An'am: 128-131

23 views
Skip to first unread message

Al-Quran Protidin

unread,
Dec 8, 2011, 12:33:36 PM12/8/11
to bangla...@googlegroups.com

সূরা আ-আনআম

আয়াত: ১২৮-১৩১

Can’t read due to font problem? Please click here or visit www.aqpbd.com!

আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই অভিশপ্ত শয়তান থেকে; পরম করুণাময় মেহেরবান আল্লাহর নামে শুরু করছি।

وَيَوْمَ يَحْشُرُهُمْ جَمِيعًا يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ قَدِ اسْتَكْثَرْتُم مِّنَ الْإِنسِ ۖ وَقَالَ أَوْلِيَاؤُهُم مِّنَ الْإِنسِ رَبَّنَا اسْتَمْتَعَ بَعْضُنَا بِبَعْضٍ وَبَلَغْنَا أَجَلَنَا الَّذِي أَجَّلْتَ لَنَا ۚ قَالَ النَّارُ مَثْوَاكُمْ خَالِدِينَ فِيهَا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّـهُ ۗ إِنَّ رَبَّكَ حَكِيمٌ عَلِيمٌ

১২৮. যেদিন তিনি তাদের সবাইকে সমবেত করবেন এবং বলবেন: হে জিন সম্প্রদায়!১৩৪ তোমরা তো অনেক লোককে তোমাদের অনুগামী করেছিলে এবং মানুষের মধ্যে তাদের বন্ধুরা বলবে: হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের মধ্যে কেউ কেউ অন্যকে দিয়ে লাভবান হয়েছে১৩৫ এবং তুমি আমাদের জন্য যে সময় নির্ধারিত করেছিলে এখন আমরা তাতে উপনীত হয়েছি। সেদিন আল্লাহ বলবেন: জাহান্নামই তোমাদের বাসস্থান, তোমরা সেখানেই স্থায়ী হবে, যদি না আল্লাহ অন্য কোনো ইচ্ছা করেন। তোমার প্রতিপালক অবশ্যই প্রজ্ঞাময়, সবিশেষ অবহিত।১৩৬

128. And on the Day when He will gather them (all) together (and say): "O you assembly of jinns! Many did you mislead of men," and their Auliya' (friends and helpers, etc.) amongst men will say: "Our Lord! We benefited one from the other, but now we have reached our appointed term which You did appoint for us." He will say: "The Fire be your dwelling-place, you will dwell therein forever, except as Allah may will. Certainly your Lord is All-Wise, All-Knowing."

১৩৪. এখানে জিন বলতে মূলত শয়তান জিনদেরকে বুঝানো হয়েছে।

১৩৫. অর্থাৎ তাদের প্রত্যেকে প্রত্যেককে অবৈধভাবে কাজে লাগিয়েছে এবং তার মাধ্যমে লাভবান হয়েছে। প্রত্যেকে অন্যকে প্রতারণা করে নিজের কামনা বাসনা চরিতার্থ করেছে।

১৩৬. অর্থাৎ যদিও আল্লাহ তালা যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেয়ার এবং যাকে ইচ্ছা মাফ করার পূর্ণ ক্ষমতা রাখেন কিন্তু এ শাস্তি দেয়া বা ক্ষমা করা যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিছক খেয়াল খুশীর ভিত্তিতে হবে না। বরং এর পেছনে থাকবে জ্ঞান ও ন্যায়সঙ্গত কারণ। আল্লাহ সে অপরাধীকে মাফ করবেন যার সম্পর্কে তিনি জানেন যে, তার অপরাধের জন্য সে নিজে দায়ী নয়। তিনি তাকেই শাস্তি দেবেন যাকে শাস্তি দেয়া তিনি যুক্তিসঙ্গত মনে করবেন।

وَكَذَٰلِكَ نُوَلِّي بَعْضَ الظَّالِمِينَ بَعْضًا بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ

১২৯. এভাবে তাদের কৃতকর্মের কারণে আমি জালিমদের একদলকে অন্যদলের সাথী করে থাকি।১৩৭

129. And thus We do make the Zalimun (polytheists and wrong-doers, etc.) Auliya' (supporters and helpers) one to another (in committing crimes etc.), because of that which they used to earn.

১৩৭. অর্থাৎ যেভাবে পৃথিবীতে অপরাধ ও অসৎকাজ করার ব্যাপারে তারা পরস্পরের অংশীদার ছিল, ঠিক তেমনি আখিরাতেও শাস্তি পাবার ক্ষেত্রেও তারা পরস্পরের সাথী হবে।

يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ أَلَمْ يَأْتِكُمْ رُسُلٌ مِّنكُمْ يَقُصُّونَ عَلَيْكُمْ آيَاتِي وَيُنذِرُونَكُمْ لِقَاءَ يَوْمِكُمْ هَـٰذَا ۚ قَالُوا شَهِدْنَا عَلَىٰ أَنفُسِنَا ۖ وَغَرَّتْهُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَشَهِدُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ أَنَّهُمْ كَانُوا كَافِرِينَ

১৩০. আমি তাদেরকে বলবো: হে জিন ও মানুষের সমাবেশ! তোমাদের মধ্য থেকে কি রাসূলগণ তোমাদের কাছে আসে নি যারা আমার নিদর্শন তোমাদের কাছে বর্ণনা করতো এবং তোমাদেরকে এই দিনের মুখোমুখি হবার ব্যাপারে সতর্ক করতো? তারা বলবে: আমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলাম।১৩৮ আসলে পার্থিব জীবন তাদেরকে প্রতারিত করেছিল। আর তারা নিজেদের বিরুদ্ধে এ সাক্ষ্যও দিবে যে, তারা কাফির ছিল।১৩৯

130. O you assembly of jinns and mankind! "Did not there come to you Messengers from amongst you, reciting unto you My Verses and warning you of the meeting of this Day of yours?" They will say: "We bear witness against ourselves." It was the life of this world that deceived them. And they will bear witness against themselves that they were disbelievers.

১৩৮. অর্থাৎ আমরা স্বীকার করছি, আপনার পক্ষ থেকে রাসূলের পর রাসূলগণ এসেছেন। তারা প্রকৃত সত্যের ব্যাপারে ক্রমাগতভাবে আমাদের অবহিত ও সতর্কও করেছেন। কিন্তু তাদের কথা না মেনে আমরা নিজেরাই ভুল করেছি।

১৩৯. অর্থাৎ এটা তাদের অজানা ছিল না যে, তারা আসলে অস্বীকারকারী ছিল। তারা নিজেরাই স্বীকার করবে, সত্য তাদের কাছে পৌঁছেছিল ঠিকই, কিন্তু তারা নিজেরাই তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

ذَٰلِكَ أَن لَّمْ يَكُن رَّبُّكَ مُهْلِكَ الْقُرَىٰ بِظُلْمٍ وَأَهْلُهَا غَافِلُونَ

১৩১. এটা (রাসূলদেরকে প্রেরণের এই সাক্ষ্য নেয়া) এজন্য যে, তোমাদের প্রতিপালক কোনো জনপদকে তার অন্যায় আচরণের জন্য ধ্বংস করতেন না যখন সেখানকার অধিবাসীরা (প্রকৃত সত্য সম্পর্কে) অবহিত নয়।১৪০

131. This is because your Lord would not destroy the (populations of) towns for their wrong-doing (i.e. associating others in worship along with Allah) while their people were unaware (so the Messengers were sent).

১৪০. আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে তাঁর মোকাবিলায় এ মর্মে প্রতিবাদ জানাবার সুযোগ দিতে চান না যে, আপনি প্রকৃত সত্য সম্পর্কে আমাদের অবগত করেননি এবং আমাদের সঠিক পথ জানাবার কোন ব্যবস্থাও করেননি। ফলে অজ্ঞতাবশত আমরা যখন ভুল পথে চলতে শুরু করেছি অমনি আমাদের পাকড়াও করতে শুরু করেছেন! এ যুক্তি প্রদর্শনের পথ রোধ করার জন্য আল্লাহ নবী পাঠিয়েছেন, কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। এভাবে জিন ও মানব জাতিকে সত্যপথ সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে অবগত করেছেন। এরপর লোকেরা ভুল পথে চললে এবং আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিলে এর যাবতীয় দায়-দায়িত্ব তাদের ওপরই বর্তায়, আল্লাহর ওপর নয়।

মহান আল্লাহ তালাই সবচেয়ে ভালো জানেন

--- দয়াময় আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর পবিত্র বাণীর মর্মার্থ অনুধাবন ও তা মেনে চলার তৌফীক দিন। আমীন!

আগের আয়াতগুলো পড়তে ক্লিক করুন: আ ল - কু র আ ন   প্র তি দি ন

Please visit the own site of Al-Quran Protidin @ www.aqpbd.com

Reply all
Reply to author
Forward
0 new messages