হাযরত ওমর (রাঃ) এর জোড়া কাপরের ঘটনা থেকে যা শিক্ষ্যনীয়

25 views
Skip to first unread message

abu sayed

unread,
Apr 8, 2014, 12:14:15 AM4/8/14
to inside-...@googlegroups.com
১) কোন বিচ্যুতি চোখে পড়লে তা 'ইনফেরাদি' বা একাকী ও প্রতিবাদ করা যায়, যদিও ঐ বিচ্যুতির ব্যাপারে ঐক্যমত নাও থাকে। 'ইজতিমায়ী' প্রতিবাদ হলে আরো ভাল।

২) নিছক সন্দেহের ভিত্তিতেও কোন 'খলিফা/ঈমাম/গভর্নর/আমীরের' বিরুদ্ধে কোন বিচ্যুতির কারনে অভিযোগ করা যায়। যদিও সেই সন্দেহ পরে ঠিক/বেঠিক -যাই প্রমানিত হোক না কেন। কেননা, ঐ ব্যক্তির সন্দেহ পরে বেঠিক প্রমানিত হয়েছে।

৩) উক্ত অভিযোগ ছিল -আমানতের খেয়ানত বা বায়তুল মালের আত্মসাতের ব্যাপারে। তাই বায়তুল মালের খেয়ানত, বা আমানতের খেয়ানত, বা চুরি বা সম্পদ আত্মসাতের লক্ষন থাকলে তার অভিযোগ করা দরকার।

৪) অভিযোগকারীকে কোন শাস্তি প্রদান করা যাবে না। স্ব্য়ং খলিফা হায্রত ওমর রাঃ এর বিরুদ্ধে এত বড় আত্মসাতের অভিযোগ করা সত্তেও তিনি ঐ ব্যাক্তিকে হাস্তি দেন নি।

              ৫) 'খলিফা/ঈমাম/গভর্নর/আমীরের' কর্তব্য হোল, অতি দ্রুত নিজের অবস্থান/স্বচ্ছতা পরিস্কার করা। নইলে পদত্যাগ করে সরে যাওয়া।
Reply all
Reply to author
Forward
0 new messages