চাইতেও ঘৃণ্য । এরা জ্ঞান পাপী ।( বক্তব্য টি যুক্তি যুক্ত মনে হলে আপনার পরিচিত জন দেরকে মেহেরবানী করে পোস্ট / মেইল করুন । আমীন )
হাসিনার নির্দেশে গেণ্ডারিয়ায় মসজিদ নির্মাণ বন্ধ
পবিত্র মাহে রমজানের মাসে যেখানে কতিপয় মুসলমানদের বাস সেসব দেশের অমুসলিম শাসকরা রোযাদারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ও ইফতারির আয়োজন করেছেন। জার্মানীর প্রেসিডেন্ট রোযাদারদের সাথে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন, ব্রিটেন বিবৃতি দিয়ে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়েছেন। একইভাবে স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও। মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতো রাস্তায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে পথচারী রোযাদারদের ইফতারির ব্যবস্থা পর্যন্ত করেছে। আর বাংলাদেশের অবৈধ প...
Continue reading
[Message clipped]
Mr. Anu,
MUJIB IN SHAHED ALI'S DEATH: A CHAIR HIT THE DEPUTY SPEAKER'S HEAD
Sheikh Mujibur Rahman the most admired and at the same time controversial leader of Bangladesh who after his return from Pakistan was awarded "the father of the nation" title by the AL but lost the title again after his installation of one party BKSAL dictatorship. Mujib was also killed by freedom fighters, but even after his death he continued to draw respect from the AL that previously named him as most revered the Bangabandhu (the friend of Bengal).
Research on his life shows Mujib's career took off mainly after he founded the Chatro League. For his non-student like behavior however, he was also expelled from Dhaka University. Despite his rough road to success it was Mujib who presented the historic 7th March Jodi "If" speech.
Kamruddin Ahamed, a contemporary writer of Mujib's early years in politics shows that Mujib used fistfight in election centres during the United Front election to fight against his opponents. Today we see Chatro League cadres openly fight with guns to ward off the opposition members from voting centres. Immediately after Hasina took over power in 2008, Awami League cadres among other places and university campuses occupied the BNP Ramna office. Tofossal Hossain Manik Mia, of the daily Ittifaq notes in his book that Mujib regularly used widespread blackmailing and rumor as a tool to put down his opponents position.
New information came to the surface that Mujib was also involved in Shahed Ali's death, which led to the dissolution of the United Front government and the Martial Law by Ayub in Pakistan. Tofazzal Hossain Manik Mia reveals that Mujib's conspiracy to end Fazlul Haque led United Front was motivated by his greater interest to serve his party, the Awami League. Mujib latter confessed that to Manik Mia such move was necessary to serve Awami League's interest. It is a known fact that Mujib always prioratised with his party interest over the people's interest as testified also by Ataur Rahman Khan, mentioned in Abul Mansur Ahamed in his book. If this is true, it seems that very early on Mujib was showing the signs of a fascist, that fascists use their part apparatus to oppress people.
Shahed Ali's death
-----------------------
It was "20th September 1958, the date scheduled for reopening the East Pakistan Legislative Assambly…"
"Speaker Abul Halim complained to President Mirza that he had been threatned with physical violence by Awami League leaders including Mujib if he entered the Legislative building."
"Despite the threats he did assume the Speaker's chair when the assembly convened. But legislators began physically assaulting each other, liberally using as weapons whatever they could find to hand, including microphones and staff bearing the national standard. The Speaker shouted out an adjoinment order and fled the chambers. As the Awami League members refused to obey that order, Deputy Speaker Shahed Ali took over."
On 23 October, "despite illness and reluctance to get embroiled in the Awami League's disputes with its critics, Shahed Ali Conceded…" Missiles including parts of the chamber's furniture were thrown and a chair hit the Deputy Speaker in the head." These (injured) men, (Mujib was not one of them) and the Deputy Speaker were taken to hospital where two days later, Shahed Ali expired." There was a gang of six Awami League members who were instrumental at throwing chairs with Sarkar and his loyalists; one of the chairs hit Shahed Ali.
During this time, Mujib was starting to be the driving force within the Awami League the Party now slowly being taken over by Suhrowarthy. Realizing this trend Bhasani previously left Awami League to start a new party called the NAP.
During this time, it was a uncivil behavior of politicians "who apparently unable to either constitutionally rule the country or manage the political differences in a civil fashion."
" On 7th October. Mirza proclaimed Martial Law throughout the country and appointed Ayub Khan as the Chief Martial Law Administrator, handing him the state's executive powers."
It was also the end of Bengali people's United Front. Surprisingly, Mujib was brought to politics by Suhrowarthy but before the latter's death he in an article published in the Ittifaq about Mujib's growing cadre style violent power politics and its future implications. True, Mujib's style "was my way or no way politics." The life of Mujib shows, Mujib was not such a naïve politician, as most people would think of. He repeatedly reminded his close associated that he knew what was doing. The source of his success and also his failure during the post liberation period (the rise and fall) was due his reliance on cadre politics.
It is true, Mujib couldn't compromise with the West Pakistani leaders on his six point demands especially on having separate currencies. While Mujib's 7th March Speech followed by Bhasani's 9th March Speech prepared the nation to fight for independence against Pakistani army but alas after the 7th Mujib continued negotiation and he dressed up to surrendered on 25th March and his family remained safe in Dhaka but a genocide was carried out by the Pakistani army on the ordinary citizens. Mujib returns back from Pakistan to claim for himself the "father of the Nation."
During the post liberation period Mujib establishes a one party BKSAL rule and bans all the opposition newspapers, ruins the economy by his cadres and a "man-made" famine was there in 1974 when a hundred thousand people lost their lives. As an inefficient administrator favouring his cadres like Golam Mostafa, he brought the name for Bangladesh as the "bottomless basket case."
Today as we look back for the sources of cadre politics in Bangladesh, we see Mujib the founding father of Chatro League, the member of the gang of six at Shahed Ali's death who was also the man who killed the infant democracy in Bangladesh.
In 1975 after Sheraj Sikder's capture, Sikder was brought to Dhaka at the Rakkhi Bahini head quarter where Mujib personally "talked to him" before giving order to kill him. After Sikder's killing without trial, Mujib like a thug but now with the title"Father of the nation" standing at the Parliament boostfully said, "Sheraj Sikder, where are you now?"He aso said " Jatir pitha hoichee bolea noitho Lal ghora dabaidetam."
Mujib's such assertions no doubt rings the bell about his unique style politics that runs in the Awami League political tradition. But while Shahed Ali died within two days after his head injuries, Mujib survived long but died within the same year as Seraj Sikder. Despite Mujib's many significant contributions, not surprisingly Mujib's legendry thug style cadre politics, also known to the contemporary political analysts as his "fascist political style"while made him adorable through propaganda only during his Awami League in power, however, the wise Khalida of the BNP keeps herself allof from the Awami League's frenzy showing respect to Mujib perhaps to remind the nation that Mujib style politics running in Hasina's tradition is the root of all evil ruinning Bangladesh. True, remembering Hasina, the like father like daughter, we see her pledge when she said "for one dead body, you will see there would be ten dead bodies of the opposition members." True, in 2008, on open daylight there were 10 people killed in front of the Baitul Mokarrum ground by Awami League cadres. Thus, following Mujib style power politics, Hasina Awami League's tradition of finding enemies within Bangladesh and friends for connectivity outside continues.
References:
Kamruddin Ahamed, Banglar Ak Modhubetter Atho Kahini (Bengali), Dhaka.p. 1-4, 15, 1979;
Mujib's Role on the 25th March
Toffozal Hossain Manik Mia, Pakistani Rajnitir Bish Botshor, pp. 68-69, 86-87, 90-91 talks about Mujib's widespread use of blackmailing intimidation and force to push through his agenda.
Abid Bahar's recently published book SEARCHING FOR BHASANI, CITIZEN OF THE WORLD, 2010, p. 209. The director in charge of the Radio station was Kamal Lohani recorded that Mujib personally warned Lohani not to give Bhasani grand coverage as a hero at Bhasani's return from India. He was very annoyed with Lohani. But openly Mujib showed great respect for Bhasani. It seems that the clever Mujib used Bhasani whenever needed.
A large part of the book (originally from Abid Bahar's Ph.D. dissertation "The Religious and Philosophical basis of Bhasani, 203, Concordia University)discusses about Sheikh Mujibur Rahman
Article: Abid Bahar, Bangabandu Mujib and Benito Mussolini: Striking Similarities, http://bangladesh- web.com/view. php?hidRecord= 218125
Book: Abid Bahar's online book :An Illustrated history of Bangabandhu and Bangladeshhttp://dir.groups.yahoo.com/group/bdresearchers/message/4231http://xa.yimg.com/kq/groups/13272772/1942031688/name/Book,+An+Illustrated+History+of+Bangabandu+and+Bangladesh.doc
Amartya Sen, Poverty and Famines (Famine in Bangladesh, p. 131), New
York: Oxford University Press,
Badruddin Umar on Sheikh Mujib's role in Language Movement
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/02/04/16926
Bangladesh Strategic Studies
http://www.bdsdf.org/forum/index.php?showtopic=4601&st=15
Mujib's Lost Page
http://www.savebd.com/articles/mujibs-lost-page/
Major Dalim's Story about Why they attacked Mujib in 1975:
Article:
Major Dalim says: "My self and my wife were kidnapped by Gazi Golam Mustafa (taken to Mujib's house)"
Check the following link:
Link:
...
[Message clipped]
হিন্দু নেতারাও ভারতেই সভা
করেছিল।
নীচের ছবি দেখুনঃ
ভারত ও উগ্র হিন্দুবাদীদের নিয়ে মুনতাসির মামুনের( isa Khan’s Post )
মুনতাসির মামুন কখনই আমার বা আমার মত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদীদের আদর্শ হতে পারে না।আধ্যাপক রেহমান সোবহান ও ইদানীং আওয়ামি দের বিরুদ্ধে কথা বলে। কি চমৎকার !!সারাটা জীবন এই লোক গুলি আওয়ামি লীগের মেন্টর হিসাবে সেবা দিয়ে গেছেন । জীবনের এতটা দিন এই লোক গুলি হিন্দুস্তান বান্ধব ধর্ম নিরপেক্ষ আওয়ামি লীগের ফে. ফি. গা. ( friend , philosopher & guide ) হিসাবে সেবা দিলেন ।জীবনের এই প্রান্তে এসে হিন্দুদের সম্পর্কে মুনতাসির মামুনের বোধোদয় হয়েছে হিন্দু জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি বুঝতে পারছেন -- “আমরা কে হিন্দু বা মুসলমান ধর্মাবলম্বী সেটি কখনও মনে করিনি, অন্তত আমার মনে কখনও আসেনি। আজ জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে দেখছি, এখন আমরা প্রত্যেকে একে অপরকে চিহ্নিত করছি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে। বাঙালী পরিচয়টি এখন গৌণ। আমার মনে হয়েছে, আমাদের অধিকাংশ একটি পর্যায় পর্যন্ত অসাম্প্রদায়িক। একটা পর্যায়ের পর ধর্ম বিষয়টি চলেই আসে। এটি অস্বীকার করতে পারেন গায়ের জোরে, কিন্তু এটিই বাস্তব।”এত দিন পর রেহমান সোবহান চিনতে পারছেন আওয়ামি দের অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিস্ট চেহারা ।দুঃখের বিষয় , তাদের এত দিনের সেবার ফলশ্রুতিতে দেশ আজ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে ।কিন্তু আজও তারা আলোর সন্ধান পান নি ; আর পাবেন বলেও বিশ্বাস করি না ।এরা রানা দাশ – পীযূষ দের চাইতেও ঘৃণ্য । এরা জ্ঞান পাপী ।
( বক্তব্য টি যুক্তি যুক্ত মনে হলে আপনার পরিচিত জন দেরকে মেহেরবানী করে পোস্ট / মেইল করুন । আমীন )
http://www.mzamin.com/article.php?mzamin=3426
নিউজ অর্গান ডেস্ক, রবিবার, ০৭ জুন ২০১৫ :newsorgan24.comবাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মূল কারিগর যারা
লিখেছেন লিখেছেন নয়ন খান ০১ জুন, ২০১৬, ১০:৫৬:৪৩ রাত
১. প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্তি ঘোষ।
২. পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব বজ্র গোপাল ভৌমিক।
৩. কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস।
৪. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) যুগ্ম পরিচালক রতন কুমার রায়।
৫.সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) বিশেষজ্ঞ ড. উত্তম কুমার দাশ।
৬. ঢাকা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক অদ্বৈত কুমার রায়।
৭. চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. পীযুষ কান্তি দন্ত।
৮. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী।
৯. বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান নারায়ন চন্দ্র পাল।
১০. ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র।
১১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব অজিত কুমার ঘোষ।
১২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পতিত পাবন দেবনাথ।
১৩. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার।
১৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ।
১৫. শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্রী বনমালী ভৌমিক।
১৬. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস।
১৭. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার।
#মাইনরটিইসলামইনমুসলিমমেজরটিবাংলাদেশবিষয়: বিবিধ
বাংলাদেশে অবিলম্বে আইন করে গরু জবাই বন্ধের দাবি জানিয়েছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা। শুক্রবার সংগঠনটির পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি…তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেভাবে গো-হত্যা চলছে এটা মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে আইন করে বাংলাদেশে গরু জবাই বন্ধের দাবি জানান তিনি। শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, বিএনপি’র লোকেরা জিয়াউর রহমানকে শহীদ বলে থাকেন। কিন্তু জিয়া তো কোনো যুদ্ধে শহীদ হননি। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের অধিকার হরণ করেছেন। সুতরাং তাকে কিছুতেই শহীদ বলা যায় না।
অন্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে বিএনপি-জামায়াতের ভিতর যেমন মৌলবাদীরা আছে তেমনি আওয়ামী লীগের ভিতরেও মৌলবাদী আছে। আওয়ামী লীগের হাতেই সংখ্যালঘুদের তিন-চতুর্থাংশ জমিজমা ও ঘরবাড়ি বেদখল হয়ে আছে।
সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে পৃথক সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রীষ্টানদের জন্য পৃথক পৃথক বিশ্বাবিদ্যালয় চালু এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সকল বাঙালিকে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।2016-06-27 19:49 GMT-04:00 S Akhter <sakht...@gmail.com>:
Sent from my iPhoneMy Comment: Bangladeshis may need to learn Hindi before train travel. After all Hasina initiated the process of joining Indian union and gradually becomimg another Lendup Dorzi in coming years ?.বাংলাদেশে চালু হলো >> ইন্ডিয়ান পতাকার অনুকরণে, হিন্দিতে লেখা, ইন্ডিয়ান রেলওয়ের নতুন ট্রেন
27 Jun, 2016THE SHAMELESS, DAREING HASINA!ছবি -১ ঃ তিন রঙের ভারতীয় পতাকা অনুকরণ ?বিশেষ প্রতিনিধিআওয়ামী লীগ আমলে ইন্ডিয়া থেকে একের পর বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য নতুন বগি বা কোচ আনা হচ্ছিলো কিছু দিন থেকেই। সেটা এখনো অব্যহত আছে। কোচগুলো ইন্ডিয়া থেকে কোন দান খয়রাতি মাল নয়, বাংলাদেশের টাকাই কেনা। কোচের বাইরে যে রঙ বা কালার কম্বিনেশান দেয়া হয়েছে যেখানে লাল সবুজের সাথে তৃতীয় একটি রঙ বসানো হয়েছে সাদা ( ছবি -১ ) । ভারতীয় পতাকার আদলে এই তিন রঙের সম্বয়কে অনেকেই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিষ্টান তথা বাংলাদেশ রেলওয়েতে ইন্ডিয়ার পতাকার ছাপ দেখতে পাচ্ছেন। কারন ভারতীয় পতাকায় তিন রঙের সমন্বয় আছে। এনিয়ে বেশ কিছু দিন থেকেই সামাজিক মাধ্যমগুলোতে তুমুল আলোচনা হচ্ছে ।ছবি -২ ঃ হিন্দিতে লেখা, खोलने के लिए खींचेंসবচেয়ে অবাক করার বিষয় হচ্ছে, গত পরশু (২৫ জুন ২০১৬ ) শেখ হাসিনার হাতে সেই কোচ গুলো নিয়ে ঢাকা-চট্রগ্রাম, ঢাকা-রাজশাহী বিরতীহীন ট্রেন চালুও হয়েছে। ট্রেনের ভিতরে মুল ভাষা হিন্দি ও ইংরেজি। ছবি-২তে দেখা যাচ্ছে হিন্দিতে , खोलने के लिए खींचें । সাথে ইংরেজিতে Pull To Open (পুল টু ওপেন, যার অর্থ, দরজা খুলতে টান দিন )।ভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিষ্টানের জন্য জিনিস কেনা এটাই নতুন নয় । বাংলাদেশ ট্রেনেরও এটা নতুন কোচ আমদানি নয় । এর আগেও ইন্ডিয়া থেকে কোচ কেনা হয়েছে । কিন্তু সেক্ষেত্রে ভাষা কি হিন্দি ছিল?ইন্ডিয়া জানে এ কোচ গুলো তৈরী করা হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য । রপ্তানী করা হচ্ছে বাংলাদেশে । সেক্ষেত্রে হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার দরকার কি? যারা বাংলা ছাড়া অন্য ভাষা জানেন না তারা কি এই কোচে ভ্রমণ করবেন না ?ছবি -৩ঃ হিন্দি ও ইংরেজিতে লেখা, Indian Railwaysআরো মজার ব্যাপার হচ্ছে, কোচ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্টানের নাম লেখা হেয়েছে Rail Coach Factory, Kapurthala । যা স্বাভাবিক । কিন্তু তার পাশে হিন্দি ও ইংরেজিতে লেখা হয়েছে, Indian Railways । ট্রেনের মালিক কি Indian Railways?কোচ গুলো আনুষ্টানিকভাবে চালুর আগে সৈয়দপুরে ও পার্বতীপুরের রেল কারখানায় ছিল। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের রেল কর্তারা কি বিষয়টি লক্ষ্য করেননি ? তারা হিন্দিতে লেখা ভারতীয় ট্যাগগুলো সরিয়ে বাংলা ও ইংরেজি লিখলেন না কেন?ছবি -৪ ঃ ট্রেনের ইঞ্জিন ও আনুষঙ্গিক দায়িত্বে ভারতীয় কর্তাট্রেনের ইঞ্জিনসহ আরো কিছু কাজের রক্ষানাবেক্ষণের কাজে আছেন ভারতীয়রা ( ছবি -৪ )দেশের প্রতিটা সেক্টরের কর্তারা হচ্ছে ইন্ডীয়ান মালাঊনেরা, এরাই মোটা দাগের রুপি নিয়ে নিজের দেশে চালান দেয়, বাংলাদেশ হচ্ছে ইন্ডীয়ার ৫ম বৃহত্তম রুপি কামাইয়ের দেশ।আরো আছে, ১২ হাজার কোটী রুপির ব্যাবসা, ইন্ডীয়ান পচা মারুতি গাড়ী, মুড়ির টিনের ইন্ডীয়ান দোতলা বাস যেগুলি টাটা কোম্পানি সাপ্লাই দিছে, ইন্ডীয়ান চাল, ডাইল, তেল, ডিম, ভোগ্যপন্যের জিনিষ দেশে আসে প্রতিদিন।
...আরো আছে, ২৩ হাজার কোটি রুপির ঈদের ফ্যাশন, শাড়ী, শেলোয়ার, শেরোওয়ানি, আর ম্যাচিং জুতা, পাখি ড্রেস দিয়ে দেশটাকে খাব্লে খাচ্ছে। ইন্ডীয়ান রবি আর এয়ারটেল দেদারছে ডাটা মেরে দিচ্ছে। আর হিন্দি ফিল্ম আর তেলেগু পর্ন ত আছেই, খেয়ে নিচ্ছে আমাদের সংক্সৃতি। বাকি রইল কি?
বাংলাদেশে ভারতের মুল স্বার্থ কি? সোজা উত্তর, অর্থনিতি।
তাই এই ঈদে আপনার ছোট্ট একটা দায়িত্ত্ব আছে, দয়া করে কোন ইন্ডীয়ান শাড়ি/লেহাঙ্গা/দোপাট্টা/থ্রিপিস/পাঞ্জাবি/লুংগি কিনবেন না।
এক ঈদে না হয় দেশী লুংগি পড়েই ড্যান্স করলেন। এত চেতনা চেতনা করেন, এইবার চেতনাকে একটু শান দেন, প্লিজ!
সবাই একটু সচেতন হোন, যদি ভাবেন, আমি একা আর কি করতে পারব? ভুল, আপনি একা বদলালে আপনার আশে-পাশে বদলাবে। তারপর দেশ ব্দলাবে।
এবার ঈদে শূরু করুন আপনি নিজেই। অঞ্জন'স, আড়ং, টাংগাইল শাড়ি, মিরপুরের বেনারসি, দেশী বুটিকস এগুলি কিনে নিন। হয়ত একটু দাম বেশি, তাতে কি? দেশি পন্য কিনুন, দিলে শান্তি রাখুন।
মালাঊনরা দেশটাকে দাবড়ীয়ে বেড়াচ্ছে।
মনে রাখবেন, আপনার টাকাগুলি দিয়েই বিএস-এফ গুল্লি করছে ফেলানিকে!
Abdullah AL Hasan
See more
নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন, "পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?"
একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন।
"তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?"
ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যা বোধক উত্তর দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন, "সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি ...তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ উনি তৈরি করেছেন।"
প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো। কেউ কিছু বলছেনা।
ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন।
কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?"
অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"???
…
…
…
প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন? অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?"
এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি। আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি।
কিছুক্ষণ পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?"
প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে।
ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি।
ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?"
প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?"
ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই, মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।"‘এখন সময় ভারতকে মুসলিম শূন্য করা’
ভারত
মানবজমিন ডেস্ক | ৮ জুন ২০১৬, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৩৯দাড়ি না কাটায় ভারতে বহিষ্কার মুসলিম সেনাভারত
| ৪ জুন ২০১৬, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৪০
ভারতে গোমাংস বহনের কারণে খেতে হল গোবর ও গোমূত্র
ভারত
অনলাইন ডেস্ক | ২৯ জুন ২০১৬, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩০ইন্ডিয়ান পতাকার অনুকরণে, হিন্দিতে লেখা, ইন্ডিয়ান রেলওয়ের নতুন ট্রেন
লোগো বা মনোগ্রাম এ রং সবুজ হলে “চেতনা ব্যবসায়ীরা” ঐ লোগো বা মনোগ্রাম থেকে পাকিস্তানের পচা গন্ধ পান , সেই সমস্ত “চেতনা ব্যবসায়ীরা” এখন হিন্দুস্তানের খোশবু দ্বারা আপ্লুত । আহা !! কি আনন্দ আকাশে – বাতাসে !!!!
( বক্তব্য টি যুক্তি যুক্ত মনে হলে আপনার পরিচিত জন দেরকে মেহেরবানী করে পোস্ট / মেইল করুন । আমীন )
**** অধ্যাপক এ আই শামস
ভুতুড়ে বা এলিয়েনদের আমদানি হচ্ছে?হয়তো বা প্রতিযোগিতায় নেমেছে?Shahadat
Subject: {NA Bangladeshi Community} Re: {PFC-Friends} দেশে হিন্দুদের সংখ্যা এত বাড়ল কীভাবে?
From: sakht...@gmail.com
Date: Fri, 24 Jun 2016 08:17:20 -0400
CC: na...@googlegroups.com; abahar...@gmail.com; ran...@hotmail.com; rasheda...@gmail.com; rakhal...@gmail.com; shahd...@gmail.com; mga...@gmail.com; mohammed...@gmail.com; ale...@yahoo.com; nazi...@gmail.com; jhela...@yahoo.com; bdma...@gmail.com; zog...@hotmail.co.uk
To: pfc-f...@googlegroups.com
Sent from my iPhoneদেশে হিন্দুদের সংখ্যা এত বাড়ল কীভাবে?
;পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে এক বছরের ব্যবধানে দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে মোট জনসংখ্যার ১০.৭ শতাংশ।সে হিসেবে এক বছরে হিন্দু জনগোষ্ঠি প্রায় ১৫ লাখের মতো বেড়েছে বলে ধারনা পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ের আদমশুমারিতে দেখা গেছে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে।
১৯৫১ সালে যে আদমশুমারি হয়েছিল তাতে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২২ শতাংশ। ১৯৭৪ সালের আদমশুমারিতে এটা নেমে আসে ১৪ শতাংশে। আর সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে এটা নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৪ শতাংশে।
বিভিন্ন আদমশুমারিতে যেখানে ক্রমাগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠি কমার পরিসংখ্যান রয়েছে, সেখানে পাঁচ বছরে মোট জনসংখ্যার ১০.৭ শতাংশ হিন্দু জনগোষ্ঠি হয়ে ওঠার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর এই প্রতিবেদন অনেককেই অবাক করেছে। প্রতি দশ বছর পরপর আদমশুমারি করার কথা থাকলেও দুটি আদমশুমারির মধ্যবর্তী সময়ে প্রতিবছর আরো একটি জরিপ করা হয়। সেটি হচ্ছে ‘ স্যাম্পল ভাইট্যাল স্ট্যাটিসটিকস।’
এই প্রকল্পের প্রধান এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আশরাফুল হক উল্লেখ করেন ২০১৪ সালে ১৫০০টি জরিপ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছিল। ২০১৫ সালে সেটি বাড়িয়ে ২০১২টি এলাকা করা হয়েছে।
তিনি বলেন নমুনা এলাকা বাড়ানোর কারণে হিন্দু জনগোষ্ঠির সংখ্যাও বেড়েছে।
তিনি বলেন, “একেকটা নমুনা এলাকায় ১০০-১৫০টি পরিবার আছে। এই নতুন নমুনায় হয়ত বা হিন্দু কমিউনিটির লোকজন বেশি থাকতে পারে।”
নমুনা এলাকা বাড়ানো হলেও হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি কতটা সঠিক সেটি নিয়ে প্রশ্ন আছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক ড: মো: মঈনুল ইসলাম বলেন জরিপের নমুনায়ন যথাযথ হয়েছে কিনা সেটি দেখতে হবে। সে কারণে জরিপের ফলাফল উঠা-নামা করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন মুসলমানদের তুলনায় হিন্দুদের ক্ষেত্রে জন্মহার কম। সেজন্য হঠাৎ করে যদি হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আসে তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে বলে মন্তব্য করেন ড: ইসলাম।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর যুগ্ম পরিচালক আশরাফুল হক বলেন তারা সর্বশেষ যে ২০০০ জরিপ এলাকায় হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৯ হাজার। সেটিকে পুরো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে গড় হিসেব দেখানো হচ্ছে যে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১৫ লাখ।
মি: হক বলেন এটিকে পুরো বাংলাদেশের সঠিক চিত্র হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।
তিনি বলেন, “সারা বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে এটা আমি বলতে পারিনা।”
তিনি বলেন ২০১১ সালের আদমশুমারিতে যে তথ্য আছে সেটিকে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য হিসেবে ধরতে হবে। আদমশুমারির মাধ্যমে পরিপূর্ণ গণনা উঠে আসে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু জনগোষ্ঠি ৮.৫ শতাংশ এবং মুসলমানদের অনুপাত ৯০.৪ শতাংশ।
সে হিসেবে বাংলাদেশে মোট হিন্দু জনগোষ্ঠির সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২৩ লাখ। অন্যদিকে মুসলমান জনগোষ্ঠির সংখ্যা ১৩ কোটির বেশি। -বিবিসি।
নতুন বার্তা
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। সরকার রিরোধী নেতাকর্মীদের ধমিয়ে রাখতে পুলিশী নির্যাতন ও তাদের কারাগারে প্রেরণ অব্যাহত রেখেছে। দেশটিতে আগামী নির্বাচন সময় যতো সামনে এগুচ্ছে সরকার ততো বেশী করে জনপ্রিয় বিরোধী নেতাদের নামে মামলা করছে। বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখতে সরকার বিচার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করছে।
See more
মঙ্গলবার বৃটিশ পার্লামেন্টে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বির্তকে এসব কথা বলা হয়।
বিতর্কে বলা হয়, বাংলাদেশে মত প্...রকাশের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে। একিসঙ্গে মানবাধিকার পরিস্থিতির চরম অবদমন ঘটেছে।
বিতর্কে অংশ নেওয়া বৃটিশ এমপিরা বলেন, বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড এবং গুম অব্যাহত রয়েছে। নির্বাচনে নজীরবিহীন কারচুপি এবং নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি বিচারবিভাগকে দলীয় প্রভাবে রেখে পক্ষপাতমূলকভাবে বিরোধী দলকে চাপে রাখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে কোনোরূপ আন্তর্জাতিক মান রক্ষা না করে কেবলমাত্র বিরোধী দলকে উৎখাত করার চেষ্টার বিষয়টিও আলোচনায় স্থান পায়।
বৃটিশ এমপি সায়মন ডানচাক বলেন যে, শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে মামলার মাধ্যমে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেবার চেষ্টা করছেন।
তিনি আরো বলেন, সরকারী দমন নির্যাতন থেকে এটা স্পষ্ট হচ্ছে যে, বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনের চেয়েও অধিক প্রহসনের হবে।
সায়মন বাংলাদেশে প্রদত্ত বৃটিশ সামরিক ও বাণিজ্যিক সহায়তাগুলো পর্যালোচনা করে দেখার অনুরোধ করে সেগুলোকে শেখ হাসিনার সরকার বিরোধী মতকে নিপীড়ন-নির্যাতন করার জন্য ব্যবহার করছেন কিনা তা খতিয়ে দেখার আহবান জানান।
বিতর্কে বাংলাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি এবং সরকার কর্তৃক বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের উপর নির্মম নিপীড়ন-নির্যাতনের বিরুদ্ধে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশে মুক্ত মত প্রকাশের বিরুদ্ধে জঙ্গী গোষ্ঠী এবং সরকারের যুগপদ আক্রমণের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। বিতর্কে স্থান পেয়েছে জঙ্গী দমনে সরকারের অনিচ্ছার পাশাপাশি বিরোধী দলের উপর জঙ্গী হামলার দায় চাপিয়ে এটিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের কথা।
লেখক / তুষার মিয়া ।29JUN739 people interested · 472 peopleযে ভূখণ্ড তুমি জয় করেও হারিয়ে ফেলেছ,
Farhad Mazhar·Tuesday, 28 June 2016ছোট হয়ে আসছে বাংলাদেশ। এই শেষ উপত্যকা, এরপর গহীন গভীর গহ্বর। লাফ দাও, সদরুদ্দিন, গুম হয়ে যাবার পর লুকিয়ে রাখা লাশগুলোর পাহাড় ডিঙ্গিয়ে যাবার সময় এখন। স্থান পরিবর্তন করতে হবে তোমাকে। যেন বিজয়ীর বেশে আবার ফিরতে পারো। এখানেই। মক্কা থেকে মদিনার দূরত্ব খুব বেশী নয়। যুদ্ধ সবে শুরু হোল ।
...মানচিত্র ফেলে দাও, তোমাকে আমি ব্রহ্মাণ্ড দান করেছি। সীমানা গুলো মুছে ফেলো, ইহকাল কি পরকাল পুরা পৃথিবীটাই তোমার, সে জন্যই তোমাকে আমি জান্নাতবাসী শহিদের সাদা পোষাক পরিয়েছি।
চলো ইহকালে আমরা পরকাল বুনতে শিখি। নিহত সৈনিকেরা উঠে দাঁড়াবে এখন। কুচকাওয়াজের শব্দে মাটির পৃথিবী কেঁপে উঠবে। তাদের তকবিরে সাড়া দিয়ে নতুন বোনা প্রতিটি শস্য দানার মধ্যে মাথা তুলবে অবিনাশী অংকুর।
যে ভূখণ্ড তুমি জয় করেও হারিয়ে ফেলেছ, সেই মানচিত্র তোমার নয়। আমার পাশে এসে দাঁড়াও, তোমার বাদশাহী মানুষের হৃদয়ের মধ্যে যেখানে কাঁটাতারের বেড়া নাই। ফেলানির ঝুলন্ত শরীর তুলে নিয়ে গিয়েছেন ফেরেশতারা। আজ তার শুভবিবাহ।
ছোট হয়ে আসছে বাংলাদেশ। আষাঢ়ের মেঘ গর্জন করতে করতে ছূটে আসছে ভূমিতে। কোথাও বুঝি বাজ পড়ল, সদরুদ্দিন, বিদ্যুতে ঝলসে উঠছে আকাশ। এসো আমরা আগুন আর বারুদের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ি। দেখো, কতো দ্রুত লাল আর হলুদ ফুলে যুদ্ধক্ষেত্রগুলো ঢাকা পড়ছে। কোন আত্মত্যাগই বৃথা যায় না । অতীতের স্মৃতি স্মরণ করতে গিয়েই ফুলগুলো পাপড়ি মেলে ধরেছে। আজ প্রজাপতিদের জনসভায় তুমিই প্রধান অতিথি।
ছোট হয়ে আসছে বাংলাদেশ। এই শেষ উপত্যকা। চলো, সব দ্বন্দ্বের অবসানের জন্য ইহকালেই আমরা পরকাল বুনতে শিখি।
যেখানেই যাই, ফিরতে হবে এখানেই।Nationalist Surveillance Council-bd with M Joynal Abedin Jamil and 98 others.
যে দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত ছেলে বেকার ! যে দেশে কোটি কোটি কর্মজীবীদের কর্ম নেই ! যে দেশে লক্ষ লক্ষ কৃষকের নিজস্ব আবাদি জমি নেই ! যে দেশে কোটি কোটি কৃষকের নিজস্ব আবাদি জমি থাকা সত্বেও প্রতিনিয়তই ক্ষতিগ্রস্ত ও পণ্যের নায্য মূল্য হতে বঞ্চিত ! অথচ সেই দেশের জন্য চিন্তা ভাবনা না করে , কৃষকদের জন্য চিন্তা ভাবনা না করে ,শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করেই, অবৈধ হাসিনা পুলিশ বাহিনীতে ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিচ্ছে ভারতের দাদাদের ! ভারতের জন্য খুনি হাসিনার এ কেমন স্বজনপ্রীতি ? তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষিত বেকারদের কি হবে ? দেশটা কি হাসিনার বাবার কেনা সম্পত্তি ?
প্রসঙ্গ: হিন্দু তোষণ---
শেখ হাসিনা কি শেষ মোঘল বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফরের পরিণতি ভোগ করতে যাচ্ছে ?
“হিন্দুরা আমাকে বাচাবে”---এ ধরনের মোহ অনেক মুসলিম শাসকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। তাদের ধারণা মুসলিম জনগোষ্ঠী নয়, বরং হিন্দু জনগোষ্ঠী অধিক বিশ্বস্ত এবং সেই হিন্দু জনগোষ্ঠী তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখবে।
ইতিহাসে এ ধরনের অদ্ভূত মোহ বহু মুসলিম শাসকের মধ্যে দেখা যায়, কিন্তু সেই সকল শাসকের পরিণতি ছিলো কিন্তু খুবই করুণ। যেমন- শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের ইতিহাস। বাহাদুর শাহ জাফর হিন্দুদের খুব বিশ্বাস করতো, হিন্দুদের খুব তোয়াজ করতো। এমনি ক্ষেত্র বিশেষে সে মুসলিম নির্যাতন করে হিন্দুদেরকে সমর্থন দিতো। যেমন- উইলিয়াম ড্যালরিম্পেল তার ‘দি লাস্ট মোগল’ বইতে উল্লেখ করেছে, সিপাহী বিদ্রোহের সময়ে দিল্লীতে ৫ জন মুসলিম কসাইকে গরু জবাই করার কারণে হত্যা করেছিলো হিন্দু সেপাইরা। এ খবর বাহাদুর শাহ জাফরের নিকট গেলে হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া তো দূূরের কথা, উল্টো সে মুসলমানদের গরু জবাই নিষিদ্ধ করতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এমনকি মুসলমান কাবাব ব্যবসায়ীদের পর্যন্ত ব্যবসা থেকে উচ্ছেদ করা হয়। সে বছর কুরবানীর ঈদে গরু কুরবানী ছিলো একদমই বন্ধ।।
সেই সময় সম্রাটকে অনেকেই বলতো- হিন্দুরা হচ্ছে ব্রিটিশ দালাল, কিন্তু সম্রাট কিছুতেই তা মানতে চাইতো না, হিন্দুদের প্রতি তার ছিলো অগাধ বিশ্বাস। উল্লেখ্য সিপাহী বিদ্রোহের সময় অর্থ ও উন্নতমানের অস্ত্রশস্ত্রের অভাব দেখা দেয়। সে সময় হিন্দু ব্যবসায়ীদের কাছে অর্থ ছিলো। সম্রাট ভারতবর্ষ থেকে বিদেশী শত্রু তাড়াতে হিন্দু ব্যবসায়ীদের ঋণ দিতে আহ্ববান করেছিলেন। কিন্তু হিন্দু ব্যবসায়ীরা সেই সম্রাটকে কোন প্রকাশ ঋণ দিতে অস্বীকার করে।
সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর হিন্দু ব্যবসায়ী রামজীমলকে বলেছিলেন- “আমি তোমার কাছে অর্থ ঋণ হিসাবে চাচ্ছি, কর হিসাবে নয়”। কিন্তু রামজীমল ঋণ দিতেও অস্বীকার করলো। অথচ আগ্রার হিন্দু ঠিকাদার জ্যোতিপ্রসাদ ইংরেজদের ত্রিশ হাজার টাকা যুদ্ধকালীন তহবিলে সাহায্য করে। এ দিকে হঠাৎ বাজার থেকে রসদ ও বারুদ উধাও হয়ে গেল। যামিনী দাসের মতো অর্থলোভীরা আটার মজুদ গড়ে তুললো। বারুদ লুকিয়ে সঙ্কট সৃষ্টি করলো দেবীলাল। ঐ বারুদ দিয়ে সে ইংরেজদের সহযোগিতা করলো। ফলে যুদ্ধের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে গেল। এ যুদ্ধে ইংরেজ সৈন্যরা মীর্জা মোগল, মীর্জা খিজির সুলতান, মির্জা আবু বকর, আমির-ওমরাহ সেনাপতি ও বহু মুসলিম সৈন্যদের শহীদ করে।
অর্থাৎ হিন্দু বিশ্বাসঘাতকদের কারণে পরাজয় ঘটে বাহাদুর শাহ জাফরের। বিশ্বাসঘাতক হিন্দুদের সহযোগীতায় ইংরেজরা বাহাদুর শাহ জাফরকে গ্রেফতার ও বন্দি করে। ইংরেজরা সম্রাটের ২ পুত্রসহ পরিবারের মোট ২৯ জন শিশু বালক-বালিকাকে দিল্লির প্রকাশ্য রাজপথে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সম্রাটকে পাঠানো হয় রেঙ্গুনে নির্বাসনে। জীবনের শেষ অবস্থায় খুব করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়েছিলো সম্রাটকে। অর্থাৎ মাত্রাতিরিক্ত হিন্দুতোষণ, হিন্দুদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও মোহ শেষ পর্যন্ত কাল হয়েছিলো সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের।
এটাই চিরন্তন সত্য, অতিরিক্ত হিন্দু তোষণ মুসলিম শাসকদের জন্য কখনই ভালো ফল বয়ে আনেনি এবং আনবেও না। ইতিহাস সেই সত্যই বার বার প্রকাশ করেছে। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী সরকারও মাত্রারিক্ত হিন্দুতোষণ শুরু করেছে এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে গিয়ে হিন্দুদের মাথায় তুলে নাচছে। মুসলমানদের মসজিদ কেড়ে হিন্দুদের দিচ্ছে, মুসলমানদের বাজেট কেড়ে হিন্দুদের দিচ্ছে, মুসলমানদের চাকুরী কেড়ে হিন্দুদের দিচ্ছে। শুধু হিন্দু, হিন্দু আর হিন্দু। প্রধানমন্ত্রী হয়ত ভাবছে ‘হিন্দুরা তাকে রক্ষা করবে’, ‘হিন্দুরা হয়ত তার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করবে’। আসলে এ ধরনের মোহ সম্পূর্ণ ভুল ও অবাস্তব। হিন্দুরা কখনই শেখ হাসিনাকে সাহায্য করবে না, তার ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করবে না। বরং বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, হিন্দুরাই শেখ হাসিনার ক্ষমতা ধসিয়ে দেওয়ার জন্য বিদেশী শত্রুদের (আমেরিকা-ইসরাইল) সাথে হাত মিলিয়েছে।
শেখ হাসিনার উচিত ছিলো বাহাদুর শাহ জাফরের করুণ পরিণতি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। শেখ হাসিনার বোঝা উচিত ছিলো- হিন্দুরা জাতিগতভাবে বেঈমান ও বিশ্বাসঘাতক। তাদের তোষণ করে কখণই ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব নয়, বরং তারাই উপরের পদে বসে বিশ্বাসঘাতকতা করে ক্ষমতা ধসিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তাই শেখ হাসিনার উচিত যত দ্রুত সম্ভব হিন্দু তোষণ থেকে সরে আসা। নয়ত হিন্দু বিশ্বাসঘাতকদের দ্বারা হয়ত তাকেও বাহাদুর শাহ জাফরের মত করুণ পরিণতি বরণ করতে হতে পারে।From: nazi...@gmail.com
===