এ কী আজব কারখানা

352 views
Skip to first unread message

সোহেল হাসান গালিব

unread,
Apr 23, 2009, 3:13:30 PM4/23/09
to কবিতাকথা
কিছুদিন হলো কবিতাকথা গুগলগ্রুপে কবিতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমি ও তারিক
টুকু পূর্বসূরিদের কাব্যকৃতির একটা খোলামেলা আলোচনা শুরু করেছিলাম। কোনো
আড়াল না রেখে। স্বভাবতই প্রকাশ পাচ্ছিলো ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ। এ
আলোচনায় তারপর যুক্ত হয়েছেন আরও কয়েকজন। এবং কথার সূত্র ধরে পরিবেশের
আনুকূল্য অনুভব করে কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশও করেছেন।
পাকেচক্রে এইখানে সমালোচিত হয়েছেন : ১. সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, ২.
কামরুজ্জামান কামু, ৩. ব্রাত্য রাইসু, ৪. সুমন রহমান ৫. শামসুর রাহমান,
৬. আল মাহমুদ, ৭. মোহাম্মদ রফিক।

সুমন রহমান যেমন ব্যক্তিগতভাবে, আজিজ সুপার মার্কেটে, আমাকে জানিয়েছেন
সুব্রতর কবিতা হয় না, বরং তার গল্প ভালো---আমি তেমনটা করি নি। আমি
সুব্রতর কবিতাকে কীভাবে দেখি তা 'কবিতাকথা'য় সরাসরি লিখে জানিয়েছি। তখন
সুমন ভাই আলোচনায় আসেন নি, তিনি এসেছেন শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ
প্রসঙ্গে কথা বলতে। কিন্তু আমি তো চেয়েছিলাম প্রায়-সামসময়িকদের নিয়ে আমরা
ব্যক্তিসম্পর্ক ভুলে গিয়ে মনের কথা বলি।

এ থেকে আক্রান্তদের কারো কারো এ ধারণা তৈরি হলো, আমরা মোড়লিপনা করছি। এবং
যেহেতু কালবিচারে আমরা শূন্যদশকে অবস্থান করি, সেহেতু এ বয়ানও হাজির করা
হলো, গালিব ও টুকু শূন্যের ইজারা নিয়েছে। নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ থেকেই
আমরা কথা বলেছি এবং বলার পর কেউ যখন জানতে চেয়েছেন, কেন তাকে একথা বলা
হলো, তার ব্যাখ্যা হিশেবে যা আমরা ধারণ করি, তাই জানিয়েছি। তারিক টুকু
সুব্রতদার দুটি বই নিয়ে কথা বলার পর, আমি কবিতাকথা গ্রুপে সুব্রতদার চিঠি
পড়ে এ সংক্রান্ত নিজের ব্যাখ্যা হাজির করেছি। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে,
সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ যখন প্রথম পাখি বলে নামের এক ফেসবুকিয়ান-এর কাছে
আক্রান্ত হন, তখন সেখানে রাইসুদা যেমন প্রতিবাদ করেছিলেন, টুকুও
করেছিলেন। আমি তখন ফেসবুকে পাখি বলে বা গোমেজের বন্ধু নই বলে বিষয়টি
জানতাম না। কোনো অগ্রজের সাথেই আমরা এমন কোনো ব্যবহার করি নি যা
শ্লীলতাকে অতিক্রম করে কিংবা তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রান্ত করে। ভাস্কর
আবেদিনের কথা আলাদা। বাকযুদ্ধে শিষ্টাচারের মাত্রা নিরূপণে মেধার ঘাটতি
থাকতে পারে তার। সেক্ষেত্রে আত্মসংবরণে অনুদারতা সম্ভব আমারও।

ব্রাত্য রাইসুকে যতদিন ধরে দেখি আসছি, তাকে জানি তর্কপ্রিয়, প্রশ্নপ্রবণ
ও যু্ক্তিজ্যান্ত মানুষ হিশেবে। স্রোতের বিপরীতে একা দাঁড়াবার ও চিন্তা
জাগাবার শক্তি তার আছে। সেটা যত ভ্রমাত্মকই হোক না কেন। প্রিয় রাইসু ভাই,
আপনি যে ফেসবুকস্থ "আলজিভের প্রকটন" লেখাটিতে গালিব ও টুকুকে
প্রকারান্তরে শূন্যের ইজারাদার বললেন, তার যুক্তি কী? আর সুব্রতদাকে
কাঙালভাবে এসব কী বললেন :

"তুমি তারিক টুকু এবং সোহেল হাসান গালিবের একটা কবিতা দেখাও যেই কবিতা
আমার এই 'গোয়া মারা' কবিতার চাইতে কোনো দিক দিয়া ভালো।...সত্য সত্য বলো
তো এই 'দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে'র কাছাকাছি আইতে পারে এমন কবিতা ওনারা
দুইজনের কেউ লেখছেন?"

সুব্রতদা যা বলার তা তো তারিক টুকুকে লেখা চিঠিতে বলেই দিয়েছেন। আর কী
শুনতে চান আপনি, রাইসুদা! আপনার কবিতা কেউ কেউ নিতে পারে না, সেটা দোষের
নয় বোধহয়। তার জন্যে কন্ট্রিবিউশন নিয়ে কম্পেয়ার করতে হবে? উচিৎ কি তব
ভ্রাত, অনুজেরে আপনি টানিয়া লও নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে!

আমি বরং এই ফোরামের বন্ধুদের সামনে কবিতাটা উপস্থাপন করছি, আসুন না আমরা
কবিতা ধরে কথা বলি। আশা করছি এ ফোরামের সভ্যগণ নীরব থাকবেন না। কারণ এ
কবিতাটিকে রাইসু ভাই কেন মরণকামড় দিয়ে ধরে আছেন তা যেমন বুঝছি না, একই
সঙ্গে এ কবিতাটি সত্যি সত্যি কাদের মন ছুঁলো, তাও জানতে পারছি না।

দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে

দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে কা কা করে রে
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে হিঃ হিঃ কী কী করে রে
পাতা ঝরে পাতা ঝরে পেয়ারার পাতা ঝরে রে
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে কু কু করে রে
দোরা কাউয়া পাতি কাকের গোয়া মারে রে
পেয়ারা গাছে পাতি কাকের গোয়া মারে রে

ওরে আমার দোরা কাউয়া, দোরা কাউয়া রে,
পেয়ারা গাছে পেয়ারা গাছের পাতা ঝরে রে

ওরে আমার ঝরা পাতা, পাতাঝরা রে ।।

TANVIR MAHMUD

unread,
Apr 23, 2009, 8:13:15 PM4/23/09
to kobit...@googlegroups.com
কেউ যখন বলেন আর কোন সাহিত্যকির্তী আছে কিনা তার কোন একটি বিশেষ লেখার কাছাকাছি আসতে পারে, আমার কাছে তখন ওই দাবিকে সঠিকই মনে হয়। এই দাবিতে এক শিশুসুলভ জেদের প্রকাশ আছে। আর আসল কথা হল ওই কবিতার কাছাকাছি অন্য কবিতা কনেইবা দাঁড়াতে যাবে? ওই কবিতাটি কি কোন স্ট্যান্ডার্ড যার কাছে অন্য কবিতাকে পৌঁছাতে হবে? কেন কাউকে ওনার মাণ-BSTI পাশ করতে হবে? স্বাতন্ত্র্য কি ওনার ভেতর দিয়ে তৈরী হয়? আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ বোধ করি আছে আমাদের।

সব কবির স্বাস্হ্য ও সৌন্দর্য কামনা করছি।

 তানভীর।

2009/4/23 সোহেল হাসান গালিব <kranti...@gmail.com>



--
Tanvir Mahmud
tanvirm...@yahoo.com
editor.h...@gmail.com
tanvir...@in.com
cell # 01911-126243.

মুজিব মেহদী

unread,
Apr 24, 2009, 3:42:54 AM4/24/09
to কবিতাকথা
এই লেখায় গোয়া মারামারির মধ্যে এই নিহিত বার্তাটাকে মাত্র খুঁজে পাই যে
বড়োরা ছোটদের সুযোগ পাইলে গোয়া মারে। এখানে বড়োরা ও ছোটরা কথাটা বহুঅর্থে
নিতে হবে।

হাফপ্যান্ট পরে খেলাধুলার বয়সে দেখেছি ছেলেপুলেরা এরকম ধাঁচের বাক্য বলে
আর লাফায়। আমিও বলি নি কি? এমনকি ঝগড়াঝাটি করে ক্ষণসংঘ ভেঙে ঘরে ফিরে
যাবার বেলায় 'দোরা কাউয়া' আর 'পাতি কাকের' স্থলে অন্য নাম ব্যবহার করে
'গোয়া মারে'ও বলতে শুনেছি। তো এসব বাক্য একখানে জড়ো কইরা রাখলেই কবিতা হয়
নাকি?

ব্রাত্য রাইসুর এই লেখাটাকে আমার কবিতাই মনে হয় না। তো যে/যাঁরা এই
লেখাটাকে শূন্য দশকে এ যাবৎ যত কবিতা লেখা হয়েছে তার চাইতে ভালো কবিতা
বলে দাবি করেন, তাঁরা এই লেখার মেরিটটা কোথায় তা একটু খোলাসা করলে পারেন।
উল্লেখ্য, 'গোয়া মারে' শব্দবন্ধকে আমি অশ্লীল মনে করি না।

মুক্তি মণ্ডল

unread,
Apr 24, 2009, 5:21:05 AM4/24/09
to কবিতাকথা

ফেসবুকে এইটাতে কমেন্ট করেছি। "দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে " কবিতাখান আমার
ভাল লাগে নাই। আমার কবিতা পাঠের যে অভিজ্ঞতা, যে ভাল লাগা জায়গা তৈরি
হইছে, সেখানে এইটার কোন জায়গা নাই। এখন বড় কবিগো ( যারা বয়সে বা কবি
হিসেবে নিজেগো যারা বড় মনে করে) কী মত জানতে ইচ্ছে করতেছে।

মুক্তি মণ্ডল

sumon rahman

unread,
Apr 24, 2009, 7:39:16 AM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com

কবিতাকথার মেইলগুলা খুললে বেশ বিনোদন হয় মাঝে মাঝে।

১. মুক্তি মণ্ডলের খোঁচাটা দিয়াই শুরু করা যাক: রাইসুর কবিতা নিয়ে একটা মন্তব্য করতে গিয়া তিনি "বড়" কবিদের মত জানিতে চাহিলেন। সেই "বড়"ত্বের সংজ্ঞাও তিনি দিলেন: বয়সে যাহারা বড়, কিংবা যাহারা নিজেদের কবি হিসাবে বড় মনে করেন!

এই উক্তিটিকে আমরা কি শূন্য দশকের সাইকির সবচে ভাল মেনিফেস্টেশন ধরে নেবো?

২. গালিবের বিশ্রাম দরকার। অবসন্নতাহেতু ইনি আবোল তাবোল বকতে আরম্ভ করছেন। সুব্রত-র কবিতা হয় না, গদ্য হয়.... এই কথা আমি নাকি তাকে ব্যক্তিগতভাবে কহিয়াছিলাম! সুব্রত-র কবিতা নিয়া আমার বলবার বিষয় থাকলে সেইটা প্রকাশ্যে না বলিয়া গালিবের কানে কানে কেন কহিলাম? তদুপরি, একা গালিবের সাথে আমি আজিজে ডেইট করেছি বলিয়াও মনে পড়তেছে না। আমার শর্ট-টার্ম মেমরি লস আছে, ফলে লিখিত জবানি ছাড়া কিছু বিশ্বাস করি না। আর একান্ত গালিবের কানে কানেই বা কহিব কেন... দুনিয়াতে লেখার জায়গার বা আজিজে বাখোয়াজি করিবার লোকের এতই কি অভাব? আর যদি কানে কানেই কহিয়া থাকি তবে সেই কথা রাষ্ট্র করিয়া গালিব কী প্রমাণ করিতে চাহিলেন? কেইসটার নাম অডিটরি হ্যালুসিনেশন! এইটার জন্য ছুরিচিকিৎসা লাগে না। বিশ্রাম লাগে।

গালিব ঘুরে ঘুরে কেন আমাকেই কাছে টেনে নেন বুঝি না। এই প্রেম দেখি দূরে ঠেলিয়া দিতে পারে না, ছোট প্রেম নিশ্চয়ই! আমি গদ্যের প্রশংসা করলে খুশি হই, কবিতার সমালোচনা নিতে পারি না! ভুল কথা। সমালোচনা নিতে পারি. প্রচুর নেয়া হয়েছেও, কিন্তু নিন্দা শুনলে খারাপ লাগে বৈকি। আপনারা সমালোচনা করার রীতিটা বুঝে উঠতে পারেন না। রাগ করবেন জানি একথা বললে, কিন্তু এটা সত্য। রাইসুর গোয়া মারে কবিতা নিয়া যে আলোচনা জুড়েছেন তাতেই এটা প্রমাণিত হয়। ৭ নং নোটে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিচ্ছি। আপনি আমাকে আমার গল্প নিয়ে ভালোলাগার কথা জানিয়েছিলেন ব্যক্তিগত মেইলে। এরকম অনেকেই জানান। অনেকে পাবলিকলি বলেন। দুটাতেই আমি খুশি হই। কিন্তু আপনারা প্রাইভেট স্ফেয়ারে প্রশংসা করেন আর পাবলিক স্ফেয়ারে নিন্দা করেন। সেই প্যাটার্ন আমার অচেনা নয়।

৪. ভাস্কর আবেদীনের প্রতিক্রিয়ার জবাব দেবার বদলে দেখা গেছে সেই প্রতিক্রিয়ার পেছনের কার্যকারণ নিয়ে নানারকম কনস্পিরেসী থিওরির খেলা। তিনি আমার বিভাগের ছাত্র ছিলেন, আমার বন্ধু ছিলেন, গালিবদের পত্রিকায় কবিতা লিখতে চাইছিলেন কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারেন নাই, তিনি ছাত্ররাজনীতির ব্যর্থ নেতা (বা এ জাতীয় কিছু), তিনি গালিবদের পেছনে ঘুরঘুর করতেন, গালিবরা তাকে পাত্তা তখনই দেন নাই, এখন কেন দেবেন.... ইত্যাদি ইত্যাদি। ভাস্কর আক্রমণ করিয়াছিলেন নিঃসন্দেহে। কিন্তু সেই আক্রমণ যথার্থ কি অযথার্থ ছিল এখন সেটা আর বুঝিবার জো নাই। কারণ প্রতি-আক্রমণ যুক্তির উপর দিয়া যায় নাই, যুক্তিবাদীর শরীরের উপর দিয়া গেছে!

৫. এইটাকে ধামাধরার পলেমিকস বা পলিটিকস বলা যায়: ভাস্কর কি বললেন সেইটার মোকাবেলা না করিয়া বরং বাহির করা হৈল তিনি কোন্ বলরামের চেলা, রাইসুর মোকাবেলায় তার "প্রেষ্যগণ"কে শুভেচ্ছা জানানো হৈল... ইত্যাদি। এমনকি কোনো এক চিঠিতে গালিব তাঁর নিজের ধামাও নির্ধারণ করিয়া দিলেন: মাসুদ খান, সুব্রত, মজনু। এই ধামারা যদি বলেন গালিব খারাপ, তবেই গালিব লুঙ্গিতে মুখ ঢাকিয়া বাড়ি চলিয়া যাইবেন। কোনো কিছু জিজ্ঞাসিবেন না। কিন্তু সিএস খতিয়ান নাই এমন কোনো ভাস্কর যদি আসিয়া তর্ক তুলিতে চায়, তাহারা সেই তর্ক পাতে তুলিবেন না! সার্থক গুরুবাদী তৎপরতা, বলতেই হয়।

৬. আক্রমণের সীমা পরিসীমা নিয়া একটা আলাপ হৈতেছে এখানে। একটা যুক্তি দিই: ধরেন কিছুদিন আগে তারিক টুকু-র সাথে ফেসবুকে আমার তর্ক হৈল। আমার কবিতা নিয়া, তর্কের প্রিমাইজ এবং ব্যাপ্যতা বিধিসম্মত না হওয়ায় এক পর্যায়ে তারিক টুকু-কে আমি কমেন্ট না করতে অনুরোধ করি। বলি, যে তাঁর বক্তব্য আমি আর অ্যাকোমোডেট করবো না। তারপরও তিনি সেখানে কমেন্ট করলেন। আমি মুছে দিলাম। এখন এখানে বিধিবদ্ধ জিনিসটা কি হৈতে পারতো? আমি যখন বারণ করলাম তখন তারিক টুকুর সেখানে আর কমেন্ট করা শোভন হয় না। কারণ নোটটা আমার। তিনি তখনই আলাদা পোস্টে আলোচনা চালায়া নিতে পারিতেন। সেইটা তিনি শেষমেষ করলেন, যখন আমি তার কমেন্ট মুছিয়া দিয়া ব্যান করলাম তখন। তখন তিনি আলাদা নোট দিলেন, নোটের নাম "জলাতঙ্ক ব্যাধি ও সুমন রহমান"। সেখানে তিনি লিখলেন আমার জলাতঙ্ক হয়েছে, ইত্যাদি ইত্যাদি। ব্যক্তি আক্রমণ হৈল, কিন্তু নিজের ডিফেন্স একেবারেই উদাম কৈরা। মানে... আমি যদি জিগাইতাম কেন আমার জলাতঙ্ক হৈল, কোন্ উন্মাদ সারমেয় আমায় কামড়াইল, সেইটা ব্যাপক বিনোদনের বিষয় হৈত। ঐ পোস্টের জবাব হিসাবে জাস্টিফাইডও হৈত। কিন্তু সময় নষ্ট হৈত, অহেতু গুঞ্জন হৈত, সেসব ল্যাং মারা বিলো-দ্য-বেল্ট খেলায় আমার রূচি নাই।

৭. রাইসুর কবিতা নিয়া একটা আলোচনার পায়তাঁরা চলতেছে দেখি। আমার মতামত দিই: রাইসু এই কবিতা লিখিয়াছেন তার সেই পাঠকের জন্য যে ইতোমধ্যে রাইসুর অন্য কবিতাগুলো পড়িয়া জিহ্ববায় তার স্বাদটা চিনিতে সমর্থ হইয়াছেন। এই কবিতা আলাদা করে পড়ার জন্য নয়, বাংলা সাহিত্যে অন্য ভাল কবিতার সাথে তুলনা করে পড়বার জন্য নয়, রাইসুর গোটা কাব্যকীর্তির মাঝখানে রাখিয়া পড়বার জন্য। কোন্ কবিতাটা আলাদা করে পাঠ এবং পাঠোদ্ধার করা যাইবে, আর কোনটা যাইবে না সেইটা ধরিতে না পারিলে এইরকম বিপত্তি হওয়া স্বাভাবিক।


ভাবছিলাম, রাতে ঘুম কম হৈছিল... দুপুরে একটা ন্যাপ দিমুনে... আর কৈ হৈল! মেঘে মেঘে বিকাল হৈয়া গেল।
ভালো থাকুন সবাই।

সুমন রহমান




>
>

Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 10:30:28 AM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
'বিনোদন' এর ব্যাপারটা ঠিক আছে, কিন্তু রাইসু'র কবিতার সমালোচনা ব্যাপারটা যতোটা না Humorous তারচে বেশি Farcical বলেই মনে হইছে; বিশেষত, যেইখানে মুক্তি মন্ডল 'বড়কবি'র সংজ্ঞা দিতেছেন . . .

আর মুজিব মেহেদী তো ডাইরেক্ট বলতেছেন যে, এইটা কোন কবিতা-ই না . . . কিন্তু তিনি গ্রাউন্ডটা পরিষ্কার করা তাঁর দায়িত্ব বলে মনে করতেছেন না . . . কোনটা কবিতা বা কবিতা কি বস্তু বলে তিনি মনে করেন এবং তার ভিত্তিতে কেন এইটা কবিতা না যদি বলতেন, তাইলে সেইটা বরং অনেকবেশি যৌত্তিক বলে মনে হইতো . . .

যা-ই হোক, আসলে কবিতাকে কোনকিছু দিয়া যেমন দাঁড় করাইয়া রাখা সম্ভব না, তেমনি ধাক্কা দিয়া ফেলে দেয়ার চেষ্টাটাও Humorous না, বরং Farcical . . .



From: sumon rahman <suman...@hotmail.com>
To: kobit...@googlegroups.com
Sent: Friday, April 24, 2009 5:39:16 PM
Subject: [কবিতাকথা:539] Re: কয়েকটি হ্যান্ডনোট, ফুটনোট এবং এন্ডনোট: সাম্প্রতিক তর্কাতর্কি নিয়া

gani adam

unread,
Apr 24, 2009, 10:53:00 AM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
কী এইটা? কবিতা? ও আচ্ছা, কবিতা! রাইসু ভাই লিখেছেন বলে কবিতা?

2009/4/24 মুক্তি মণ্ডল <mukte....@gmail.com>

মুজিব মেহদী

unread,
Apr 24, 2009, 11:31:13 AM4/24/09
to কবিতাকথা
ইমরুল, আমি লেখাটাকে কবিতা না বলবার পেছনে কিছু কথা বলবার চেষ্টা
করেছিলাম বটে। আপনি তার থেকে মাত্র একটা বাক্যই নিলেন এবং আমার ওপরে আরো
বলবার দায়িত্ব দিয়ে দিলেন। সেটা না করে আপনিই যদি অন্তত দায়িত্বটা নিতেন
যে কেন এটা 'কবিতা' তাহলে বরং উপকৃত হওয়া যেত।

auboni aunarjo

unread,
Apr 24, 2009, 12:41:12 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
সুমন ভাই
আপনার পুরো মেইলটাই পড়লাম। পুরো বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত। আপনি ধৈর্য্য ধরে অনেক কথাই লিখেছেন। জরুরিও মনে করি এই মন্তব্য। কেবল একটা জায়গায় আমার কিছু কথা আছে।
............এই উক্তিটিকে আমরা কি শূন্য দশকের সাইকির সবচে ভাল মেনিফেস্টেশন ধরে নেবো?------------------এখানে। মানে, এইযে শূন্য-দশক নিয়ে এতো কথা হচ্ছে (সেগুলোর [অ]কার্যকারিতার কথা মাথায় রেখেই বলছি), সেখানে শূন্য-দশকের প্রকৃত প্রতিনিধি[গণ] কি হাজির আছেন? এখানে মূলত গলাবাজিপটু, স্বনিযুক্ত অ্যাম্বাসেডর (যাঁরা আবার রিটায়ার্ড পোয়েটস-কর্তৃক সত্যায়িত) এবং তদীয় বংশধররাই গলা উঁচু করে কথা বলছেন। শূন্য দশকের অনেকেরই কবিতা আপনা(দে)র পড়া আছে। আপনার কি মনে হয় না, এই সাইকি কেবলই এসব ব্লগারদের?? এ-প্রবণতাকে গোটা শূন্য দশকের সাইকি হিসেবে আমি মেনে নেই না। আপনার কী মত?
[[[[ বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিতা থ্রেডে বলতে চেয়েছিলাম, একইরকম আরো কয়েকটি থ্রেডের সঙ্গে সম্পর্কিত বিবেচনা করে এখানে আমার একটি কবিতা পোস্টাইলাম। অপ্রাসঙ্গিক বিবেচিত হলে মডারেটর মহাশয় মুছে দিতে পারেন। সে সুবিধা তাঁকে দেয়া হইলো।

wiUvqvW© †cv‡qUm

 

eny KmiZ K‡i nRiZ KweMY

UvqvW© nBqv, Zey bv Qv‡ob ebjZv

Zvici †Zvdv wekªvg wbqv wi-UvqvW©

kª‡g KvR bvB, ZvB kªg †Q‡o Avkª‡g

 

gv‡S gv‡S bvg †`Lv hvq _vW© eª¨v‡K‡U

bZzb Kwe‡Mv mb` Av‡Q †i c‡K‡U

e¨_© hvnviv AnwgKv Zv‡Mv AwZ nvB

Avgv‡i Avc‡b bv †P‡bb Zv‡Z ¶wZ bvB


সূত্র: সরস সতী; অবনি অনার্য; সন্দেশ; বইমেলা ২০০৮।]]]]]]

অবনি অনার্য
http://www.auboni-aunarjo.com/


Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 1:02:45 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
মুজিব মেহেদী, আজব আবদার, আপনার কথা আমি কেন বলবো . . . আর এইটা কবিতা বা কবিতা না কেন এই জাতীয় আলোচনার চেষ্টাটা যে একটা উদ্দেশ্যমূলক ব্যাপার এবং সেই কাফেলায় যোগ দেয়ার কোন ইচ্ছা যে আমার নাই, সেইটা আমার লেখায় মনে হয় যথেষ্ঠ স্পষ্ট . . .

আপনার একটা মাত্র বাক্য আমি নেই নাই, বরং বলছি যে, আপনি কবিতা কি সেইটা না বইলাই বলছেন যে, এইটা কোন কবিতাই না, আপনার এই যুক্তি বা সমালোচনা আমার কাছে Farcical মনে হইছে , যদিও Humorous মনে হওয়ার সম্ভাবনাও হয়তো আছে, কারো কারো কাছে . . .



From: মুজিব মেহদী <m.m...@gmail.com>
To: কবিতাকথা <kobit...@googlegroups.com>
Sent: Friday, April 24, 2009 9:31:13 PM
Subject: [কবিতাকথা:547] Re: এ কী আজব কারখানা

মুজিব মেহদী

unread,
Apr 24, 2009, 1:08:07 PM4/24/09
to কবিতাকথা
অবনি অনার্যের কবিতাটা মেইলে পড়া যাচ্ছে, কিন্তু গ্রুপে পড়া যাচ্ছে না।
কারণ এটা ইউনিকোড করা নেই। এখানে ইউনিকোড ভার্সন দেয়া হলো।

রিটায়ার্ড পোয়েটস

* *

বহু কসরত করে হজরত কবিগণ

টায়ার্ড হইয়া, তবু না ছাড়েন বনলতা

তারপর তোফা বিশ্রাম নিয়া রি-টায়ার্ড

শ্রমে কাজ নাই, তাই শ্রম ছেড়ে আশ্রমে

মাঝে মাঝে নাম দেখা যায় থার্ড ব্র্যাকেটে

নতুন কবিগো সনদ আছে রে পকেটে

ব্যর্থ যাহারা অহমিকা তাগো অতি হাই

আমারে আপনে না চেনেন তাতে ক্ষতি নাই

auboni aunarjo

unread,
Apr 24, 2009, 1:11:51 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
মুজিব ভাই
অনেক ধন্যবাদ।
আমার ভুল হয়েছে।
কবিতা পোস্ট করার জন্য ধন্যবাদ।
কবিতা সম্পর্কে মন্তব্যও আকাঙ্ক্ষা করি।

অবনি

2009/4/24 মুজিব মেহদী <m.m...@gmail.com>



--
Auboni Aunarjo
--------------------------
http://www.auboni-aunarjo.com/

http://www.mukto-mona.com/Articles/auboni_aunarjo/index.htm
http://www.sristisukh.com/ebook/auboni/index.html
http://aunarjo.googlepages.com/

মুজিব মেহদী

unread,
Apr 24, 2009, 1:23:30 PM4/24/09
to কবিতাকথা
অবশ্যই উদ্দেশ্যমূলক। গালিবের লেখায় তো সেটা স্পষ্টই। ব্রাত্য রাইসু যে
উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটাকে শূন্য দশকের সকল কবিতার চেয়ে ভালো কবিতা বলতে
চান, ছদ্ম সুমন কেহেরেমান যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটাকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ
কবিতা বলতে চান, সেটাকে কাউন্টার করতেই এই উদ্দেশ্যমূলক পোস্ট। সম্ভবত।
কথা হলো সুমন রহমান বা ব্রাত্য রাইসু যা খুশি বললেও সেখানে আপনি উদ্দেশ্য
খুঁজে পান না, অন্যেরা বললে পান এটাকেও আমার কাছে উদ্দেশ্যমূলক মনে
হচ্ছে।

কেউ একটি লেখাকে 'কবিতা নয়' বললে তাতে যদি আপনার আপত্তি থাকে তাহলে সেটা
কেন কবিতা তা বলবার দায়িত্ব আপনি নেবেন এটা আবার অন্যের কাজ হয় কেমনে?
এটা অবশ্যই আপনার কাজ। বলুন দয়া করে, এখানে না হয় অন্য কোথাও, ফেসবুকে বা
ব্লগে।

আমার জানামতে আপনি সর্বদাই কাফেলার সঙ্গী, তবে অবশ্যই সে কাফেলা এ কাফেলা
নয়, যদি এটা কাফেলা হয় অন্তত।

মুজিব মেহদী

unread,
Apr 24, 2009, 1:26:47 PM4/24/09
to কবিতাকথা
সদস্যদের প্রতি একটি বিনীতি অনুরোধ, দয়া করে মূল টপিকের সাবজেক্ট বদলাবেন
না, তাতে গ্রুপে মন্তব্য ফলো করতে সমস্যা হয়। আপনার একটা কাজে সকল
সদস্যের অসুবিধা হোক সেটা আপনি চাবেন কেন?

Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 1:43:34 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
মুজিব, আপনি বলছেন,

১. কথা হলো সুমন রহমান বা ব্রাত্য রাইসু যা খুশি বললেও সেখানে আপনি উদ্দেশ্য


খুঁজে পান না

আমার জানামতে আপনি সর্বদাই কাফেলার সঙ্গী

 

আপনার এই বাক্য দুইটারে আমি ব্যক্তিগত আক্রমণ বলে দাবি করতেছি যা বিষয়ের সাথে জড়িত না, আপনার ভিন্নমত থাকলে জানায়েন।

দ্বিতীয়ত, উদ্দেশ্য নিয়া তো সমস্যা নাই, সমস্যাটা হইতেছে সেই উদ্দেশ্যের সাথে আপনি সামিল হইবেন কিনা, আমি যে হইবো না, সেইটা বলার পরেও আপনি কেন টানাটানি করতেছেন? মনে হইছে, আপনারে স্পষ্টতার কথা বলাতে মাইন্ড করছেন, আবারো বলি . . .'কবিতা হয় নাই' বলাটাতে কোন সমস্যা নাই, আপনি যখন বলছেন হয় নাই, সেইটা স্পষ্ট করে বলেন কেন হয় নাই, ব্যাস . . . কেন হয় নাই, সেইটা আপনি বুঝছেন এবং বলছেন, আমার এইটার জানা-বোঝা কোন তাগিদ তৈরী হয় নাই, হইলে অবশ্যই বলবো . . .

আপাতত, ব্যক্তিগত আক্রমণ বন্ধ করেন।



From: মুজিব মেহদী <m.m...@gmail.com>
To: কবিতাকথা <kobit...@googlegroups.com>
Sent: Friday, April 24, 2009 11:23:30 PM
Subject: [কবিতাকথা:553] এ কী আজব কারখানা

Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 2:00:15 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
একটা কারেকশন আছে . . . শেষ লাইনের আগের লাইনে 'বুঝছেন এবং বলছেন' এর জায়গায় 'বুঝছেন কিন্তু বলতেছেন না' হবে . . .


From: Imrul hasan <imrulh...@yahoo.com>
To: kobit...@googlegroups.com
Sent: Friday, April 24, 2009 11:43:34 PM
Subject: [কবিতাকথা:555] Re: এ কী আজব কারখানা

maruf raihan

unread,
Apr 24, 2009, 2:11:30 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
 sorry baddho hoe mailta dilam . canada theke nahid bangla font cheye pathieche, ami try kore bertho. keu ki address-tay pathie deben, khub joruri. pls. maruf<nahid...@rbc.com>
--
Maruf Raihan


www.banglamati.net

auboni aunarjo

unread,
Apr 24, 2009, 2:15:28 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
maruf vai
kee kee font lagbe?


2009/4/25 maruf raihan <marufr...@gmail.com>

Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 2:17:52 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com, nahid...@rbc.com
 
আমি নিজে এই ওয়েব সাইটের সাহায্য নিই, আমি ঠিক নিশ্চিত না, আপনার বন্ধুকে এটা সাহায্য করবে কিনা . . .


From: maruf raihan <marufr...@gmail.com>
To: kobit...@googlegroups.com
Sent: Saturday, April 25, 2009 12:11:30 AM
Subject: [কবিতাকথা:557] Re: এ কী আজব কারখানা

maruf raihan

unread,
Apr 24, 2009, 2:24:48 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
imrul, thanks, ota kaj korche bole janalen nahid.
oboni apnakeo dhonnobad, shobar ooshubidha ghotalam 15 mnt. maaf koben.

 

Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 2:42:32 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
মুজিব, আমি ধারণা করতেছি যে, আপনি আমারে উদ্দেশ্য কইরাই এই অনুরোধ সকলরে জানাইছেন, কারণ আপনার পোস্টের উপর একটা রিপ্লাই দিতে গিয়া সাবজেক্ট লাইন বদলাইয়া আমি আরেকটা সাবজেক্ট লাইন ব্যবহার করছিলাম . . . বদলাইছিলাম কারণ আমার মনে হইছিল যে, আলোচনাটা আর 'মূল টপিক' এর ভিতর নাই . . . টপিকটা হয়া উঠছে, আপনার সমালোচনা এবং আপনার সমালোচনার প্রতি আমার একটা সমালোচনা . . . সেইখানে 'মূল টপিক' তো আর নাই, টপিক তো অন্যটা . . . সেইক্ষেত্রে আমরা কি করবো, প্রবাহমানতার শেকলেই কি পা আটকাবো নাকি নতুন বলে শুরু করতে পারবো? . . .

আবার যেমন এই মেইলের সাবজেক্ট লাইনের সাথে বিষয়ের আপাতদৃষ্টিতে কোন মিল নাই . . . তাই আমি আমার মতো একটা সাবজেক্ট লাইন দিয়া পৃথক কইরা নিলাম, এই টপিকে আলোচনা চালানোর জন্য . . .

আর এইটা আসলেই কি বড় একটা সমস্যা? কারণ মেসেজ নম্বর তো দেখি পড়া যাইতেছে, কোনটার পর কোনটা আসছে আর চেইন মেইল তো দেখি অনেকের মেইলেই থাকে আবার থাকে না ( যেমন আপনারটাতে থাকে না, আমারটাতে আমি রাখি) . . . সেইক্ষেত্রে কি করা? চেইন মেইল থাকবে নাকি শুধুমাত্র আমার অংশটা? এইক্ষেত্রেও মডারেটর হিসাবে আপনার অনুরোধ/মতামত জানতে পারলে ভালো হইতো . . .

তাড়াহুড়া নাই, সময় নিয়া, চিন্তা-ভাবনা কইরা জানায়েন . . .



From: মুজিব মেহদী <m.m...@gmail.com>
To: কবিতাকথা <kobit...@googlegroups.com>
Sent: Friday, April 24, 2009 11:26:47 PM
Subject: [কবিতাকথা:554] এ কী আজব কারখানা

muzib mehdy

unread,
Apr 24, 2009, 2:49:46 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
দেখুন ইমরুল, আমার প্রথম মন্তব্যে আমি একটা গ্রাউন্ড তৈরি করেই খারিজ
করেছিলাম লেখাটাকে। ওখানে বলেছিলাম যে 'বড়োরা ছোটদের গোয়া মারে'-- এই
বার্তাটা ধারণ করবার অধিক আর কোনো মেরিট ধারণ করে না লেখাটা। আপনি পক্ষে
কিছু বললে আমি বিপক্ষে আরো বলব। না বললে বলব না।

আর আপনার উৎকলিত বাক্য দুটিকে আমি ব্যক্তিগত আক্রমণ মনে করছি না, কারণ
দুটো বাক্যের কোনোটিই পোস্ট ও মন্তব্য মিলিয়ে প্রসঙ্গচ্যুত নয়।

প্রথম মন্তব্যে আমি বলেছিলাম যে,

'এই লেখায় গোয়া মারামারির মধ্যে এই নিহিত বার্তাটাকে মাত্র খুঁজে পাই যে

উল্লেখ্য, 'গোয়া মারে' শব্দবন্ধকে আমি অশ্লীল মনে করি না।'

--~--~---------~--~----~------------~-------~--~----~
বাংলা কবিতা বিষয়ে বাংলায় কথা বলাবলি
http://groups.google.com/group/kobitakotha
~----------~----~----~----~------~----~------~--~---

Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 3:13:24 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
মুজিব, আপনি কথা শুনবেন বলে না কান বন্ধ করে ফেলছেন, তাই একই রেকর্ড আরেকবার বাজাইলেন . . . আপনার অনড় অবস্থান নিয়া আমার কোন সমস্যা নাই, আমি আপনার সমালোচনার ধরণের প্রতি আমার সমালোচনা রাখছি, নেয়া না-নেয়াটা আপনার ব্যাপার . . .

কিন্তু আপনার 'প্রাসঙ্গিকতা' নিয়া আমার প্রশ্ন আছে . . .

প্রথমত, সুমন রহমান এবং ব্রাত্য রাইসু'র সাথে থাকা বা না-থাকার বিষয়টারে এই সমালোচনার সাথে কিভাবে আপনি প্রাসঙ্গিক বইলা স্থির করলেন?

দ্বিতীয়ত, আমি দল ছাড়া হাঁটতে পারি না, এই অভিব্যক্তিরেও কিভাবে আপনি প্রাসঙ্গিক করলেন?

ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ যেহেতু আনছেন, তাই বলি . . . কারো মতো আশি'র দশকে জায়গা না পাইয়া নব্বই দশকের বাসের হ্যান্ডেল ধইরা আমারে ঝুলতে হয় নাই . . . দশক-ওয়ারী রাজনীতি দল বেঁধে আপনি/আপনারাই করেন . . . ওই জায়গা আমার না . . .



From: muzib mehdy <m.m...@gmail.com>
To: kobit...@googlegroups.com
Sent: Saturday, April 25, 2009 12:49:46 AM
Subject: [কবিতাকথা:562] Re: এ কী আজব কারখানা

muzib mehdy

unread,
Apr 24, 2009, 3:07:03 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
কেবল আপনি না, এ পোস্টে সুমন রহমানও বদলেছেন সাবজেক্ট। সুমন ভাই
'বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিতা' বিষয়ক পোস্টে প্রথম করেছিলেন কাজটা। পরে
মশিউর রহমান খান করেছেন আরেকটা পোস্টে। সাবজেক্ট না-বদলালে সাবজেক্ট
ছাড়িয়ে যাওয়া সদস্যের বারবার মনে পড়তে পারে যে, মূল টপিকটা ছাড়িয়ে গিয়েছি
আমরা। তাছাড়া ওতে নির্দিষ্ট টপিকের আওতায় আসা সব মেইল একসঙ্গে দেখায় না।

আপনি আর আমি সাবজেক্ট ছাড়িয়ে যাই নি বোধহয়। আমরা তো রাইসুর কবিতা নিয়েই
কথা বলছিলাম, ওর কবিতাটির ভালোমন্দ নিয়ে। প্রসঙ্গের বাইরে এসেছিলেন মারুফ
ভাই, জরুরি প্রয়োজনে।

চেইন মেইল ব্যাপারে অনেকের কাছ থেকেই একটা মন্তব্য শুনেছি যে ওতে পুরানো
মড়া বারবার করে মাড়িয়ে যেতে হয় নতুন একটা মন্তব্যের খোঁজে। এই অভিজ্ঞতা
বেশি হয় যাঁরা মেইলবক্সে না-পড়ে গ্রুপে গিয়ে মেসেজ পড়েন। সুতরাং ওগুলো
রিপ্লাই বক্স থেকে মুছে ফেলে কেবল নিজের মন্তব্যটা পোস্ট করাই ভালো। আগের
মেসেজগুলো তো আগে থেকেই যাচ্ছে, পরম্পরা অনুসরণ করতে তাতে সমস্যা হয় না।

মুজিব মেহদী

unread,
Apr 24, 2009, 3:29:21 PM4/24/09
to কবিতাকথা
দোরা কাউয়া বিষয়ে সুব্রতদার মন্তব্য পাওয়া গেল। পার্টিসিপেটরি পদ্ধতিতে
প্রবন্ধটি রচিত বলে রাইসুর মন্তব্যও। আলোচনার সুবিধার্থে এখানে উঠিয়ে
রাখছি।

'শ্লীলতাঅশ্লীলতা তথা রুচিবোধ অনেকটাই ব্যক্তিগত ব্যাপার, ব্যক্তির
নিজস্ব পরিবর্ধন, পারিবারিক, সামাজিক, বা ধর্মীয় মূল্যবোধ দ্বারা
মুখ্যাংশে নিয়ন্ত্রিত-- এর কোনো সর্বমান্য পরিমাপক নাই, এবং সর্বমান্য
কোনো বিধানও এ ব্যাপারে জারি করা যায় না তাই। তবে দোরা কাউয়া কবিতায়
"গোয়া মারে" না থাকলে যে কবিতার খুব লোকসান হ'ত, বা থাকাতেই যে ভারি নাফা
হয়েছে, তা আমার মনে হয় নাই। {রাইসু : গোয়া মারে শব্দবন্ধ না থাকলে
সেইটাতো অন্য আরেকটা কবিতা হইতো। যে শব্দ যে ভাবে আছে সেইভাবে আছে বইলা
সেইটা সেই কবিতা। সুব্রত : বটে। কিন্তু এই কবিতা সেই আরেকটা কবিতা হইলে
হয়তো আরেকটু ভালো লাগত।} ফলে তার বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ আছে, তবে তা
অশ্লীলতার নয়, অসংসৃষ্টি বা ইনকংগ্রুয়িটির। {রাইসু :ইনকংগ্রুয়িটি কী মাল
তা তো জানা গেল না। ব্যাখ্যা করলে ভালো। সুব্রত : খাপছাড়ামি। বেশি
ব্যাখ্যার কিছু নাই।} আরও একটা নালিশও এই কবিতাটার ব্যাপারে আমার আছে,
তবে সেটা গোপন ক'রে গেলাম। {রাইসু : হা হা নালিশটা করলেই ভালো! এই মর্মে
ওই কবিতাটার উদ্ধৃতি দিলে কবিতাটাও রক্ষা পাবে। পুরা কবিতাটা আছে না
আপনের কাছে। প্রান্তের একটা সংখ্যায় আছিল। অন্যের কবিতার কারণে আমার
কবিতা লেখা হইলে আমি তা গোপন করতে চাই না। লেখার প্রেরণা তো প্রায়ই
অন্যের লেখা। সুব্রত : "ঐ" কবিতাটা এইভাবে "রক্ষা" করার কোনো দরকার আছে
কিনা কে জানে। কিন্তু তার লগে তোমার কবিতার যে সম্পর্ক সেইটা ঠিক
"প্রেরণা"র না, মিমিক্রির। এবং তোমার দেখাদেখি আরও দুইএকজনও এই কাম
করছে।}'

সূত্র : আকাশে রাইসুর লগে..., সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, পূর্ব বাঙলার ভাষা

muzib mehdy

unread,
Apr 24, 2009, 3:39:13 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
দুটো ব্যাপার প্রাসঙ্গিক এই অর্থে যে, আপনিই প্রথমে 'উদ্দেশ্যমূলক' এবং
'কাফেলা' শব্দ দুটো ব্যবহার করেছেন। শব্দ দুটো কেবল যথাসময়ে ফেরত গেছে
আপনার দিকে। না রেগে দয়া করে আপনার আগের মন্তব্য দেখুন। আর এই অভিযোগ
সম্ভব হলে খণ্ডন করুন।

ইমরুল, শেষ প্যারাটা কি আপনি এই কথা কি আপনি আমারে কইলেন? শুনলে পাগলেও
হাসব। প্রথমত আপনি বাক্যটা মারলেন খোন্দকার আশরাফ হোসেনের থেকে, একবিংশে
ছাপা হইছিল। ওইখানে অবশ্য 'সত্তর' আর 'আশি' ছিল। আর বাক্যটা খরচও করলেন
অপাত্রে। এটা আপনি রাইসুরে কইতে পারেন, সুমনরে কইতে পারেন।

আপনার অবগতির জন্য বলি, আমার প্রথম কবিতা ছাপা হয়েছে ১৯৯১-এ। গতকালের এক
অনুষ্ঠানে অবশ্য ঘোষক আমারে শূন্য দশকের বলেই পরিচয় দিয়ে দিয়েছিল। দেখেন
খেলা!!!

--~--~---------~--~----~------------~-------~--~----~
বাংলা কবিতা বিষয়ে বাংলায় কথা বলাবলি
http://groups.google.com/group/kobitakotha

-~----------~----~----~----~------~----~------~--~--

Tarique Tuku

unread,
Apr 24, 2009, 4:08:54 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
ইমরুল ভাই,
এ থ্রেডে যে কবিতা সম্পর্কে সকলের মতামত চাওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটা কী, সেটাই হাজির করুন না। না চাইলে তো চুপ থাকাই ভালো। তাই না। অপরের মত নিয়া তর্ক বাঁধানোর ফায়দা কী?

ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ এনে, আপনিই দেখছি সে কাজটি করছেন। যে কোন দশকের তা নির্ণয় কেন এই মাঝরাতে জরুরি হয়ে পড়লো ঠিক বোঝা গেল না। সত্যি বলতে কি, কাফেলা নিয়ে লজ্জিত হবার কিছু নাই। আপনার কাফেলা সম্পর্কে সকলেই প্রায় অবগত। তাতে সমস্যা নেই, আপনি চালিয়ে যান।

দোরা কাওয়া কবিতাটা ভালো----এ কথাটা বলা যাবে না তা তো নয়। আপনি বলুন না। সেই সঙ্গে কেন ভালো তা আমাদের সাথে একটু শেয়ার করুন---এই যা।



তারিক টুকু

2009/4/25 muzib mehdy <m.m...@gmail.com>

দুটো ব্যাপার প্রাসঙ্গিক এই অর্থে যে, আপনিই প্রথমে 'উদ্দেশ্যমূলক' এবং
'কাফেলা' শব্দ দুটো ব্যবহার করেছেন। শব্দ দুটো কেবল যথাসময়ে ফেরত গেছে
আপনার দিকে। না রেগে দয়া করে আপনার আগের মন্তব্য দেখুন। আর এই অভিযোগ
সম্ভব হলে খণ্ডন করুন।

ইমরুল, শেষ প্যারাটা কি আপনি এই কথা কি আপনি আমারে কইলেন? শুনলে পাগলেও
হাসব। প্রথমত আপনি বাক্যটা মারলেন খোন্দকার আশরাফ হোসেনের থেকে, একবিংশে
ছাপা হইছিল। ওইখানে অবশ্য 'সত্তর' আর 'আশি' ছিল। আর বাক্যটা খরচও করলেন
অপাত্রে। এটা আপনি রাইসুরে কইতে পারেন, সুমনরে কইতে পারেন।

আপনার অবগতির জন্য বলি, আমার প্রথম কবিতা ছাপা হয়েছে ১৯৯১-এ। গতকালের এক
অনুষ্ঠানে অবশ্য ঘোষক আমারে শূন্য দশকের বলেই পরিচয় দিয়ে দিয়েছিল। দেখেন
খেলা!!!





--
Tarique
88 01713 078 563

Tarique Tuku

unread,
Apr 24, 2009, 4:12:45 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
যে কোন দশকের---হবে না , হবে----কে কোন দশকের।

কারেকশান দিলাম

2009/4/25 Tarique Tuku <tariq...@gmail.com>

Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 4:15:31 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
মুজিব, বিষয়টারে আপনি বারবারই ঘুরাইতেছেন . . . 'উদ্দেশ্যমূলক' এর সাথে সুমন রহমান এবং ব্রাত্য রাইসুর সমর্্পকটা কি? . . . এই আলোচনায় পুরাটাই আপনার কাব্য-সমালোচনা আর তাতে আমার সমালোচনা, এই দুইজন আমার প্রতি আপনার ব্যক্তি-আক্রমণের প্রেক্ষিতেই কেবল প্রাসঙ্গিক হইছেন এইখানে, এই শব্দের সাথে এই দুইজনের প্রাসঙ্গিকতা কই? . . .

আর 'কাফেলা'র সাথে 'আপনি সর্বদাই কাফেলার সঙ্গী'র কি প্রাসঙ্গিকতা? . . . একটা কবিতারে নিয়া আপনারা লাগছেন, তো সেইক্ষেত্রে আপনারা একটা 'কাফেলা'ই নাকি, যে যার মতো সমালোচনা করতেছেন এবং আমি এর বাইরে থাকতে আগ্রহী . . . তো এইক্ষেত্রে আপনার বাক্যের প্রাসঙ্গিকতা কই? . . . আপনার প্রতি এইভাবেই ব্যক্তি-আক্রমণের অভিযোগ আমি করছি আর আপনি ক্রমশঃ পিছলাইতেছেন . . . 'পা' এর প্রসঙ্গ আসলেই কি বলবো যে, আপনার 'পা' নাই? . . .

রাগ আমি দেখাইতেছি বলে তো মনে হইতেছে না, আপনার কেন মনে হইলো? . . . এইটাও কি ব্যক্তিগত বিষয় না, মাথায় হাত বুলানো . . . যুক্তির মাঝখানে অহেতুক ভদ্রতা আসলে আমি শিখি নাই, সেইটা বলতে পারেন . . .

পাগলরে হাসার জন্য কোনকথা আমি বলি নাই, তারপরও আপনি যে হাসছেন, এইটাই যথেষ্ঠ . . . আর একবিংশ এ কোথায় কি বাক্য ছাপা হইছিল, সেইটা আমার আসলেই পড়া নাই . . . আপনার সূত্রটা বিস্তারিত জানাইলে খুশি হবো . . .


Sent: Saturday, April 25, 2009 1:39:13 AM
Subject: [কবিতাকথা:566] Re: এ কী আজব কারখানা

Imrul hasan

unread,
Apr 24, 2009, 4:39:48 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
তারিক টুকু,
সেইটা আমিও প্রথম ভাবছিলাম যে, বরং চুপ করেই থাকি, যে যার নিজের মতোই কথা বলবে . . . কিন্তু আমার কথাটা কবিতাটার সমালোচনায় না, বরং যেভাবে কবিতার সমালোচনা করছেন মুজিব মেহেদী, সেইটা নিয়া . . .

আমি বললাম না কবিতা কি জিনিস, কিন্তু বলে দিলাম যে এইটা কোন কবিতা না . . . এই যে 'কবিতা না' সেইটা নিশ্চয় কোন না কোন 'কবিতা হঁ্যা' ধারণা থেকে আসছে বা সেইরকম কোন ধারণা তাঁর আছে . . . সেইটা কি? . . . আমি সেইটাই জানতে চাইছি . . . এইটা কোন সমালোচনার পদ্ধতি হইতে পারে না, এই পদ্ধতি সাহিত্য-সমালোচনার জন্যও ভালো কোনকিছু নিয়া আসবে বলে মনে হয় না, তাই বলতে শুরু করছিলাম, কিন্তু মুজিব যেহেতু আমার সমালোচনা মানতেই রাজি না, সেইক্ষেত্রে আলোচনা আর বাড়ানো যায় না . . .

আর এই কবিতা নিয়া এই মুহূর্তে কোনকিছু বলাটা আমার কাছে জরুরি না . . . যখন মনে হবে, অবশ্যই বলবো আর নিজের অবস্থানরে স্পষ্ট করেই বলবো . . .
 
আর সকলের অবগত বিষয় নিয়া বলতে পারি, কোনকিছুই স্থির না . . . সবকিছুই তো চক্করের ভিতর আছে . . .

ইমরুল হাসান



From: Tarique Tuku <tariq...@gmail.com>
To: kobit...@googlegroups.com
Sent: Saturday, April 25, 2009 2:12:45 AM
Subject: [কবিতাকথা:568] Re: এ কী আজব কারখানা

Tarique Tuku

unread,
Apr 24, 2009, 5:10:33 PM4/24/09
to kobit...@googlegroups.com
এইটা কোন সমালোচনার পদ্ধতি হইতে পারে না, এই পদ্ধতি সাহিত্য-সমালোচনার জন্যও ভালো কোনকিছু নিয়া আসবে বলে মনে হয় না
-খুব ভালো বলেছেন ইমরুল ভাই।

 সেক্ষেত্রে নিশ্চয়ই আপনি একটা পদ্ধতিকে ধারণ করেন। কাজেই অপরের কাছে ওই পদ্ধতি প্রত্যাশা করার আগে তার নমুনা নিজে হাজির করলেই ভালো হয় না কি? পরে কেন? প্রায় ৪ঘন্টা ধরে আপনি যে তর্কটা জারি রাখলেন মুজিব মেহদীর সঙ্গে, এ সময়ের মধ্যে স্বয়ং আপনিই একটা আদর্শ সমালোচনা কিন্তু উপহার দিতে পারতেন আমাদের। ৪ঘন্টা সময় অকারণে ব্যয় হতো না।

অবশ্য পাশ কাটাতে চাইলে ভিন্ন কথা।

তারিক

2009/4/25 Imrul hasan <imrulh...@yahoo.com>

মুক্তি মণ্ডল

unread,
Apr 25, 2009, 2:22:49 AM4/25/09
to কবিতাকথা

সুমন ভাই,
আমি আসলে কবির কোন সংজ্ঞা দিই নাই। আপনে এইটারে খোঁচা হিসেবেই বা কেন
নিচ্ছেন?

রাইসুর ভাইয়ের নোট থেকে একটু ধার করি: উনি বলছেন, "তোমার বা আমার মত বড়
কবির পাঠক হইতে পারাই ওনাদের জন্য যথেষ্ট। আর এঁদের লেখাও এক সময় নিশ্চয়ই
আমি পইড়া উঠতে পারব" ( এইখানে তোমার মানে সুব্রতদা, আর ওনাদের মানে
শূন্যদশকের লেখকগণ)। সুমন ভাই এবঙ ইমরুল ভাই রাইসুর এই কথারে কেমনে
দেখেন?
-সুমন ভাই, কবিতা নিয়ে কিছু বলেন।

পরে আরো কথা কমুনে..

Message has been deleted
Message has been deleted

রাইসুল মোসাফির

unread,
Apr 25, 2009, 1:26:59 PM4/25/09
to কবিতাকথা
'আকাশে রাইসুর লগে' নামের সুব্রত অগাস্টিন গোমেজের লেহার যেই অংশ মডারেটর
উৎকলন করছেন, তা থেইক্কা এই তথ্যডা পাওয়া যাইতাছে যে, লেহাডা প্রান্তে
ছাপা অন্য কারো একটা লেহা থেইক্কা মারিং কইরা তৈরি অইছে। সুব্রত অগাস্টিন
গোমেজ তথ্যডা তহন চাইপ্যা গেছিলেন, রাইসু অবশ্য তথ্যডা দিতেই বলতেছিলেন।
তহন না দিলেই এহন কি সুব্রতদা তথ্যডা দিতে পারেন। জাতি জাইন্যা রাহুক
তথ্যডা।

আর রাইসু দয়া কইরা একটা তালিকা দিবার পারেন যে 'আকাশে কালিদাসের লগে মেগ
দেখতাছি'র কোন কোন লেহার কোন কোন অংশ কোন কোন জায়গা থেইক্কা মারা। এইসব
মারিংকর্মে তিনি কেমন নিয়মনীতি ফলো করেন সেইডাও যদি সবিস্তারে তিনি
বলতেন, তাইলে এই গ্রুপের কেউ কেউ লাভবান অইলেও অইতে পারেন।

রাইসুল মোসাফির

unread,
Apr 25, 2009, 1:45:30 PM4/25/09
to কবিতাকথা
সুমন রহমান তার দীর্ঘ নোটে দোরা কাউয়া বিষয়ে জাতিরে একটা জ্ঞান দিছেন
দেহা গেল যে, এই কবিতা বিচ্ছিন্নভাবে পড়বার লাইগ্যা লেহা অয় নাই, যে/যারা
রাইসুর অন্য কবিতা পইড়া হাফেজ অইয়া গেছে হেরা কেবল এই লেহাডা পড়তে পারব।
এইসব প্যাচাইন্যা কতা দিয়া এরা যে আসলে লেহাডা সম্পর্কে ভালামন্দ কিছু
বলার দায় থেইক্কা বাঁচবার চেষ্টা করছে হেইডা আমার মতো নাদানও বোঝে। ওই
একই ইস্কুলের ইমরুলও দেখলাম অন্যের আলোচনার দোষ ধরতাছেন কিন্তু নিজে
কিছুই বলতাছেন না লেহাডা নিয়া। এগো বিপদ অনেক বড়ো মুনে অইল। এই কারণে যে,
কবিতাডা এরা পছন্দ করতাছে না, আবার হেই কতাডা কইতেও পারতাছে না বন্ধুত্ব
ভাইঙা যায় এই ভয়ে। আহা, অন্যেরা এগো চাইতে অনেক ভালা আছে, কারণ তারা এগো
মতো শাখের করাতের মইধ্যে পড়ে নাইক্কা।

আরেকজন অবনি অনার্য আইছেন দেখলাম রণমূর্তি ধইরা। হেয় কিছু তিক্ত
কতাবার্তা কইয়া নিজের একটা কবিতাই ছাপাইয়া দিছে। যে কারণে এই পোস্ট হেই
দিকে কোনো হু-হা-ও না কইরা নিজের একটা কবিতা এর মধ্যে সান্দাইয়া দেওয়াডা
কি ঠিক অইল? আলোচনার স্রোতটারে অন্যদিকে ঘুরাইয়া দিওনের চেষ্টা না তো
এইগুলা?

মডারেটররে দেখলাম হের কবিতাডারে আবার ইউনিকোড কইরা পোস্টাইয়া দিলেন। কই
সম্পর্কচ্ছিন্ন বইলা কমেন্টটা ডিলিট মারব, তা না কইরা মডারেটরের এই কামডা
করুন একদম ঠিক অয় নাইক্কা কইয়া রাখলাম। শূন্য দশকের অন্ন্যেরা এই
জিনিসটারে সহজে ছাইড়া দিব বইলা তো মনে অয় না, শেষে না আরেক কাইজ্জা লাইগা
বসে।

Sohel Hasan Galib

unread,
Apr 25, 2009, 4:45:57 PM4/25/09
to kobit...@googlegroups.com
দুদিন বেশ দৌড়াদৌড়ির মধ্যে কাটলো। আজ টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় ফিরে কবিতাকথার নোটগুলো ধৈর্য ধরে পড়লাম। একটা বিরাট ফিরিস্তি ফেঁদে বসেছেন সুমন ভাই। দেখলাম, জ্যেষ্ঠভ্রাতাসুলভ পরামর্শ দিয়েছেন তিনি : গালিবের বিশ্রাম দরকার। সন্দেহ হয়, কথাটা কোনো আশ্রমে বসে লিখছেন নাকি! বিশেষত মনোবিকলন শেষে যে আশ্রম হয় মানুষের শান্তিনিকেতন।

আবোলতাবোল গালিব না, সুমন রহমানই বকছেন। শর্টটার্ম মেমরি লস নিয়ে অন্যের ব্যাপারে শ্রুতিভ্রমের অভিযোগ হানাই নির্দেশ করে কী পরিমাণ বেশামাল তিনি। আজিজে গালিবের সাথে একা একা ডেট করবেন কেন, কেনইবা কানে কানে ভ্রমরগীতিস্বরে কথা কবেন? এই ব্যাপিকাচরণব্যাকুলতা কী হেতু?
না। ব্যাপারটা মোটেও এত রোমান্টিক নয়। বরং ক্রুয়েল। সুমন ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিলো লোক-এ বসে। পাশে মুজিব ভাই ছিলেন, আহমাদ মোস্তফা কামাল বা আরো অনেকে ছিলেন। কেওসের মধ্যে কারা কারা ঠিক শুনেছেন আমি জানি না, তবে শুনে থাকতে পারেন পাশ্ববর্তী কোনো জন। মুজিব ভাই কি শুনেছিলেন কথাটা?
 
আপনি আমার জন্য বিশ্রাম দাবি করেছেন। কিন্তু আমি আপনার জন্য কী দাবি করবো বলেন? এই মিথ্যাচারকে বরং আদর করে অপহ্নুতি বলা যেতে পারে।

আজিজে বাখোয়াজি করার লোকের অভাব নাই। আপনি অনেকের সঙ্গেই হয়তো করে থাকেন। তবে আমার সঙ্গে আড্ডা যে একেবারে হয় নি, তা কিন্তু নয়। ঐ দ্যাখো, আবার ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ পাড়ছি। অবশ্য আমার তাতে কোনো সমস্যা নেই। শিল্পসাহিত্যকে কবিব্যক্তি থেকে ছিন্ন করতেই হবে, আমি তা মনে করি না। আমার মতে তিন পর্যায়েই কথা চালাচালি হতে পারে :
১. ব্যক্তিগত আলাপ (সকলকে শোনাবার জন্য, সকলের থেকে শুনবার জন্য নয়)
২. আলাপের নৈর্ব্যক্তিক বিস্তার (সার্বজনীন, সর্বভারতীয়, সর্বমানবীয়, নিখিলনভোময়ী, সকলের অংশগ্রহণমূলক)
৩. অব্যক্তিকতায় আলাপ-সংহার (যা কিছু অব্যক্ত রয়, বাগেন্দ্রিয়ে না সম্ভবে, ইঙ্গিতের ভাষায় কাঁদে, নাহি নাহি কথা ইত্যাদি)

সুমন ভাই আমার পেশাগত পরিচয় পেয়ে এই তো সেদিন, নিজেকে দেখিয়ে বলে উঠেছিলেন, ‌"বড় ভাই, সালাম দেন মিয়া।" পিজির আউটডোরে লেবু চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন তিনি। পাশে ছিলেন কবি শামীম সিদ্দিকী। সেলিম আল দীন পাঠশালায় অনুষ্ঠানের পর একদিন আড্ডায় বললেন, অদিতি ফাল্গুনীর লেখা গল্পের সমালোচনা পড়ে কারা নাকি বলেছিলো, নিজে গল্প লিখে দেখাও। তখন তিনি লিখলেন গরিবি অমরতা, ডুমরি ইত্যাদি ইত্যাদি। "আচ্ছা, বইটা কি পড়েছেন আপনারা?" হঠাৎ প্রশ্নের এই উত্তরে বিব্রত হয়েই বললাম, না পড়ি নি। আমার পাশে উপস্থিত ছিলেন কবি সৈকত হাবিব ও অনন্ত সুজন। "বইটা জনান্তিকে আছে।"---- কথার মাঝখানে বইবিক্রির এই অভিপ্রায় আমার মন্দ লাগে নাই। সত্যি বলছি। একজন লেখক সেটা করতেই পারেন। আপনার কনফিডেন্সকে আমি আমলে নিয়েছিলাম। যার সঙ্গে আড্ডা হচ্ছে, তর্ক হচ্ছে তার বই পড়ে নেয়াটা আমি দায়িত্ব বলেই জ্ঞান করি। রসিকতা করে বলেছিলাম, আপনারা যে সবাইকে খারিজ করেন, লোকে কিন্তু আপনাদের খারিজি সম্প্রদায় বলে থাকে।
যা হোক, বইটা পড়ে যে ভালো লেগেছিলো তা আমি গোপন রাখি নি। লিখিতভাবেই জানিয়েছিলাম সুমন ভাইকে। তিনিও বলেছিলেন, চিঠিটাকে আরেকটু টানাটানি করলেই একটা পূর্ণাঙ্গ লেখা হওয়া সম্ভব। কিন্তু সে সময় বা সুযোগ আর দিলেন কোথায়? বলে বসলেন, পাবলিক স্ফেয়ারে আমি নিন্দা করি। এও যে কত বড় অপলাপ, মেমরিলস...হসপস ইত্যাদি থাকলেও, সুমন ভাই, আপনিই তা ধরতে পারবেন। সামহোয়ারইনে আপনার কবিতা খুলে দেখুন, আমার সপ্রশংস উক্তি খোদাই করা আছে (জানি না, আবার ডিলিট করে দিয়েছেন নাকি)।

এ গেল ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ। এবার অন্য বক্তব্যগুলোর দিকে নজর দেয়া যাক।

প্রসঙ্গ ভাস্কর : এ বিষয়ে আমি কথাই বলতে চাইছিলাম না। তারপরও বলতে হচ্ছে। কারণ, সুমন রহমান তাকে যুক্তিবাদী বলেছেন। খুব স্বাভাবিক যে তিনি এটা বলবেন। অনপেক্ষতার দাবি করছি না, মিনিমাম চক্ষুলজ্জার দোহাই কি দিতে পারি না? যে লোক টুকু বা আমার জন্য কুয়ার (ভুল বানানে কূয়ার) ব্যাঙ অভিধা বয়ে আনলেন, রায় হিশেবে, মন্তব্য হিশেবে, আক্রোশ হিশেবে, তাকে সুমন ভাই বললেন যুক্তি। আর আমি যে বললাম, আপনার বক্তব্য আমি গ্রাহ্য করি না, এমনকি বক্তব্যদানের অথরিটিকেও না----সেটা হয়ে গেল কূক্তি (কু+উক্তি)। হায় রে!

প্রসঙ্গ ধামা : এখানে ব্যাকরণগত ভুল আছে। ধাম মানে বাঁশ। যা কিছু বাঁশ থেকে উৎপন্ন, তাই ধামা (বিশেষভাবে পাত্র)। মাসুদ খান, সুব্রত বা মজনু ধামা হতে যাবেন কেন? বরং একটি ধামা হাতে নিয়ে আমি তাদের পিছন-পিছন ঘুরছি কিংবা তাদের ধামা আমি বহন করছি, কারণ ওখানে ধান পাবার সম্ভাবনা আছে----এই হলো ধামা বিষয়ক ধামালি---ইমেজটা এমনই হবার কথা। আপনার ভুল বোধ গ্রাহ্য করেও বলা যায়, তারাই শুধু আমার ধামা নন, আরও আছে, এমনকি আপনি বা রাইসুদাও কিন্তু আমার ধামা না হলেও ধামি।
আশল কথা হলো কন্ট্রিবিউশন এবং কম্পিটেন্স। এ বিবেচনায় আপনারাও আমার কাছে গ্রাহ্য। আপনাদের বিচার যদি আমার বিরুদ্ধে যায়, তাতে বিমর্ষ হয়ে পড়ার যথেষ্ট কারণ থাকবে বলে মনে হয়। এই যে রাইসুদার পোস্ট নিয়ে এত কথা বলছি, সে যে কী ভীষণ মর্মাঘাত----টের পান না কি?

প্রসঙ্গ রাইসুর কবিতা : রাইসুদা নিজেই তার একটি বিশেষ কবিতা তুলে দিয়ে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন, এর কাছাকাছি আসার মতো কবিতা আমরা লিখি নি। এখানে আপনি তার সমগ্র কাব্যকীর্তিকে টানছেন কেন? কোনটাকে আলাদা করে পাঠ করা যাবে, কোনটা যাবে না----সেটা স্বয়ং কবি বুঝলেন না, বুঝলেন আপনি। নাকি ওটা আপনারই লেখা! থাক সে তক্ক।

রাইসু এই কবিতা লিখিয়াছেন তার সেই পাঠকের জন্য যে ইতোমধ্যে রাইসুর অন্য কবিতাগুলো পড়িয়া জিহ্ববায় তার স্বাদটা চিনিতে সমর্থ হইয়াছেন

----সেই পাঠক নিশ্চয়ই আপনি একা নন। তবে পার্থক্য হলো, ওর কবিতা পড়ে আপনি জিহ্বায় স্বাদ পেয়েছেন, আমরা বোধহয় ঠিক রসনা দিয়ে কবিতা আস্বাদন করি নি। অনেক প্যাঁচালই শোনা হলো, কিন্তু আপনার আস্বাদন-অভিজ্ঞতার কথাটাই শুধু জানতে পারলাম না।

বাই দ্য ওয়ে, রুচি বানানটা আবার ভুল করলেন যে। নাকি পণ করেছেন, আমার কোনো বক্তব্যই আর গ্রহণ করবেন না!


ইতি
গালিব



2009/4/25 রাইসুল মোসাফির <Raisul...@gmail.com>

মুজিব মেহদী

unread,
Apr 25, 2009, 10:51:17 PM4/25/09
to কবিতাকথা
রাইসুল মোসাফিরের অভিযোগের জবাবে বলছি : পোস্ট বা মন্তব্য ডিলিট করবার
চর্চা এখনো শুরু করি নি। করব অচিরে। আর অবনির মন্তব্যটা ডিলিট করবার মতো
লাগে নি আমার কাছে। শূন্য দশকের অন্যদের ব্যাপারে তাঁর কিছু অভিযোগ আছে,
সেগুলোরও বরং একটা সুরাহা হতে পারে এই পোস্টে। আর তাঁর কবিতাটা রয়েছে ওর
বক্তব্যটা আলোচ্য ব্যাপারস্যাপারের সঙ্গে খানিকটা প্রাসঙ্গিক বলে।

এদিকে সাতসকালে গালিব আমাকে একটা বিপদেই ফেললেন দেখছি। ওইদিনের আড্ডায়
আপনাদের দুজনের মধ্যে কী আলাপ হচ্ছিল সত্যিই আমি ঠিক খেয়াল করে উঠতে পারি
নি। তবে এ দেখেছি যে সুমন রহমানের সঙ্গে গালিবের কথা হয়েছে। হতে পারে
তিনি ওইকথা বলেছেন, হতে পারে বলেন নি। আমি কী করে জানব? কারণ নানাদিকে
তখন নানামুখী কথা হচ্ছিল, আমিও হয়ত অন্য কারো সঙ্গে বাতচিতে মগ্ন ছিলাম
তখন।

তবে এটা বলতে পারি যে, সুব্রতদার কবিতা সম্পর্কে সুমন রহমান খুব একটা
উচ্চ ধারণা পোষণ করেন না। সেটা তাঁর সঙ্গে আমার বিভিন্ন সময়ের কথাবার্তায়
প্রতীয়মান হয়েছে। কিন্তু দুঃখিত যে, আমি এ ব্যাপারে কোনো প্রামাণ্য বাক্য
উৎকলন করতে পারব না।

auboni aunarjo

unread,
Apr 26, 2009, 1:17:43 AM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com
জনৈক রাইসুল মুসাফির-এর কোষ্ঠ্যকাঠিন্যময় পোস্টটা কষ্ট করে পড়তে পারলাম শেষ পর্যন্ত। মন্তব্য করতে গিয়ে পেলাম গালিবের পোস্ট। পড়লাম। পরে দেখলাম মুজিব ভাইয়ের পোস্ট। ভালো লাগলো এই দেখে যে, উল্লিখিত মুসাফিরের জবাব তিনি দিয়েছেন।
মিস্টার মুসাফির, আপনি কি আমার পুরো পোস্টটা পড়েছেন?
উত্তর হ্যাঁ হলে, কোথায় মনে হলো যে আমি "রণমূর্তি ধইরা" আসছি কোথায় মনে হইলো্ আপনের?
কবিতা সান্দাইয়া (!!!!) দেই নাই, কবিতা নিজগুণে সান্দাইয়া গেছে।
আমার অ্যাটিচ্যুড প্রায়-সর্বদাই বিনীত, কিন্তু আপনার পোস্টটি উত্তেজক।

** প্রিয় মডারেটর, এই মুসাফির সাহেবটা কে? ইনি কী করেন? উনি যে-ভাষায় লেখলেন, সেটা কোন এলাকার? বাংলা বানানের (ভাষার) এ-রকম গোয়া মারার অর্থটা কী?

2009/4/26 মুজিব মেহদী <m.m...@gmail.com>

আন্দালীব

unread,
Apr 26, 2009, 3:45:27 AM4/26/09
to কবিতাকথা
পাঠক হিসাবে নিজের যেই কাব্যরুচি গড়ে উঠেছে তাতে ব্রাত্য রাইসু'র এই
কবিতা আমার ভালো লাগে নাই। এইখানে গালিবের উল্লেখহেতু বিষয়টা জানানোর
সুযোগ তৈরী হলো...

রাইসু সেল্ফ-প্রোক্লেইমড "বড়ো কবি"। তিনি নিজেরে "বড়ো কবি" বললেন কিসের
ভিত্তিতে? রাইসু যদি "দোরা কাউয়া" বা এই মানের কিছু কবিতাকর্মের জোরেই
নিজেকে "বড়ো কবি"
বলে ঘোষণা দেন, তখন সেই ঘোষণা শুনে নিজের ভেতরে যেই অনুভূতি তৈরী হয় ,
তার নাম - করুণা।

On Apr 26, 11:17 am, auboni aunarjo <auna...@gmail.com> wrote:
> জনৈক রাইসুল মুসাফির-এর কোষ্ঠ্যকাঠিন্যময় পোস্টটা কষ্ট করে পড়তে পারলাম শেষ
> পর্যন্ত। মন্তব্য করতে গিয়ে পেলাম গালিবের পোস্ট। পড়লাম। পরে দেখলাম মুজিব
> ভাইয়ের পোস্ট। ভালো লাগলো এই দেখে যে, উল্লিখিত মুসাফিরের জবাব তিনি দিয়েছেন।
> মিস্টার মুসাফির, আপনি কি আমার পুরো পোস্টটা পড়েছেন?
> উত্তর হ্যাঁ হলে, কোথায় মনে হলো যে আমি "রণমূর্তি ধইরা" আসছি কোথায় মনে হইলো্
> আপনের?
> কবিতা সান্দাইয়া (!!!!) দেই নাই, কবিতা নিজগুণে সান্দাইয়া গেছে।
> আমার অ্যাটিচ্যুড প্রায়-সর্বদাই বিনীত, কিন্তু আপনার পোস্টটি উত্তেজক।
>
> ** প্রিয় মডারেটর, এই মুসাফির সাহেবটা কে? ইনি কী করেন? উনি যে-ভাষায় লেখলেন,
> সেটা কোন এলাকার? বাংলা বানানের (ভাষার) এ-রকম গোয়া মারার অর্থটা কী?
>

> 2009/4/26 মুজিব মেহদী <m.me...@gmail.com>


>
>
>
>
>
> > রাইসুল মোসাফিরের অভিযোগের জবাবে বলছি : পোস্ট বা মন্তব্য ডিলিট করবার
> > চর্চা এখনো শুরু করি নি। করব অচিরে। আর অবনির মন্তব্যটা ডিলিট করবার মতো
> > লাগে নি আমার কাছে। শূন্য দশকের অন্যদের ব্যাপারে তাঁর কিছু অভিযোগ আছে,
> > সেগুলোরও বরং একটা সুরাহা হতে পারে এই পোস্টে। আর তাঁর কবিতাটা রয়েছে ওর
> > বক্তব্যটা আলোচ্য ব্যাপারস্যাপারের সঙ্গে খানিকটা প্রাসঙ্গিক বলে।
>
> > এদিকে সাতসকালে গালিব আমাকে একটা বিপদেই ফেললেন দেখছি। ওইদিনের আড্ডায়
> > আপনাদের দুজনের মধ্যে কী আলাপ হচ্ছিল সত্যিই আমি ঠিক খেয়াল করে উঠতে পারি
> > নি। তবে এ দেখেছি যে সুমন রহমানের সঙ্গে গালিবের কথা হয়েছে। হতে পারে
> > তিনি ওইকথা বলেছেন, হতে পারে বলেন নি। আমি কী করে জানব? কারণ নানাদিকে
> > তখন নানামুখী কথা হচ্ছিল, আমিও হয়ত অন্য কারো সঙ্গে বাতচিতে মগ্ন ছিলাম
> > তখন।
>
> > তবে এটা বলতে পারি যে, সুব্রতদার কবিতা সম্পর্কে সুমন রহমান খুব একটা
> > উচ্চ ধারণা পোষণ করেন না। সেটা তাঁর সঙ্গে আমার বিভিন্ন সময়ের কথাবার্তায়
> > প্রতীয়মান হয়েছে। কিন্তু দুঃখিত যে, আমি এ ব্যাপারে কোনো প্রামাণ্য বাক্য
> > উৎকলন করতে পারব না।
>
> --
> Auboni Aunarjo
> --------------------------http://www.auboni-aunarjo.com/
>

> http://www.mukto-mona.com/Articles/auboni_aunarjo/index.htmhttp://www.sristisukh.com/ebook/auboni/index.htmlhttp://aunarjo.googlepages.com/- Hide quoted text -
>
> - Show quoted text -

sumon rahman

unread,
Apr 26, 2009, 2:12:39 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com
মুজিব মেহদী,

যদি "প্রামাণ্য বাক্য উৎকলন" নাইই করতে পারেন, তবে সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ-র কবিতা সম্পর্কে আমি উচ্চ ধারণা পোষণ করি না... এমন একটি ধারণা কিসের ভিত্তিতে জনসমক্ষে ব্রডকাস্ট করলেন? এখন আমি যদি বলি সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য কবি (এবং তিনি তাইই) তখন আপনার এই আন্দাজনির্ভর বিবৃতির ভবিতব্য কী দাঁড়াবে? একটা আলোচনাচক্রের মডারেটর হিসেবে এ ধরনের আলটপকা মন্তব্য করা আপনার জন্য কতটুকু শোভন? এসব বাখোয়াজির ডাইজেস্ট বানানোর জন্যই তাহলে এই গ্রুপ খুলেছেন?

আন্দাজনির্ভর বিবৃতি না দেয়াই ভাল: বিশেষ করে সংবেদনশীল বিষয়ে।

সুমন রহমান


> Date: Sat, 25 Apr 2009 19:51:17 -0700
> Subject: [কবিতাকথা:584] Re: এ কী আজব কারখানা
> From: m.m...@gmail.com
> To: kobit...@googlegroups.com

Gomes, Subrata Augustine

unread,
Apr 26, 2009, 3:36:27 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com

প্রিয় মুজিব,

প্রথমত, আমারও জানবার ইচ্ছা হচ্ছে এই রাইসুল মোসাফির কে। এটা তো ফেসবুক না যে যে কেউ যে কোনো ছদ্মনামে এখানে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন বা গ্রুপ মেম্বার হতে পারেন। আর, আপনি ঠিক এইরকম পোস্ট অ্যাপ্রুভ করেন কী করে তাও বুঝতে পারছি না

 

অবশ্য নয় যে আমি কারো পোস্ট ডিলিট করবার পক্ষে। তা নয়। কিন্তু এরকম রুচিহীন পোস্ট-প্রেরকের প্রতি আপনার কিছু সাবধানবাণী আমরা অন্তত আশা করতে তো পারি? তাই না?

এবার ফিরে আসছি রাইসুর "দোরা কাউয়া" সংক্রান্ত কথাবার্তা প্রসঙ্গে

আমার মন্তব্যকে রাইসু ভুল বুঝে একটা হীটেট পোস্ট কবিসভা এবং ফেসবুকে দিয়েছে। আমার মন্তব্যটির উদ্দেশ্য এটা বলা ছিল না যে কবিতাটি খারাপ, কিন্তু তা সত্ত্বেও, একটা "খারাপ" কবিতার নিরিখে তাকে বিচার করা ঠিক নয়

 

আমি বলতে চেয়েছিলাম এই যে <<কারো কারো মতে>> কবিতাটা খারাপ হতে পারে (যেমন দেখতে পাচ্ছি আজকাল), কিন্তু যাঁরা স্রেফ একটা কবিতা খারাপ লাগাতে রাইসুকে অকবি বলে গাল দিচ্ছেন, তাঁরা হয়তো ভুল করছেন

 

আপনি আমার প্রবন্ধ থেকে কিছু অংশ তুলে দিয়ে দেখাতে চাইলেন যে আমারও মতে কবিতাটা খারাপ। কিন্তু আমি নিজে সেরকম কিছু দেখতে পেলাম না। আমার মন্তব্য ছিল যে "গোয়া মারে" ফ্রেসটা না থাকলেও কবিতাটার বিশেষ ক্ষতি হয়তো হত না

 

এবার আমি আসি কবিতাটা আমার কেমন লাগে তাতে। কবিতাটা আমার ভালো লাগে। পিউয়র পোইট্রি আর ননসেন্স-এর মাঝামাঝি একটা রচনা এটি (আমার মতে), এবং দুটো জ্যঁর (genre)- আমার ভারি প্রিয়

যে রচনাটির উল্লেখ আমি করেছিলাম (বা করা থেকে বিরত হয়েছিলাম) আমার লেখায় সেটি রাইসুই সংগ্রহ করেছিল আরিচা ফেরিঘাটের এক (সম্ভবত অন্ধ) গায়কের কাছ থেকে, এবং "প্রান্ত" পত্রিকায় ছেপেছিল। রাইসু গানটির টুকলি করে নি। গানটার ধরনটা ব্যবহার করেছিল মাত্র

 

একজনের কবিতায় আরেকজনের কবিতার প্রবেশ ঘটতে পারেই, নানা ফর্মে, তাকে টুকলি বলে না। বললে, টি এস এলিয়টের মতো টুকলিবাজ পৃথিবীতে কমই জন্মেছেন

 

এবার রাইসুর মন্তব্য বিষয়ে: রাইসুর মতো আমারও বিশ্বাস নয় যে তার এই কবিতার চেয়ে ভালো একটাও কবিতা তথাকথিত শূন্য দশকে লেখা হয় নি। আমার এমন বিশ্বাস না হবার কারণ মুখ্যত ইগনরান্স। আমি শূন্য দশকের লেখা যথেষ্ট পরিমাণে পড়ি নি, আই হাম্বলি কনফেস। গালিব তাঁর সম্পাদিত শূন্য দশকের যে সংকলনটার সফট কপি পাঠিয়েছে সেটা ভালোমতো পড়ে দেখি আগে, তারপর না হয় বলা যাবে কিছু

 

সুমন আমার কবিতা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছে কীনা বা করে নি কীনা, তা এইসব আলোচনায় কেন প্রাসঙ্গিক তাও আমি বুঝতে অক্ষম। এটা গালিব কেন উল্লেখ করলেন তা আমি বুঝতে আগ্রহী

 

আর, গালিবের বিরুদ্ধে "মাস্টারির" অভিযোগ এসেছে কয়েকজনের কাছে থেকে। আমার নিজের অবশ্য বিশেষ এসে যায় না এসবে। এবং কারো কোনো সাহিত্যকর্মে বানান-ভুল ছন্দ-ভুল এসব দেখিয়ে দেওয়াটা আমি নিজে কর্তব্য জ্ঞান করি। তবে ইগ্রুপের চিঠিপত্রেও সেটা করতে যাওয়াটা নিরর্থক বলেই মনে হয়। বাই দ্য ওয়ে, গালিব, আপনার "অবিমৃষ্যকারিতা"- "" এমনকি কোনো কোনো অভিধানে সমর্থিত হলেও আসলে ভুল, ""-যুক্ত বানান শুদ্ধ (একটু রসিকতা করলাম, ভাই, নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করবার জন্য নয়)

 

পরিশেষে, অতিবিনীত একটা প্রস্তাবনা - তো হতেই পারে যে আমার কবিতা হয় না। হতেই পারে যে প্রতিভা বা মেধার অভাব আমার আছে। কিন্তু সারাজীবন ধরে কোনো একটামাত্র কাজ যদি সিরিয়াসলি করে থাকি, তা কবিতা লেখবার চেষ্টা। প্রায় তিরিশ বছর সে চেষ্টা চলছে। যে বয়সে ছেলেদের ফুটবল ক্রিকেট, পাশের বাড়ির মেয়ে আর মারামারি হয় বয়সোচিত বিষয়, সে বয়সে আমি বাংলা ছন্দ নিয়ে ধস্তাধস্তি করেছি, করেছি বাংলা ব্যাকরণ নিয়ে। তার পর, কবিতা নিয়ে যত লেখা যেখানে দেখেছি, সুধাভ্রমে গলাধঃকরণ করে পেট খারাপ করেছি। এখনও এই "ছাত্রত্ব" আমার ঘোচে নি। এই যে কদিন আগে গালিব আর সুমন শামসুর রাহমান আর আল মাহমুদকে নিয়ে কথা বলছিলেন, আমি মন্তব্য না করলেও আগ্রহ নিয়ে পড়ছিলাম সেসব। কিন্তু হামেশা কেউ যখন কান ধরে জ্ঞান দিতে আসে, পাছায় বেত মেরে পাঠ করায় "সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে", তখন কিছু অসহায় বোধ করি

 

টুকু তাঁর আলোচনায় প্রায় অযাচিতভাবে মজনু শাহ্- প্রসঙ্গ টেনে আনেন। এই দুঃখ হয়তো তাঁর যাবার নয় যে আমি আমার এক প্রবন্ধে মজনুর নাম নিই নি। নিই নি যে তার প্রধান কারণ ছিল তখন এই, যে আমি মজনুর কবিতা তখনও পড়ি নি। তবে পড়লেই যে তাঁর নাম নিতাম, তা না- হতে পারে মজনুর লীলাচূর্ণ পর্যন্ত, পদে পদে ছন্দ-ভুল। আমার সম্পূর্ণ গদ্যে-লেখা কবিতায় সমস্যা নাই, কিন্ত ছন্দে লিখবে ছন্দ না জেনে, আমি নিতে পারি না। এমন দেখলে আমার কবিতা পড়বার আগ্রহ লোপ পায়। মজনুর "মধু মশলার বনে", যা সে আমাকে নিজে পড়ে শুনিয়েছিল, আমার ভালো লেগেছে (তাতেও কিছু চ্যুতি থাকা-সত্ত্বেও) আমার প্রিয় বন্ধু বিষ্ণু বিশ্বাস আমার প্রিয় কবিও ছিল। তাঁর গদ্যে-লেখা কবিতাগুলোর চেয়ে ভালো কবিতা একালে বড়একটা লেখা হয় নি মনে হয়। কিন্তু ছন্দে লিখতে গেলে সে ভুল করত, আর জেদ-বশত আমার কাছে শিখতেও রাজি হত না। আমার একটা কষ্টের কারণ ছিল। এবার দেখলাম সাজ্জাদ, মজনুর লীলাচূর্ণ থেকে কবিতা নিয়েছে "বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিতা"য়। ছন্দ-ভুলগুলি সমেত। এতে মজনু এবং বাংলাদেশের কবিতার অগৌরব হয়েছে, পশ্চিম বাংলার সামনে, আমার খারাপ লেগেছে তা

 

আমার কবিতা কারো ভালো না-লাগলে আমার খারাপ লাগে; মানুষ আমি, তাই লাগে। কিন্তু আমি আমার মনের ভিতর থেকে জানি যে আমার কবিতা আমার নিজের ভালো না-লাগাই আমার কবিতা ভালো না মন্দ তা যাচাই করবার সবচেয়ে বড় নিরিখ। কেননা, আমি আমার কবিতার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ পাঠক, এবং নিদেন একজন পাঠক হিসাবে, আমি বেশ ভালো পাঠক। কাজেই, সাময়িক মন খারাপ লাগলেও, টুকু বা গালিবের মন্তব্যকে ডেথ সার্টিফিকেট ভাববার কোনো কারণ আমার নাই - সেটা নিজেকে নিজে ইতোমধ্যে লিখে দিয়ে রেখেছি আমি

সুব্রত

 


 

From: kobit...@googlegroups.com [kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of auboni aunarjo [aun...@gmail.com]
Sent: Sunday, 26 April 2009 1:17 AM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [কবিতাকথা:585] Re: এ কী আজব কারখানা

Tarique Tuku

unread,
Apr 26, 2009, 3:51:47 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com
সুব্রতদার পুরো লেখাটা আমার মেইলে দেখতে না পেয়ে গেলাম কবিতাকথার হোমপেজে। সেখানে দেখি পুরোটাই আছে। সবার মেইলে পুরো লেখাটা গেছে কীনা, সেই সন্দেহ থেকে লেখাটা আবার পোস্ট: লিংক


প্রিয় মুজিব,
প্রথমত, আমারও জানবার ইচ্ছা হচ্ছে এই রাইসুল মোসাফির কে। এটা তো ফেসবুক না যে যে কেউ যে কোনো ছদ্মনামে এখানে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন বা গ্রুপ মেম্বার হতে পারেন। আর, আপনি ঠিক এইরকম পোস্ট অ্যাপ্রুভ করেন কী করে তাও বুঝতে পারছি না।

Sohel Hasan Galib

unread,
Apr 26, 2009, 6:06:36 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় সুব্রতদা,

আপনি টুকুকে লেখা চিঠিতে একজায়গায় বলছেন :
রাইসু কোনো এক কবিতা "গোয়া মারে" লিখেছে তাই তাঁর আজীবনকাল লেখা সব কবিতা বাতিল হয়ে গেল!

---এ বাক্যের যে অর্থ রাইসুদা করেছেন, আমার কাছেও তাই, হয়তো সকলের কাছেও। বাক্যের নিহিতার্থটা এমন : কোনো এক কবিতা "গোয়া মারে" বাতিলযোগ্য হলেও তার সব কবিতা বাতিল হয় না। হয়তো অসতর্ক মুহূর্তের সত্যভাষণ এটি। এখন আপনি বক্তব্য পাল্টালেন। তা সত্ত্বেও পল্টি-খাওয়া বক্তব্যকেই চূড়ান্ত বলে গণ্য করতে হবে আমাদের। সেক্ষেত্রে আমরা যে আপনার সহযাত্রী হতে পারলাম না, সেটি হয়তো আমাদেরই ব্যর্থতা।

আপনার কবিতা নিয়ে সুমন ভাইয়ের মন্তব্য কেন এলো, সেটা ভেবেছিলাম আমার ঐ পোস্টেই পরিস্ফুট। তা হয় নি বলে আমার বাক্য নিশ্চিতই ব্যর্থ। তাই আবার বলছি। কবিতা নিয়ে কথা বলতে আড়াল খশাতেই চেয়েছি আমরা। সখাতত্ত্ব, সমাজতত্ত্ব সব কিছুর বাইরে থেকে। বন্ধুত্ব কি কবিতাবিচারে কোনো টাবু নাকি? দেখতে চেয়েছি কে পারে এই টাবুকে কাবু করতে।

মাস্টারির অভিযোগ আমি এনজয় করি। আপনি যে আমার ভুল ধরেছেন, সেটাও এনজয়েবল। তবে একটু অজুহাত দিতে চাই। ‌'অবিমৃষ্যকারিতা' বানানটাকে ভারতের প্রাদেশিক বাংলা বলছে ভুল। আর বাংলাদেশের বাংলা একাডেমী বলছে ঠিক, তার সপক্ষে বিদ্যাসাগরের দোহাই আছে। আমি বিদ্যাসাগরের পক্ষে গিয়েছি মাত্র। শব্দের ব্যুৎপত্তি তালাশ করি নাই।


ইতি
গালিব


2009/4/27 Tarique Tuku <tariq...@gmail.com>

Tarique Tuku

unread,
Apr 26, 2009, 6:35:49 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় গালিব ভাই,

চাকরি ছাড়ার পর কাজ আরও বেড়ে গেছে, এই মেইলগুলো কোনখান দিয়ে আসে যায় দেখি ঠিকই, পড়ার সময় পাই না। আজ রাতে কাজ না করেই ভাবলাম মেইলগুলো একটু পড়ি।

আপনার মেইলটা পড়লাম। দেখলাম আপনি মাসুদ খান, সুব্রত দা এবং মজনু শাহকে  'ধামা' ধরেছেন। আমি আশ্চর্য হলাম সুব্রতদা'র নামটা এখানে কীভাবে আসলো তা ভেবে। এটাতো আসতেই পারেনা। ভাবেন তো, একটা বাশ দুইজনে মিলে ধরে আছেন। যে ধামা রাইসু বহু আগে থেকে ধরে আছেন("সত্য সত্য বলো তো এই 'দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে'র কাছাকাছি আইতে পারে এমন কবিতা ওনারা দুইজনের কেউ লেখছেন?"), তা আবার আপনি ধরতে গেলে  স্বয়ং ধামারইতো অস্থির হয়ে উঠার কথা।আমাদের ভাগ্য, সুব্রত দা অস্থির হয়ে ওঠেননি। তিনি সত্য সত্যই বলে দিয়েছেন, কবিতাটা ভালো লেগেছে তাঁর কাছে। কে যে লিখেছিলেন, শুধু কি সত্যেরই জয় হবে, মিথ্যার কেন নয়- আমার তখন ঐ কবিতাটা মনে পড়লো, দেখলাম কথা কীভাবে উল্টে যায়। সুব্রতদা বলেছেন,রাইসুর মতো তার বিশ্বাস এ নয় যে, ঐ কবিতার চেয়ে ভালো কবিতা শুন্য দশকে লেখা হয়নি। এই বিশ্বাসের কারণ হলো, তিনি শুন্যের কবিতা পড়েন নি। রাইসু জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আমি বা আপনি ঐ কবিতার মতো কোনো কবিতা লিখতে পেরেছিলাম কীনা, সুব্রতদা উত্তর দিলেন শুন্য দশকে এর চেয়ে ভালো কবিতা লেখা হয়েছে কীনা সেই পয়েন্টে। মানে, আমরাতো লিখিইনি বরং শুন্য দশকে অন্যান্যরা লিখতে পেরেছেন কীনা সুব্রতদা সেই প্রশ্নে সরাসরি চলে গেলেন,না পড়েই। এই হলো বন্ধুত্ব, বুঝলেন গালিব ভাই।

ব্যক্তিগতভাবে আমি আরও বেশি খুশি হতাম যদি সুব্রতদা সরাসরিই কথাটা বলতেন। কেননা, আকুতি সাধারণত মানুষ বিশ্বস্ত মানুষের কাছেই করে থাকে। রাইসুও তা করেছেন। এবং সুব্রত-দার সেখানে 'না' বলাটা  অশোভন হতো। বন্ধুত্বের জন্যও ক্ষতিকর হতো। রাইসুর বলা 'তোমার বা আমার মত বড় কবির পাঠক হইতে পারাই ওনাদের জন্য যথেষ্ট ' কথাটাও বিফলে যেত।

এই পোস্টটি লিখতে লিখতে দেখলাম, আপনি সুব্রতদাকে জিজ্ঞাসা করছেন, বন্ধুত্ব কবিতাবিচারে ট্যাবু কীনা? তার আগে আরেকটা কথা বলি, সুব্রতদা লিখেছেন, টুকু তাঁর আলোচনায় প্রায় অযাচিতভাবে মজনু শাহ্-র প্রসঙ্গ টেনে আনেন। সে কি আমি আনতে পারি না গালিব ভাই, সুব্রতদা যদি তা করতে পারেন!

যাক, বন্ধুত্ব অনেক গুরুত্বপূর্ণ গালিব ভাই। বড়ো-কবি নির্ণায়কও।  আপনি কি সুব্রতদার কথা উল্টে যাওয়াকে দেখলেন না ?  তবে বন্ধুর আকুতিতে যে কবির কবিতাবিচার উল্টে যায়, তার কবিতাবিচার আর কখোনোই আমার গ্রাহ্যে আসবে না। আর রাইসুর কাছাকছি কোনো কবিতা লিখে ফেলেছি এটা ভাবতে গেলেও ব্যক্তিগতভাবে অসম্মানিত বোধ করবো আমি। লিখতে এসেছি, আস্তাকূড় নিয়ে ভাবতে আসিনি।

ভাল থাকবেন। 

তারিক


2009/4/27 Sohel Hasan Galib <kranti...@gmail.com>

Gomes, Subrata Augustine

unread,
Apr 26, 2009, 7:24:36 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com
Muzib,
 
Apnar kachhe khoma chaichhi prothomei, Roman horofe likhte badhyo howay. Office-e boshe Bangla type kora mushkil, PC o server-e nanaroop restriction achhe.
 
 
Galib,
 
Ami ekhon abishkar korlam Raisu keno bhul bujhechhilo amar kotha, ebong shei shonge apnarao... ekTa oti khudro "typo" chhilo amar lekhay:
 
Ami likhte cheyechhilam <<kono ek kobitay "goa mare" likhechhe>> kintu type korbar shomoy ontostho y-Ta type korte bhule giyechhilam.
 
Modda kotha, amar mone ja chhilo ta ei je <<Raisu'r kono ekTi kobitar modhye "goa maro" shobdobondhoTi achhe bolei je tar shob kobita batil hoye jabar jogyo ta hote pare na>>
 
Kintu oi y-karer luptir por er ortho hoyto emon hoye gechhe <<"goa maro" ba sherokom nam ba bishoyer kono ekTi [[kharap?]] kobita she likhechhe bolei je bhalo kobita[-o] lekhe ni, ta noy>>
 
Asha kori ebar Raisu ebong apnar malum hote parbe je oi kobitaTike ami kharap boli ni prothomabodhi... keu keu oi kobitay byabohrito shobdobondhoTir karoNe biroop montobyo koray kothaTa ami bolechhilam.
 
Uporer kothagulo grohoNjogyo mone na hote pare oboshyo je karori... shekhetre amar bolar kichhu thakbe na ar... ami shotyo ba mithyake defend korte shikhi ni...
 
Subrata
 


From: kobit...@googlegroups.com [mailto:kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Sohel Hasan Galib
Sent: Monday, 27 April 2009 8:07 AM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [????????:592] Re: ? ?? ??? ???????

Gomes, Subrata Augustine

unread,
Apr 26, 2009, 7:55:51 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com

Muzib,

 

Abar-o marjona chaichhi Roman horofer torofe...

 

 

Tuku,

 

Ja korchhen, bhai, tate apnar bibeker shay achhe to? Apni sref akromoNer jonyoi akromoN kore boshchhen na to? Sref obhiman-taRito hoye nijer bhaike gali diye boshchhen na to? Nije boshe-thaka Dal-e kop marchhen na to? EkTu matha ThanDa kore bhabun.

 

Bondhukrityo... ta boTe... Raisu bondhu boTe amar... kintu sheTa shudhui Raisu noy... amar ekshomoykar motto chhilo (ekhono achhe, tobe koddin thake aro ta bola jay na) "boshudhoibo kuTumbokom"... shei shubade Tarik Tuku-o bondhu amar.

 

Raisu'r kobita amar bhalo lage, she amar bondhu hobar jonyo noy... tar onek achoroN-i amar gaye phoshka tule dey... tar shonge jhogRao nehat kom hoy ni amar... kintu kobita bhalo lagleo, lage ni bolbar moto mithyachar ami ayotto korte pari ni...

 

Aro dekhun bhai, amar shomoshomoyer kobi, jotha Rifat Choudhury, Kajal Shahnewaz, Kafil Ahmed, Sarkar Masud - eder shokolke ami bondhu bolei jantam agagoRa... e(n)ra amar nam-Ta mukhe konodin uchcharoN koren ni... ami je exist kori/kortam, e(n)der shonge bat-chit-e kokhono bujhte parben na... kintu eder shobari nam ami kono na kono rochonay niyechhi, amader shomoyer ullekhjogyo kobi hishabe...

 

Masud Khan-er kotha dhora jak... ta(n)ke jiggesh kore dekhte paren tar kobitar kemon paThok ami... ei modhyo-boyosheo tar onek kobitar line-ke-line mukhostho bole dite parbo... ta(n)r kobita niyeo likhechhi ami, onubad korechhi amar baje ingrejite ta(n)r kobita, onek sroddhyay, bhalobashay... kisher protyashay? Ami ki kokhono cheyechhi je Masud Khan ba Raisu ba Sajjad keu amar kobita niye kichhu likhuk? Ar, tara to lekheo ni ta... tar poreo tader lekhar proshongshay ami biroto hoyechhi? Naki ta(n)derke heyo korbar shoRjontro korechhi dolbaji kore?

 

Ei Khan saheber upor apnara boi korchhen, othocho amar ta jante holo Rashida Sultanar kachhe, ja(n)ke apnader keu ekjon ekTa lekha dite bolechhilen MK-er upor... ami bhebechhilam amake keu bolbe kichhu likhte, ba amar itomodhye lekha probondhoTi chaibe... na temon kichhu ghoTlo na. Khan saheb nije oboshyo pore bolechhilen ekTa lekha dite ei boiTir jonyo... amar ichchha hoy ni ar...

 

Abar amar emon bondhu achhe jara amar kachhe kono recognition pay ni kobi hishabe - ebong tar phole amar upor besh bila... kintu... abar-o, ami bhalo na lagle bhalo bolte pari na, e amar okkhomota...

 

Tuku... apnar koyekTi kobita shudhu ami poRechhi, ebong hoyto montobyo-o korechhi... aro poRle aro comments paben nishchoyi, Galiber khetreo kothaTa khaTe, ba je karo khetrei...

 

PorisheShe... Raisu'r kobitaTir moto kobita shunyo doshoke lekha hoyechhe kina ei biShoye amar boktobyoke apni twist korechhen, shudhui apnader ebong ei shomoyer onyo kobider proti amar osroddha promaN korbar jonyo... apnar bolar dhoroNTa ukiler, ebong eibhabe kotha bola lokjonder ami eRiye cholte chai. Amar adalot bheeti achhe (chorer mon police police jehetu).

 

Bhalo thakun, shustho thakun, maa kashchid du:khabhagarbhavet.

 

Subrata



From: kobit...@googlegroups.com [mailto:kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Tarique Tuku
Sent: Monday, 27 April 2009 8:36 AM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [????????:593] Re: ? ?? ??? ???????

muzib mehdy

unread,
Apr 26, 2009, 10:20:07 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com
সুমন ভাই, আমার বক্তব্যে মোটের ওপর কোনো আন্দাজ ছিল না। যে কথার অডিও
নেই, সেকথা বলা যাবে না এমনটাই কি সবসময় সিদ্ধ নাকি? আমি তো গালিবের
কমেন্টের পরে একথা নির্দ্বিধায়ই বলতে পারতাম যে, হ্যাঁ আমি ওরকমটা বলতে
শুনেছি। কিন্তু বাক্যটা ভাসা ভাসা কানে এলেও হুবহু গঠনটা মনে রাখতে পারি
নি বলে বলি নি তখন। সেটাতে সততারই জয় হয়েছে।

আপনি বলেছেন, 'এখন আমি যদি বলি সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ বাংলা সাহিত্যের


উল্লেখযোগ্য কবি (এবং তিনি তাইই) তখন আপনার এই আন্দাজনির্ভর বিবৃতির

ভবিতব্য কী দাঁড়াবে?'

এটা যদি এখন আপনি বলেন (অলরেডি বলেছেনই), তাহলে আমি হয়ত একটা বিব্রতকর
অবস্থায় পড়ি, কিন্তু আপনি যে সময়সুযোগে আপনার অবস্থান পালটান, জনসমক্ষে
তা রীতিমতো উদোম হয়ে যায় (অলরেডি হয়েছে)।

muzib mehdy

unread,
Apr 26, 2009, 10:43:13 PM4/26/09
to kobit...@googlegroups.com
অবনি এবং সুব্রতদা রাইসুল মোসাফির সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন, কিন্তু আমি
তাঁর আমূল কুলপরিচয় দিতে পারছি না বলে দুঃখিত, যদিও আমি তাঁর পিতৃপ্রদত্ত
নামটা জানি। ইনি একজন তরুণ কবিতাকর্মী। এইনামেই প্রথমআলো ব্লগে তাঁর কিছু
লেখালেখি আছে। মূলত কবিতা লেখবারই চেষ্টা করেন। মেম্বার হবার সময় তাঁর
একটা শর্ত ছিল যে, তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নামটি ফলাও করা যাবে না। আমি তাঁকে
কথা দিয়েছি, এখন সেই শর্ত কী করে ভাঙি বলুন?

তাঁর উপরের মন্তব্য দুটোর প্রতি কি খুব বড়ো অভিযোগে আনা যায়? প্রথম
কমেন্টটিতে তিনি তাঁর মতো করে 'মিমিক্রি'র একটা ইন্টারপ্রিটেশন হাজির করে
তার ভিত্তিতে কিছু মন্তব্য করেছেন সম্ভবত (মিমিক্রির অর্থটা যদিও আমি
নিজে জানি না)। ওইখানে আলোকপাত করা দরকারও ছিল মনে করি, যেজন্য আপনার
থেকে তার একটা যুৎসই ব্যাখ্যাও পেলাম। আর পরের কমেন্টে তিনি তিনজন
আলোচকের মন্তব্য সম্পর্কে অভিমত রেখেছেন, যদিও তিনি নিজেও কবিতাটি
সম্পর্কে কোনো মন্তব্য হাজির করেন নি।

ভবিষ্যতে তিনি তাঁর মন্তব্যে আরো সচেতন হবেন এরকম আশা করি।

auboni aunarjo

unread,
Apr 27, 2009, 12:01:41 AM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com
attn: সুব্রতদা, গালিব
প্রখমত: মজনু শাহ'র কবিতা নিয়ে সুব্রতদা'র অসাধারণ এবং সাহসী মন্তব্যের জন্য সুব্রতদাকে সালাম জানাই।
এবার গালিবকে বলছি। আচ্ছা, সুব্রতদার কথার উদ্ধৃতি দেই আগে-- রাইসু কোনো এক কবিতা "গোয়া মারে" লিখেছে তাই তাঁর আজীবনকাল লেখা সব কবিতা বাতিল হয়ে গেল!


---এ বাক্যের যে অর্থ রাইসুদা করেছেন, আমার কাছেও তাই, হয়তো সকলের কাছেও। বাক্যের নিহিতার্থটা এমন : কোনো এক কবিতা "গোয়া মারে" বাতিলযোগ্য হলেও তার সব কবিতা বাতিল হয় না। হয়তো অসতর্ক মুহূর্তের সত্যভাষণ এটি। এখন আপনি বক্তব্য পাল্টালেন
এখানে বক্তব্য পাল্টানোরন অভিযোগ আমার কাছে সঠিক ডায়াগনোসিস বলে মনে হয়নি। কারণ---- সুব্রতদা বলেছেন-- কবিতাটিকে (যেকোনো কারণেই হোক) বাতিলযোগ্য (যাদের কাছে মনে হয়) মনে করলেও, তাতে রাইসুর সব কবিতাই বাতিল হয়ে যায় না, বা রাইসু অ-কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন না [[যারা কবিতাটিকে বাতিলযোগ্য মনে করেন, এটি তাদেরকে নিয়ে করা মন্তব্য বা ধারণা।]] কিন্তু পরে তিনি নিজেই কবিতাটির বিষয়ে নিজের মন্তব্য করেছেন। ফলে এখানে পল্টি খাওয়ার অভিযোগ আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। সুব্রতদা'র কমেন্ট পেলে আমাদের বুঝতে সুবিধে হবে।
গালিবের মন্তব্যে ভুল-বোঝাবুঝি থাকতে পারে, কিন্তু টুকুর মন্তব্যগুলো বড় বেশি আবেগতাড়িত, টলোমলো, বন্থুর প্রতি অসহায়-সমর্থনপ্রার্থী, এবং ভুলজর্জর, ভিত্তিহীন-আক্রমণাত্মক। মাসুদ খান, মজনু শাহর সঙ্গে সুব্রতদা'র নাম কেন এলো সেটা নিয়ে হাহুতাশ ব্যক্ত করেছেন। আজব! গালিব ধামা হিসেবে ধরলে টুকুর সমস্যা কোথায়? নাকি টুকুকে সঙ্গে নিয়ে ধরেননি বলে! আর সুব্রতদাকে ধামাজ্ঞান করেন রাইসু--এ-মন্তব্যের ভিত্তি কী? সুব্রতদাকে ধামাজ্ঞান করলেও পরে আর কেই ধামজ্ঞান করতে পারবে না? মাসুদ খান'র ধামা কি কেবল আপনিই (বা গালিব; যেকোনো একজন  কিন্তু !!)???
রাইসুর মন্তব্যেল বিপরীতে শূন্য দশকের কবিতা নিয়ে টুকুর মন্তব্যের সঙ্গে আমি একমত। এবং বিশ্লেষণটা ভালো লেগেছে। কিন্তু আবার, সুব্রতদা (পরে) করেছেন বলে আপনার (আগেই) করা উচিত হয়েছে--এটা হাস্যকর না?

মুজিব ভাই, সুব্রতদা'র সঙ্গে আমিও একমত হয়েই বলতে চাই-- কবিতাকথা ফেসবুক বা ব্লগ জাতীয় কিছু না। এর সদস্য সীমিত, এবং নির্বাচিত। ফলে, অন্তত প্রাথমিকভাবে, দেকা যাচ্ছে এখানে মোটামুটি চেনা নামের কবি/সাহিত্যিকরাই আছেন। এটার সুবিধে এই যে, যে-কারো মন্তব্য সুচিহ্নিত হয়। ফলে, বাখোয়াজি করা যায় না। নিকে (এবং যে-নিকও একেবারেই অপরিচিত) মন্তব্য করলে, বিশেষত এই জাতীয় মন্তব্য, তখন তাঁর জাত-কুল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আপনি (বা আমি বা অন্য কেউ যাদের পরিচিতি আছে) মন্তব্য করলে তাদের একটা অ্যাকিউন্টেবিলিটি থাকে। নিকে করলে সেটা থাকে না। কারণ তার সামাজিক (অ-সামাজিকও) পরিচিতি নেই।
বিনীত
অবনি


2009/4/27 muzib mehdy <m.m...@gmail.com>

sumon rahman

unread,
Apr 27, 2009, 1:59:00 AM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com

মুজিব,

গসিপ আর সাহিত্য আলোচনা এক নয়। আপনার এই প্লাটফর্ম গসিপের আদানপ্রদানের জায়গা হয়ে উঠছে। এটা বিপজ্জনক।

গালিব যখন সুব্রত দা-র কবিতার ওপর আমার বক্তব্য হাজির করলেন আমি যারপরনাই কৌতুক অনুভব করেছি। সম্পর্ণ অযাচিতভাবে সেটা তিনি করেছেন। এখন সে কথা আমি বলেছি কি বলি নাই সেটা মুখ্য বিষয় হয়ে থাকে না আসলে। পাবলিক স্ফেয়ার আর প্রাইভেট স্ফেয়ারকে গুলিয়ে ফেলার গালিবীয় গুরুচণ্ডালিপনাটুকুই মুখ্য বিষয় হয়ে যায়। মডারেটর হিসেবে আপনিও একই কাজ করেছেন। এখন বলছেন সময় সুযোগ বুঝে আমি অবস্থান পাল্টাই এবং তা উদোম হয়ে যায়। আবারো, কথার স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দাখিল করেন নাই। মুজিব, সাহিত্যিক আলোচনার প্লাটফর্ম তৈরি করার ইচ্ছা থাকলে এসব থেকে সরে আসা উচিৎ হবে আপনার। আর ব্যক্তির কুৎসা করতে চাইলে অবশ্য অন্য কথা। সেটা আপনি ফেসবুকে নানানভাবে ছড়াচ্ছেন, এবং ছড়াতে থাকুন। সে ধরনের তৎপরতার সাথে জড়িত হবার সময় এবং রূচি (স্যরি গালিব!) আমার নাই। আমি কিন্তু বলি নি তারিক টুকুর ব্যাপারে আপনি আমার কাছে কি কি বলেছিলেন অতীতে। বা শূন্য দশক সম্পর্কে কি বলেছেন ব্যক্তিগত আলাপে। রাইসু আমার বন্ধু, আপনার বই বিষয়ে তর্কাতর্কির রেশ ধরে তাঁর সম্পর্কে যেসব কথা আপনি আমার সাথে বলেছেন তাও রাইসুকে বলি নি। এখনো। রাইসু নিশ্চয়ই এ ব্যাপারে সাক্ষি আছেন। এর অর্থ হল ব্যক্তিগত পর্যায়েও এ ধরনের উত্তেজনা বা গসিপের মূল্য আমি দিই না। সাহিত্য আলাপে তো প্রশ্নই আসে না। সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করেন মুজিব, ব্যক্তিগত পাল্টিবাজি নিয়ে নয়। আপনি যা প্রকাশ্যে বলছেন, লিখিত আকারে বলছেন, তাকেই আপনার বক্তব্য বলে মানবো আমি। আর একান্ত যদি গসিপ আপনার উত্তেজনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, প্রমাণ হাজির করে কথা বলুন। প্রমাণ ছাড়া নিজের ধারণা ও বিশ্বাস থেকে কত কথা বলা যায়! আমার তো স্থির বিশ্বাস যে, এইসব রাইসুল মোসাফির, ডোবার ব্যাং, সুমন কেহেরমান নিকগুলা আপনারই একই অঙ্গে নানান রূপ। অক্টোপাসের মত অনলাইন মিডিয়াকে আঁকড়ে ধরেছেন আপনি, কিসের আক্রোশে কে জানে! কিন্তু বলি কিভাবে, সুনিশ্চিত প্রমাণ তো নাই।

গালিব, আপনার এই হাটে হাঁড়ি ভাঙা-র ভঙ্গি একান্তভাবেই বিদ্বেষপ্রসূত, বলতে বাধ্য হচ্ছি। তর্কের খাতিরে ধরেই নেয়া যাক, আমি বলেছি, সুব্রত খারাপ কবি। এখন এ কথা জনসমক্ষে ফলাও করে আপনি কী করতে চাইলেন। এতে কী হবে আদতে? উত্তর আপনার জানা গালিব। আপনি বিলক্ষণ জানেন, আমি আপনার কানে কানে বললেই সুব্রত "খারাপ কবি" হয়ে যাবেন না। এতে সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ-র সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নষ্ট হবে বলেই আপনি এই ঢোল বাজিয়েছেন। সেটাই আপনি চেয়েছেন। কী ভয়ানক! এখন আবার বলছেন, সাহিত্যকে সখাতত্ত্বের বাইরে নিয়ে যেতে চান! সুব্রত "খারাপ কবি" বলে কি তার সাথে আমাকে বন্ধুত্বের সম্পর্কের সম্পর্কে থাকতে দেবেন না আপনি? ধরা যাক, প্রয়াত  নাট্যকার সেলিম আল দীন এর বোধবুদ্ধি এবং প্রতিভা কোনোটারই সমঝদার আমি নই। কিন্তু আমার এক বান্ধবীকে ফার্স্টক্লাশের মূলা ঝুলিয়ে পটিয়েছিলেন তিনি। এখন তাঁর নাটকের আলোচনায় আমি যদি সেলিম আল দীন-এর ব্যক্তিগত "লুলুপনা"র প্রসঙ্গ হাজির করি, সেটা তাঁর প্রতি কতটুকু সুবিচার হবে?

যা কিছু লেখালেখি হয়েছে, তার ভিত্তিতে কথা বলা ভালো। কানকথার ভিত্তিতে নয়। আর একান্তই যদি জানতে চান, কবিসভার পোস্টগুলো খুলে দেখুন সখাতত্ত্বের চর্চা আমরা কেমন করেছিলাম! এই ফোরামে মুক্তিমণ্ডলসহ আপনাদের আরো বন্ধুরা কবিসভাতে ছিলেন। তারাও বলতে পারবেন।

এই ফোরামকে বিদায় জানাচ্ছি। আপনাদের সাথে শ্রেয়তর জায়গায় দেখা হোক। ভালো থাকুন।

সুমন রহমান/

> Date: Mon, 27 Apr 2009 06:50:07 +0430
> Subject: [কবিতাকথা:597] Re: এ কী আজব কারখানা
> From: m.m...@gmail.com
> To: kobit...@googlegroups.com

auboni aunarjo

unread,
Apr 27, 2009, 3:13:50 AM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com
সুমন ভাই
বয়ষ বিবেচনায় কবিতাকথা এখনো কিশোর, যার কাঠামো এখনো পর্যন্ত সেভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে নিশ্চয়ই হবে, সবার সহযোগিতায়, সবার সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। যারা ফালতু প্যাঁচাল-প্রক্রিয়ায় সক্রিয়, তাদেরকে হয়তো নিষ্ক্রিয় করতে হবে, কিংবা কায়দা করে মোকাবেলা করতে হবে। জানি বলতে পারেন, সেটা আমা(দে)র দায়িত্ব হতে যাবে কেন? কিন্তু এখান থেকে সরে গেলে সেটা হবে না। জোঁকই একসময় জিরাফ হয়ে দেখা দেবে তাতে। বরং আপনি যেভাবে মোকাবেলা করতে চাচ্ছেন, সেটাই চলুক। গ্রুপটি আরো বেশি ইন্টারঅ্যাকটিভ হলে সবার আলোচনার একটা ক্ষেত্র হবে--এটা নিশ্চিত। ইতোমধ্যেই কিছুটা লাইনে আসছে। আপনি যাবেন না। মডারেটর নিজেই তো বলেছেন যে, গ্রুপের সদস্যরাই ঠিক করবে কীভাবে চলবে গ্রুপটি। আপনার আমাদের প্রস্তাবনাগু্লো মডারেটর বিবেচনা করবেন, কার্যকরী উদ্যোগ নেবেন--এমনটাই প্রত্যাশা। আপনাকে পুনঃস্বাগত জানাই।
অবনি

2009/4/27 sumon rahman <suman...@hotmail.com>

মুজিব মেহদী

unread,
Apr 27, 2009, 3:16:57 AM4/27/09
to কবিতাকথা
প্রিয় সুমন রহমান,
আপনি বলেছেন, 'গসিপ আর সাহিত্য আলোচনা এক নয়।' একশত ভাগ সত্য, কাজেই এটা
আমি মানি। এবং এটাও মানি যে, 'প্রোপাগান্ডা আর সাহিত্যও এক জিনিস নয়।' এ
ব্যাপারে আপনার কী মত?

নানাজন সম্পর্কে আমার নানা মত আছে (যেমন আমার সম্পর্কেও নানাজনের নানা মত
আছে)। আমার সুবিধা হলো যে, আমার মৌখিক মত আর লৈখিক মত সর্বদাই এক। সুতরাং
কার সম্পর্কে আমি কী বলেছি যা আপনি বলেন নি এবং চাইলে বলে দিতে পারতেন বা
পারেন এমন আভাসও আমার জন্যে খুব আতংকের নয় (এখানে বলেন নি বলে সেসব যে
অন্যত্রও বলেন নি তা কী করে মানব?)। তারিক টুকু, শূন্য দশক, ব্রাত্য
রাইসু ইত্যাকার প্রসঙ্গে আমার যেটুকু সমালোচনা তা আমি প্রকাশ্যেই করতে
পারি। এবং এজন্য আমার চারটা নিকেরও দরকার হয় না, যেটা আপনার আছে বলে
ইতোমধ্যে ফেসবুকে প্রমাণিত হয়েছে।

আপনি বললেন, 'ব্যক্তির কুৎসা করতে চাইলে অবশ্য অন্য কথা। সেটা আপনি


ফেসবুকে নানানভাবে ছড়াচ্ছেন, এবং ছড়াতে থাকুন। সে ধরনের তৎপরতার সাথে

জড়িত হবার সময় এবং রূচি (স্যরি গালিব!) আমার নাই।'

ফেসবুকে আমি কোথায়, কবে, কার কুৎসা রটালাম? এটা তো আর শোনা কথার প্রসঙ্গ
না, চাইলেই লিংক দিতে পারেন, দিন না দয়া করে। আর ফেসবুকে দেবার মতো আপনার
সময়ই যদি না থাকবে তো এত কাণ্ডকারখানা ওখানে কেমনে ঘটাচ্ছেন? আপনার
সম্পর্কে কোথাও কোথাও তো আমার এমন মন্তব্যও চোখে পড়েছে যে, আপনি এখন
রাতদিনই কাটান ফেসবুকে।

এবং

আপনি আরো বলছেন, 'একান্ত যদি গসিপ আপনার উত্তেজনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়,


প্রমাণ হাজির করে কথা বলুন। প্রমাণ ছাড়া নিজের ধারণা ও বিশ্বাস থেকে কত
কথা বলা যায়! আমার তো স্থির বিশ্বাস যে, এইসব রাইসুল মোসাফির, ডোবার
ব্যাং, সুমন কেহেরমান নিকগুলা আপনারই একই অঙ্গে নানান রূপ। অক্টোপাসের মত
অনলাইন মিডিয়াকে আঁকড়ে ধরেছেন আপনি, কিসের আক্রোশে কে জানে! কিন্তু বলি

কিভাবে, সুনিশ্চিত প্রমাণ তো নাই।'

এই আপনি বললেন যে 'আমার তো স্থির বিশ্বাস যে, এইসব রাইসুল মোসাফির, ডোবার
ব্যাং, সুমন কেহেরমান নিকগুলা আপনারই একই অঙ্গে নানান রূপ', এই আবার
বললেন 'কিন্তু বলি কিভাবে, সুনিশ্চিত প্রমাণ তো নাই।' দেখুন, এটুকু
জায়গাতেই আপনি দুরকম করে বললেন। যেটার 'সুনিশ্চিত' প্রমাণ নেই, সেটা
'স্থির বিশ্বাস'-এ রূপ নেয় কী করে? এটা আপনার দর্শন না ধর্ম?

সবিশেষ, এই ফোরামকে বিদায় জানাবেন না। আমি চাই, এখানে আপনি সক্রিয় সদস্য
হিসেবেই থাকবেন। অনেকের মতো আমিও আপনার কবিতা পছন্দ করি। গল্পও। কোনো
লুকোছাপা নেই, ওপেন মাধ্যমে লিখিতভাবেই সেসব জানিয়েছি আমি। আমার দৃষ্টিতে
যেটুকু ভালো সেটুকুকে ভালো বলতে আমার সমস্যা নেই, খারাপটুকুকে খারাপ
বলবার অধিকার ভোগ করাসহ।

এমন একজন নির্মোহ বন্ধুকে ছেড়ে যেতে আপনার একটুও বাধবে না? বসুন ভাই,
একসঙ্গে বসে ভাগাভাগি করে এক কাপ গরম চা খাই।

নুরুজ্জামান মানিক

unread,
Apr 27, 2009, 4:06:44 AM4/27/09
to কবিতাকথা
এটা কি বললেন সুমন ভাই । কিসের বিদায় এই অবেলায় । আপনাকে

পুনঃস্বাগত জানাই।

On Apr 27, 11:59 am, sumon rahman <sumanrah...@hotmail.com> wrote:
> মুজিব,
>
> গসিপ আর সাহিত্য আলোচনা এক নয়। আপনার এই প্লাটফর্ম গসিপের আদানপ্রদানের জায়গা হয়ে উঠছে। এটা বিপজ্জনক।
>
> গালিব যখন সুব্রত দা-র কবিতার ওপর আমার বক্তব্য হাজির করলেন আমি যারপরনাই কৌতুক অনুভব করেছি। সম্পর্ণ অযাচিতভাবে সেটা তিনি করেছেন। এখন সে কথা আমি বলেছি কি বলি নাই সেটা মুখ্য বিষয় হয়ে থাকে না আসলে। পাবলিক স্ফেয়ার আর প্রাইভেট স্ফেয়ারকে গুলিয়ে ফেলার গালিবীয় গুরুচণ্ডালিপনাটুকুই মুখ্য বিষয় হয়ে যায়। মডারেটর হিসেবে আপনিও একই কাজ করেছেন। এখন বলছেন সময় সুযোগ বুঝে আমি অবস্থান পাল্টাই এবং তা উদোম হয়ে যায়। আবারো, কথার স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দাখিল করেন নাই। মুজিব, সাহিত্যিক আলোচনার প্লাটফর্ম তৈরি করার ইচ্ছা থাকলে এসব থেকে সরে আসা উচিৎ হবে আপনার। আর ব্যক্তির কুৎসা করতে চাইলে অবশ্য অন্য কথা। সেটা আপনি ফেসবুকে নানানভাবে ছড়াচ্ছেন, এবং ছড়াতে থাকুন। সে ধরনের তৎপরতার সাথে জড়িত হবার সময় এবং রূচি (স্যরি গালিব!) আমার নাই। আমি কিন্তু বলি নি তারিক টুকুর ব্যাপারে আপনি আমার কাছে কি কি বলেছিলেন অতীতে। বা শূন্য দশক সম্পর্কে কি বলেছেন ব্যক্তিগত আলাপে। রাইসু আমার বন্ধু, আপনার বই বিষয়ে তর্কাতর্কির রেশ ধরে তাঁর সম্পর্কে যেসব কথা আপনি আমার সাথে বলেছেন তাও রাইসুকে বলি নি। এখনো। রাইসু নিশ্চয়ই এ ব্যাপারে সাক্ষি আছেন। এর অর্থ হল ব্যক্তিগত পর্যায়েও এ ধরনের উত্তেজনা বা গসিপের মূল্য আমি দিই না। সাহিত্য আলাপে তো প্রশ্নই আসে না। সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করেন মুজিব, ব্যক্তিগত পাল্টিবাজি নিয়ে নয়। আপনি যা প্রকাশ্যে বলছেন, লিখিত আকারে বলছেন, তাকেই আপনার বক্তব্য বলে মানবো আমি। আর একান্ত যদি গসিপ আপনার উত্তেজনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, প্রমাণ হাজির করে কথা বলুন। প্রমাণ ছাড়া নিজের ধারণা ও বিশ্বাস থেকে কত কথা বলা যায়! আমার তো স্থির বিশ্বাস যে, এইসব রাইসুল মোসাফির, ডোবার ব্যাং, সুমন কেহেরমান নিকগুলা আপনারই একই অঙ্গে নানান রূপ। অক্টোপাসের মত অনলাইন মিডিয়াকে আঁকড়ে ধরেছেন আপনি, কিসের আক্রোশে কে জানে! কিন্তু বলি কিভাবে, সুনিশ্চিত প্রমাণ তো নাই।
>
> গালিব, আপনার এই হাটে হাঁড়ি ভাঙা-র ভঙ্গি একান্তভাবেই বিদ্বেষপ্রসূত, বলতে বাধ্য হচ্ছি। তর্কের খাতিরে ধরেই নেয়া যাক, আমি বলেছি, সুব্রত খারাপ কবি। এখন এ কথা জনসমক্ষে ফলাও করে আপনি কী করতে চাইলেন। এতে কী হবে আদতে? উত্তর আপনার জানা গালিব। আপনি বিলক্ষণ জানেন, আমি আপনার কানে কানে বললেই সুব্রত "খারাপ কবি" হয়ে যাবেন না। এতে সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ-র সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নষ্ট হবে বলেই আপনি এই ঢোল বাজিয়েছেন। সেটাই আপনি চেয়েছেন। কী ভয়ানক! এখন আবার বলছেন, সাহিত্যকে সখাতত্ত্বের বাইরে নিয়ে যেতে চান! সুব্রত "খারাপ কবি" বলে কি তার সাথে আমাকে বন্ধুত্বের সম্পর্কের সম্পর্কে থাকতে দেবেন না আপনি? ধরা যাক, প্রয়াত  নাট্যকার সেলিম আল দীন এর বোধবুদ্ধি এবং প্রতিভা কোনোটারই সমঝদার আমি নই। কিন্তু আমার এক বান্ধবীকে ফার্স্টক্লাশের মূলা ঝুলিয়ে পটিয়েছিলেন তিনি। এখন তাঁর নাটকের আলোচনায় আমি যদি সেলিম আল দীন-এর ব্যক্তিগত "লুলুপনা"র প্রসঙ্গ হাজির করি, সেটা তাঁর প্রতি কতটুকু সুবিচার হবে?
>
> যা কিছু লেখালেখি হয়েছে, তার ভিত্তিতে কথা বলা ভালো। কানকথার ভিত্তিতে নয়। আর একান্তই যদি জানতে চান, কবিসভার পোস্টগুলো খুলে দেখুন সখাতত্ত্বের চর্চা আমরা কেমন করেছিলাম! এই ফোরামে মুক্তিমণ্ডলসহ আপনাদের আরো বন্ধুরা কবিসভাতে ছিলেন। তারাও বলতে পারবেন।
>
> এই ফোরামকে বিদায় জানাচ্ছি। আপনাদের সাথে শ্রেয়তর জায়গায় দেখা হোক। ভালো থাকুন।
>
> সুমন রহমান/
>
>
>
>
>
> > Date: Mon, 27 Apr 2009 06:50:07 +0430
> > Subject: [কবিতাকথা:597] Re: এ কী আজব কারখানা

> > From: m.me...@gmail.com


> > To: kobit...@googlegroups.com
>
> > সুমন ভাই, আমার বক্তব্যে মোটের ওপর কোনো আন্দাজ ছিল না। যে কথার অডিও
> > নেই, সেকথা বলা যাবে না এমনটাই কি সবসময় সিদ্ধ নাকি? আমি তো গালিবের
> > কমেন্টের পরে একথা নির্দ্বিধায়ই বলতে পারতাম যে, হ্যাঁ আমি ওরকমটা বলতে
> > শুনেছি। কিন্তু বাক্যটা ভাসা ভাসা কানে এলেও হুবহু গঠনটা মনে রাখতে পারি
> > নি বলে বলি নি তখন। সেটাতে সততারই জয় হয়েছে।
>
> > আপনি বলেছেন, 'এখন আমি যদি বলি সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ বাংলা সাহিত্যের
> > উল্লেখযোগ্য কবি (এবং তিনি তাইই) তখন আপনার এই আন্দাজনির্ভর বিবৃতির
> > ভবিতব্য কী দাঁড়াবে?'
>
> > এটা যদি এখন আপনি বলেন (অলরেডি বলেছেনই), তাহলে আমি হয়ত একটা বিব্রতকর
> > অবস্থায় পড়ি, কিন্তু আপনি যে সময়সুযোগে আপনার অবস্থান পালটান, জনসমক্ষে
> > তা রীতিমতো উদোম হয়ে যায় (অলরেডি হয়েছে)।
>

> _________________________________________________________________
> News, entertainment and everything you care about at Live.com. Get it now!http://www.live.com/getstarted.aspx- Hide quoted text -

Sohel Hasan Galib

unread,
Apr 27, 2009, 6:26:22 AM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় সুমন ভাই,

এসেছিলে যেতে যেতে তাই জানায়ে গেলে


আমি কোনো কথাই বলি নি এখানে, যা বিদ্বেষ বা প্রেমপ্রসূত। কারো সাহিত্যের নেগেটিভ সমালোচনা করলেই বন্ধুত্ব নষ্ট হবে এমন উগ্র ধারণা কেন বশ করে রেখেছে আমাদের?
এবং এই ভুলে আমাদের উপর চটে গেছেন আপনি ও রাইসুদা।
কিন্তু আমাকে আক্রমণ করতে গিয়ে অকারণেই সেলিম আল দীনের উপর বর্শা নিক্ষেপ করছেন কেন? হায়!


প্রয়াত  নাট্যকার সেলিম আল দীন এর বোধবুদ্ধি এবং প্রতিভা কোনোটারই সমঝদার আমি নই।

----আহা রে! তাতে আমি কী করবো? ইতঃপূর্বে রাইসুদাও বললেন, মহাত্মা সেলিমের লেখাই নাকি পড়তে পারেন না তিনি। ধন্যবাদ এই স্বীকারোক্তির জন্য। বক্তার সামর্থ্যেরও পরিচয় পাওয়া গেল।

এবারে আসি সেলিম আল দীনের 'লুলুপনা' প্রসঙ্গে। আপনার যে বান্ধবী ফার্স্টক্লাসের জন্য শিক্ষকের রিরংসাধন্যা হয়েছেন, ঘটনা সত্যি হলে ঐ ছাত্রীর প্রতি নিন্দা, নিন্দা শিক্ষকেরও প্রতি। তবে প্রেম হলে ভিন্ন কথা। আপনার অবগতির জন্য বলা যাচ্ছে, এবারে একুশের বইমেলায় জাগৃতি থেকে প্রকাশিত ‌'ভাঙা প্রেম অশেষবিশেষ'-এ লেখকের আত্মস্বীকৃত লুলুপনার ইশতেহার পেয়ে যাবেন, যেখানে ঊষা গাঙ্গুলি থেকে শাঁওলী মিত্র ইত্যাদি অনেকের সাথে হৃদয়ের এ কূল ও কূল দুকূল ভেসে যাওয়ার ইতিবৃত্ত, ইঙ্গিত রয়ে গেছে।

এ আলোচনায়ও সমস্যা নেই। তুমি কি কেবলই ছবি----এ কবিতার উৎস-নিরুক্তি করতে গিয়ে কেউ যদি দেবর-বৌদির প্রেমতত্ত্বের শুলুক-সন্ধান করে, তাকে আমরা না করবো কেন?

একবার মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন বলেই কেউ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হয়ে যাবেন, আমি তা মানি না। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে অনেক মুক্তিযোদ্ধারই অপকর্ম আমরা প্রত্যক্ষ করেছি বা করে চলেছি। সারাজীবন মুক্তিযোদ্ধা থাকার ব্যাপার আছে বলে মনে হয়। কবিসভায় অনপেক্ষ আলোচনা আপনার দ্বারা হয়েছিলো বলে সর্বত্রই তা হবে, সে বিশ্বাসে দাসখত দেয়া গায়েবে ইমান আনার শামিল।

মুক্তি মণ্ডলকে আমার বন্ধু ঠাওরাচ্ছেন কেন? তিনি আমার অগ্রজ বন্ধু বটেন। তেমন বন্ধু তো আপনি বা রাইসুদাও। কার বক্তব্য পক্ষে গেল বা বিপক্ষে গেল এ দিয়েই কি বন্ধুত্ব নিরূপিত হবে? এই যে ধরেন অবনি অনার্য, অবিরাম অকারণ পুলকে আমার বিপক্ষে বলে যাচ্ছেন, কিঞ্চিৎ গালিগালাজও করছেন, তিনি কি আমার বন্ধু নন। অবনি, আপনি কি অস্বীকার করবেন?

সুমন ভাই, আপনি ফোরাম ছেড়ে যাচ্ছেন, সেটা জেনে দুঃখ পাচ্ছি, আরও দুঃখ পাচ্ছি, আপনার এই চলে যাওয়া কারো কারো চোখে পলাতকা ছায়া ফেলে গেল কিনা ভেবে।

যদি হায়    জীবন পূরণ নাই হলো মম    তব অকৃপণ করে,
মন তবু জানে জানে----
চকিত ক্ষণিক আলোছায়া তব    আলিপন আঁকিয়া যায়
ভাবনার প্রাঙ্গণে।।



শুভেচ্ছা ও ভালোবাসাসহ
গালিব


2009/4/27 sumon rahman <suman...@hotmail.com>

vashkar abedin

unread,
Apr 27, 2009, 8:37:20 AM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com
#সুমন রহমান কইলেন,

ধরা যাক, প্রয়াত  নাট্যকার সেলিম আল দীন এর বোধবুদ্ধি এবং প্রতিভা
কোনোটারই সমঝদার আমি নই। কিন্তু আমার এক বান্ধবীকে ফার্স্টক্লাশের মূলা
ঝুলিয়ে পটিয়েছিলেন তিনি। এখন তাঁর নাটকের আলোচনায় আমি যদি সেলিম আল
দীন-এর ব্যক্তিগত "লুলুপনা"র প্রসঙ্গ হাজির করি, সেটা তাঁর প্রতি কতটুকু
সুবিচার হবে?

এই বাক্য পইড়া আমার মনে হইছে, সুমন রহমান সেলিম আল দীনের যেই নারী আসক্তি
আর নারীরে ম্যানিপ্যুলেট করনের অভ্যাস ছিলো, তারে সেলিম আল দীনের
নাটকালোচনায় আনতে চান না। আর গালিবের মনে হইছে,

কিন্তু আমাকে আক্রমণ করতে গিয়ে অকারণেই সেলিম আল দীনের উপর বর্শা নিক্ষেপ
করছেন কেন? হায়!

প্রয়াত  নাট্যকার সেলিম আল দীন এর বোধবুদ্ধি এবং প্রতিভা কোনোটারই সমঝদার আমি নই।

----আহা রে! তাতে আমি কী করবো? ইতঃপূর্বে রাইসুদাও বললেন, মহাত্মা
সেলিমের লেখাই নাকি পড়তে পারেন না তিনি। ধন্যবাদ এই স্বীকারোক্তির জন্য।
বক্তার সামর্থ্যেরও পরিচয় পাওয়া গেল।

এবারে আসি সেলিম আল দীনের 'লুলুপনা' প্রসঙ্গে। আপনার যে বান্ধবী
ফার্স্টক্লাসের জন্য শিক্ষকের রিরংসাধন্যা হয়েছেন, ঘটনা সত্যি হলে ঐ
ছাত্রীর প্রতি নিন্দা, নিন্দা শিক্ষকেরও প্রতি। তবে প্রেম হলে ভিন্ন কথা।
আপনার অবগতির জন্য বলা যাচ্ছে, এবারে একুশের বইমেলায় জাগৃতি থেকে
প্রকাশিত ‌'ভাঙা প্রেম অশেষবিশেষ'-এ লেখকের আত্মস্বীকৃত লুলুপনার ইশতেহার
পেয়ে যাবেন, যেখানে ঊষা গাঙ্গুলি থেকে শাঁওলী মিত্র ইত্যাদি অনেকের সাথে

হৃদয়ের এ কূল ও কূল দুকূল ভেসে যাওয়ার ইতিবৃত্ত, ইঙ্গিত রয়ে গেছে। একবার


মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন বলেই কেউ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হয়ে যাবেন, আমি তা
মানি না। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে অনেক মুক্তিযোদ্ধারই অপকর্ম আমরা
প্রত্যক্ষ করেছি বা করে চলেছি। সারাজীবন মুক্তিযোদ্ধা থাকার ব্যাপার আছে
বলে মনে হয়। কবিসভায় অনপেক্ষ আলোচনা আপনার দ্বারা হয়েছিলো বলে সর্বত্রই
তা হবে, সে বিশ্বাসে দাসখত দেয়া গায়েবে ইমান আনার শামিল।

এই যে কুযুক্তির ধরন এইটার লগে কূয়াবাসীগো চরিত্রের যথাযথ মিল আমি এখনো
খুঁইজা পাই...মূল আলোচনারে অপ্রাসঙ্গিক কইরা সেলিম আল দীনের চরিত্রের
ভিন্ন দিক নিয়া গালিব আগ্রহী হ'ন বেশী...এর কারনটা বুঝি নাই।

#সুমন রহমান কইলেন

যা কিছু লেখালেখি হয়েছে, তার ভিত্তিতে কথা বলা ভালো। কানকথার ভিত্তিতে
নয়। আর একান্তই যদি জানতে চান, কবিসভার পোস্টগুলো খুলে দেখুন সখাতত্ত্বের
চর্চা আমরা কেমন করেছিলাম! এই ফোরামে মুক্তিমণ্ডলসহ আপনাদের আরো বন্ধুরা
কবিসভাতে ছিলেন। তারাও বলতে পারবেন।

এর জবাবে গালিব কইলেন

মুক্তি মণ্ডলকে আমার বন্ধু ঠাওরাচ্ছেন কেন? তিনি আমার অগ্রজ বন্ধু বটেন।
তেমন বন্ধু তো আপনি বা রাইসুদাও। কার বক্তব্য পক্ষে গেল বা বিপক্ষে গেল এ
দিয়েই কি বন্ধুত্ব নিরূপিত হবে? এই যে ধরেন অবনি অনার্য, অবিরাম অকারণ
পুলকে আমার বিপক্ষে বলে যাচ্ছেন, কিঞ্চিৎ গালিগালাজও করছেন, তিনি কি আমার
বন্ধু নন। অবনি, আপনি কি অস্বীকার করবেন?

মুক্তি মন্ডলের কবিসভার অভিজ্ঞতা তর্কের ধরণ নিয়া আগ্রহোদ্দীপক হইতে
পারে, সকলের বিশেষ কইরা গালিবের লেইগা...কিন্তু গালিব এই তথ্যের চাইতে
মুক্তি মন্ডলের লগে তার সম্পর্কের ধরণে আগ্রহী হইলেন বেশী।

তর্কের এই অপ্রাসঙ্গিকতা আসলেই উপাদেয়...চটক লেগে থাকে প্রকাশের ভঙ্গীতে...

ভালো থাইকেন সকলে

ভাস্কর

Sohel Hasan Galib

unread,
Apr 27, 2009, 9:31:34 AM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com
ভাস্করদা,
নাহ, নিজেকে কুয়াবাসী বসে স্বীকার না করা অব্দি আপনার আত্মা শান্তি পাবে না দেখছি।

আশলে আপনি তো যথার্থই বলেছেন, আমি কুয়াবাসী। এই কায়াকূপে আমার আজন্ম বাস। এই পৃথিবীটাকেও আমার কুয়া বলে মনে হয়। এমনকি সমুদ্রও বড় একটা কুয়া ছাড়া আর কিছুই নয়।

আমি কুয়ার ভিতরেই থাকতে চাই এবং এই সব কূটতর্ক ছেড়ে খোয়াজ খিজিরের সাথে খেজুরে আলাপ করে জীবন কাটাতে চাই।

অতএব ভ্রাত, এক্ষণে আমি আমার কুয়োদর্শন হাজির করিতেছি। ইহা মনোযোগের সহিত পাঠ করুন এবং উপলব্দি করিতে সচেষ্ট হউন আমার নিদারুণ সীমাবদ্ধতা। অতঃপর তাহা দেশে দেশে দিকে দিকে প্রচার করিয়া দিন সরবে অরবে।

সর্ব্বে সত্তা ভবোন্তু সুখিতা আত্মা।।



আমার কুয়োদর্শন, ভূয়োদর্শন


কুয়োতলায় এসে বেলের পাতার ঝিলিমিলি সুঘ্রাণের আড়ালে মনে পড়ে গেলো জালাল চাচার কথা। কূপ-খননের কাজে ছিলো তার শৌখিনতা, সুখ্যাতি। এ কাজ তো অনেকেই পারে। কিন্তু পানি ওঠার আগে কুয়োর ভেতরে নেমে যখন দাপাদাপি করতে হয়, তখন সে কাজে, সেই নৃত্য-উৎসবে আর কেউ এগিয়ে আসে না। কেননা শোনা গেছে, মাঝে মাঝে চোরাবালিতে পড়ে মানুষের মৃত্যুও হয়। কিন্তু জালাল চাচার পায়ের গোড়ালির আঘাতেই পানি এসেছিলো আমাদের কূপে। সেই থেকে তার সঙ্গে শিশু ইসমাইলের একটি সাদৃশ্য আমার মনে গেঁথে গিয়েছে। এই কুয়োর প্রথম পবিত্র জল তুলে এনেছিলো ছোটো ফুফু। আর সেই জলপানের স্মৃতি এখনো মনে হয় সেদিনের।

আমাদের জালাল চাচা, এই সাহসী মানুষটি কখনো প্রাণ খুলে হেসেছেন, সে ছবি মনেই আসে না। যে মুখ ভেসে আসে, দেখি তোবড়ানে গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, ঘোলাটে চোখের বিব্রত নিরুদ্দেশ চাওয়া। সে ছিলো কেমন বিচ্ছিন্ন, এক বুদ্ধিমতী বউ আর স্কুল-পাশ-করা চার ছেলের সংসারে যেন নিজেই নিজের আড়াল! যেন বাড়ির পেছনে ডোবা। যেন দুপুর বেলায় দীর্ঘ নারকেল গাছটির তলায় পড়ে থাকা এক চিলতে ছায়া।

মনে পড়ে, কার্তিকের কাইতানে কিংবা শীতের সন্ধ্যায় কতদিন তাকে দেখেছি নাড়ার আগুন থেকে বিড়ি ধরিয়ে চুপচাপ বসে টানতে আর গুন গুন স্বরে শীতে ঠক ঠক করে কাঁপতে। সেটা গান না-কি গানের আবহ, কিছুই বুঝি নি। মনেই পড়ে না, কোনোদিন জালাল চাচার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে কি না। এমন-কি কারো সঙ্গে গুরুতর কোনো বিষয়ে আলাপ করতেও দেখি নি তাকে। যেন সর্বদাই কুয়োর গভীরে নিমগ্ন হয়ে আছেন, যে নিমগ্নতার নেই কোনো ব্যাখ্যা কিংবা আখ্যান। তবু আজ জানতে ইচ্ছে করে, কুয়োর ভেতর থেকে আকাশটাকে কেমন দেখা যায় ! ভাসমান মেঘমালা কীভাবে স্পর্শ করে ঈগলের ডাক, তার কোনো আভাস কি পৌঁছায় ঐখানে !

আশলে কুয়োর ভেতরে যে নামে, তার না-কি এমনই হয়, মার কাছে এইসব শুনেছি। শুনেছি আমাদের বাড়ির এই কুয়ো কাটবার একমাস পর ছোটোফু’র বিয়ে হয়ে যায়। এখনও স্পষ্ট মনে আছে, সেই ছোটোফু, ফড়িঙের ডানার চঞ্চলতা ছিলো যার চোখে, যার দুটো পায়ে ছিলো এক হলুদ পাখির ঠ্যাঙের উল্লাস, সেই তিনি এরপর যখনই বাড়ি আসতেন, নানা ছলছুতোয় এই কুয়োপাড়টায় এসে একা একা বসে থাকতেন। তাকে আমি দেখেছি দুপুরে বিকেলে, এমনকি জোছনারাতে, এইখানে। অবাক হয়েছি আর একদিন ভোরবেলা তাকে কুয়োর ভেতর থেকে তুলে এনেছি। সেই ছোটোফু, অকারণে অকাতরে যার হাতের রোমে রোমে জমে উঠতো ঘামের শিশির, দেখলাম সেইদিন, কী বিপুল জলবিন্দুতে ধুয়ে গেছে সে সব তার শরীর থেকে। যাকে চুপ করে বসে থাকতে দেখি নি আমরা কখনো, চড়াই শালিকও কোনোদিন, ঐ লেবুঝোপের পাশে আজ তার মৌন শুয়ে থাকা।

কুয়োর ভেতর থেকে আর্তনাদ করে উঠলে, সেই শব্দ কতদূর যেতে পারে, আমি রাতের আকাশের দিকে চেয়ে ভাবি, যে আকাশও দিক-চক্রবালে খণ্ডিত। যে আকাশে কোনো মানব কিংবা মানবীর মুখচ্ছবি নাই। আছে অশ্রু ও আলোর আভাস। তবু কখনো কারুর চিৎকার-শব্দে কালপুরুষের মতো কেউ কি নেমে আসবে, দেবে কি হাত বাড়িয়ে, রয়েছে তেমন কেউ নিজের ভেতরে গুটিয়ে, জালাল চাচার মতো ম্লান, ব্যথাতুর ! তার কানে পৌঁছুবে কি হাওয়ার পাখনায় উড়ে যাওয়া ডাক !

কী করে দেখা যাবে সমগ্র আকাশ, পৃথিবী-কূপের থেকে ! এইখানে কূপের গভীরে মগ্ন হয়ে শুধু শোনা যায়, বাতাসের সাথে জমে উঠেছে বেলপাতার সান্ধ্য-আলাপ। টের পাওয়া যায়, দূরে নয়, কাছেই, কখন ফুটেছে লেবুফুল, ঝরছে তারার চুমকি---

যার ঘ্রাণ ভেসে আসে, যার ঝলক পড়ে চোখে।


ইতি
গালিব


auboni aunarjo

unread,
Apr 27, 2009, 9:41:43 AM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় গালিব
আমি অবাক হলাম আপনার মেইলের এই অংশে-- এই যে ধরেন অবনি অনার্য, অবিরাম অকারণ পুলকে আমার বিপক্ষে বলে যাচ্ছেন, কিঞ্চিৎ গালিগালাজও করছেন, তিনি কি আমার বন্ধু নন। অবনি, আপনি কি অস্বীকার করবেন?
শেস থেকে শুরু করা দরকার বলে মনে করি। আপনি আমার বন্ধু নিঃসন্দেহে, এবং আমিও আপনার, অর্থাৎ কিনা পরস্পর পরস্পরের। [এবং এখানে বলে রাখি, শূন্য-দশকের যে-গুটিকয় কবির কবিতা আমার সত্যিকার অর্থে ভালো লেগেছে, তার মধ্যে আপনি বিশেষভাবে আছেন। তাতে হয়তো আপনার কিছুই এসে-যায় না। সেটা স্বতন্ত্র্য প্রসঙ্গ।] আপনার অন্যান্য কীর্তি নিয়ে আমার অনেকটা ভাবাবেগময় অনুযোগ আছে। আমি অন্তত আপনাকে (আপনার কথিত বন্ধুদের মতো) সহজে-বেঁকে-যাওয়া-সম্ভব বলে মনে করিনি। যাদের সত্যিকার যোগ্যতা আছে, তাঁদেরকেও যখন শুনি রিটায়ার্ড পোয়েটসদের আস্তানায় গিয়ে ধরনা দিয়েছেন, তখন বেশ মন খারাপ হয়। তথাপি আপনার (কথিত বন্ধুদের বিপরীতে, যাদের সত্যি সত্যিই ওখানে তাশরিফ আনবার প্রয়োজন আছে।) কবিত্ব নিয়ে আমার কণামাত্র সংশয়ী নই। কিন্তু আমি কোথায় আপনার অবিরাম অকারণ পুলকে আপনার বিপক্ষে বলে যাচ্ছি? কোথায় [আপনাকে] কিঞ্চিৎ গালিগালাজও করছি??
আমি সত্যিই হতবাক, গালিব। তাতে কী! আপনি তবু ভালো থাকবেন।
ইতি
অবনি

2009/4/27 vashkar abedin <vashkar...@gmail.com>

Sohel Hasan Galib

unread,
Apr 27, 2009, 1:50:03 PM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com
অবনি বাড়ি আছো?

তোরে যে খুব ভালোবাসি এইডা তোরে কমুনা
কইলে জানি ভাবটা নিবি নিতে তো দিমুনা

বন্ধু অবনি,
আপনি বলেছেন :


আপনার অন্যান্য কীর্তি নিয়ে আমার অনেকটা ভাবাবেগময় অনুযোগ আছে।

---এই অনুযোগ-খণ্ডন খুব জরুরি। যেহেতু কথাটা পাবলিক ফোরামে উঠেছে, সুতরাং সেখানেই ফয়সালা হোক।
আপনি, বন্ধু, অনুযোগগুলি সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্টভাবে উত্থাপন করুন, সবিশেষ অনুরোধ। আমি তার উত্তর দেবার চেষ্টা করছি।


আমি অন্তত আপনাকে (আপনার কথিত বন্ধুদের মতো) সহজে-বেঁকে-যাওয়া-সম্ভব বলে মনে করিনি।


---আমি কোথায় কোথায় বেঁকে গেছি, সেটা বোঝার ক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য করুন, প্লিজ!

ইতি
গালিব


2009/4/27 auboni aunarjo <aun...@gmail.com>

Sohel Hasan Galib

unread,
Apr 27, 2009, 2:01:28 PM4/27/09
to kobit...@googlegroups.com
দোস্ত,
উদ্ধৃতিটা একটু ভুল হয়েছে। সংশোধনী :


তোরে যে খুব ভালোবাসি এইডা তোরে কমুনা
কইলে জানি ভাবটা নিবি ভাব নিতে তো দিমুনা

2009/4/27 Sohel Hasan Galib <kranti...@gmail.com>
অবনি বাড়ি আছো?

auboni aunarjo

unread,
Apr 28, 2009, 1:58:24 AM4/28/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় গালিব
উদ্ধৃতি সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ।
একটা কথা উঠেছে আপনার বিষয়ে অনুযোগ নিয়ে। সেটা বন্ধুত্বের কারণেই, অন্যথা প্রকাশভঙ্গী ভিন্নরকমের হতো। পাবলিক স্ফেয়ারে উঠেছে সত্য, কিন্তু অনুযোগটা পাবলিক নয়, ব্যক্তিগত। সেটা ব্যক্তিগত পর্যায়ে হওয়াই শ্রেয়তর। নইলে ফের কাদা-ছোঁড়াছুঁড়ির পর্যায়ে চলে যাবো। আপনার সঙ্গে ব্যক্তিগত পর্যায়ে হওয়াই ভালো।
ভালো থাকবেন।
অবনি

2009/4/28 Sohel Hasan Galib <kranti...@gmail.com>

Sohel Hasan Galib

unread,
Apr 28, 2009, 3:13:17 AM4/28/09
to kobit...@googlegroups.com

প্রিয় সুব্রতদা,
প্রায়-সামসময়িকদের সাহিত্যকর্ম মূল্যায়ন করবার উদ্দেশ্যেই আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম নিয়মিতভাবে 'গৌড়জন' নামে একটি পত্রিকা বের করার। পত্রিকাটির নাম দিয়েছিলেন প্রয়াত নাট্যকার সেলিম আল দীন।
৩য় সংখ্যার আয়োজনটি ছিলো কবি মাসুদ খানকে নিয়ে। গত দুবছর যাবৎ লেখাসংগ্রহের কাজ শেষ করে চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছি আমরা। এখানে আপনার লেখা নেই, এটা ভাবাই যায় না। আপনার গদ্যটির নাম দেখতে পাচ্ছি : 'দূরে তার দেশ কাঁপা কাঁপা রূপকাহিনীর মতো কাঁপে'। আপ-কৃত মাসুদ খানের অনুবাদগুলি হচ্ছে :

A TALE OF A LONE GRAVE, A Lost Spaceship, Mon Amie, MY MOTHER, CONVOCATION DAY, MANKIND, THE TUNNEL, DESIGN, SOMEWHERE


পুনশ্চ, পুরনো তর্কটি হাজির করি। আশা করি একে কূটতর্ক হিশেবে দেখবেন না। তাহলে সকল স্নেহ-ভালোবাসাই ঝুট হয়ে পড়বে। এবং এই তর্কে বিন্দুমাত্র সৌজন্যের তরক হলে পূর্বাহ্নেই ক্ষমা চেয়ে রাখি।


টুকুকে লেখা আপনার চিঠি থেকে একটি লাইন উদ্ধৃত করেছিলাম : রাইসু কোনো এক কবিতা "গোয়া মারে" লিখেছে তাই তাঁর আজীবনকাল লেখা সব কবিতা বাতিল হয়ে গেল!

আপনি টাইপোর কথা বলেছেন। 'য়' বাদ পড়েছে। আচ্ছা দেখা যাক, 'য়' যোগ করলে বাক্যটা কী দাঁড়ায় :

রাইসু কোনো এক কবিতায় "গোয়া মারে" লিখেছে তাই তাঁর আজীবনকাল লেখা সব কবিতা বাতিল হয়ে গেল!

আপনার ভাষ্য-অনুযায়ী আপনি এর অর্থ আশা করছেন এমন :

কোনো এক কবিতায় রাইসু গোয়া মারে শব্দবন্ধ লিখলেই তার জন্য ঐ কবিতা বাতিল হয় না, অন্যসব কবিতা বাতিল হবার তো প্রশ্নই ওঠে না।

কিন্তু, সুব্রতদা, আশলেই কি তাই? সেক্ষেত্রে আপনার বাক্য হওয়া উচিৎ ছিলো :

রাইসু কোনো এক কবিতায় "গোয়া মারে" লিখেছে , তাই ঐ কবিতা বাতিল হয়ে গেল!

বাগর্থ এবং বক্তার সুপ্ত বা অনুক্ত অভিপ্রায় আলোচ্য বাক্যে যেভাবে ব্যক্ত হচ্ছে, তা অনুসরণ করলে বরং যা পাওয়া যায় তা হলো :
১। রাইসু কোনো এক কবিতায় গোয়া মারে লিখেছে বলে ঐ কবিতা বাতিল হয়েছে হয়তো, তাই বলে কি সব কবিতা বাতিল!
২। রাইসু কোনো এক কবিতায় গোয়া মারে লিখেছে বলে ঐ কবিতা না হয় বাতিল হলো, তাই বলে কি সব কবিতা বাতিল!

অর্থাৎ, ঐ বিশেষ কবিতাটির ব্যাপারে বক্তার মনোভাব অ্যাপোলোজেটিক। সবাই কবিতাটিকে খারাপ বলছে, তিনি তা ডিফেন্ড করতে পারছেন না বলেই স্কিপ করে সব কবিতার রেফারেন্সে চলে যাচ্ছেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, ঐ কবিতাটিকে বাতিলপ্রায় গণ্য করবার ব্যাপারে বক্তা "গোয়া মারে" শব্দবন্ধকেই দায়ী বলে মনে করছেন। অন্য কারণেও যে কবিতাটি বাতিল হতে পারে সেটি তার মনে হয় নি।

যা হোক, বিষয়টিকে স্পষ্ট করার জন্য অনুরূপ একটি বাক্য আমরা রচনা করি :

কোনো এক পরীক্ষায় সে নকল করেছে, তাই বলে সব পরীক্ষায় তাকে বহিষ্কার করতে হবে !

আশা করি আর ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। এখন কথা হলো, সুব্রতদা, আপনি যে বক্তব্য পাল্টালেন, সেটা কোনো সমস্যাই নয়। এবং এটা ভয় না প্রণয়বশত সে প্রশ্নও অবান্তর। কারণ, সর্বশেষ বক্তব্যকেই চূড়ান্ত মতামত বলে গ্রহণ করতে হবে, সেটা আপাত হলেও। আমরা জানি, রবীন্দ্রনাথ তার প্রথম যৌবনে মেঘনাদবধকাব্যকে কীভাবে আক্রমণ করেছিলেন। এবং আমার মনে হয়, কোনো লেখা খারাপ, এটা প্রমাণ করার জন্য তাকে জীবনে এত শক্তি, সময়, লেখা অপচয় করতে হয় নি। শেষ জীবনে কিছুটা যেন অনুতপ্তও হয়েছিলেন। আশ্চর্যের বিষয়, বুদ্ধদেব বসু দেখছি, ঠাকুরের প্রথম জীবনের ইন্টারপ্রিটেশনকেই গুরুত্বপূর্ণ ভাবছেন। আমিও আপনার প্রথম ইন্টারপ্রিটেশনকেই নিলাম।

এ তো হতেই পারে যে, বিগত এক সপ্তাহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহর ঘুরে ছুটি কাটিয়ে এসে, ফের থিতু হতেই, রাইসুদার কবিতাটা আপনার কাছে নতুনভাবে ধরা দিলো। রবীন্দ্রনাথের মত পাল্টাতে ৩৫ বছর লেগেছিলো, আপনার না হয় এক সপ্তাহ লাগলো। কোনো সমস্যা নেই। শুধু ভাবি, ইনকন্সিস্টেন্সির উত্তরাধুনিক রূপটা এমন হলে কারো উপর আস্থা রাখা যাবে কি?



শুভেচ্ছাসহ
অধমাধম
গালিব














vashkar abedin

unread,
Apr 28, 2009, 4:07:25 AM4/28/09
to kobit...@googlegroups.com
স্নেহের গালিব

আপনার কুয়া দর্শন পাঁচালি ভালোই লাগলো...কিন্তু কুয়াদর্শনে আসলেই কিছু ভূয়া দর্শন ঢুকাইলেন মনে হয়। কুয়ার ভিতর বসত কইরা বাইরের মানুষের পাঁচালীর বদলে পড়লাম বাইরের থেইকা কুয়ার সৌন্দর্যে মোহিত অন্তরের অনুভূতি।

কুয়ার বাইরে দাঁড়াইয়া আপনে ভাবতেছেন কুয়ার ভিতর থেইকা আকাশটারে কেরম দেখা যায়...শুনতে অনেক রোমান্টিক লাগলেও...যেই সীমিত আকাশ কূপমন্ডুকেরা দেখেন, তাতে আন্দাজের এই রোমান্টিকতা এতোটা খেলে না...



ভালো থাইকেন

ভাস্কর

2009/4/27 Sohel Hasan Galib <kranti...@gmail.com>
ভাস্করদা,

Sohel Hasan Galib

unread,
Apr 28, 2009, 4:24:59 AM4/28/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় ভাস্করদা,
বহুত বহুত শুকরিয়া। কষ্ট করে পড়বার জন্য।

যাই কন ভাই, লেখাটা কিন্তু ঝাক্কাস হইসে। ইয়ে...মানে কিছু ঝামেলা তো থাকবেই। ঝামেলাটা পাঠক লেখক দুইজনারই।

যাই হোক, ভালো থাইকেন, কাছে আইসেন। আপনারে এখন ভাল্লাগতাছে।

ইতি
কুয়াবাসী, কুয়ার ব্যাঙ, ঢোঁড়া সাপ,
খোয়াজ খিজির ও গালিব


2009/4/28 vashkar abedin <vashkar...@gmail.com>

Gomes, Subrata Augustine

unread,
Apr 28, 2009, 3:26:00 PM4/28/09
to kobit...@googlegroups.com

প্রিয় গালিব,

আমার তর্কশাস্ত্রে ব্যুত্পত্তি নেই কোনো, তার পরও আপনার যুক্তিকে অকাট্য মনে হচ্ছে। আপনি যা-যা অর্থ করেছেন সবই, যাকে বলে "ব্যাং অন"তবে একটা কথা শুধু আছে এখানে আমার: আমার কমেন্টটা আমার নিজের মতামত নিয়ে করা ছিল না। সম্প্রতি (এবং আগেও) আমরা লক্ষ করেছি (মানে আমি আশা করছি যে আপনিও করেছেন) যে ফেসবুকে, এবং এই গ্রুপেও, রাইসুর এই কবিতাটা, বিশেষ করে এই কবিতাটিতে ব্যবহৃত "গোয়া মারে" শব্দবন্ধটিকে নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, এবং কেউ কেউ স্রেফ এই "অপরাধে" কবিতাটিকে এবং রচয়িতার সব কবিতাকে অশ্লীল এবং শ্লীল ভাষায় খারিজ করেছে

 

আমার বক্তব্যের নির্গলিতার্থ ছিল (বা উদ্দেশ্য ছিল বলতে পারেন) এই যে, যদি ঐসব লোকজনের কথা যথার্থ বলে মেনে নিইও আমি, অর্থাত্ শব্দবন্ধ তথা কবিতাটিকে খারাপ বলে "মেনে নিইও", তবু তাতে প্রমাণ হয় না যে রাইসুর বাদবাকি কবিতাগুলিকেও এই "কারণে" খারিজ করা যায়

 

রাইসুর এই কবিতা, বা তাতে ব্যবহৃত এই শব্দবন্ধটির বিষয়ে আমার মতামত মুজিব দয়া করে উদ্ধার করেছিলেন আমার প্রবন্ধ থেকে। তাঁকে শুকরিয়া। ওখানে খোদ আমি এই শব্দবন্ধটির ব্যবহার নিয়ে মৃদু আপত্তি করেছিলাম, কিন্তু আপত্তির কারণটা (বলা বাহুল্য) "অশ্লীলতা" ছিল না, ছিল অসংসৃষ্টি

 

আমার উপরের কথাগুলি যে পরের পোস্টেই আপনার শাণিত যুক্তি-ছুরিতে কাটা পড়বে আমি জানি, এবং তার জন্য আগাম হার স্বীকার করে রাখছি এখানেই। আর, আবারও বলছি, ভাই, আমি মোটামুটি স্বল্প বুদ্ধির মানুষ এবং ইমোশনদুষ্টও বটি, ফলে আমার কথার ফাঁক বের করতে খুব ঝানু উকিল হওয়া লাগেও না

 

আর স্বল্পবুদ্ধি হবার কারণেই কেবল (বিশ্বাস করুন, আর কোনো প্যাঁচালো কারণে নয়), আপনার কাছে আপনার চিঠির শেষ প্যারাটার একটা ব্যাখ্যা আশা করছি: " তো হতেই পারে যে, বিগত এক সপ্তাহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহর ঘুরে ছুটি কাটিয়ে এসে, ফের থিতু হতেই, রাইসুদার কবিতাটা আপনার কাছে নতুনভাবে ধরা দিলো। রবীন্দ্রনাথের মত পাল্টাতে ৩৫ বছর লেগেছিলো, আপনার না হয় এক সপ্তাহ লাগলো। কোনো সমস্যা নেই। শুধু ভাবি, ইনকন্সিস্টেন্সির উত্তরাধুনিক রূপটা এমন হলে কারো উপর আস্থা রাখা যাবে কি?"

 

আমার তরফে মাত্র কয়েকটি আগাম আত্মপক্ষ সমর্থনের বৃথা চেষ্টা:

 

. রাইসুর এই কবিতা আমার কাছে নোতুনভাবে ধরা দেয় নি। আপনার সেটা মনে হয়েছে (বা হয় নি আসলে, স্রেফ আমাকে খোঁচা দেবার জন্য বলছেন, মানে আমাকে নিয়ে ফান করবার জন্যে, তা হয় যদি, আমিও তাতে যোগ দিয়ে হাসতে চাই)

 

. একটা কবিতার বিষয়ে কারো মত পাল্টানো যে অপরাধের তাও কিন্তু নয়। আপনি রবীন্দ্রনাথের মাইকেল-ঘটিত নজিরটা টেনেছেন তো নিজেই। বরং মত পাল্টে গেলেও ফেস লুজ করবার ভয়ে আগের মতকে আপ্রাণ কামড়ে থাকার চেষ্টাটাও হাস্যকর মনে হয়। পরন্তু, রবীন্দ্রনাথের মত পাল্টাতে ৩৫ বছর আর আমার "পাল্টাতে" দিন লাগাটার মধ্যেই বা সমস্যা কোথায়? সেরকম তো হতেই পারে, তাই না? কেউ ১৮ বছরে, কেউ ৭৮ বছরে বিয়ে করতে পারে, তার ফলে কি প্রমাণ হয় যে ১৮-ওয়ালা কোনো অপরাধ করেছে? মানে বিয়ে করাটা অপরাধের হলে তো দুজনেই করেছে, যে বয়সেই করুক। অপরাধ না হলে কেউ করে নি। প্রত্যুত, মত পাল্টানো অপরাধ না হয়ে একটা স্বাভাবিক মানবিক প্রক্রিয়া হয় যদি তো উল্টে বলা যায় যে রবীন্দ্রনাথ অন্তত -বাবদে সুব্রতর চেয়ে অনেক বেশি পিছিয়ে ছিলেন :)

 

৩. "ইনকন্সিস্ট্যান্সির উত্তরাধুনিক রূপ"! ওয়াহ্! আমি মুগ্ধ। ফাজলামি করছি না। আই হ্যাভ থরোলি এনজয়ড দিস কইনিজ। ক্ষয়িষ্ণু স্মৃতি থেকে একটা সাক্ষাত্কারের উল্লেখ করি (একজ্যাক্ট ডিটেলস দিতে পারব না, মুজতবা আলীর কোনো লেখায় পড়েছিলাম এক-জন্ম আগে), রবীন্দ্রনাথকে প্রশ্ন করেছিল কোনো এক বিলাতি কাগজ: হোয়াট ইজ ইয়োর মোস্ট ফেভরিট ভাইস? রবীন্দ্রনাথের জবাব: "ইনকন্সিসট্যান্সি" তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: হোয়াট ইজ ইয়োর বেস্ট ফেভরিট ভ্যর্চু? রবিবাবুর জবাব: "ইনকন্সিসট্যান্সি"

আমার অবশ্য টায়-টায় মনে পড়ছে না তিনি "ইনকন্সিসট্যান্সি" বলেছিলেন, নাকি, তার কাব্যিক প্রতিশব্দ, "মিউট্যাবিলিটি"

শুভ হোক

সুব্রত

 

 

From: kobit...@googlegroups.com [kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Sohel Hasan Galib [kranti...@gmail.com]
Sent: Tuesday, 28 April 2009 3:13 AM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [কবিতাকথা:614] Re: এ কী আজব কারখানা

Rashed Uzzaman

unread,
Apr 30, 2009, 3:19:17 AM4/30/09
to kobit...@googlegroups.com
গালিব,

তোর কুয়োদর্শনের ভূয়োদর্শন পড়ে মজা পাওয়া গেল। কিন্তু পুষ্পকীট শুয়োপোকারা কি তা বুঝবে?

নেটে বসা হয় না। কাজেই আছি অতর্কিত, তর্ক হতে বহুদূর।

রাশেদুজ্জামান

--- On Tue, 4/28/09, Sohel Hasan Galib <kranti...@gmail.com> wrote:

Sohel Hasan Galib

unread,
May 1, 2009, 6:03:11 AM5/1/09
to kobit...@googlegroups.com
রাশেদ,

এতদিনে শুনতে পেলি কুয়োর হাসির খিলিখিলি!
বন্ধু রে তুই কোথায় ছিলি?

গালিব


2009/4/30 Rashed Uzzaman <rashe...@yahoo.com>

Sohel Hasan Galib

unread,
May 4, 2009, 5:44:00 AM5/4/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় সুব্রতদা,
ভেবেছিলাম আপনার চিঠির উত্তর দেবো না। কারণ আপনি সমস্ত আলোচনাকেই 'ব্যাং অন' বলে দিতে পারেন। জ্যেষ্ঠতার এ অধিকার কনিষ্ঠকে কবুল করতেই হবে। তর্কককে উকিল বললেও। কিন্তু, জেল-জরিমানার ভয় উদ্রিক্ত হলো কেন, বুঝলাম না? তবে যাই হোক, শেষাবধি নিরুত্তরই-বা থাকি কী করে?

পুনশ্চ ঊহগামী ব্যূহ রচনায় প্রবৃত্ত হলাম।


আমি মোটামুটি স্বল্প বুদ্ধির মানুষ এবং ইমোশনদুষ্টও বটি

- না, সুব্রতদা, আপনি মোটেও স্বল্পবুদ্ধি নন, ইমোশনদুষ্ট হয়তোবা। আর সে ইমোশন স্বভাবতই ইষ্টিকুটুমেরই প্রতি। আমি বা টুকু যে ইষ্টিকুটুম, নই এই যা দুঃখ।

আমরাও ছিলাম পরম ইষ্টি
সুব্রতর না হইলো দৃষ্টি
বিতর্কে অনাসৃষ্টি
তাই নিয়ে বকাঝকা।
যাবে সামান্যে কী পদ্য লেখা!

(ইহা একটি লালন-ললিত-লাস্য)

সুব্রতদা, আপনার যে একটি বাক্য এত এত গর্জমান বাক্যের জন্ম দিল, তাকে উপেক্ষা করবার উপায় তো নেই। সে বাক্য নিয়ে আপনার দুর্বলতাটা বুঝি। আপনি প্রথমত 'য়' যোগ করে বাক্যরক্ষা করতে চেয়েছিলেন। তখন আমি বাগর্থবিজ্ঞানের খুব প্রাইমারি একটা টুল ব্যবহার করে তার অর্থ নিষ্কাশন করেছি মাত্র। এবং তা আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য হলো কিনা বোঝা গেল না। এখন সমস্ত ঘটনার দুইটি সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি :
১. বাক্য আপনার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। [শবর, ভাষা পরিত্যাগ করেছে তোমাকে]
২. আপনি বাক্যের উপর আরোহণ করছেন। [অর্থ-আরোপণহেতু]

আর দূর থেকে আমরা ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে দেখছি। এ নিয়ে আর কথা বলবো না। কারণ স্যাটায়ার আর সিরিয়াসের আলাদারূপ সবসময় বাগর্থবিজ্ঞান শনাক্ত নাও করতে পারে। যেমন ধরা যাক, বেশ আগে এবাদুরের পত্রিকায় সুব্রতর একটা দীর্ঘ লেখা পড়েছিলাম জনৈক কবির উচ্চৈঃস্বরে উচ্যমান কাব্যগ্রন্থের উপর। অনেক পরে এসে লেখক জানালেন, উহা একখানা উত্তরাধুনিক ব্যাজস্তুতি। হায়! তখন কে তা ডিফেন্ড করবে?
আমি বলছি না তা হবে। এমনিই একটা উদাহরণ দিলাম।


তো হতেই পারে যে, বিগত এক সপ্তাহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহর ঘুরে ছুটি কাটিয়ে এসে, ফের থিতু হতেই, রাইসুদার কবিতাটা আপনার কাছে নতুনভাবে ধরা দিলো। রবীন্দ্রনাথের মত পাল্টাতে ৩৫ বছর লেগেছিলো, আপনার না হয় এক সপ্তাহ লাগলো। কোনো সমস্যা নেই। শুধু ভাবি, ইনকন্সিস্টেন্সির উত্তরাধুনিক রূপটা এমন হলে কারো উপর আস্থা রাখা যাবে কি?


- এ সম্পর্কে ব্যাখ্যা করার আগে আমাদের এই ঐকবাক্যে পৌঁছাতে হবে যে, সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ তার মত পাল্টেছেন। অতঃপর আলোচনা সম্ভব। ধরে নিচ্ছি আমরা একমত। সেক্ষেত্রে :

১. মত পাল্টানো আশলে দোষল কিছু নয়। চিত্তের উদ্বর্তনও হতে পারে। কিন্তু পলকে-ঝলকে-মুহূর্তে উড়তে উড়তে যদি মত ঘুরতে থাকে, তবে মতিভাইয়ের মতিভ্রম ঘটেছে---এমন ভাবে কোনো দুর্মতি---তাকে আমরা অভিশাপ দেবো কোন ভাষায়---সংস্কৃত না আরবি?

২. আপনি ঠিকই বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ ‌'ইনকন্সিস্ট্যান্সি'কেই তার ভার্চু এবং ভাইস বলেছেন।

ভার্চু এই অর্থে :
যদি মাতে মহাকাল, উদ্দাম জটাজাল ঝড়ে হয় লুণ্ঠিত, ঢেউ উঠে উত্তাল,
হোয়ো নাকো কুণ্ঠিত, তালে তার দিয়ো তাল---জয়-জয় জয়গান গাইয়ো।
হাঁই মারো, মারো টান হাঁইয়ো।

আমাদের গ্রামদেশের এই হাঁইয়ো মারাই ইউরোপের ‌ইনকন্সিস্ট্যান্সির পজিটিভিটি।

ভাইস এই অর্থে :
আমরা যে শিশু অতি, অতিক্ষুদ্র মন---
পদে পদে হয় পিতা, চরণস্খলন।

অভিজ্ঞতাকে আমলে না নেবার ফলে যে ইনকন্সট্যান্সি (বিধ্রুবতা) তৈরি হয়, তাকেই বুঝিয়েছেন গুরুদেব, এই আমার বিশ্বাস।

৩. ইনকন্সিস্ট্যান্সির উত্তরাধুনিক রূপ বলতে কী বোঝাতে চেয়েছি, তা উপর্যুক্ত পর্যালোচনার উপর্যুপরি ঘা'য়ে খোলাশা হয়ে গেছে আশা করি। এর বেশি মুখ ফুটে বলা সম্ভব না। সেটা অশোভন হবে।


বিনীত
গালিব





Gomes, Subrata Augustine

unread,
May 4, 2009, 7:53:01 PM5/4/09
to kobit...@googlegroups.com
Priyo Galib,
 
Tothastu...
 
Bhalo kotha, apnar paThano "0" doshoker kobitar boier print nilam. PoRte shuru korechhi... kintu shomoy eto kom... shombuk gotite poRchhi... e porjonto ulloshito hobar moto kono kobita poRi ni (shokhede bolte hochchhe), Projapoti shongkranto duTo kobita bhalo laglo khub (Apon Mahmud-er)... moTer upor bhalo legechhe aro kichhu kobitao oboshyo... aro onek kobitai lagbe asha korchhi...
 
Onek dhonyobad apnake, shonkolonTi paThabar jonyo... puro poRa hoye gele hoyto aro montobyo korbo - ba, shomoy hoy jodi to likhei hoyto phelbo kichhu (ebong jothareeti abar gada-khanek gali hojom korbo)...
 
Bhalo thakben,
 
Subrata
 
 
 


From: kobit...@googlegroups.com [mailto:kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Sohel Hasan Galib
Sent: Monday, 4 May 2009 7:44 PM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [????????:629] Re: ? ?? ??? ???????

মুজিব মেহদী

unread,
May 4, 2009, 10:45:51 PM5/4/09
to কবিতাকথা
প্রিয় সুব্রতদা,
শুনে ভালো লাগছে যে, আপনি 'শূন্যের কবিতা' পড়ে উঠছেন। ভালোমন্দ মিলিয়ে যে
অনুভূতিটা হচ্ছে সেটা যদি সত্যি কখনো লিখেন (যেটার সম্ভাবনার কথা আপনি
জানালেনও), তো সেটা খুব খুশিরই কারণ হবে। ডিটেলে যদি লেখাটা হয় তো ধারণা
করি সেটা অনেক বড়ো হবে, যা হয়ত সফট ফর্মে পাঠের জন্য সুবিধাজনক হবে না।
কিন্তু ওর একটা সংক্ষিপ্ত ভার্সন যদি অন্তত কবিতাকথায়ও পোস্ট দিতেন তো এ
ফোরামের পাঠকদের মধ্যে শূন্যের কবিতা বিষয়ে যে কৌতূহলটা জন্ম নিয়েছে,
সেটার একটা মোচন এবং একইসঙ্গে বিস্তারণ সম্ভব হতো।

Sohel Hasan Galib

unread,
May 4, 2009, 11:22:25 PM5/4/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় সুব্রতদা,
আমার সম্পাদিত "শূন্যের কবিতা" বইটি আমি আপনাকে পাঠাই নি। টুকু পাঠিয়েছে সম্ভবত। আচ্ছা আপনি ভূমিকাংশটা কি পেয়েছেন? যা হোক, যেহেতু আপনার আগ্রহ জন্মেছে, শূন্যের উপর পড়েছে শুভদৃষ্টি (শ্যেনদৃষ্টি!), সেহেতু আমি অনুরোধ করি অন্তত আরও দুটি বই পড়ে নিতে। অনন্ত সুজন সম্পাদিত "শূন্যের সাম্পান" (এখানে অবশ্য প্রাগুক্ত সংকলনের সকল কবির অংশীদারত্ব নেই) এবং মামুন খান ও যুবা রহমান সম্পাদিত "শূন্যদশকের প্রেমের কবিতা"। শেষোক্ত বইটি আপনার ঝালিয়া যেখান থেকে বেরিয়েছে এবং অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের কবিতা যেখান থেকে বেরোবার কথা, সেখানে আছে। সোহেলকে বললে ও আপনাকে সফট কপি পাঠাতে পারবে।

আমাকে হাল্কাপাৎলা অনুরোধ করলে আমিও পাঠাতে পারি।

এ দশকের কবিদের খারিজ বা তারিফ করতে গিয়ে তাদের বই না পড়লেও (!) নিদেনপক্ষে এ তিনটি সংকলন পড়ে নেয়া জরুরি।

ইতি
গালিব


2009/5/5 মুজিব মেহদী <m.m...@gmail.com>

Gomes, Subrata Augustine

unread,
May 5, 2009, 12:44:12 AM5/5/09
to kobit...@googlegroups.com
Priyo Galib,
 
Halka-patla ki, bhari onurodh-i korchhi apnake : ) oboshyoi poRbar khub-i ichchha achhe, ja pawa jay...
 
Ar... ami kharij korte keno jabo kauke... kibhabei ba?
 
Apnar,
Subrata
 


From: kobit...@googlegroups.com [mailto:kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Sohel Hasan Galib
Sent: Tuesday, 5 May 2009 1:22 PM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [????????:632] Re: ? ?? ??? ???????

Gomes, Subrata Augustine

unread,
May 5, 2009, 12:46:11 AM5/5/09
to kobit...@googlegroups.com
Priyo Muzib,

PoRi to age... : )

Bhalo thakben,

Subrata

Gomes, Subrata Augustine

unread,
May 6, 2009, 6:46:50 PM5/6/09
to kobit...@googlegroups.com
Priyo Galib,
 
Shunyer Kabita-r bhoomikaTi tokhon-i poRechhilam, tobe taRahuRa kore, ajke abar poRlam, mon diye...
 
Apnar godyo besh mojbut, ar shahityik-o. Ami godyo-shiddhi-ke je kono dhoroNer lekhar ekTa prak-shorto mone kori. Pranjol godyo je likhte pare na, she kichhui likhte pare na ashole...
 
Apni ja bolechhen, tar onek onek jaygay ami pray shorob tarif kore uThechhi (mane bus-e boshe, bhodrota bojay rekhe jeTuku shombhob)...
 
Poshchimer khoNDoyon-reeti amader kobitar ba shilper bodhke porjonto kemon unmool, udbastu kore tulechhe, ta apnar moto amio shobshomoyi bodh kore eshechhi - amra "amader" kotha likhchhi ki adou? Naki sref poshchimer onukar kore jachchhi?
 
Chhondo niye kothao bhalo laglo, ebong moTei upor shohomot holam. Kintu: "chhondo-porikroma puroTai gaNitik ar kobita rochona reetimoto goNitghati, emonki bigYanbirodhi ek progYar obhijan", ei ray-Tike ami nite parlam na.
 
GoNit bolte jodi kebol paTeegoNit bojhe keu, ba bigYan bolte "shoorjo purbo dik-e oThe" emon shiddhantoke, tahole tar pokkhei emon shoroleekoroNe pou(n)chhe jawa shombhob je chhondo mane sringkhola / shringkhol, chhondo bhaShar, prokasher, chhoTo chhoTo kha(n)cha ba khop-matro... atmoprokasher pothe bighno-matro...
 
Kintu adote, goNit jemon shudhu paTeegoNit noy, tar modhye differential calculus-o achhe, bigYan-o temni kebol nishchiti niye deal kore na, korle Einstein-ke boigYanik bola jay na... temnii, chhondo-o bhaShar jailkhana noy, borong tar muktir shopan... ebong apni nijeo kintu ei bakyoTir agei hore-dore eki rokomer kotha bolechhilen... mane ekTa jatir kotha bolar bhongi ba emonki shwash-proshwasher dhoroNer uporei shei jatir prodhan chhondoguli bhor kore thake...
 
duTo bhul banan dekhlam: sarbojoneen (hobe sorbojoneen), ar Belur (hobe, shombhoboto BeluR, mane D-e shunyo R). Kobider uporodhe bhul bananer Dhe(n)ki gelaTao mono:puto hoy ni.
 
Bhalo thakben,
 
Subrata 

From: kobit...@googlegroups.com [mailto:kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Sohel Hasan Galib
Sent: Tuesday, 5 May 2009 1:22 PM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [????????:632] Re: ? ?? ??? ???????

Sohel Hasan Galib

unread,
May 8, 2009, 1:16:45 PM5/8/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় সুব্রতাদা,
আপনাকে অশেষ শুকরিয়া জানাই, কষ্ট স্বীকার করে ভূমিকাটি আবার পড়েছেন বলে। আর প্রশংসা করেছেন বলে কৃতজ্ঞতা নাইবা জানালাম, সেটা সংকীর্ণতা হবে।

হায় বেলুড় মঠ!
কথাটা যখন আমি লিখি তার কিছুদিন আগে ডিডি বাংলায় একটা শাস্ত্রীয় সংগীতের অনুষ্ঠান দেখেছিলাম। বেলুড় মঠ থেকে সম্প্রচারিত হচ্ছিলো। রবি শঙ্কর সেতার বাজাচ্ছিলেন। তার কন্যা আনুষ্কাও ছিলেন সম্ভবত। এর আগে আমি নিজেও বেলুড় মঠ ঘুরে এসেছি। কিন্তু কোনোদিন বানানটার দিকে তাকিয়ে দেখি নি। আপনাকে ধন্যবাদ এটি ধরিয়ে দেবার জন্য।

সর্বজননীন ও সার্বজনীন নিয়ে গণ্ডগোলে পড়ি ক্লাস নাইনে। তখন টেক্সটবুক কারিকুলামে বানান-সাযুজ্য ও -সংশোধনের কাজ করছিলেন আমার বাবা। আমি তার দ্বারস্থ হলাম। তিনি যে ব্যাখ্যাটি দিয়েছিলেন :

সর্বজনীন=সকলের জন্য অনুষ্ঠিত / সকলের দ্বারা অনুষ্ঠিত
সার্বজনীন=সকলের দ্বারা অনুষ্ঠিত / সকলের জন্য অনুষ্ঠিত

আমি ঠিক নিশ্চিত নই কোনটার ক্ষেত্রে কী বলেছিলেন। উনি আজ বেঁচেও নেই যে জিজ্ঞেস করবো। কিন্তু অভিধানে এমন সুস্পষ্ট বিভাজন সেদিনও খুঁজে পাই নি, আজও পাই না।

পশ্চিম বাংলার ভাষ্য (সাহিত্য সংসদ্) :
সর্বজনীন=সকলের পক্ষে হিতকর, সকলের জন্য কৃত অনুষ্ঠিত বা উদ্দিষ্ট; বারোয়ারি (সর্বজনীন পূজা, সর্বজনীন প্রচেষ্টা)
সার্বজনীন=সকলের যোগ্য, সর্বজনের জন্য অনুষ্ঠিত; সর্ববিদিত (সার্বজনীন উৎসব)

বাংলাদেশের ভাষ্য (বাংলা একাডেমী) :
সর্বজনীন=সকলের মঙ্গলজনক বা কল্যাণকর; সর্বসাধারণের জন্য অনুষ্ঠিত, বারোয়ারি
সার্বজনীন=সকলের মধ্যে প্রবীণ; সর্বশ্রেষ্ঠ; [অশুদ্ধার্থ : সর্বসাধারণের জন্য অনুষ্ঠিত বা কৃত (সার্বজনীন দুর্গোৎসব)]

সকলের মঙ্গলজনক বা কল্যাণকর---বাংলা একাডেমী এটা কী লিখল! কাছে / জন্য জাতীয় অনুসর্গটি কই?

তাহলে দেখা যাচ্ছে, সার্বজনীন শব্দটি ভুল নয়, অর্থ নিয়ে দ্বিমত আছে। বাংলা একাডেমীর অর্থটাকে আজগুবি এবং উদ্ভট মনে হয়েছে।

আমার বাক্যে ছিলো : 'আধুনিকতাবাদের সার্বজনীনতা নামক ভণ্ডামি'---এখানে ভুলটা শনাক্ত করতে পারছি না, সুব্রতদা। ব্যুৎপত্তিগতভাবে, সার্ব মানে সর্ব-সম্পর্কিত বা সর্বপ্লাবী এবং জনীনকে জন-সংক্রান্ত বা জন-উদ্দিষ্ট ধরে নিলে যা দাঁড়ায় তা হলো : সর্বক্ষেত্রের জনগণের জন্য প্রযোজ্য। আর সর্বজনীন বললে সর্বজনের জন্য প্রযোজ্য বোঝায়। এস্থলে সর্বক্ষেত্রের সর্বজন কথাটার বিস্তৃতি লক্ষণীয়। তারপরও এ ভুল সম্পর্কে আপনার কাছে একটা ব্যাখ্যা দাবি করতে পারি। সকলের জন্য হিতকর হবে।

না, ছন্দকে খাঁচা-টাচা কিছু ভাবি না আমি। বন্ধন বটে, সেটা মুক্তির জন্যই। সেতারের তারটাকে ঠিকমতো বেঁধে না নিলে গান তো বেসুরো হবেই। কথাটা রবির কাছে থেকে ধার করে বললাম। কিন্তু বিদ্যাসাগরের শকুন্তলা বা সীতার বনবাস-এর গদ্যস্পন্দও আমি বুঝতে আগ্রহী। একথাটা বোধ হয় স্পষ্টভাবে বলতে পারি নি।

আমি লিখেছিলাম :
কে না জানে, যুদ্ধক্ষেত্রটা স্বভাবতই বিশৃঙ্খল। কিন্তু সামরিক কুচকাওয়াজ সুশৃঙ্খল। তেমনি ছন্দ-পরিক্রমা পুরোটাই গাণিতিক আর কবিতা রচনা রীতিমতো গণিতঘাতী, এমনকি বিজ্ঞানবিরোধী এক প্রজ্ঞার অভিযান।

এবার একটু ব্যাখ্যা করি। আজ ২৫ শে বৈশাখ। রবীন্দ্রনাথ থেকেই ধার করি। লিখেছেন : অধরা মাধুরী ধরেছি ছন্দোবন্ধনে। কথাটা উল্টে বলা যায়, ছন্দে যা ধরা হয়েছে সেটা আশলে অধরা। সে অধরা কোনো বন্ধন স্বীকার করে না। আর আমরা বন্ধনের বাইরে কোনো কিছু ভাবতেই পারি না---না কোনো সম্পর্ক, না কোনো শত্রুতা। কিন্তু বন্ধনের ফাঁস থেকে আমরাও মুক্তি চাই। তার প্রমাণ, বন্ধনের ভেতর মুক্তিকে চাই।

কবিতা আশলে ছন্দের বাইরের জিনিশ---এভাবে বলা বিপজ্জনক যদিও। তবুও, মিটার বা মাত্রা গণনার মতো মিহি কেরানির কাজটুকু কবির নয়, কর্মীর। তারপরও, 'দুয়ারে কণ্টক গাড়ি' রাধা-শীলনকে মান্য না করে উপায়ও নেই কৃষ্ণের কাছে পৌঁছতে হলে। ছন্দকে আমার অভিসারের পথে রাধার পায়ের নিচে কাঁটার মতো মনে হয় কখনোবা।

কবিতাকে গণিতঘাতী বলেছিলাম, হিশাবকে নিকাশ করার জন্যই। বিজ্ঞানবিরোধী কথাটাও এসেছে ঐ জায়গা থেকে। যুক্তি ও প্রমাণের আঁচ থেকে বাঁচাবার জন্য। বলেছি প্রজ্ঞার কথা, আরো ভালো হতো সজ্ঞা বলতে পারলে। এ কথা সত্যি, সমস্ত বৈজ্ঞানিকতার পেছনে মানুষের কল্পনাকে গুরুত্ব দিয়েছেন আইনস্টাইন। জীবনানন্দ দাশ যেমন কল্পনার সারবত্তার কথা বলেন। কিন্তু এ কি আপনি অস্বীকার করবেন, বিজ্ঞান যাত্রা করে নিশ্চয়তার দিকে অনিশ্চিতি থেকে। কবিতা নিশ্চয়তার বহুমুখ উন্মোচন করে। যা ছিলো সুনিশ্চিত, তাই হয়ে পড়ে প্রশ্নবিদ্ধ, আচ্ছা আর সাচ্চার বাইরে প্রায় অপলাপের মতো। অপহ্নব তো কেবল কবিতাতেই সম্ভব। মানুষের আত্মহত্যাকে যেভাবে যুক্তিগ্রাহ্য করে তুলতে চায় সমাজ, সেখানে 'আট বছর আগের একদিন' একটা অনিশ্চয়তা, এক বিপন্ন বিস্ময় নিয়ে হাজির হয় না কি?

আজ প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে শিরীষ গাছের তলায় বসে পুরনো এই কথাগুলো আরেকবার ভাবলাম।


ইতি
গালিব




2009/5/7 Gomes, Subrata Augustine <AG21...@ncr.com>

Gomes, Subrata Augustine

unread,
May 8, 2009, 4:30:23 PM5/8/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় গালিব,
 
সর্বজনীন কথাটা তৈরি হয়েছে এভাবে: সর্ব+জন = সর্বজন+ঈন (প্রত্যয়) = সর্বজনীন। ঈন প্রত্যয় যোগ হলে আদ্যস্বরের বৃদ্ধি বা গুণ হয় না। যেমন জন+ঈন জনীন, অভ্যন্তর+ঈন অভ্যন্তরীণ, সর্বাঙ্গ+ঈন সর্বাঙ্গীন, তেমনই সর্বজন+ঈন সর্বজনীন। সর্বজনীনের বিকল্প শব্দ হতে পারে সার্বজন (অণ্ প্রত্যয় যোগে, সেক্ষেত্রে আবার ঈন প্রয়োগ করবার কোনো মানে হয় না), সার্বজন্য বা সার্বজনিক (তেমনই অভ্যন্তরীণ-এর হতে আভ্যন্তর বা আভ্যন্তরিক)।
 
ছন্দ নিয়ে আপনার সাথে আমার গুরুতর মতপার্থক্য আছে তা বুঝতে পারছি। আপনি ছন্দের যে-ফাংশানটার উল্লেখ করছেন, খানিকটা কাব্যিক ভাষায় (মানে, রাধার পায়ের নীচে কাৎটা গেড়ে হাৎটার কথা বলে), সেটা "মিহি কেরানির" কাজ বলে গণ্য করা গেলেও যেতে পারে, সেটা ছন্দের প্রাথমিক ফাংশান এবং একজন নোতুন কবির মাথাব্যথা। কবিতার কথা বাদ দিই, সকল শিল্পের হবু শিল্পী্কেই শিল্পী হবার আগে পর্যন্ত বেধড়ক রেওয়াজ করতে হয় ঐ ঐ শিল্পের টুল-গুলিকে আয়ত্ত করতে। ঠিক ঐ মুহূর্তে সেগুলি টুলজ-মাত্র। কিন্তু, ঐ শিক্ষানবিস স্নাতক হয়ে যাবার পরে টুলগুলি তার শিল্পসাধনার প্রতিবন্ধক নয়, বরং উপায় হয়ে দাৎড়ায় (ঘোড়ার ডিম চন্দ্রবিন্দু আসে না কেন)। ছন্দ নিজেই আত্মপ্রকাশের উপায় হয়ে যায়, আত্মপ্রকাশের বাধা নয়। রাধার পায়ের নীচের কাদা বা কাৎটা নয়, হয় কৃষ্ণের বাৎশির সুর যা আৎধার রাতে তাকে দিঙ্-নির্দেশনা দেয় তার দয়িত, তার মোক্ষ, তার অমৃতের দিকে তাকে নিয়ে যেতে।
 
এ-পর্যন্ত পৃথিবীর প্রায় সকল শ্রেষ্ঠ কবিতা ছন্দে লেখা হয়েছে। এর কয়টার বিষয়ে বলা যাবে যে ছন্দ না থাকলে সেগুলো আরও ভালো কবিতা হতে পারত? "পর্বত চাহিল হতে বৈশাখের নিরুদ্দেশ মেঘ / তরুশ্রেণী চাহে পাখা মেলি / মাটির বন্ধন ফেলি / ঐ শব্দরেখা ধরে চকিতে হইতে দিশাহারা / আকাশের খুৎজিতে কিনারা"... আপনি কোন্ প্রাণে একটা শব্দ, একটা অক্ষরও এর বদলাতে পারেন? একটা অক্ষরকে বলতে পারেন যে ছন্দোরক্ষার স্বার্থে এই অক্ষরটা ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু এটি অমোঘ হয় এই কবিতায়?
 
তাইলে খাড়াইল কী (ইতি ভানু)? ছন্দ নয়, বরং ছন্দ প্রয়োগকারীর ইনকম্পিটেন্স (শুধু ছন্দ প্রয়োগে নয়, সার্বিকভাবে কবি হিসাবেও) অন্তরায় হয়ে দাৎড়ায় কবিতার উত্কর্ষের।
 
এ আমার মনে হয়।
 
সুব্রত।
 

From: kobit...@googlegroups.com [kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Sohel Hasan Galib [kranti...@gmail.com]
Sent: Friday, 8 May 2009 1:16 PM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [কবিতাকথা:648] Re: [????????:632] Re: ? ?? ??? ???????

Gomes, Subrata Augustine

unread,
May 8, 2009, 4:55:32 PM5/8/09
to kobit...@googlegroups.com
সরি, একটা ভুল আছে "অমোঘ হয়"-এর জায়গায় "অমোঘ নয়" হবে, শেষের আগের প্যারার শেষ লাইনে।
 

From: kobit...@googlegroups.com [kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Gomes, Subrata Augustine
Sent: Friday, 8 May 2009 4:30 PM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [কবিতাকথা:649] Re: [????????:632] Re: ? ?? ??? ???????

Sohel Hasan Galib

unread,
May 8, 2009, 7:37:36 PM5/8/09
to kobit...@googlegroups.com
প্রিয় সুব্রতদা,

আপনি আমাকে ছন্দ-শত্রু হিশেবে দাঁড় করাচ্ছেন। আদতে তা নই যদিও, তবু্ এখানে নাহয় সে অবস্থানটাই নেয়া গেল। কারণ, ছন্দোবাক্যই কবিতা---এমন একটা সুধীন দত্তীয় সিদ্ধান্তের দিকে চলে যাচ্ছেন কি না ভয় হয়।

আপনার কথা মতো, ছন্দ বাঁশির সুর হয়ে দিগ-দিশারী হয়, অমৃতপানে। তাহলে এটা আশা করা যায়, ছন্দোদক্ষ কবিমাত্র লক্ষ্যভেদী। বাংলা ভাষায় দুজন ছন্দের জাদুকরের কথা আমরা জানি। নাম উচ্চারণ ব্যতিরেকে এ কথা বলা যায় যে, চূড়ান্ত অর্থে তারা লক্ষ্যভেদী হন নি। হলে, ঐ ভেদ-সাফল্য অন্তত আমরা চাই না। আরও গোটা দশেক গৌণ কবি পাওয়া যাবে, যারা ছন্দে পটু।

প্রকৃত প্রস্তাবে, কবিত্বের জন্য কমলকুমারের 'কমলাসুন্দরী'র কথা ভাবা যেতে পারে। অন্তর্জলি যাত্রা। সেলিম আল দীনের চাকা বা যৈবতী কন্যার মন।

ভাবা যেতে পারে রবীন্দ্রনাথের ছন্দহীন গানগুলির কথা। শঙ্খ ঘোষ যাক বলেন, ছন্দঃস্পন্দ। এক ধরনের ফ্রি ভার্স। ছন্দ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ নিজেই উৎপীড়িত বোধ করেছেন কি না সন্দেহ হয়। মাত্রাবৃত্তে লেখা একটা কবিতার উদাহরণ দিই।

ভালবেসে সখী নিভৃতে যতনে
আমার নামটি লিখিয়ো---তোমার
মনের মন্দিরে।

গান করতে এসে তাকে লিখতে হলো :

ভালবেসে সখী নিভৃতে যতনে
আমার নামটি লিখো---তোমার
মনের মন্দিরে।

সুরের সাহায্য ছাড়াই দ্বিতীয়টা সুখপাঠ্য। আমাদের পাঠের সহজাত ভঙ্গির অনুকূলে বলে হয়তো। হয়তো দ্বিতীয়টাই ছন্দে নির্ভুল, শ্বাসাঘাত বা শ্বাসবিরতিকে মাত্রা গণনা করি যদি। সেক্ষেত্রে প্রথমটা কি ভুল? তবে কি তখন পর্যন্ত কবি ছন্দের গুপ্তফাঁদগুলো ধরতে পারেন নি?

ছন্দ সম্পর্কে সাম্প্রতিক যে আলোচনাগুলি চোখে পড়েছে, সেখানে দেখতে পাই, ছন্দ ক্রমশ বাক্স্পন্দে গ্রসমান। বাগভঙ্গিনির্ভর হয়ে উঠেছে। সতত ডানার মানুষ হয়ে উড়াল দিচ্ছে। বলতে পারেন, সিকদার, উৎপল, ভাস্কর, গৌতম এরা একসময় ছন্দে হাত পাকিয়ে নিয়েছেন। তাহলে প্রশ্ন, ছন্দে থাকলেন না কেন? এবং লক্ষণীয়, ছন্দ-কবিতায় সকরুণ ব্যর্থতা নিয়েই সিকদার আমিনুল হক টানা গদ্যে সাফল্য রচনা করলেন।

এ-পর্যন্ত পৃথিবীর প্রায় সকল শ্রেষ্ঠ কবিতা ছন্দে লেখা হয়েছে।---এ কথাটার বিশেষ কোনো তাৎপর্য নেই আর, বহু শুনেছি। বাংলা ভাষায় কবিরাজি আয়ুর্বেদী শাস্ত্রও ছন্দে লেখা হয়েছে। ছন্দ ছাড়া কোনো ভাষ্যই ছিলো না একদা।

ঐ শব্দরেখা ধরে চকিতে হইতে দিশাহারা
আকাশের খুঁজিতে কিনারা

পাল্টে লিখলাম:

চকিতে ও-শব্দরেখা ধরি' হইয়া দিশাহারা
আকাশের খুঁজিতে কিনারা

লোকে হয়তো খেপে যাবে শুনলে, তবু আমার মনে হয়, আমার লাইনটাই সুন্দর এবং নির্ভুল হয়েছে। চকিতে, হইতে, খুঁজিতে-এর একঘেয়েমি থেকে কবিতাটা মুক্তি পেল। মুক্তি পেল ছন্দের অপশাসন থেকেও। কারণ 'হইতে' 'হইয়া'-কে তিন মাত্রা গণনার মধ্যে ঐতিহাসিক গোঁজামিল আছে। যেমন আছে 'আমরা'র মধ্যে।

আচ্ছা, সুব্রতদা, এই লাইনটাকে কীভাবে পড়বো : ফি-মোড়ে ট্রাফিক লাইট, আ্যাম্বুল্যান্সও আটকে দেয় তারা ?
এমন কি : ফি-মোড়ে ট্রাফিক্লাইট, আ্যাম্বুল্যান্সও আটকে দেয় তারা।

ভাঙবে তোমার ঘুম---উঠবে এক অন্য তুমি জেগে = ভাঙবে তোমার ঘুম---উঠব্যাক অন্য তুমি জেগে ?
একই কবিতায় 'আটকে' দুই মাত্রা, 'ভাঙবে' তিন মাত্রা?


আপনি কবিতার পঙক্তিকে অপরিবর্তনীয় ভাবছেন কেন? আয়াত না কি? শেষ কথা, সুর ফেলে দিয়ে লালনের লিরিকগুলি নিলে যা পাওয়া যায় তা কি ইনকম্পিট্যান্স?



ইতি
ছন্দানুগত
গালিব






2009/5/9 Gomes, Subrata Augustine <AG21...@ncr.com>

Mahbub Leelen

unread,
May 9, 2009, 1:38:03 AM5/9/09
to kobit...@googlegroups.com
সুব্রত দা/ গালিব
 
ছন্দ নিয়ে এক সময় আমি প্রায় মৌলবাদী ছিলাম
তারপর হঠাৎ করে উল্টোপক্ষে মৌলবাদী (কিংবা বিপ্লবী?) হয়ে গেলাম
কিন্তু এর কারণগুলো আমার নিজেকে বুঝ দেবার মতো প্রাথমিক যুক্তি পার হয়ে অন্যকে বোঝানোর মতো কিংবা বিতর্কে যোগ দেবার মতো শানানো কিংবা তথ্যসমৃদ্ধ হয়ে না উঠায় এখন এই বিষয়টা নিয়ে কেউ আলোচনা করলে আমি নিজেকে তার একজন নিয়মিত শ্রোতা হিসেবেই রাখি এই আশায় যে আমার না গোছানো কথাগুলো হয়তো এর মধ্যে অন্য কেউ গুছিয়ে ফেলেছেন; হয়তো আমার যুক্তিগুলো আমি পেয়ে যাবো অন্য কারো কথায় কান পেতে
 

০২
 
ছন্দ আর অছন্দর মাঝখানে ঘুরপাক খেতে খেতে আমার এখন প্রায় চূড়ান্ত ধারণা যে ছন্দ কবিতার কোনো অনিবার্য উপাদান নয়
হয়তো একটা বড়ো উপাদান। এবং মাঝে মাঝে ছন্দদাসত্ব কবিতাকে ক্ষুন্ণ করে দেয় (এখানে কি আমার সত্যেন্দ্রনাথ কিংবা শংঙ্খ ঘোষের নাম নেয়া উচিৎ?)
 
বাংলা ছন্দকে যিনি সফল উদাহরণের মাঝে ঢুকিয়ে সবচে বেশি স্ট্রাকচার্ড করেছেন তিনি রবীন্দ্রনাথ (কথাটা প্রবোধচন্দ্র সেন থেকে ধার করা)
সেই রবীন্দ্রনাথই কিন্তু যখন তার অতি কাঙ্ক্ষিত বৈকুণ্ঠের বর্ণনা করেন তখন তখন সচেতন ভাবেই ছন্দ ভুল করেন কিংবা ছন্দ থেকে বের হয়ে এসে লিখেন
 
আকবার বাদশার সঙ্গে হরিপদ কেরানির কোনো ভেদ নেই
 
 
০৩
 
সুব্রত দা
 
বাংলা ইউনিকোডে চন্দ্রবিন্দুটা & বাটনে নয়। মাঝে মাঝে @ বাটনে চন্দ্রবিন্দু থাকে। আর & থাকে

 
2009/5/9 Gomes, Subrata Augustine <AG21...@ncr.com>
প্রিয় গালিব,

Sohel Hasan Galib

unread,
May 9, 2009, 2:15:13 AM5/9/09
to kobit...@googlegroups.com
লীলেন ভাই,

আমার অবস্থান আপনার সারিতে না হলেও অভিমুখটা ঐ দিকেই। ছন্দকে অলংকারের বেশি জ্ঞান করি না আমি। সোনার হাতে সোনার কাঁকন, কে কার অলংকার? যে যারই হোক, আমরা ঐ হাতটাকেই ধরতে চাই, কাঁকন ছুঁতেও চাই না। সে চাওয়াটা বেনেদের পক্ষে সম্ভব।

ছন্দকে অলংকারের একটু বেশি কিছুও মনে হয় কখনো। যেমন মানুষের হাঁটার ভঙ্গি, হাসার ভঙ্গি, ললিতাদের লাস্য ইত্যাদি। কিন্তু কখনোই ললিতা স্বয়ং নয়।

রবীন্দ্রনাথের যে লাইনটা তুলে দিয়েছেন, এটাকে ভুল বলা ঠিক না। এটা দুভাবেই বিবেচনা করা যেতে পারে।

অর্থাৎ, আকবর বাদশার---এটাকে অক্ষরবৃত্তে ৬ মাত্রা বা ৮ মাত্রা উভয়ই গণনাযোগ্য। প্রচল বা প্রচলভাঙা যেভাবেই দেখি না কেন।


ছন্দ নিয়ে তর্কটাকে আমরা আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারি। এর আগে কারা কারা যেন ছন্দ নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন, তারা আজ কোথায়?


গালিব





2009/5/9 Mahbub Leelen <lee...@gmail.com>

Gomes, Subrata Augustine

unread,
May 10, 2009, 10:42:42 PM5/10/09
to kobit...@googlegroups.com
Priyo Sohel,
 
E niye ar torko korte bhalo lagchhe na amar... apnar ar amar, jake bole, point of departure-i alada... emon ashai korte pari na je kono concord ekhane ekebarei shombhobpor...
 
Apni amake bhul bujhchhen bar bar, naki ichchha kore amar kothar bhinno ortho korchhen ta ami jani na... ami kobe kokhon bollam je chhondo-dokSho kobimatroi shera kobi? Ami borong hoyto bolte partam je shera kobi-matroi chhondo-dokSho.
 
Ar... ta boltam jodi, to ami chhondo bolte Banglar tin britto bujhtam/bojhatam na nishchoyi...
 
Chhondo amar kachhe ekjon kobir "mode of expression". Shorboprokar kabyik uchcharoN-i chhonder ontorgoto... godyo-o... ar godyoke chhonder ontorbhukto korechhen khod shongskrito chhandoshikerai... shei kobe...
 
Ja chhondoboddho noy ta kobita noy...
 
Jemon, ja chhondoboddho noy ta gan noy... ba sthapotyo noy, ba bhashkorjo noy...
 
Gan-er chhondo jemon toblar bol noy, kobitar chhondo-o keboli "bejoRe bejoRe ga(n)tho joRe ga(n)tho joR" ei prokarer prathomik chhondogYan noy...
 
ei alochona theke ami biday nichchhi ekhon, apnar tola, amar duTo choroNer chhondo niye kora proshner jothashadhyo jobab diye:
 
1.
 
Fi moRe traffic light, ambulance-o aTke daey tara
 
"light" shobdoTa okShorbritte 2 matrar, kenona: okShorbritte, ruddhakShor (mane hoshonto/byanjonanto) okShor (syllable) 2 matrar, horof jotogulii thakuk, kajei "lai" jemon 2 matra, "lait"-o tai.
 
"aTke"-o  2 matrar, kenona, okShorbritte, shobder sheShe ba muktobhabe na thakle, ruddhakShor 1 matra. "onto" shobder "on" jemon 1 matra, "aTke"-er "aT"-o tai.
 
2.
 
bhangbe tomar ghum - uThbe ek onyo tumi jege
 
ekhane "bhangbe"-er prothom okShor "bhang"-ke 2 matra dhora hoyechhe. ETi okShorbritter bisheSh licence, je kokhono kokhono shobder shurur ba modhyer ruddhakShorke 2 matra nirdesh kora hoy. "uThbe"-er "uTh" abar okShorbritter shwabhabik niyomei 1 matra hoyechhe. "Bhang"-er 2 matra nirdesher aro ekTi uddeshyo chhilo, oi syllable-e bisheSh jor dewa... bhangaTa besh jordar hoy jate...
 
Alamati bistareNa...
 
Subrata
 
 
 


From: kobit...@googlegroups.com [mailto:kobit...@googlegroups.com] On Behalf Of Sohel Hasan Galib
Sent: Saturday, 9 May 2009 9:38 AM
To: kobit...@googlegroups.com
Subject: [????????:651] Re: [????????:632] Re: ? ?? ??? ???????

Message has been deleted
Message has been deleted

মুজিব মেহদী

unread,
May 10, 2009, 11:14:44 PM5/10/09
to কবিতাকথা
May 11, 6:59 am এ পোস্ট করা কমেন্ট থেকে জানা যাচ্ছে সুব্রতদার
নেটওয়ার্কে সমস্যা থাকায় একই নোট একাধিকবার পোস্ট হয়ে গেছে। (Bar bar ek-
i note post korbar jonyo dukkhito... network-e kichhu shomoshya
hoyechhilo... : Gomes, Subrata Augustine)

গ্রুপে মোট তিনবার মেসেজটা পাওয়া গেছে, একবার মূল থ্রেডে, দুইবার
আলাদাভাবে। মূল থ্রেডে একবার রেখে বিচ্ছিন্ন দুটো মুছে দেয়া হলো।

মডারেটর

Reply all
Reply to author
Forward
0 new messages