সুমন রহমান যেমন ব্যক্তিগতভাবে, আজিজ সুপার মার্কেটে, আমাকে জানিয়েছেন
সুব্রতর কবিতা হয় না, বরং তার গল্প ভালো---আমি তেমনটা করি নি। আমি
সুব্রতর কবিতাকে কীভাবে দেখি তা 'কবিতাকথা'য় সরাসরি লিখে জানিয়েছি। তখন
সুমন ভাই আলোচনায় আসেন নি, তিনি এসেছেন শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ
প্রসঙ্গে কথা বলতে। কিন্তু আমি তো চেয়েছিলাম প্রায়-সামসময়িকদের নিয়ে আমরা
ব্যক্তিসম্পর্ক ভুলে গিয়ে মনের কথা বলি।
এ থেকে আক্রান্তদের কারো কারো এ ধারণা তৈরি হলো, আমরা মোড়লিপনা করছি। এবং
যেহেতু কালবিচারে আমরা শূন্যদশকে অবস্থান করি, সেহেতু এ বয়ানও হাজির করা
হলো, গালিব ও টুকু শূন্যের ইজারা নিয়েছে। নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ থেকেই
আমরা কথা বলেছি এবং বলার পর কেউ যখন জানতে চেয়েছেন, কেন তাকে একথা বলা
হলো, তার ব্যাখ্যা হিশেবে যা আমরা ধারণ করি, তাই জানিয়েছি। তারিক টুকু
সুব্রতদার দুটি বই নিয়ে কথা বলার পর, আমি কবিতাকথা গ্রুপে সুব্রতদার চিঠি
পড়ে এ সংক্রান্ত নিজের ব্যাখ্যা হাজির করেছি। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে,
সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ যখন প্রথম পাখি বলে নামের এক ফেসবুকিয়ান-এর কাছে
আক্রান্ত হন, তখন সেখানে রাইসুদা যেমন প্রতিবাদ করেছিলেন, টুকুও
করেছিলেন। আমি তখন ফেসবুকে পাখি বলে বা গোমেজের বন্ধু নই বলে বিষয়টি
জানতাম না। কোনো অগ্রজের সাথেই আমরা এমন কোনো ব্যবহার করি নি যা
শ্লীলতাকে অতিক্রম করে কিংবা তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রান্ত করে। ভাস্কর
আবেদিনের কথা আলাদা। বাকযুদ্ধে শিষ্টাচারের মাত্রা নিরূপণে মেধার ঘাটতি
থাকতে পারে তার। সেক্ষেত্রে আত্মসংবরণে অনুদারতা সম্ভব আমারও।
ব্রাত্য রাইসুকে যতদিন ধরে দেখি আসছি, তাকে জানি তর্কপ্রিয়, প্রশ্নপ্রবণ
ও যু্ক্তিজ্যান্ত মানুষ হিশেবে। স্রোতের বিপরীতে একা দাঁড়াবার ও চিন্তা
জাগাবার শক্তি তার আছে। সেটা যত ভ্রমাত্মকই হোক না কেন। প্রিয় রাইসু ভাই,
আপনি যে ফেসবুকস্থ "আলজিভের প্রকটন" লেখাটিতে গালিব ও টুকুকে
প্রকারান্তরে শূন্যের ইজারাদার বললেন, তার যুক্তি কী? আর সুব্রতদাকে
কাঙালভাবে এসব কী বললেন :
"তুমি তারিক টুকু এবং সোহেল হাসান গালিবের একটা কবিতা দেখাও যেই কবিতা
আমার এই 'গোয়া মারা' কবিতার চাইতে কোনো দিক দিয়া ভালো।...সত্য সত্য বলো
তো এই 'দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে'র কাছাকাছি আইতে পারে এমন কবিতা ওনারা
দুইজনের কেউ লেখছেন?"
সুব্রতদা যা বলার তা তো তারিক টুকুকে লেখা চিঠিতে বলেই দিয়েছেন। আর কী
শুনতে চান আপনি, রাইসুদা! আপনার কবিতা কেউ কেউ নিতে পারে না, সেটা দোষের
নয় বোধহয়। তার জন্যে কন্ট্রিবিউশন নিয়ে কম্পেয়ার করতে হবে? উচিৎ কি তব
ভ্রাত, অনুজেরে আপনি টানিয়া লও নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে!
আমি বরং এই ফোরামের বন্ধুদের সামনে কবিতাটা উপস্থাপন করছি, আসুন না আমরা
কবিতা ধরে কথা বলি। আশা করছি এ ফোরামের সভ্যগণ নীরব থাকবেন না। কারণ এ
কবিতাটিকে রাইসু ভাই কেন মরণকামড় দিয়ে ধরে আছেন তা যেমন বুঝছি না, একই
সঙ্গে এ কবিতাটি সত্যি সত্যি কাদের মন ছুঁলো, তাও জানতে পারছি না।
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে কা কা করে রে
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে হিঃ হিঃ কী কী করে রে
পাতা ঝরে পাতা ঝরে পেয়ারার পাতা ঝরে রে
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে কু কু করে রে
দোরা কাউয়া পাতি কাকের গোয়া মারে রে
পেয়ারা গাছে পাতি কাকের গোয়া মারে রে
ওরে আমার দোরা কাউয়া, দোরা কাউয়া রে,
পেয়ারা গাছে পেয়ারা গাছের পাতা ঝরে রে
ওরে আমার ঝরা পাতা, পাতাঝরা রে ।।
হাফপ্যান্ট পরে খেলাধুলার বয়সে দেখেছি ছেলেপুলেরা এরকম ধাঁচের বাক্য বলে
আর লাফায়। আমিও বলি নি কি? এমনকি ঝগড়াঝাটি করে ক্ষণসংঘ ভেঙে ঘরে ফিরে
যাবার বেলায় 'দোরা কাউয়া' আর 'পাতি কাকের' স্থলে অন্য নাম ব্যবহার করে
'গোয়া মারে'ও বলতে শুনেছি। তো এসব বাক্য একখানে জড়ো কইরা রাখলেই কবিতা হয়
নাকি?
ব্রাত্য রাইসুর এই লেখাটাকে আমার কবিতাই মনে হয় না। তো যে/যাঁরা এই
লেখাটাকে শূন্য দশকে এ যাবৎ যত কবিতা লেখা হয়েছে তার চাইতে ভালো কবিতা
বলে দাবি করেন, তাঁরা এই লেখার মেরিটটা কোথায় তা একটু খোলাসা করলে পারেন।
উল্লেখ্য, 'গোয়া মারে' শব্দবন্ধকে আমি অশ্লীল মনে করি না।
মুক্তি মণ্ডল
eny KmiZ K‡i nRiZ KweMY
UvqvW© nBqv, Zey bv Qv‡ob ebjZv
Zvici †Zvdv wekªvg wbqv wi-UvqvW©
kª‡g KvR bvB, ZvB kªg †Q‡o Avkª‡g
gv‡S gv‡S bvg †`Lv hvq _vW© eª¨v‡K‡U
bZzb Kwe‡Mv mb` Av‡Q †i c‡K‡U
e¨_© hvnviv AnwgKv Zv‡Mv AwZ nvB
Avgv‡i Avc‡b bv †P‡bb Zv‡Z ¶wZ bvB
রিটায়ার্ড পোয়েটস
* *
বহু কসরত করে হজরত কবিগণ
টায়ার্ড হইয়া, তবু না ছাড়েন বনলতা
তারপর তোফা বিশ্রাম নিয়া রি-টায়ার্ড
শ্রমে কাজ নাই, তাই শ্রম ছেড়ে আশ্রমে
মাঝে মাঝে নাম দেখা যায় থার্ড ব্র্যাকেটে
নতুন কবিগো সনদ আছে রে পকেটে
ব্যর্থ যাহারা অহমিকা তাগো অতি হাই
আমারে আপনে না চেনেন তাতে ক্ষতি নাই
কেউ একটি লেখাকে 'কবিতা নয়' বললে তাতে যদি আপনার আপত্তি থাকে তাহলে সেটা
কেন কবিতা তা বলবার দায়িত্ব আপনি নেবেন এটা আবার অন্যের কাজ হয় কেমনে?
এটা অবশ্যই আপনার কাজ। বলুন দয়া করে, এখানে না হয় অন্য কোথাও, ফেসবুকে বা
ব্লগে।
আমার জানামতে আপনি সর্বদাই কাফেলার সঙ্গী, তবে অবশ্যই সে কাফেলা এ কাফেলা
নয়, যদি এটা কাফেলা হয় অন্তত।
১. কথা হলো সুমন রহমান বা ব্রাত্য রাইসু যা খুশি বললেও সেখানে আপনি উদ্দেশ্য
খুঁজে পান না
২ আমার জানামতে আপনি সর্বদাই কাফেলার সঙ্গী
আর আপনার উৎকলিত বাক্য দুটিকে আমি ব্যক্তিগত আক্রমণ মনে করছি না, কারণ
দুটো বাক্যের কোনোটিই পোস্ট ও মন্তব্য মিলিয়ে প্রসঙ্গচ্যুত নয়।
প্রথম মন্তব্যে আমি বলেছিলাম যে,
'এই লেখায় গোয়া মারামারির মধ্যে এই নিহিত বার্তাটাকে মাত্র খুঁজে পাই যে
উল্লেখ্য, 'গোয়া মারে' শব্দবন্ধকে আমি অশ্লীল মনে করি না।'
--~--~---------~--~----~------------~-------~--~----~
বাংলা কবিতা বিষয়ে বাংলায় কথা বলাবলি
http://groups.google.com/group/kobitakotha
~----------~----~----~----~------~----~------~--~---
আপনি আর আমি সাবজেক্ট ছাড়িয়ে যাই নি বোধহয়। আমরা তো রাইসুর কবিতা নিয়েই
কথা বলছিলাম, ওর কবিতাটির ভালোমন্দ নিয়ে। প্রসঙ্গের বাইরে এসেছিলেন মারুফ
ভাই, জরুরি প্রয়োজনে।
চেইন মেইল ব্যাপারে অনেকের কাছ থেকেই একটা মন্তব্য শুনেছি যে ওতে পুরানো
মড়া বারবার করে মাড়িয়ে যেতে হয় নতুন একটা মন্তব্যের খোঁজে। এই অভিজ্ঞতা
বেশি হয় যাঁরা মেইলবক্সে না-পড়ে গ্রুপে গিয়ে মেসেজ পড়েন। সুতরাং ওগুলো
রিপ্লাই বক্স থেকে মুছে ফেলে কেবল নিজের মন্তব্যটা পোস্ট করাই ভালো। আগের
মেসেজগুলো তো আগে থেকেই যাচ্ছে, পরম্পরা অনুসরণ করতে তাতে সমস্যা হয় না।
'শ্লীলতাঅশ্লীলতা তথা রুচিবোধ অনেকটাই ব্যক্তিগত ব্যাপার, ব্যক্তির
নিজস্ব পরিবর্ধন, পারিবারিক, সামাজিক, বা ধর্মীয় মূল্যবোধ দ্বারা
মুখ্যাংশে নিয়ন্ত্রিত-- এর কোনো সর্বমান্য পরিমাপক নাই, এবং সর্বমান্য
কোনো বিধানও এ ব্যাপারে জারি করা যায় না তাই। তবে দোরা কাউয়া কবিতায়
"গোয়া মারে" না থাকলে যে কবিতার খুব লোকসান হ'ত, বা থাকাতেই যে ভারি নাফা
হয়েছে, তা আমার মনে হয় নাই। {রাইসু : গোয়া মারে শব্দবন্ধ না থাকলে
সেইটাতো অন্য আরেকটা কবিতা হইতো। যে শব্দ যে ভাবে আছে সেইভাবে আছে বইলা
সেইটা সেই কবিতা। সুব্রত : বটে। কিন্তু এই কবিতা সেই আরেকটা কবিতা হইলে
হয়তো আরেকটু ভালো লাগত।} ফলে তার বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ আছে, তবে তা
অশ্লীলতার নয়, অসংসৃষ্টি বা ইনকংগ্রুয়িটির। {রাইসু :ইনকংগ্রুয়িটি কী মাল
তা তো জানা গেল না। ব্যাখ্যা করলে ভালো। সুব্রত : খাপছাড়ামি। বেশি
ব্যাখ্যার কিছু নাই।} আরও একটা নালিশও এই কবিতাটার ব্যাপারে আমার আছে,
তবে সেটা গোপন ক'রে গেলাম। {রাইসু : হা হা নালিশটা করলেই ভালো! এই মর্মে
ওই কবিতাটার উদ্ধৃতি দিলে কবিতাটাও রক্ষা পাবে। পুরা কবিতাটা আছে না
আপনের কাছে। প্রান্তের একটা সংখ্যায় আছিল। অন্যের কবিতার কারণে আমার
কবিতা লেখা হইলে আমি তা গোপন করতে চাই না। লেখার প্রেরণা তো প্রায়ই
অন্যের লেখা। সুব্রত : "ঐ" কবিতাটা এইভাবে "রক্ষা" করার কোনো দরকার আছে
কিনা কে জানে। কিন্তু তার লগে তোমার কবিতার যে সম্পর্ক সেইটা ঠিক
"প্রেরণা"র না, মিমিক্রির। এবং তোমার দেখাদেখি আরও দুইএকজনও এই কাম
করছে।}'
সূত্র : আকাশে রাইসুর লগে..., সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, পূর্ব বাঙলার ভাষা
ইমরুল, শেষ প্যারাটা কি আপনি এই কথা কি আপনি আমারে কইলেন? শুনলে পাগলেও
হাসব। প্রথমত আপনি বাক্যটা মারলেন খোন্দকার আশরাফ হোসেনের থেকে, একবিংশে
ছাপা হইছিল। ওইখানে অবশ্য 'সত্তর' আর 'আশি' ছিল। আর বাক্যটা খরচও করলেন
অপাত্রে। এটা আপনি রাইসুরে কইতে পারেন, সুমনরে কইতে পারেন।
আপনার অবগতির জন্য বলি, আমার প্রথম কবিতা ছাপা হয়েছে ১৯৯১-এ। গতকালের এক
অনুষ্ঠানে অবশ্য ঘোষক আমারে শূন্য দশকের বলেই পরিচয় দিয়ে দিয়েছিল। দেখেন
খেলা!!!
--~--~---------~--~----~------------~-------~--~----~
বাংলা কবিতা বিষয়ে বাংলায় কথা বলাবলি
http://groups.google.com/group/kobitakotha
-~----------~----~----~----~------~----~------~--~--
দুটো ব্যাপার প্রাসঙ্গিক এই অর্থে যে, আপনিই প্রথমে 'উদ্দেশ্যমূলক' এবং
'কাফেলা' শব্দ দুটো ব্যবহার করেছেন। শব্দ দুটো কেবল যথাসময়ে ফেরত গেছে
আপনার দিকে। না রেগে দয়া করে আপনার আগের মন্তব্য দেখুন। আর এই অভিযোগ
সম্ভব হলে খণ্ডন করুন।
ইমরুল, শেষ প্যারাটা কি আপনি এই কথা কি আপনি আমারে কইলেন? শুনলে পাগলেও
হাসব। প্রথমত আপনি বাক্যটা মারলেন খোন্দকার আশরাফ হোসেনের থেকে, একবিংশে
ছাপা হইছিল। ওইখানে অবশ্য 'সত্তর' আর 'আশি' ছিল। আর বাক্যটা খরচও করলেন
অপাত্রে। এটা আপনি রাইসুরে কইতে পারেন, সুমনরে কইতে পারেন।
আপনার অবগতির জন্য বলি, আমার প্রথম কবিতা ছাপা হয়েছে ১৯৯১-এ। গতকালের এক
অনুষ্ঠানে অবশ্য ঘোষক আমারে শূন্য দশকের বলেই পরিচয় দিয়ে দিয়েছিল। দেখেন
খেলা!!!
রাইসুর ভাইয়ের নোট থেকে একটু ধার করি: উনি বলছেন, "তোমার বা আমার মত বড়
কবির পাঠক হইতে পারাই ওনাদের জন্য যথেষ্ট। আর এঁদের লেখাও এক সময় নিশ্চয়ই
আমি পইড়া উঠতে পারব" ( এইখানে তোমার মানে সুব্রতদা, আর ওনাদের মানে
শূন্যদশকের লেখকগণ)। সুমন ভাই এবঙ ইমরুল ভাই রাইসুর এই কথারে কেমনে
দেখেন?
-সুমন ভাই, কবিতা নিয়ে কিছু বলেন।
পরে আরো কথা কমুনে..
আর রাইসু দয়া কইরা একটা তালিকা দিবার পারেন যে 'আকাশে কালিদাসের লগে মেগ
দেখতাছি'র কোন কোন লেহার কোন কোন অংশ কোন কোন জায়গা থেইক্কা মারা। এইসব
মারিংকর্মে তিনি কেমন নিয়মনীতি ফলো করেন সেইডাও যদি সবিস্তারে তিনি
বলতেন, তাইলে এই গ্রুপের কেউ কেউ লাভবান অইলেও অইতে পারেন।
আরেকজন অবনি অনার্য আইছেন দেখলাম রণমূর্তি ধইরা। হেয় কিছু তিক্ত
কতাবার্তা কইয়া নিজের একটা কবিতাই ছাপাইয়া দিছে। যে কারণে এই পোস্ট হেই
দিকে কোনো হু-হা-ও না কইরা নিজের একটা কবিতা এর মধ্যে সান্দাইয়া দেওয়াডা
কি ঠিক অইল? আলোচনার স্রোতটারে অন্যদিকে ঘুরাইয়া দিওনের চেষ্টা না তো
এইগুলা?
মডারেটররে দেখলাম হের কবিতাডারে আবার ইউনিকোড কইরা পোস্টাইয়া দিলেন। কই
সম্পর্কচ্ছিন্ন বইলা কমেন্টটা ডিলিট মারব, তা না কইরা মডারেটরের এই কামডা
করুন একদম ঠিক অয় নাইক্কা কইয়া রাখলাম। শূন্য দশকের অন্ন্যেরা এই
জিনিসটারে সহজে ছাইড়া দিব বইলা তো মনে অয় না, শেষে না আরেক কাইজ্জা লাইগা
বসে।
এদিকে সাতসকালে গালিব আমাকে একটা বিপদেই ফেললেন দেখছি। ওইদিনের আড্ডায়
আপনাদের দুজনের মধ্যে কী আলাপ হচ্ছিল সত্যিই আমি ঠিক খেয়াল করে উঠতে পারি
নি। তবে এ দেখেছি যে সুমন রহমানের সঙ্গে গালিবের কথা হয়েছে। হতে পারে
তিনি ওইকথা বলেছেন, হতে পারে বলেন নি। আমি কী করে জানব? কারণ নানাদিকে
তখন নানামুখী কথা হচ্ছিল, আমিও হয়ত অন্য কারো সঙ্গে বাতচিতে মগ্ন ছিলাম
তখন।
তবে এটা বলতে পারি যে, সুব্রতদার কবিতা সম্পর্কে সুমন রহমান খুব একটা
উচ্চ ধারণা পোষণ করেন না। সেটা তাঁর সঙ্গে আমার বিভিন্ন সময়ের কথাবার্তায়
প্রতীয়মান হয়েছে। কিন্তু দুঃখিত যে, আমি এ ব্যাপারে কোনো প্রামাণ্য বাক্য
উৎকলন করতে পারব না।
রাইসু সেল্ফ-প্রোক্লেইমড "বড়ো কবি"। তিনি নিজেরে "বড়ো কবি" বললেন কিসের
ভিত্তিতে? রাইসু যদি "দোরা কাউয়া" বা এই মানের কিছু কবিতাকর্মের জোরেই
নিজেকে "বড়ো কবি"
বলে ঘোষণা দেন, তখন সেই ঘোষণা শুনে নিজের ভেতরে যেই অনুভূতি তৈরী হয় ,
তার নাম - করুণা।
On Apr 26, 11:17 am, auboni aunarjo <auna...@gmail.com> wrote:
> জনৈক রাইসুল মুসাফির-এর কোষ্ঠ্যকাঠিন্যময় পোস্টটা কষ্ট করে পড়তে পারলাম শেষ
> পর্যন্ত। মন্তব্য করতে গিয়ে পেলাম গালিবের পোস্ট। পড়লাম। পরে দেখলাম মুজিব
> ভাইয়ের পোস্ট। ভালো লাগলো এই দেখে যে, উল্লিখিত মুসাফিরের জবাব তিনি দিয়েছেন।
> মিস্টার মুসাফির, আপনি কি আমার পুরো পোস্টটা পড়েছেন?
> উত্তর হ্যাঁ হলে, কোথায় মনে হলো যে আমি "রণমূর্তি ধইরা" আসছি কোথায় মনে হইলো্
> আপনের?
> কবিতা সান্দাইয়া (!!!!) দেই নাই, কবিতা নিজগুণে সান্দাইয়া গেছে।
> আমার অ্যাটিচ্যুড প্রায়-সর্বদাই বিনীত, কিন্তু আপনার পোস্টটি উত্তেজক।
>
> ** প্রিয় মডারেটর, এই মুসাফির সাহেবটা কে? ইনি কী করেন? উনি যে-ভাষায় লেখলেন,
> সেটা কোন এলাকার? বাংলা বানানের (ভাষার) এ-রকম গোয়া মারার অর্থটা কী?
>
> 2009/4/26 মুজিব মেহদী <m.me...@gmail.com>
>
>
>
>
>
> > রাইসুল মোসাফিরের অভিযোগের জবাবে বলছি : পোস্ট বা মন্তব্য ডিলিট করবার
> > চর্চা এখনো শুরু করি নি। করব অচিরে। আর অবনির মন্তব্যটা ডিলিট করবার মতো
> > লাগে নি আমার কাছে। শূন্য দশকের অন্যদের ব্যাপারে তাঁর কিছু অভিযোগ আছে,
> > সেগুলোরও বরং একটা সুরাহা হতে পারে এই পোস্টে। আর তাঁর কবিতাটা রয়েছে ওর
> > বক্তব্যটা আলোচ্য ব্যাপারস্যাপারের সঙ্গে খানিকটা প্রাসঙ্গিক বলে।
>
> > এদিকে সাতসকালে গালিব আমাকে একটা বিপদেই ফেললেন দেখছি। ওইদিনের আড্ডায়
> > আপনাদের দুজনের মধ্যে কী আলাপ হচ্ছিল সত্যিই আমি ঠিক খেয়াল করে উঠতে পারি
> > নি। তবে এ দেখেছি যে সুমন রহমানের সঙ্গে গালিবের কথা হয়েছে। হতে পারে
> > তিনি ওইকথা বলেছেন, হতে পারে বলেন নি। আমি কী করে জানব? কারণ নানাদিকে
> > তখন নানামুখী কথা হচ্ছিল, আমিও হয়ত অন্য কারো সঙ্গে বাতচিতে মগ্ন ছিলাম
> > তখন।
>
> > তবে এটা বলতে পারি যে, সুব্রতদার কবিতা সম্পর্কে সুমন রহমান খুব একটা
> > উচ্চ ধারণা পোষণ করেন না। সেটা তাঁর সঙ্গে আমার বিভিন্ন সময়ের কথাবার্তায়
> > প্রতীয়মান হয়েছে। কিন্তু দুঃখিত যে, আমি এ ব্যাপারে কোনো প্রামাণ্য বাক্য
> > উৎকলন করতে পারব না।
>
> --
> Auboni Aunarjo
> --------------------------http://www.auboni-aunarjo.com/
>
> http://www.mukto-mona.com/Articles/auboni_aunarjo/index.htmhttp://www.sristisukh.com/ebook/auboni/index.htmlhttp://aunarjo.googlepages.com/- Hide quoted text -
>
> - Show quoted text -
প্রিয় মুজিব,
প্রথমত, আমারও জানবার ইচ্ছা হচ্ছে এই রাইসুল মোসাফির কে। এটা তো ফেসবুক না যে যে কেউ যে কোনো ছদ্মনামে এখানে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন বা গ্রুপ মেম্বার হতে পারেন। আর, আপনি ঠিক এইরকম পোস্ট অ্যাপ্রুভ করেন কী করে তাও বুঝতে পারছি না।
অবশ্য এ নয় যে আমি কারো পোস্ট ডিলিট করবার পক্ষে। তা নয়। কিন্তু এরকম রুচিহীন পোস্ট-প্রেরকের প্রতি আপনার কিছু সাবধানবাণী আমরা অন্তত আশা করতে তো পারি? তাই না?
এবার ফিরে আসছি রাইসুর "দোরা কাউয়া" সংক্রান্ত কথাবার্তা প্রসঙ্গে।
আমার মন্তব্যকে রাইসু ভুল বুঝে একটা হীটেট পোস্ট কবিসভা এবং ফেসবুকে দিয়েছে। আমার মন্তব্যটির উদ্দেশ্য এটা বলা ছিল না যে ঐ কবিতাটি খারাপ, কিন্তু তা সত্ত্বেও, ঐ একটা "খারাপ" কবিতার নিরিখে তাকে বিচার করা ঠিক নয়।
আমি বলতে চেয়েছিলাম এই যে <<কারো কারো মতে>> ঐ কবিতাটা খারাপ হতে পারে (যেমন দেখতে পাচ্ছি আজকাল), কিন্তু যাঁরা স্রেফ ঐ একটা কবিতা খারাপ লাগাতে রাইসুকে অকবি বলে গাল দিচ্ছেন, তাঁরা হয়তো ভুল করছেন।
আপনি আমার প্রবন্ধ থেকে কিছু অংশ তুলে দিয়ে দেখাতে চাইলেন যে আমারও মতে কবিতাটা খারাপ। কিন্তু আমি নিজে সেরকম কিছু দেখতে পেলাম না। আমার মন্তব্য ছিল যে ঐ "গোয়া মারে" ফ্রেসটা না থাকলেও কবিতাটার বিশেষ ক্ষতি হয়তো হত না।
এবার আমি আসি কবিতাটা আমার কেমন লাগে তাতে। কবিতাটা আমার ভালো লাগে। পিউয়র পোইট্রি আর ননসেন্স-এর মাঝামাঝি একটা রচনা এটি (আমার মতে), এবং দুটো জ্যঁর (genre)-ই আমার ভারি প্রিয়।
যে রচনাটির উল্লেখ আমি করেছিলাম (বা করা থেকে বিরত হয়েছিলাম) আমার লেখায় সেটি রাইসুই সংগ্রহ করেছিল আরিচা ফেরিঘাটের এক (সম্ভবত অন্ধ) গায়কের কাছ থেকে, এবং "প্রান্ত" পত্রিকায় ছেপেছিল। রাইসু ঐ গানটির টুকলি করে নি। ও গানটার ধরনটা ব্যবহার করেছিল মাত্র।
একজনের কবিতায় আরেকজনের কবিতার প্রবেশ ঘটতে পারেই, নানা ফর্মে, তাকে টুকলি বলে না। বললে, টি এস এলিয়টের মতো টুকলিবাজ পৃথিবীতে কমই জন্মেছেন।
এবার রাইসুর মন্তব্য বিষয়ে: রাইসুর মতো আমারও বিশ্বাস এ নয় যে তার এই কবিতার চেয়ে ভালো একটাও কবিতা তথাকথিত শূন্য দশকে লেখা হয় নি। আমার এমন বিশ্বাস না হবার কারণ মুখ্যত ইগনরান্স। আমি শূন্য দশকের লেখা যথেষ্ট পরিমাণে পড়ি নি, আই হাম্বলি কনফেস। গালিব তাঁর সম্পাদিত শূন্য দশকের যে সংকলনটার সফট কপি পাঠিয়েছে সেটা ভালোমতো পড়ে দেখি আগে, তারপর না হয় বলা যাবে কিছু।
সুমন আমার কবিতা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছে কীনা বা করে নি কীনা, তা এইসব আলোচনায় কেন প্রাসঙ্গিক তাও আমি বুঝতে অক্ষম। এটা গালিব কেন উল্লেখ করলেন তা আমি বুঝতে আগ্রহী।
আর, গালিবের বিরুদ্ধে "মাস্টারির" অভিযোগ এসেছে কয়েকজনের কাছে থেকে। আমার নিজের অবশ্য বিশেষ এসে যায় না এসবে। এবং কারো কোনো সাহিত্যকর্মে বানান-ভুল ছন্দ-ভুল এসব দেখিয়ে দেওয়াটা আমি নিজে কর্তব্য জ্ঞান করি। তবে ইগ্রুপের চিঠিপত্রেও সেটা করতে যাওয়াটা নিরর্থক বলেই মনে হয়। বাই দ্য ওয়ে, গালিব, আপনার "অবিমৃষ্যকারিতা"-য় "ষ" এমনকি কোনো কোনো অভিধানে সমর্থিত হলেও আসলে ভুল, "শ"-যুক্ত বানান শুদ্ধ (একটু রসিকতা করলাম, ভাই, নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করবার জন্য নয়)।
পরিশেষে, অতিবিনীত একটা প্রস্তাবনা - এ তো হতেই পারে যে আমার কবিতা হয় না। হতেই পারে যে প্রতিভা বা মেধার অভাব আমার আছে। কিন্তু সারাজীবন ধরে কোনো একটামাত্র কাজ যদি সিরিয়াসলি করে থাকি, তা কবিতা লেখবার চেষ্টা। প্রায় তিরিশ বছর সে চেষ্টা চলছে। যে বয়সে ছেলেদের ফুটবল ক্রিকেট, পাশের বাড়ির মেয়ে আর মারামারি হয় বয়সোচিত বিষয়, সে বয়সে আমি বাংলা ছন্দ নিয়ে ধস্তাধস্তি করেছি, করেছি বাংলা ব্যাকরণ নিয়ে। তার পর, কবিতা নিয়ে যত লেখা যেখানে দেখেছি, সুধাভ্রমে গলাধঃকরণ করে পেট খারাপ করেছি। এখনও এই "ছাত্রত্ব" আমার ঘোচে নি। এই যে কদিন আগে গালিব আর সুমন শামসুর রাহমান আর আল মাহমুদকে নিয়ে কথা বলছিলেন, আমি মন্তব্য না করলেও আগ্রহ নিয়ে পড়ছিলাম সেসব। কিন্তু হামেশা কেউ যখন কান ধরে জ্ঞান দিতে আসে, পাছায় বেত মেরে পাঠ করায় "সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে", তখন কিছু অসহায় বোধ করি।
টুকু তাঁর আলোচনায় প্রায় অযাচিতভাবে মজনু শাহ্-র প্রসঙ্গ টেনে আনেন। এই দুঃখ হয়তো তাঁর যাবার নয় যে আমি আমার এক প্রবন্ধে মজনুর নাম নিই নি। নিই নি যে তার প্রধান কারণ ছিল তখন এই, যে আমি মজনুর কবিতা তখনও পড়ি নি। তবে পড়লেই যে তাঁর নাম নিতাম, তা না-ও হতে পারে। মজনুর লীলাচূর্ণ পর্যন্ত, পদে পদে ছন্দ-ভুল। আমার সম্পূর্ণ গদ্যে-লেখা কবিতায় সমস্যা নাই, কিন্ত ছন্দে লিখবে ছন্দ না জেনে, এ আমি নিতে পারি না। এমন দেখলে আমার কবিতা পড়বার আগ্রহ লোপ পায়। মজনুর "মধু ও মশলার বনে", যা সে আমাকে নিজে পড়ে শুনিয়েছিল, আমার ভালো লেগেছে (তাতেও কিছু চ্যুতি থাকা-সত্ত্বেও)। আমার প্রিয় বন্ধু বিষ্ণু বিশ্বাস আমার প্রিয় কবিও ছিল। তাঁর গদ্যে-লেখা কবিতাগুলোর চেয়ে ভালো কবিতা একালে বড়একটা লেখা হয় নি মনে হয়। কিন্তু ছন্দে লিখতে গেলে সে ভুল করত, আর জেদ-বশত আমার কাছে শিখতেও রাজি হত না। এ আমার একটা কষ্টের কারণ ছিল। এবার দেখলাম সাজ্জাদ, মজনুর লীলাচূর্ণ থেকে কবিতা নিয়েছে "বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিতা"য়। ছন্দ-ভুলগুলি সমেত। এতে মজনু এবং বাংলাদেশের কবিতার অগৌরব হয়েছে, পশ্চিম বাংলার সামনে, আমার খারাপ লেগেছে তা।
আমার কবিতা কারো ভালো না-লাগলে আমার খারাপ লাগে; মানুষ আমি, তাই লাগে। কিন্তু আমি আমার মনের ভিতর থেকে জানি যে আমার কবিতা আমার নিজের ভালো না-লাগাই আমার কবিতা ভালো না মন্দ তা যাচাই করবার সবচেয়ে বড় নিরিখ। কেননা, আমি আমার কবিতার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ পাঠক, এবং নিদেন একজন পাঠক হিসাবে, আমি বেশ ভালো পাঠক। কাজেই, সাময়িক মন খারাপ লাগলেও, টুকু বা গালিবের মন্তব্যকে ডেথ সার্টিফিকেট ভাববার কোনো কারণ আমার নাই - সেটা নিজেকে নিজে ইতোমধ্যে লিখে দিয়ে রেখেছি আমি।
সুব্রত।
Muzib,
Abar-o marjona chaichhi Roman horofer torofe...
Tuku,
Ja korchhen, bhai, tate apnar bibeker shay achhe to? Apni sref akromoNer jonyoi akromoN kore boshchhen na to? Sref obhiman-taRito hoye nijer bhaike gali diye boshchhen na to? Nije boshe-thaka Dal-e kop marchhen na to? EkTu matha ThanDa kore bhabun.
Bondhukrityo... ta boTe... Raisu bondhu boTe amar... kintu sheTa shudhui Raisu noy... amar ekshomoykar motto chhilo (ekhono achhe, tobe koddin thake aro ta bola jay na) "boshudhoibo kuTumbokom"... shei shubade Tarik Tuku-o bondhu amar.
Raisu'r kobita amar bhalo lage, she amar bondhu hobar jonyo noy... tar onek achoroN-i amar gaye phoshka tule dey... tar shonge jhogRao nehat kom hoy ni amar... kintu kobita bhalo lagleo, lage ni bolbar moto mithyachar ami ayotto korte pari ni...
Aro dekhun bhai, amar shomoshomoyer kobi, jotha Rifat Choudhury, Kajal Shahnewaz, Kafil Ahmed, Sarkar Masud - eder shokolke ami bondhu bolei jantam agagoRa... e(n)ra amar nam-Ta mukhe konodin uchcharoN koren ni... ami je exist kori/kortam, e(n)der shonge bat-chit-e kokhono bujhte parben na... kintu eder shobari nam ami kono na kono rochonay niyechhi, amader shomoyer ullekhjogyo kobi hishabe...
Masud Khan-er kotha dhora jak... ta(n)ke jiggesh kore dekhte paren tar kobitar kemon paThok ami... ei modhyo-boyosheo tar onek kobitar line-ke-line mukhostho bole dite parbo... ta(n)r kobita niyeo likhechhi ami, onubad korechhi amar baje ingrejite ta(n)r kobita, onek sroddhyay, bhalobashay... kisher protyashay? Ami ki kokhono cheyechhi je Masud Khan ba Raisu ba Sajjad keu amar kobita niye kichhu likhuk? Ar, tara to lekheo ni ta... tar poreo tader lekhar proshongshay ami biroto hoyechhi? Naki ta(n)derke heyo korbar shoRjontro korechhi dolbaji kore?
Ei Khan saheber upor apnara boi korchhen, othocho amar ta jante holo Rashida Sultanar kachhe, ja(n)ke apnader keu ekjon ekTa lekha dite bolechhilen MK-er upor... ami bhebechhilam amake keu bolbe kichhu likhte, ba amar itomodhye lekha probondhoTi chaibe... na temon kichhu ghoTlo na. Khan saheb nije oboshyo pore bolechhilen ekTa lekha dite ei boiTir jonyo... amar ichchha hoy ni ar...
Abar amar emon bondhu achhe jara amar kachhe kono recognition pay ni kobi hishabe - ebong tar phole amar upor besh bila... kintu... abar-o, ami bhalo na lagle bhalo bolte pari na, e amar okkhomota...
Tuku... apnar koyekTi kobita shudhu ami poRechhi, ebong hoyto montobyo-o korechhi... aro poRle aro comments paben nishchoyi, Galiber khetreo kothaTa khaTe, ba je karo khetrei...
PorisheShe... Raisu'r kobitaTir moto kobita shunyo doshoke lekha hoyechhe kina ei biShoye amar boktobyoke apni twist korechhen, shudhui apnader ebong ei shomoyer onyo kobider proti amar osroddha promaN korbar jonyo... apnar bolar dhoroNTa ukiler, ebong eibhabe kotha bola lokjonder ami eRiye cholte chai. Amar adalot bheeti achhe (chorer mon police police jehetu).
Bhalo thakun, shustho thakun, maa kashchid du:khabhagarbhavet.
Subrata
আপনি বলেছেন, 'এখন আমি যদি বলি সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ বাংলা সাহিত্যের
উল্লেখযোগ্য কবি (এবং তিনি তাইই) তখন আপনার এই আন্দাজনির্ভর বিবৃতির
ভবিতব্য কী দাঁড়াবে?'
এটা যদি এখন আপনি বলেন (অলরেডি বলেছেনই), তাহলে আমি হয়ত একটা বিব্রতকর
অবস্থায় পড়ি, কিন্তু আপনি যে সময়সুযোগে আপনার অবস্থান পালটান, জনসমক্ষে
তা রীতিমতো উদোম হয়ে যায় (অলরেডি হয়েছে)।
তাঁর উপরের মন্তব্য দুটোর প্রতি কি খুব বড়ো অভিযোগে আনা যায়? প্রথম
কমেন্টটিতে তিনি তাঁর মতো করে 'মিমিক্রি'র একটা ইন্টারপ্রিটেশন হাজির করে
তার ভিত্তিতে কিছু মন্তব্য করেছেন সম্ভবত (মিমিক্রির অর্থটা যদিও আমি
নিজে জানি না)। ওইখানে আলোকপাত করা দরকারও ছিল মনে করি, যেজন্য আপনার
থেকে তার একটা যুৎসই ব্যাখ্যাও পেলাম। আর পরের কমেন্টে তিনি তিনজন
আলোচকের মন্তব্য সম্পর্কে অভিমত রেখেছেন, যদিও তিনি নিজেও কবিতাটি
সম্পর্কে কোনো মন্তব্য হাজির করেন নি।
ভবিষ্যতে তিনি তাঁর মন্তব্যে আরো সচেতন হবেন এরকম আশা করি।
নানাজন সম্পর্কে আমার নানা মত আছে (যেমন আমার সম্পর্কেও নানাজনের নানা মত
আছে)। আমার সুবিধা হলো যে, আমার মৌখিক মত আর লৈখিক মত সর্বদাই এক। সুতরাং
কার সম্পর্কে আমি কী বলেছি যা আপনি বলেন নি এবং চাইলে বলে দিতে পারতেন বা
পারেন এমন আভাসও আমার জন্যে খুব আতংকের নয় (এখানে বলেন নি বলে সেসব যে
অন্যত্রও বলেন নি তা কী করে মানব?)। তারিক টুকু, শূন্য দশক, ব্রাত্য
রাইসু ইত্যাকার প্রসঙ্গে আমার যেটুকু সমালোচনা তা আমি প্রকাশ্যেই করতে
পারি। এবং এজন্য আমার চারটা নিকেরও দরকার হয় না, যেটা আপনার আছে বলে
ইতোমধ্যে ফেসবুকে প্রমাণিত হয়েছে।
আপনি বললেন, 'ব্যক্তির কুৎসা করতে চাইলে অবশ্য অন্য কথা। সেটা আপনি
ফেসবুকে নানানভাবে ছড়াচ্ছেন, এবং ছড়াতে থাকুন। সে ধরনের তৎপরতার সাথে
জড়িত হবার সময় এবং রূচি (স্যরি গালিব!) আমার নাই।'
ফেসবুকে আমি কোথায়, কবে, কার কুৎসা রটালাম? এটা তো আর শোনা কথার প্রসঙ্গ
না, চাইলেই লিংক দিতে পারেন, দিন না দয়া করে। আর ফেসবুকে দেবার মতো আপনার
সময়ই যদি না থাকবে তো এত কাণ্ডকারখানা ওখানে কেমনে ঘটাচ্ছেন? আপনার
সম্পর্কে কোথাও কোথাও তো আমার এমন মন্তব্যও চোখে পড়েছে যে, আপনি এখন
রাতদিনই কাটান ফেসবুকে।
এবং
আপনি আরো বলছেন, 'একান্ত যদি গসিপ আপনার উত্তেজনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়,
প্রমাণ হাজির করে কথা বলুন। প্রমাণ ছাড়া নিজের ধারণা ও বিশ্বাস থেকে কত
কথা বলা যায়! আমার তো স্থির বিশ্বাস যে, এইসব রাইসুল মোসাফির, ডোবার
ব্যাং, সুমন কেহেরমান নিকগুলা আপনারই একই অঙ্গে নানান রূপ। অক্টোপাসের মত
অনলাইন মিডিয়াকে আঁকড়ে ধরেছেন আপনি, কিসের আক্রোশে কে জানে! কিন্তু বলি
কিভাবে, সুনিশ্চিত প্রমাণ তো নাই।'
এই আপনি বললেন যে 'আমার তো স্থির বিশ্বাস যে, এইসব রাইসুল মোসাফির, ডোবার
ব্যাং, সুমন কেহেরমান নিকগুলা আপনারই একই অঙ্গে নানান রূপ', এই আবার
বললেন 'কিন্তু বলি কিভাবে, সুনিশ্চিত প্রমাণ তো নাই।' দেখুন, এটুকু
জায়গাতেই আপনি দুরকম করে বললেন। যেটার 'সুনিশ্চিত' প্রমাণ নেই, সেটা
'স্থির বিশ্বাস'-এ রূপ নেয় কী করে? এটা আপনার দর্শন না ধর্ম?
সবিশেষ, এই ফোরামকে বিদায় জানাবেন না। আমি চাই, এখানে আপনি সক্রিয় সদস্য
হিসেবেই থাকবেন। অনেকের মতো আমিও আপনার কবিতা পছন্দ করি। গল্পও। কোনো
লুকোছাপা নেই, ওপেন মাধ্যমে লিখিতভাবেই সেসব জানিয়েছি আমি। আমার দৃষ্টিতে
যেটুকু ভালো সেটুকুকে ভালো বলতে আমার সমস্যা নেই, খারাপটুকুকে খারাপ
বলবার অধিকার ভোগ করাসহ।
এমন একজন নির্মোহ বন্ধুকে ছেড়ে যেতে আপনার একটুও বাধবে না? বসুন ভাই,
একসঙ্গে বসে ভাগাভাগি করে এক কাপ গরম চা খাই।
On Apr 27, 11:59 am, sumon rahman <sumanrah...@hotmail.com> wrote:
> মুজিব,
>
> গসিপ আর সাহিত্য আলোচনা এক নয়। আপনার এই প্লাটফর্ম গসিপের আদানপ্রদানের জায়গা হয়ে উঠছে। এটা বিপজ্জনক।
>
> গালিব যখন সুব্রত দা-র কবিতার ওপর আমার বক্তব্য হাজির করলেন আমি যারপরনাই কৌতুক অনুভব করেছি। সম্পর্ণ অযাচিতভাবে সেটা তিনি করেছেন। এখন সে কথা আমি বলেছি কি বলি নাই সেটা মুখ্য বিষয় হয়ে থাকে না আসলে। পাবলিক স্ফেয়ার আর প্রাইভেট স্ফেয়ারকে গুলিয়ে ফেলার গালিবীয় গুরুচণ্ডালিপনাটুকুই মুখ্য বিষয় হয়ে যায়। মডারেটর হিসেবে আপনিও একই কাজ করেছেন। এখন বলছেন সময় সুযোগ বুঝে আমি অবস্থান পাল্টাই এবং তা উদোম হয়ে যায়। আবারো, কথার স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ দাখিল করেন নাই। মুজিব, সাহিত্যিক আলোচনার প্লাটফর্ম তৈরি করার ইচ্ছা থাকলে এসব থেকে সরে আসা উচিৎ হবে আপনার। আর ব্যক্তির কুৎসা করতে চাইলে অবশ্য অন্য কথা। সেটা আপনি ফেসবুকে নানানভাবে ছড়াচ্ছেন, এবং ছড়াতে থাকুন। সে ধরনের তৎপরতার সাথে জড়িত হবার সময় এবং রূচি (স্যরি গালিব!) আমার নাই। আমি কিন্তু বলি নি তারিক টুকুর ব্যাপারে আপনি আমার কাছে কি কি বলেছিলেন অতীতে। বা শূন্য দশক সম্পর্কে কি বলেছেন ব্যক্তিগত আলাপে। রাইসু আমার বন্ধু, আপনার বই বিষয়ে তর্কাতর্কির রেশ ধরে তাঁর সম্পর্কে যেসব কথা আপনি আমার সাথে বলেছেন তাও রাইসুকে বলি নি। এখনো। রাইসু নিশ্চয়ই এ ব্যাপারে সাক্ষি আছেন। এর অর্থ হল ব্যক্তিগত পর্যায়েও এ ধরনের উত্তেজনা বা গসিপের মূল্য আমি দিই না। সাহিত্য আলাপে তো প্রশ্নই আসে না। সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করেন মুজিব, ব্যক্তিগত পাল্টিবাজি নিয়ে নয়। আপনি যা প্রকাশ্যে বলছেন, লিখিত আকারে বলছেন, তাকেই আপনার বক্তব্য বলে মানবো আমি। আর একান্ত যদি গসিপ আপনার উত্তেজনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, প্রমাণ হাজির করে কথা বলুন। প্রমাণ ছাড়া নিজের ধারণা ও বিশ্বাস থেকে কত কথা বলা যায়! আমার তো স্থির বিশ্বাস যে, এইসব রাইসুল মোসাফির, ডোবার ব্যাং, সুমন কেহেরমান নিকগুলা আপনারই একই অঙ্গে নানান রূপ। অক্টোপাসের মত অনলাইন মিডিয়াকে আঁকড়ে ধরেছেন আপনি, কিসের আক্রোশে কে জানে! কিন্তু বলি কিভাবে, সুনিশ্চিত প্রমাণ তো নাই।
>
> গালিব, আপনার এই হাটে হাঁড়ি ভাঙা-র ভঙ্গি একান্তভাবেই বিদ্বেষপ্রসূত, বলতে বাধ্য হচ্ছি। তর্কের খাতিরে ধরেই নেয়া যাক, আমি বলেছি, সুব্রত খারাপ কবি। এখন এ কথা জনসমক্ষে ফলাও করে আপনি কী করতে চাইলেন। এতে কী হবে আদতে? উত্তর আপনার জানা গালিব। আপনি বিলক্ষণ জানেন, আমি আপনার কানে কানে বললেই সুব্রত "খারাপ কবি" হয়ে যাবেন না। এতে সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ-র সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নষ্ট হবে বলেই আপনি এই ঢোল বাজিয়েছেন। সেটাই আপনি চেয়েছেন। কী ভয়ানক! এখন আবার বলছেন, সাহিত্যকে সখাতত্ত্বের বাইরে নিয়ে যেতে চান! সুব্রত "খারাপ কবি" বলে কি তার সাথে আমাকে বন্ধুত্বের সম্পর্কের সম্পর্কে থাকতে দেবেন না আপনি? ধরা যাক, প্রয়াত নাট্যকার সেলিম আল দীন এর বোধবুদ্ধি এবং প্রতিভা কোনোটারই সমঝদার আমি নই। কিন্তু আমার এক বান্ধবীকে ফার্স্টক্লাশের মূলা ঝুলিয়ে পটিয়েছিলেন তিনি। এখন তাঁর নাটকের আলোচনায় আমি যদি সেলিম আল দীন-এর ব্যক্তিগত "লুলুপনা"র প্রসঙ্গ হাজির করি, সেটা তাঁর প্রতি কতটুকু সুবিচার হবে?
>
> যা কিছু লেখালেখি হয়েছে, তার ভিত্তিতে কথা বলা ভালো। কানকথার ভিত্তিতে নয়। আর একান্তই যদি জানতে চান, কবিসভার পোস্টগুলো খুলে দেখুন সখাতত্ত্বের চর্চা আমরা কেমন করেছিলাম! এই ফোরামে মুক্তিমণ্ডলসহ আপনাদের আরো বন্ধুরা কবিসভাতে ছিলেন। তারাও বলতে পারবেন।
>
> এই ফোরামকে বিদায় জানাচ্ছি। আপনাদের সাথে শ্রেয়তর জায়গায় দেখা হোক। ভালো থাকুন।
>
> সুমন রহমান/
>
>
>
>
>
> > Date: Mon, 27 Apr 2009 06:50:07 +0430
> > Subject: [কবিতাকথা:597] Re: এ কী আজব কারখানা
> > From: m.me...@gmail.com
> > To: kobit...@googlegroups.com
>
> > সুমন ভাই, আমার বক্তব্যে মোটের ওপর কোনো আন্দাজ ছিল না। যে কথার অডিও
> > নেই, সেকথা বলা যাবে না এমনটাই কি সবসময় সিদ্ধ নাকি? আমি তো গালিবের
> > কমেন্টের পরে একথা নির্দ্বিধায়ই বলতে পারতাম যে, হ্যাঁ আমি ওরকমটা বলতে
> > শুনেছি। কিন্তু বাক্যটা ভাসা ভাসা কানে এলেও হুবহু গঠনটা মনে রাখতে পারি
> > নি বলে বলি নি তখন। সেটাতে সততারই জয় হয়েছে।
>
> > আপনি বলেছেন, 'এখন আমি যদি বলি সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ বাংলা সাহিত্যের
> > উল্লেখযোগ্য কবি (এবং তিনি তাইই) তখন আপনার এই আন্দাজনির্ভর বিবৃতির
> > ভবিতব্য কী দাঁড়াবে?'
>
> > এটা যদি এখন আপনি বলেন (অলরেডি বলেছেনই), তাহলে আমি হয়ত একটা বিব্রতকর
> > অবস্থায় পড়ি, কিন্তু আপনি যে সময়সুযোগে আপনার অবস্থান পালটান, জনসমক্ষে
> > তা রীতিমতো উদোম হয়ে যায় (অলরেডি হয়েছে)।
>
> _________________________________________________________________
> News, entertainment and everything you care about at Live.com. Get it now!http://www.live.com/getstarted.aspx- Hide quoted text -
ধরা যাক, প্রয়াত নাট্যকার সেলিম আল দীন এর বোধবুদ্ধি এবং প্রতিভা
কোনোটারই সমঝদার আমি নই। কিন্তু আমার এক বান্ধবীকে ফার্স্টক্লাশের মূলা
ঝুলিয়ে পটিয়েছিলেন তিনি। এখন তাঁর নাটকের আলোচনায় আমি যদি সেলিম আল
দীন-এর ব্যক্তিগত "লুলুপনা"র প্রসঙ্গ হাজির করি, সেটা তাঁর প্রতি কতটুকু
সুবিচার হবে?
এই বাক্য পইড়া আমার মনে হইছে, সুমন রহমান সেলিম আল দীনের যেই নারী আসক্তি
আর নারীরে ম্যানিপ্যুলেট করনের অভ্যাস ছিলো, তারে সেলিম আল দীনের
নাটকালোচনায় আনতে চান না। আর গালিবের মনে হইছে,
কিন্তু আমাকে আক্রমণ করতে গিয়ে অকারণেই সেলিম আল দীনের উপর বর্শা নিক্ষেপ
করছেন কেন? হায়!
প্রয়াত নাট্যকার সেলিম আল দীন এর বোধবুদ্ধি এবং প্রতিভা কোনোটারই সমঝদার আমি নই।
----আহা রে! তাতে আমি কী করবো? ইতঃপূর্বে রাইসুদাও বললেন, মহাত্মা
সেলিমের লেখাই নাকি পড়তে পারেন না তিনি। ধন্যবাদ এই স্বীকারোক্তির জন্য।
বক্তার সামর্থ্যেরও পরিচয় পাওয়া গেল।
এবারে আসি সেলিম আল দীনের 'লুলুপনা' প্রসঙ্গে। আপনার যে বান্ধবী
ফার্স্টক্লাসের জন্য শিক্ষকের রিরংসাধন্যা হয়েছেন, ঘটনা সত্যি হলে ঐ
ছাত্রীর প্রতি নিন্দা, নিন্দা শিক্ষকেরও প্রতি। তবে প্রেম হলে ভিন্ন কথা।
আপনার অবগতির জন্য বলা যাচ্ছে, এবারে একুশের বইমেলায় জাগৃতি থেকে
প্রকাশিত 'ভাঙা প্রেম অশেষবিশেষ'-এ লেখকের আত্মস্বীকৃত লুলুপনার ইশতেহার
পেয়ে যাবেন, যেখানে ঊষা গাঙ্গুলি থেকে শাঁওলী মিত্র ইত্যাদি অনেকের সাথে
হৃদয়ের এ কূল ও কূল দুকূল ভেসে যাওয়ার ইতিবৃত্ত, ইঙ্গিত রয়ে গেছে। একবার
মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন বলেই কেউ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হয়ে যাবেন, আমি তা
মানি না। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে অনেক মুক্তিযোদ্ধারই অপকর্ম আমরা
প্রত্যক্ষ করেছি বা করে চলেছি। সারাজীবন মুক্তিযোদ্ধা থাকার ব্যাপার আছে
বলে মনে হয়। কবিসভায় অনপেক্ষ আলোচনা আপনার দ্বারা হয়েছিলো বলে সর্বত্রই
তা হবে, সে বিশ্বাসে দাসখত দেয়া গায়েবে ইমান আনার শামিল।
এই যে কুযুক্তির ধরন এইটার লগে কূয়াবাসীগো চরিত্রের যথাযথ মিল আমি এখনো
খুঁইজা পাই...মূল আলোচনারে অপ্রাসঙ্গিক কইরা সেলিম আল দীনের চরিত্রের
ভিন্ন দিক নিয়া গালিব আগ্রহী হ'ন বেশী...এর কারনটা বুঝি নাই।
#সুমন রহমান কইলেন
যা কিছু লেখালেখি হয়েছে, তার ভিত্তিতে কথা বলা ভালো। কানকথার ভিত্তিতে
নয়। আর একান্তই যদি জানতে চান, কবিসভার পোস্টগুলো খুলে দেখুন সখাতত্ত্বের
চর্চা আমরা কেমন করেছিলাম! এই ফোরামে মুক্তিমণ্ডলসহ আপনাদের আরো বন্ধুরা
কবিসভাতে ছিলেন। তারাও বলতে পারবেন।
এর জবাবে গালিব কইলেন
মুক্তি মণ্ডলকে আমার বন্ধু ঠাওরাচ্ছেন কেন? তিনি আমার অগ্রজ বন্ধু বটেন।
তেমন বন্ধু তো আপনি বা রাইসুদাও। কার বক্তব্য পক্ষে গেল বা বিপক্ষে গেল এ
দিয়েই কি বন্ধুত্ব নিরূপিত হবে? এই যে ধরেন অবনি অনার্য, অবিরাম অকারণ
পুলকে আমার বিপক্ষে বলে যাচ্ছেন, কিঞ্চিৎ গালিগালাজও করছেন, তিনি কি আমার
বন্ধু নন। অবনি, আপনি কি অস্বীকার করবেন?
মুক্তি মন্ডলের কবিসভার অভিজ্ঞতা তর্কের ধরণ নিয়া আগ্রহোদ্দীপক হইতে
পারে, সকলের বিশেষ কইরা গালিবের লেইগা...কিন্তু গালিব এই তথ্যের চাইতে
মুক্তি মন্ডলের লগে তার সম্পর্কের ধরণে আগ্রহী হইলেন বেশী।
তর্কের এই অপ্রাসঙ্গিকতা আসলেই উপাদেয়...চটক লেগে থাকে প্রকাশের ভঙ্গীতে...
ভালো থাইকেন সকলে
ভাস্কর
অবনি বাড়ি আছো?
প্রিয় সুব্রতদা,
A TALE OF A LONE GRAVE, A Lost Spaceship, Mon Amie, MY MOTHER, CONVOCATION DAY, MANKIND, THE TUNNEL, DESIGN, SOMEWHERE
পুনশ্চ, পুরনো তর্কটি হাজির করি। আশা করি একে কূটতর্ক হিশেবে দেখবেন না। তাহলে সকল স্নেহ-ভালোবাসাই ঝুট হয়ে পড়বে। এবং এই তর্কে বিন্দুমাত্র সৌজন্যের তরক হলে পূর্বাহ্নেই ক্ষমা চেয়ে রাখি।
ভাস্করদা,
প্রিয় গালিব,
আমার তর্কশাস্ত্রে ব্যুত্পত্তি নেই কোনো, তার পরও আপনার যুক্তিকে অকাট্য মনে হচ্ছে। আপনি যা-যা অর্থ করেছেন সবই, যাকে বলে "ব্যাং অন"। তবে একটা কথা শুধু আছে এখানে আমার: আমার কমেন্টটা আমার নিজের মতামত নিয়ে করা ছিল না। সম্প্রতি (এবং আগেও) আমরা লক্ষ করেছি (মানে আমি আশা করছি যে আপনিও করেছেন) যে ফেসবুকে, এবং এই গ্রুপেও, রাইসুর এই কবিতাটা, বিশেষ করে এই কবিতাটিতে ব্যবহৃত "গোয়া মারে" শব্দবন্ধটিকে নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, এবং কেউ কেউ স্রেফ এই "অপরাধে" কবিতাটিকে এবং রচয়িতার সব কবিতাকে অশ্লীল এবং শ্লীল ভাষায় খারিজ করেছে।
আমার বক্তব্যের নির্গলিতার্থ ছিল (বা উদ্দেশ্য ছিল বলতে পারেন) এই যে, যদি ঐসব লোকজনের কথা যথার্থ বলে মেনে নিইও আমি, অর্থাত্ ঐ শব্দবন্ধ তথা কবিতাটিকে খারাপ বলে "মেনে নিইও", তবু তাতে প্রমাণ হয় না যে রাইসুর বাদবাকি কবিতাগুলিকেও এই "কারণে" খারিজ করা যায়।
রাইসুর এই কবিতা, বা তাতে ব্যবহৃত এই শব্দবন্ধটির বিষয়ে আমার মতামত মুজিব দয়া করে উদ্ধার করেছিলেন আমার প্রবন্ধ থেকে। তাঁকে শুকরিয়া। ওখানে খোদ আমি এই শব্দবন্ধটির ব্যবহার নিয়ে মৃদু আপত্তি করেছিলাম, কিন্তু আপত্তির কারণটা (বলা বাহুল্য) "অশ্লীলতা" ছিল না, ছিল অসংসৃষ্টি।
আমার উপরের কথাগুলি যে পরের পোস্টেই আপনার শাণিত যুক্তি-ছুরিতে কাটা পড়বে আমি জানি, এবং তার জন্য আগাম হার স্বীকার করে রাখছি এখানেই। আর, আবারও বলছি, ভাই, আমি মোটামুটি স্বল্প বুদ্ধির মানুষ এবং ইমোশনদুষ্টও বটি, ফলে আমার কথার ফাঁক বের করতে খুব ঝানু উকিল হওয়া লাগেও না।
আর স্বল্পবুদ্ধি হবার কারণেই কেবল (বিশ্বাস করুন, আর কোনো প্যাঁচালো কারণে নয়), আপনার কাছে আপনার চিঠির শেষ প্যারাটার একটা ব্যাখ্যা আশা করছি: "এ তো হতেই পারে যে, বিগত এক সপ্তাহ অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহর ঘুরে ছুটি কাটিয়ে এসে, ফের থিতু হতেই, রাইসুদার কবিতাটা আপনার কাছে নতুনভাবে ধরা দিলো। রবীন্দ্রনাথের মত পাল্টাতে ৩৫ বছর লেগেছিলো, আপনার না হয় এক সপ্তাহ লাগলো। কোনো সমস্যা নেই। শুধু ভাবি, ইনকন্সিস্টেন্সির উত্তরাধুনিক রূপটা এমন হলে কারো উপর আস্থা রাখা যাবে কি?"
আমার তরফে মাত্র কয়েকটি আগাম আত্মপক্ষ সমর্থনের বৃথা চেষ্টা:
১. রাইসুর এই কবিতা আমার কাছে নোতুনভাবে ধরা দেয় নি। আপনার সেটা মনে হয়েছে (বা হয় নি আসলে, স্রেফ আমাকে খোঁচা দেবার জন্য বলছেন, মানে আমাকে নিয়ে ফান করবার জন্যে, তা হয় যদি, আমিও তাতে যোগ দিয়ে হাসতে চাই)।
২. একটা কবিতার বিষয়ে কারো মত পাল্টানো যে অপরাধের তাও কিন্তু নয়। আপনি রবীন্দ্রনাথের মাইকেল-ঘটিত নজিরটা টেনেছেন তো নিজেই। বরং মত পাল্টে গেলেও ফেস লুজ করবার ভয়ে আগের মতকে আপ্রাণ কামড়ে থাকার চেষ্টাটাও হাস্যকর মনে হয়। পরন্তু, রবীন্দ্রনাথের মত পাল্টাতে ৩৫ বছর আর আমার "পাল্টাতে" ৭ দিন লাগাটার মধ্যেই বা সমস্যা কোথায়? সেরকম তো হতেই পারে, তাই না? কেউ ১৮ বছরে, কেউ ৭৮ বছরে বিয়ে করতে পারে, তার ফলে কি প্রমাণ হয় যে ১৮-ওয়ালা কোনো অপরাধ করেছে? মানে বিয়ে করাটা অপরাধের হলে তো দুজনেই করেছে, যে বয়সেই করুক। অপরাধ না হলে কেউ করে নি। প্রত্যুত, মত পাল্টানো অপরাধ না হয়ে একটা স্বাভাবিক মানবিক প্রক্রিয়া হয় যদি তো উল্টে বলা যায় যে রবীন্দ্রনাথ অন্তত এ-বাবদে সুব্রতর চেয়ে অনেক বেশি পিছিয়ে ছিলেন :)
৩. "ইনকন্সিস্ট্যান্সির উত্তরাধুনিক রূপ"! ওয়াহ্! আমি মুগ্ধ। ফাজলামি করছি না। আই হ্যাভ থরোলি এনজয়ড দিস কইনিজ। ক্ষয়িষ্ণু স্মৃতি থেকে একটা সাক্ষাত্কারের উল্লেখ করি (একজ্যাক্ট ডিটেলস দিতে পারব না, মুজতবা আলীর কোনো লেখায় পড়েছিলাম এক-জন্ম আগে), রবীন্দ্রনাথকে প্রশ্ন করেছিল কোনো এক বিলাতি কাগজ: হোয়াট ইজ ইয়োর মোস্ট ফেভরিট ভাইস? রবীন্দ্রনাথের জবাব: "ইনকন্সিসট্যান্সি"। তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: হোয়াট ইজ ইয়োর বেস্ট ফেভরিট ভ্যর্চু? রবিবাবুর জবাব: "ইনকন্সিসট্যান্সি"।
আমার অবশ্য টায়-টায় মনে পড়ছে না তিনি "ইনকন্সিসট্যান্সি" বলেছিলেন, নাকি, তার কাব্যিক প্রতিশব্দ, "মিউট্যাবিলিটি"।
শুভ হোক।
সুব্রত
| গালিব, তোর কুয়োদর্শনের ভূয়োদর্শন পড়ে মজা পাওয়া গেল। কিন্তু পুষ্পকীট শুয়োপোকারা কি তা বুঝবে? নেটে বসা হয় না। কাজেই আছি অতর্কিত, তর্ক হতে বহুদূর। রাশেদুজ্জামান --- On Tue, 4/28/09, Sohel Hasan Galib <kranti...@gmail.com> wrote: |
প্রিয় গালিব,
গ্রুপে মোট তিনবার মেসেজটা পাওয়া গেছে, একবার মূল থ্রেডে, দুইবার
আলাদাভাবে। মূল থ্রেডে একবার রেখে বিচ্ছিন্ন দুটো মুছে দেয়া হলো।
মডারেটর